28/08/2026
হাতিয়ার রেহানিয়া গ্রামের তাসফিয়াকে সাহায্যের জন্য হৃদয়বান ব্যক্তিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি:
অদম্য মেধাবী-২০২৬: চাচার পিতৃস্নেহে বাধা পেরোচ্ছে তাসফিয়া
অদম্য ইচ্ছাশক্তি, কঠোর পরিশ্রম এবং বর্গাচাষি চাচার পিতৃস্নেহে সব বাধা পেরিয়ে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে তাসফিয়া আক্তার।
শৈশব থেকেই মা–বাবার স্নেহ পায়নি। জীবনের পরতে পরতে ছিল অভাব আর চরম প্রতিকূলতা; কিন্তু কোনো বাধাই তাকে থামাতে পারেনি। অদম্য ইচ্ছাশক্তি, কঠোর পরিশ্রম এবং বর্গাচাষি চাচার পিতৃস্নেহে সব বাধা পেরিয়ে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে তাসফিয়া আক্তার।
২০১০ সালের ১ জানুয়ারি নোয়াখালীর হাতিয়ার রেহানিয়া গ্রামে জন্ম তাসফিয়ার। মাত্র ৯-১০ মাস বয়সে তার মা–বাবার বিচ্ছেদ ঘটে। পরবর্তী সময়ে বাবা দ্বিতীয় বিয়ে করেন। ২০২১ সালে তিনি মারা যান। সেই সংকটে তাসফিয়ার মাথার ওপর ছায়া হয়ে দাঁড়ান চাচা মোহাম্মদ ইলিয়াস। নিজের সামান্য বর্গা চাষ এবং অন্যের জমিতে মজুরি খেটে নিজের এক কন্যাসন্তানের পাশাপাশি তাসফিয়াকেও আগলে রাখেন তিনি।
তাসফিয়ার এই সাফল্যে পরিবারের পাশাপাশি এলাকার মানুষও আনন্দিত। চাচা মোহাম্মদ ইলিয়াস বলেন, ‘বাবা-মা না থাকার কষ্ট হয়তো দূর করতে পারব না; কিন্তু অভাবের মধ্যেও তাকে নিজের সন্তানের মতোই বড় করেছি। সে জিপিএ-৫ পাওয়ায় আমাদের সব কষ্ট সার্থক হয়েছে।’
তাসফিয়া প্রথম আলোকে বলে, ‘ভবিষ্যতে আমি শিক্ষক হতে চাই, যাতে আমার মতো কষ্টে থাকা শিশুদের পাশে দাঁড়াতে পারি।’
রেহানিয়া উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জগদীশ চন্দ্র দাস বলেন, ২০১৮ সাল থেকে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ শুরু হয়। সেই থেকে তাসফিয়াই প্রথম জিপিএ-৫ পেয়েছে, যা অন্যদের অনুপ্রাণিত করবে।
সুত্র:
গতকাল বৃহস্পতিবার প্রথম আলোর অনেক আলোচিত সংবাদ হয়তো আপনার চোখ এড়িয়ে গেছে। তাই আজ দিনের শুরুতেই পড়তে পারেন দেশ-বি.....