মুখের হাসি ফাউন্ডেশন

মুখের হাসি ফাউন্ডেশন একটি সুবিধাবঞ্চিত ও পথশিশু সেবা সংস্থা !

জিনিস পত্রের দাম যেভাবে বাড়ছে, টাকার মান যেভাবে কমছে, কবে নাকি এরকম হয়ে যায় ???মোবাইলে একটা SMS এলো। তাকিয়ে দেখি.."সরকা...
04/03/2023

জিনিস পত্রের দাম যেভাবে বাড়ছে, টাকার মান যেভাবে কমছে, কবে নাকি এরকম হয়ে যায় ???

মোবাইলে একটা SMS এলো। তাকিয়ে দেখি..
"সরকারের তরফ থেকে আমার এ্যাকাউন্টে ৫০ লাখ টাকা দেয়া হয়েছে"
আমার মন খুশিতে ভরে গেল। ঘর থেকে বের হলাম আর চিৎকার করে বাড়ির সবাইকে বলছি....
"সবাই শোনো, দিন বদলে গেছে, আমার এ্যাকাউন্টে ৫০ লাখ টাকা এসে গেছে"।
রুম থেকে বউ বেরিয়ে বললো, "অত খুশির কি আছে, আমার এ্যাকাউন্টেও ৫০ লাখ টাকা দিয়েছে। এই যে মেসেজ দেখ।"
একটু অবাক হলাম, ভাবলাম আশেপাশে সবাইকে
গিয়ে বলি। বাড়ির পাশের লোক আমায় বলছে,
"বেশি উত্তেজিত হয়ো না, আমাদের এ্যাকাউন্টেও ৫০ লাখ জমা হয়েছে।"
আমার খুশি সব উড়ে গেল। ভাবলাম যাই, বাজার থেকে কিছু মিষ্টি নিয়ে আসি।
বাজারে গিয়ে দেখলাম, দোকান বন্ধ। পাশের একজনকে জিজ্ঞেস করলাম,
"ও ভাই এই মিষ্টির দোকান বন্ধ কেন?"
সে বললো, "মিষ্টি দোকানদারের আর দোকানদারি করার কি দরকার। তার এ্যাকাউন্টে ৫০ লাখ এসে গেছে।"
তাই ভাবলাম একটু নিউ মার্কেটে যাই, সেখান থেকে কিছু নিয়ে আসি।
সেকি! কোনো দোকান পাট খোলা নেই।
ওনাদের এ্যাকাউন্টেও নাকি ৫০ লাখ এসে গেছে.....।
প্রচন্ড খিদে পেয়েছে ভাবলাম এখানে তো দোকান পাট বন্ধ। সামনের দিকে যাই, ভালো কোন হোটেলে তৃপ্তি করে খাওয়া যাবে।
সামনে যতই যাই সবই দেখি ফাঁকা। হোটেলের বাইরে দাড়িয়ে থাকা স্বাগত জানানোর সেই লোকও নেই, যে কাস্টমার দেখলেই সালাম ঠুকে ওয়েলকাম করেন, শপিং মলের সিকিউরিটিও নেই। সবার এ্যাকাউন্টেই ৫০ লাখ এসে গেছে। মার্কেটে কেউ নেই।
সবজি ওয়ালা, চা ওয়ালা, সরবত ওয়ালা
ফাস্টফুড ওয়ালা কেউ নেই। সব কিছুই বন্ধ।
সকলের ঠিকানা এখন ব্যাঙ্কে ৫০ লাখ টাকা তোলার জন্যে। কেননা এখন আর কারো কাজ করার দরকার নেই, সবার কাছেই ৫০ লাখ আছে।
আমার এক বন্ধু ফোন করে বললো,
"আমি জব ছেড়ে দিয়েছি, আমার এ্যাকাউন্টে ৫০ লাখ টাকা আছে"
আমার এক বড় ভাই ফোন করে বললো,
"আমার আর্ট স্কুল অফ করে দিয়েছি"
"আমার আশেপাশের ছোট বোন আর স্কুলে যাচ্ছে না"
"আমার এক বন্ধু টিউশন পড়ানো বন্ধ করে দিয়েছে"
"নিপা নামের মেয়েটিও আর কলেজে যায় না"
"ইভান আর জব খু্ঁজে না"
'শ্রমিকরা আর কারখানায় যায় না, কলকারখানা সব বন্ধ"।
সবার এ্যাকাউন্টে ৫০ লাখ টাকা জমা আছে। সবাই এখন বড়লোক। সবাই সুর তুলছে, গান করছে, নৃত্য করছে.....
বিকেলে হাটতে হাটতে মাঠের দিকে গেলাম, কৃষকরা সবাই কাজ ছেড়ে বাড়িতে। কেউ নেই জমিতে। এখন তাদের রোদে পুড়ে বৃষ্টিতে ভিজে কাজ করার আর দরকার নেই। তারা সবাই বড়লোক হয়ে গেছে। সবার এ্যাকাউন্টেই ৫০ লাখ টাকা।
৭ দিন পর দেখা গেল খিদের জ্বালায় লোক কাঁদছে।
কেননা, জমি থেকে কেউ ফসল তুলছে না, সমস্ত দোকানপাট বন্ধ, হোটেল, মেডিক্যাল সব বন্ধ। অসুস্থ হয়ে মানুষ মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। কেননা, খাবার নেই, ডাক্তার নেই। পশুরাও না খেতে পেয়ে মরছে। জমিতে সবুজ ঘাস নেই, সোনালী ফসল নেই। শিশুরা খিদের জ্বালায় কাঁদছে, গোয়ালা দুধ দিচ্ছে না বলে।
মানুষ এখন ছুটছে মুঠো মুঠো টাকা নিয়ে। রাস্তায় রাস্তায় ঘুরছে পকেটে টাকা নিয়ে।
কাঁদছে মানুষ লক্ষ টাকা হাতে নিয়ে আর বলছে,
"এই ভাই নাও ১০ হাজার টাকা, আমাকে ২০০ গ্রাম দুধ দাও। দুদিন বাচ্চাটা না খেয়ে আছে।
১০ দিন বাদে মানুষ না খেতে পেয়ে মরছে। কিছু কিছু লোক টাকার ব্যাগ নিয়ে ঘুরছে রাস্তায়। এই নাও ভাই ৫ লাখ টাকা, "আমাকে ৫ কেজি চাল দাও। ১০ দিন থেকে না খেয়ে আছি।"
সব বাজার হাট বন্ধ হয়ে গেছে। শাক সবজি খাবার দাবার কারো কাছেই নেই। সবদিকে শুধু মৃত্যুর ছবি দেখা যাচ্ছে।
আমিও আমার ৫০ লাখ টাকা নিয়ে ছুটে বেড়াচ্ছি, নাও ভাই নাও ৫০ লাখ নিয়ে নাও,
তবুও কিছু খাবার দাও"।
কে কার টাকা নেবে, খাবার কারো কাছেই নেই। মানুষ মানুষের দিকে তেড়ে আসছে হিংস্র সিংহের মত। মনে হচ্ছে, মানুষ মানুষকে খাবে।
গরিব আমরা, কিন্তু ঘরে
"দুমুঠো খাবার তো আছে"
"তৃষ্ণার পানি তো আছে"
"শিশুরা খেলছে"
"পশুরা মাঠে ঘাস খাচ্ছে"
"দোকানে ভিড় আছে"
"যানবাহন চলছে তো চলছে"
"মানুষের সমাগম চলছে"
"বাগানে ফুল ফুটছে"
প্রকৃতি হাসছে.....
অনেকে ভাবে সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ কেন ধনী গরীব সুষ্টি করছে ?
সবাইকেতো চাইলে ধন সম্পদ দিতে পারতো।সবাইকে সুখ শান্তি দিতে পারতো।
বাস্তবতা হল ধনী গরীব বৈশম্য আছে বিধায় এখনও পৃথিবী টিকে আছে এবং কেয়ামত পর্যন্ত টিকে থাকবে…
শেষ পর্যন্ত বলতে চাই, টাকাই সব না।

01/03/2023

ইনশাআল্লাহ আগামী ০৩/০৩/২০২৩ তারিখের ড্রিম হলিডে পার্কের জন্য প্রস্তুত 💪💪💪,,,, আর দুই,তিনটা সিট খালি আছে কেউ অংশগ্রহণ করতে চাইলে ইনবক্সে যোগাযোগ করেন...

01/10/2022

আমাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে
সকল সনাতন ধর্মী ভাই,বন্ধু,প্রতিবেশীদের জানাই শারদীয় উৎসবের শুভেচ্ছা।❤️

06/08/2022

ঘটনা কী ঘটবে?

সরল কাণ্ডজ্ঞান বলে-
সব কিছুর দাম বাড়বে।
সব পর্যায়ে মানুষ সব ধরনের ভোগ কমাবে। ভোগ কমলে আমদানি কমবে, মানে আমার ডলার যোগান দেওয়ার ভাবনা কমবে।

ভোগ কমে যাওয়ার কারণে দেশে যাদের আয়রোজগার কমে যাবে তারা সস্তায় শ্রম ও স্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করতে বাধ্য হবে। আর প্রবাসীরা যার যার পরিবারের ব্যয় বৃদ্ধি মুকাবিলা, স্থাবর সম্পদ ক্রয়ের জন্য কিছু হলেও বেশি অর্থ দেশে পাঠাবে। আমার ডলার আয় বাড়বে।

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে যাওয়া নিয়া আলগা টেনশান করতে হবে না। সাধারণ মানুষ কপালরে দোষ দিয়া দিন গুজরাইতে থাকবে।

গরীবের দুঃখ-কষ্টরে পাত্তা দেওয়ার কিছু নাই। তাদের কাছে জবাব দেওয়ারও কিছু নাই। তাদের কাছে ভোটের জন্যও যাইতে হবে না, আর গেলেও আমারে যে তারা ভোট দেবে তার নিশ্চয়তাও নাই। সুতরাং চুরিডাকাতিলুটপাটপাচার অব্যাহত থাকবে। যদি একান্তই সামলাইতে পারা না যায়, তাইলে বিদেশ চইলা যাব। বুদ্ধিটা ভাল না?

সুতরাং

নো টেনশান, ডু ফুর্তি!

09/06/2022

# # একটি শিক্ষনীয় গল্প # #

⭕ ঘটনা - ১
ইন্টারভিউ টেবিলের স্যার কিছুক্ষণ চুপ করে রইলেন । তারপর, ভারী গলায় বললেন - বাহ ! তোমার সার্টিফিকেট তো বেশ ভালো ! তোমাকে আর প্রশ্ন করতে চাচ্ছি না । ধরে নাও তুমি চাকরিটি পেয়ে গেছো । কিন্তু সমস্যা হচ্ছে বড় স্যারকে উপহার হিসেবে ৫ লাখ টাকা দিতে হবে । এক সপ্তাহের মধ্যে টাকাটা জমা করে দাও । তারপর তোমার নিয়োগ হবে । ছেলেটি ইন্টারভিউ রুম থেকে বের হয়ে বাড়িতে এসে তার বাবাকে জানালো, ৫ লাখ টাকা না হলে তার চাকরিটা হবে না । গ্রামের সহজ সরল বাবা নিজের ছেলের চাকরির জন্য ভিটা বাড়ি বিক্রি করে ৫ লাখ টাকা জোগাড় করলেন । তারপর বড় স্যারকে উপহার হিসেবে ৫ লাখ টাকা দিয়ে ছেলেটি চাকরি পেয়ে গেলো ।

⭕ ঘটনা - ২
আজ বড় স্যারের ছেলের জন্মদিন । বাড়িতে বিশাল পার্টির আয়োজন করা হয়েছে । তিনি বাড়িতে ঢুকেই তার ছেলের নাম ধরে ডাকতে শুরু করলেন । ছেলে কাছে আসতেই বড় স্যার “হ্যাপি বার্থডে মাই সান” বলতে বলতে ছেলের হাতে ৫ লাখ টাকার বাইকের চাবি তুলে দিলেন । বাইক পেয়ে ছেলেটি খুশিতে আত্মহারা হয়ে বাবাকে জড়িয়ে ধরে চিৎকার দিয়ে বললো - আমার বাবা পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বাবা ।

⭕ ঘটনা - ৩
বড় স্যারের ছেলে আজ বাইক নিয়ে ঘুরতে বেরিয়েছে ঘন্টায় ৮০ কিলোমিটার বেগে রাজপথে ছুটে চলেছে বাইক । হঠাৎ ট্রাকের সাথে ধাক্কা সবকিছু থেমে গেলো । বড় স্যারের ছেলেকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হলো হাসপাতালের বড় ডাক্তার সাহেব জানালেন আপনার ছেলের অবস্থা ভালো না, খুব জটিল একটা অপারেশন করাতে হবে, কাউন্টারে ১০ লাখ টাকা জমা করে দিন । বড় স্যার কোনও উপায় না দেখে মেয়ের বিয়ের জন্যে ব্যাংকে জমিয়ে রাখা টাকাটা কাউন্টারে জমা করে দিলেন ।

⭕ ঘটনা - ৪
বড় ডাক্তার সাহেব আজ খুব খুশি । ৩-৪ লাখ টাকার অপারেশনের জন্য ১০ লাখ টাকা নিয়েছেন, পুরোটাই লাভ । খুশিতে তিনি তার একমাত্র মেয়ের জন্য স্বর্ণের নেকলেস কিনে বাসায় ফিরলেন । বাসায় ঢুকেই তিনি তার কলেজ পড়ুয়া মেয়েকে মামুনি মামুনি বলে ডাকতে শুরু করলেন । ডাক্তার সাহেবের বউ কাঁদতে কাঁদতে বললেন, তাদের মেয়ে এখনও বাসায় ফেরেনি । বড় ডাক্তার সাহেব তার মেয়েকে অনেক খোঁজাখুঁজি করলেন, কোথাও কোনও খোঁজ না পেয়ে তিনি যখন দিশেহারা হয়ে পড়লেন, ঠিক তখনই অপরিচিত এক নাম্বার থেকে ফোন এলো । ফোনেও ঐ প্রান্ত থেকে জানালো, আপনার মেয়ে আমাদের কাছে, মেয়েকে ফেরত পেতে হলে মুক্তিপণ হিসেবে ২০ লক্ষ টাকা দিতে হবে । কথাটা শুনে বড় ডাক্তার সাহেবের স্ত্রী স্ট্রোক করলেন ।

⚫🔴 শিক্ষাঃ আপনি অতীতে যা করেছেন, বর্তমানে যা করছেন, ভবিষ্যৎ তার চেয়েও ভয়ঙ্কর রূপে আপনার কাছে ফিরে আসবেই ।।

সুতরাং সময় থাকতেই সাবধানী হোন। সৎ পথে চলার অভ্যাস করুন।

আল্লাহ্‌ আমাদের সবাই কে সৎ পথে চলার তৌফিক দান করুন 🛐আমিন ।

24/05/2022

দুর্ঘটনায় বিচ্ছিন্ন অঙ্গ সংরক্ষন করে কিভাবে হাসপাতালে আনবেনঃ
কোরবানির ঈদে অনেক অপেশাদার সাধারন মানুষ পশুর মাংস প্রস্তুতে নিযুক্ত হন।কাটাকাটির অভিজ্ঞতা না থাকায় অনেকেই দুর্ঘটনার শিকার হন।বিশেষ করে ভারি ধারালো অস্ত্র দিয়ে সজোড়ে হাড় কাটার সময় কারো পুরো আঙ্গুল হয়ত বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।কোরবানির ঈদে এই ঘটনা বিরল নয়।প্রতি বছর ই বড় ঈদে দেশের প্লাস্টিক সার্জনদের কাছে এমন অনেক কেস আসে।কিন্তু সঠিক সময়ে পৌঁছাতে না পারায় এবং সঠিক পদ্ধতিতে সংরক্ষন করে না আনায় অধিকাংশ ক্ষেত্রে কাংখিত ফলাফল দেয়া সম্ভব হয় না।
শুধু কোরবানির কাটাকাটি ছাড়া ও মারামারি বা রোড ট্রাফিক এক্সিডেন্টে ও কারো অঙ্গ বিচ্ছিন্ন হতে পারে। বিচ্ছিন্ন অঙ্গ কেউ পুণঃসংযোজন করতে চাইলে আসতে হবে মাইক্রোসার্জারিতে পারদর্শী একজন প্লাস্টিক সার্জনের কাছে।আমরা সাধারন মানুষ বিচ্ছিন্ন অঙ্গের সংরক্ষন পদ্ধতি জানিনা এবং কত সময়ের মধ্যে আসতে হবে তাও জানিনা।
বিচ্ছিন অঙ্গটি (আঙ্গুল,হাত বা পা) প্রথমেই নরমাল স্যালাইন দিয়ে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে।নরমাল স্যালাইন পাওয়া না গেলে পরিষ্কার পানি দিয়ে খুব দ্রুত পরিষ্কার করে নিলেও চলবে।তারপর একটি পরিষ্কার কাপড় বা টিস্যু দিয়ে শুকিয়ে ফেলতে হবে।শুকনো অঙ্গটি একটি পরিষ্কার পলিথিনে ভরে পলিথিনের মুখ ভালভাবে আটকে নিতে হবে।অতপর একটি আইস বক্সে বরফ দিয়ে সেখানে পলিথিনে ভরা অঙ্গটি সংরক্ষন করতে হবে।যদি আইস বক্স না পাওয়া যায় সেক্ষেত্রে অন্য একটি পলিথিনে বরফ নিয়ে তার ভিতর পলিথিনে মোড়ানো অঙ্গটি সংরক্ষন করা যাবে।
বরফ দেয়ার উদ্দেশ্য হল দীর্ঘ সময় যেন সতেজ থাকে অঙ্গটি।তাই পরিবহনের সময় প্রয়োজনে মাঝপথে বরফ সংযোজন করা যাবে।
অঙ্গহানির ৬ ঘন্টার মধ্যে নির্দিষ্ট হাসপাতালে পৌঁছাতে হবে।এই ক্ষেত্রে সময় খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।তাই সবচে ভাল হয় যদি রওয়ানা দেয়ার পুর্বেই মাইক্রোসার্জারিতে অভিজ্ঞ একজন প্লাস্টিক সার্জনের সাথে ফোনে যোগাযোগ করে রওয়ানা দেয়া যায়,যাতে সেই সময়ের মধ্যে সার্জন তার টিম ও অপারেশন থিয়েটার প্রস্তুত করে ফেলতে পারে।
এই সার্জারি মাইক্রোস্কোপ এর নীচে করা হয় অথবা সার্জন একটি মাইক্রোস্কোপ সংবলিত বিশেষ চশমা পরিধান করেন যাকে লুপ বলা হয়।বিচ্ছিন্ন অঙ্গ সাধারন ভাবে পুর্বের যায়গায় সেলাই করে সংযোজন করে দিলে কোনভাবেই টিকবেনা।রক্তনালীর সংযোজন যা এই সার্জারির সবচে চ্যালেঞ্জিং পার্ট। এছাড়া ও স্নায়ু, মাংশপেশীর টেন্ডন এই সব ই জোড়া লাগাতে হয়।
ডা ইকবাল আহমেদ
স্পেশালিষ্ট প্লাস্টিক এন্ড এস্থেটিক সার্জন
সহকারী অধ্যাপক , বার্ণ এন্ড প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগ,
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

মুখের হাসি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদকের ৮তম ব্লাড ডোনেশন
22/05/2022

মুখের হাসি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদকের ৮তম ব্লাড ডোনেশন

একুশে পদক এদের পাওয়া উচিৎ পেশায় তিনি দিনমজুর। কাজ করেন ইটভাটায়। কিন্তু আরও একটা পরিচয় আছে তার। তিনি একটি পত্রিকার সম্পাদ...
19/05/2022

একুশে পদক এদের পাওয়া উচিৎ

পেশায় তিনি দিনমজুর। কাজ করেন ইটভাটায়। কিন্তু আরও একটা পরিচয় আছে তার। তিনি একটি পত্রিকার সম্পাদক, প্রকাশক, লেখক এবং হকার।

আর ‘আন্ধারমানিক’ নামে সেই পত্রিকাটি তিনি বের করেন সম্পূর্ণ হাতে লিখে। তার কিছু প্রতিবেদকও কাজ করেন ইটভাটায়।

অনেক মানুষের জীবনের অন্ধকার কাটিয়ে আলো এনেছে তার ‘আন্ধারমানিক’। পটুয়াখালীর প্রান্তিক মানুষের জীবনের অন্ধকার ছিঁড়েখুঁড়ে আশার আলোর রেখা দেখিয়ে চলেছে তার হাতেলেখা ‘আন্ধারমানিক’।

https://cutt.ly/FHjXayN

19/05/2022

স্ত্রী : এতোগুলো কাপড় ধোয়ার জন্য ফেলে রেখোনা।
স্বামী : কেন?
স্ত্রী : খালা(বুয়া) আগামী ২দিন আসবেন না।
স্বামী : কেন?
স্ত্রী : তিনি মেয়ের বাড়িতে নাতনীকে দেখতে যাবেন।
স্বামী : ওকে! তাহলে কিছু কাপড় আমি নিজেই ধুয়ে ফেলবো।
স্ত্রী : আমি কি উনাকে ১০০০টাকা অতিরিক্ত দিতে পারি???
স্বামী : কেন? সামনে তো ঈদ! তখন তো তাকে এমনিতেই বোনাস দিতে হবে!
স্ত্রী : ওহ জান! তিনি তার মেয়ে এবং নাতনীকে দেখতে যাবেন।যাওয়ার সময় তিনি হয়তো তাদের জন্য কিছু নিয়ে যাবেন।আজকাল সবকিছুর দাম বাড়তি।যাওয়ার সময় তার কিছু টাকার প্রয়োজন!
স্বামী : তুমি অতি সহজেই ইমোশনাল হয়ে পড়ো!
স্ত্রী : ওহ জান! তুমি চিন্তা করোনা,তোমাকে অতিরিক্ত খরচ করতে হবেনা।আজ বিকেলে রেস্টুরেন্টে পিজ্জা খাওয়ার যে কথাটা ছিলো,সেটা আমি খাবোনা। কেন শুধু শুধু কয়েকটুকরো ব্রেড খাওয়ার জন্য এতোগুলো টাকা খরচ করবো।সেই টাকাটা আমরা খালাকে (বুয়াকে) দিয়ে দিবো।
স্বামী : তোমার যা ইচ্ছে করো।
বুয়া ৩দিন পরে বাসায় আসলো। এসেই ঘর-দোর পরিস্কার করতে লেগে গেলো।
স্বামী বুয়াকে জিজ্ঞেস করলো: " আপনার ছুটি কেমন কেটেছে? "
বুয়া: মামা অনেক ভালো কেটেছে। আমি যাওয়ার সময় আম্মা(স্ত্রী) আমাকে ১০০০টাকা দিয়েছেন! "
স্বামী : তাই আপনি মেয়ে এবং নাতনীর সাথে দেখা করতে গিয়েছেন?
বুয়া: জী,মামা। অনেক মজা হয়েছে,২দিনে সবটা টাকা খরচ হয়েছে!
স্বামী : তাই? কি কি করলেন ১০০০টাকা দিয়ে শুনি?
বুয়া: ৩০০টাকা দিয়ে নাতনীর জন্য একটা জামা কিনেছি, ৮০টাকা দিয়ে একটা পুতুল নিয়েছি, ২০০টাকার মিষ্টি কিনেছি, ১৫০টাকা দিয়ে মেয়ের জন্য চুড়ি কিনেছি, ১২০টাকা বাস ভাড়া এবং ১৫০টাকা নাতনীর স্কুলের খাতা-কলম কেনার জন্য দিয়েছি।
এভাবে বুয়া সবটা টাকার হিসেব দিয়ে দিলো।
বিকেলে যখন সে স্ত্রীকে নিয়ে পিজ্জা খেতে গেলো, ওয়েটার পিজ্জা দেওয়ার পর সে আশ্চর্য হলো! আট টুকরো পিজ্জার দিকে তাকিয়ে তার সকালবেলায় বুয়ার কথাগুলো মনে পড়লো!.... সে আট পিস পিজ্জার দিকে তাকিয়ে রইলো...১ম পিস পিজ্জা দিয়ে ১টা শিশুর নতুন পোশাক...২য় পিস পিজ্জা দিয়ে ১টা শিশুর জন্য মিষ্টি... ৩য় পিস পিজ্জা দিয়ে একটা শিশুর স্কুলের খাতা....৪র্থ পিস পিজ্জা দিয়ে খেলার পুতুল...৫ম পিস পিজ্জা দিয়ে বাস ভাড়া...এভাবে কতোকিছু সম্ভব!
আট টুকরো পিজ্জা যেন তার মনকে হাতুড়ির মতো আঘাত করছিলো।এতোদিন সে পিজ্জাকে এক দৃষ্টি থেকে দেখতো,আজ বুয়া তাকে পিজ্জার অন্যদিকটাও দেখিয়ে দিয়েছে।আট টুকরো পিজ্জা তাকে লাইফের নতুন অর্থ শিখিয়েছে।
আজ সে বুঝতে পারলো - " Spending for life! " or " life for spending ".

(বিদেশী গল্প অবলম্বনে)

আপনারা ও চাইলে আমাদের সাথে অংশগ্রহণ করতে পারেন।।
26/02/2022

আপনারা ও চাইলে আমাদের সাথে অংশগ্রহণ করতে পারেন।।

গতকাল রাজধানীর মোহাম্মদপুরে  মুখের হাসি ফাউন্ডেশন এর পক্ষ থেকে শতাধিক  গরিব,অসহায়,দুস্থ মানুষের মাঝে কম্বল এবং সোয়েটার...
21/12/2021

গতকাল রাজধানীর মোহাম্মদপুরে মুখের হাসি ফাউন্ডেশন এর পক্ষ থেকে শতাধিক গরিব,অসহায়,দুস্থ মানুষের মাঝে কম্বল এবং সোয়েটার বিতরণ করা হয়।।😍😍

Address

New Market City Complex/biswas Builders
Hazaribag
1205

Telephone

+8801852210625

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মুখের হাসি ফাউন্ডেশন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

একটি সুবিধাবঞ্চিত ও পথশিশু সেবা সংস্থা

প্রতিষ্ঠানটি যে সকল কাজ সকল কার্যক্রম পরিচালনা করবে:- (ক)গরিব,অসহায়,দুঃস্থ ও পথশিশুদের মৌলিক চাহিদা গুলো পুরনের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করবে।যেমন: খাদ্য,বস্ত্র,বাসস্থান,শিক্ষা,চিকিৎসার ব্যবস্থা করা। (খ)দেশের যে কোন দুর্যোগকালীন সময়ে অসহায় মানুষকে সাহায্য ও সহযোগিতা করা। (গ)গরিব,অসহায় পথশিশুদের মাঝে শিক্ষার অালো ছড়িয়ে দিতে বিভিন্ন ভ্রাম্যমাণ স্কুল প্রতিষ্ঠা ও শিক্ষা সামগ্রী বিতরন করা (ঘ)জটিল ও কঠিন রোগে ভুক্তভোগী অসহায় দুস্থ ব্যাক্তির চিকিৎসায় সহায়তা করা। (ঙ)মাদকের হাত থেকে যুব সমাজকে রক্ষা করতে বিভিন্ন সচেতনতা মূলক সভা,সেমিনারের অায়োজন করা। (চ)গরিব,অসহায় মেধাবি শিক্ষার্থীদের সাহায্য করা ও কৃতি ছাত্রছাত্রীদের সম্মননা প্রদান করা। (ছ)রক্তদান কর্মসূচী।এই সংগঠনের সকল সদস্য রক্তদান করবে এবং রক্তদানে অন্যকে উৎসাহিত করবে। (জ)বিভিন্ন সামাজিক অাচার অনুষ্ঠান পালন করা,এবং জাতীয় দিবসসমূহ কর্মসূচীর মাধ্যমে পালন করা। (ঝ)স্কুল,কলেজ ভিত্তিক শিশুতোষ চিত্রাঙ্কন,কুইজ,বিতর্ক প্রতিযোগিতার অায়োজন করা। (ঞ)সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন সভা সেমিনারের অায়োজন করা।যেমন কুসংস্কার,বাল্যবিবাহ,যৌতুক ইত্যাদির বিরুদ্ধে সামাজিক অান্দোলন গড়ে তোলা। (ট)এই সংগঠনের সকল সদস্য দেশ মাতৃকার সেবায় সর্বদা সচেষ্ট।