19/03/2026
চুনারুঘাট পৌর প্রশাসক হিসেবে ত্যাগী নেতা জামাল উদ্দিনের মূল্যায়নের দাবি
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর দুঃসময়ের কান্ডারি, চুনারুঘাট উপজেলার একনিষ্ঠ ও পরীক্ষিত নেতা জামাল উদ্দিনকে চুনারুঘাট পৌরসভার প্রশাসক হিসেবে দেখতে চায় স্থানীয় জনসাধারণ ও তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা। ১৯৮৮ সালে সপ্তম শ্রেণিতে পড়াকালীন ছাত্রদলের রাজনীতির মাধ্যমে শুরু হওয়া তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা আজ এক ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর।
ত্যাগের এক দীর্ঘ ইতিহাস
জামাল উদ্দিনের রাজনৈতিক জীবন কোনো কালেই কুসুমাস্তীর্ণ ছিল না। মাত্র ২৪ বছর বয়সে তিনি অসংখ্য রাজনৈতিক মামলার শিকার হন। এমনকি কারাবরণ করা অবস্থায়ও তিনি তাঁর শিক্ষা জীবনকে থামিয়ে দেননি; জেলখানা থেকেই বিএ পরীক্ষা দিয়ে সফলভাবে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। হামলা, মামলা আর দমন-পীড়ন তাঁর আদর্শিক লড়াইকে কখনও দমাতে পারেনি।
‘নিখুঁত বিএনপি পরিবার’ হিসেবে পরিচিতি
চুনারুঘাট উপজেলায় জামাল উদ্দিন ও তাঁর পরিবার একটি "নিখুঁত বিএনপি পরিবার" হিসেবে সুপ্রতিষ্ঠিত। ব্যক্তিগত চাওয়া-পাওয়ার ঊর্ধ্বে থেকে দলের স্বার্থে আজীবন নিঃস্বার্থ কাজ করে যাওয়া এই নেতার লক্ষ্য ছিল কেবল গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও স্বদেশপ্রেম। দলের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে অদ্যাবধি ছাত্রদল ও বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততা অবিচ্ছেদ্য। দলের প্রতি তাঁর অবদান ও দীর্ঘ সংগ্রামের যথাযথ মূল্যায়ন হওয়া এখন সময়ের দাবি। চুনারুঘাট পৌরসভাকে একটি আধুনিক ও সেবামূলক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে জামাল উদ্দিনের মতো শিক্ষিত ও ত্যাগী নেতার বিকল্প নেই বলে তার কর্মী সমর্থকরা মনে করেন ।
স্থানীয়দের মতে, দীর্ঘ কয়েক দশকের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে জামাল উদ্দিন বহুবার পরীক্ষিত হয়েছেন। বর্তমান প্রেক্ষাপটে চুনারুঘাট পৌরসভার প্রশাসক হিসেবে তাঁর নাম অত্যন্ত জোরালোভাবে আলোচিত হচ্ছে। তৃণমূলের দাবি, তাঁর মতো একজন আদর্শবান ও রাজপথের লড়াকু সৈনিককে যোগ্য সম্মান দিয়ে পৌর প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব অর্পণ করা হোক।