17/12/2022
#থ্যালাসেমিয়া_প্রতিরোধের_এখনই_সময়
মা–বাবা উভয়ই থ্যালাসেমিয়ার বাহক হলে সন্তানের থ্যালাসেমিয়া রোগী হওয়ার ঝুঁকি ২৫ শতাংশ, বাহক হওয়ার ঝুঁকি ৫০ শতাংশ আর সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা ২৫ শতাংশ।
মা–বাবার একজন থ্যালাসেমিয়ার বাহক হলে ও অন্যজন সুস্থ হলে সন্তানের থ্যালাসেমিয়া বাহক হওয়ার ঝুঁকি ৫০ শতাংশ, সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা ৫০ শতাংশ, তবে থ্যালাসেমিয়া রোগী হওয়ার আশঙ্কা নেই।
একজন সুস্থ মানুষ যে কাউকে (বাহক বা রোগীকে) বিয়ে করতে পারবে। কারণ, তাঁদের সন্তানের রোগী হওয়ার আশঙ্কা নেই। তবে একজন বাহক আরেকজন বাহককে বিয়ে করতে পারবেন না। কারণ, সন্তানের রোগী হবার ঝুঁকি আছে। তাই ২ জন বাহকের মধ্যে বিয়ে নিরুৎসাহিত করা হয়
চাচাতো, মামাতো, খালাতো, ফুফাতো ভাইবোনের মধ্যে বিয়ে হলে থ্যালাসেমিয়া রোগী হওয়ার ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়।
কিভাবে জানবেন আপনি বা আপনার পার্টনার থ্যালাসেমিয়ায় বাহক কিনা?
রক্তের সিবিসি(CBC -complete Blood Count) করে থ্যালাসেমিয়ার বাহক কিনা ধারণা পাওয়া যায়,এবং পরবর্তীতে হিমোগ্লোবিন ইলেক্টোফোরেসিস করার মাধ্যমে তা নিশ্চিত হওয়ায় যায়।
এখন
দুজন থ্যালাসেমিয়া বাহকের মধ্যে যদি বিয়ে হয়েই যায় বা স্বামী–স্ত্রী দুজনই থ্যালাসেমিয়ার বাহক হন, তবে সন্তান গর্ভে আসার ৮ থেকে ১৪ সপ্তাহের মধ্যে কোরিওনিক ভিলাস স্যাম্পল বা এমনিওসেন্টেসিস করে বাচ্চার অবস্থা জানা সম্ভব। গর্ভস্থ সন্তান থ্যালাসেমিয়ার রোগী হলে কাউন্সেলিং করতে হবে, যাতে একজন নতুন থ্যালাসেমিয়া রোগীর জন্ম না হয়। তবে গর্ভস্থ সন্তান থ্যালাসেমিয়া বাহক হলে স্বাভাবিক জন্মদানে সমস্যা নেই।
উন্নত বিশ্বে বিয়ের আগে থ্যালাসেমিয়া স্ক্রেনিং করা হয়,বাংলাদেশে কোন থ্যালাসেমিয়া স্ক্রেনিং প্রোগ্রাম না থাকায় মনের অজান্তেই ২ জন বাহকের মধ্যে বিয়ে হয়ে যাচ্ছে।এবং দিন দিন এই রোগীর সংখ্যা বাড়ছে।
তাই বিয়ের আগেই রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে প্রত্যেককে জানতে হবে তাঁরা থ্যালাসেমিয়ার বাহক কি না। দুজন থ্যালাসেমিয়া বাহকের মধ্যে বিয়ে বন্ধ করা গেলেই থ্যালাসেমিয়া রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।
#জানতে_চাই_জানাতে_চাই।
প্রতিদিন ৩০ মিনিট কায়িক পরিশ্রম বা ব্যায়াম করুন।
#ঘাম_দিয়ে_রক্ত_বাঁচান
Dr.Masudul Haque Roni
Medical officer, Naniarchar Upazila Health Complex, Rangamati.