কুলানন্দপুর শহীদ আইয়ুব আলী স্মৃতি সংঘ ও পাঠাগার

  • Home
  • Bangladesh
  • Ghoraghat
  • কুলানন্দপুর শহীদ আইয়ুব আলী স্মৃতি সংঘ ও পাঠাগার

কুলানন্দপুর শহীদ আইয়ুব আলী স্মৃতি সংঘ ও পাঠাগার কুলানান্দপুর শহীদ আইয়ুব আলী স্মৃতি স?

শহীদ আইয়ুব আলী:
তিনি জন্ম গ্রহন করেন বাংলাদেশের এক প্রত্যন্ত গ্রামে।যা অবস্থিত দিনাজপুর জেলার,ঘোড়া ঘাট থানায়, যার নাম কুলানন্দপুর।এই গ্রামের বাসিন্দা আলহাজ্জ মফিজ উদ্দিনের ঘরে তিনি জন্ম গ্রহণ করেন।পাঁচ ভাই দুই বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার ছোট এবং সবার খুব আদরের।
তিনি খুবই মার্জিত রুচির একজন মানুষ ছিলেন।তিনি পড়ালেখার সুবাদে অধিকাংশ সময়ই কাটান শহরে।হাজী মফিজ উদ্দিন ছিলেন অগাদ জমির মালিক এবং একজন সম্ভ

্রান্ত কৃষক।যার সংসারে ছিল না কোন কিছুর অভাব।
এরকম সম্ভ্রান্ত পরিবারের হওয়ার কারণে আইয়ুব আলী তার জীবনে যখন যা করতে চেয়েছেন তখন তাহাই করতে পেরেছেন, শহীদ আইয়ুব আলী 1964ই সালে SSCপাশ করেন প্রথম বিভাগে, 1966 ই সালে HSSC পাশ করেন প্রথম বিভাগে এবং গ্রাজুয়েট কমপ্লিট করেন বগুড়া সরকারি কলেজ থেকে । কলেজ জীবনের শুরু থেকেই তিনি রাজনীতিতে ছাএ লীগের সর্বোচ্চ পদে মেধার সাথে আসীন হতে থাকেন । তিনি প্রথমে গাইবান্দা কলেজের জি এস, তার পর বগুড়া কলেজের ভি পি নিবাচিত হন । শহীদ হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত তিনি দিনাজপুর জেলার ছাএ লীগের সভাপতি ছিলেন । শহীদ আইয়ুব আলী দিনাজপুর জেলার ঘোড়া ঘাট থানার সর্বপ্রথম শহীদ । শহীদ হওয়ার স্থান রানিগঞ্জ বাজার । তিনিই সর্বপ্রথম অএ এলাকার কিছু সাহসী তরুণ দের নিয়ে মুক্তি যোদ্ধা আহ্বায়ক কমিটি গঠন করেন । তিনি ছিলেন সেই কমিটির প্রধান । তিনি যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে শহীদ হওয়া পর্যন্ত রানিগঞ্জের বাসায় থাকতেন । অএ এলাকার কিছু রাজাকার আলবদর, পাকিস্তান হানাদার বাহিনীকে তাঁর অবস্থান চিহ্নিত করে দেয় । পাকিস্তান বাহিনী আইয়ুব আলীকে প্রথম যে গুলি টি করে ,সেই গুলি টি তাঁর ডান হাতের আঙুল বিচ্ছিন্ন করে দেয়।ফলে তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়ে যান পাশে অবস্থিত একটি ভাঙ্গা কবরের মধ্যে ।অনেক ক্ষণ পরে আবার জ্ঞান ফিরলে তিনি কবর থেকে উঠার চেষ্টা করেন, কিন্তু এবার পাকিস্তান বাহিনী আইয়ুব আলীকে পুনরায় গুলি করে।এবার গুলি টি তাঁর পেটের ভেতর দিয়ে ঢুকে পিঠ ভেদ করে বের হয়ে যায় । ফলে তিনি শাহাদাৎ এর কোলে ঢলে পড়েন ।
ঘোড়া ঘাট থানার শহীদের রক্তের ইতিহাস লেখা শুরু হয় শহীদ আইয়ুব আলীর নাম দিয়ে ।

09/08/2021
29/09/2017

যদি কারো পরিচিত এমন কেউ থাকে যার হাটুর উপরে অথবা নিচের দিকে পা কাটা আছে, তাকে অবশ্যই "পঙ্গু হাসপাতাল (NITOR) এর ৩য় তলায় (শ্যামলী,ঢাকা)" এসে যোগাযোগ করতে বলবেন। সেখানে বিনামূল্যে কৃত্রিম পা লাগানো হবে।
এ কাজের জন্য বিদেশ থেকে বিশেষজ্ঞরা এসেছেন এবং ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত থাকবেন।
যদি কারো পরিচিত জনের এই সমস্যা থাকে তাহলে অতি দ্রুত চলে এসে সেবাটি গ্রহন জন্য অনুরোধ করছি।
আপনার একটি শেয়ার কোন এক প্রতিবন্ধীর জন্য তার পা হারা অভিশাপ থেকে কৃত্রিম পা লাগানোর মধ্য দিয়ে নতুন জীবন পারে ....

06/10/2016

চোখের সামনে যাদেরকে দেখছেন তাদেরকে
আগামিকাল সকালবেলা আর দেখতে পাবেন কিনা তার
কোনও নিশ্চয়তা নেই। তাই কারো সাথে দ্বন্দ্ব থাকলে
শেষ বিদায় হয়ে যাবার আগেই সম্পর্কটা সুন্দর করে নিন। যা কিছু হয়েছে তা ভুলে যান। শুধু মানুষকে নিঃস্বার্থভাবে
ভালোবাসুন। দেখবেন আপনার নিজের অজান্তেই আশপাশের মানুষগুলো আপনাকে ভালোবাসতে শুরু করেছে।

06/10/2016

পূজা উপলক্ষ্যে মুশরিকদেরকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন?
বাংলাদেশের হিন্দুদের মাঝে সবচাইতে বড় পূজা হচ্ছে দুর্গা পূজা। নাম শুনে বুঝা যায়, দুর্গা একটা মহিলার নাম। পূর্ব-পশ্চিম, মুশরিক যেখানের হোক, তাদের মাঝে সাধারণ একটা স্বভাব হচ্ছেঃ নারী পূজা করা।
মহান আল্লাহ বলেন, “তারা (মুশরিকরা) আল্লাহকে বাদ দিয়ে শুধু নারীর পূজা করে এবং বিদ্রোহী ও অবাধ্য শয়তানের পূজা করে।” সুরা নিসাঃ ১১৭।
উবাই ইবনু কা’ব রাদিয়াল্লাহু আ’নহু বলেন, “প্রত্যেকটা মূর্তির সাথে একটা করে নারী জ্বিন থাকে।” আহমাদঃ ২১২৬৯, সনদ হাসান, ইবনু কাসীর, তাফসীর সুরাহ নিসাঃ আয়াত-১১৭।
মক্বা বিজয়ের পরে রাসুলু্লাহ সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম-এর আদেশ অনুযায়ী খালিদ বিন ওয়ালিদ বিখ্যাত “উযযা” মূর্তি ধ্বংস করার সময় সেখান থেকে কালো কুচকুচে রঙ্গের, উস্কু-খুস্কু চুল বিশিষ্ট একটা নগ্ন নারী জ্বিন বের হয়ে আসে। তিনি সেই জিনকে তলোয়ার দিয়ে আঘাত করে দ্বিখন্ডিত করে ফেলেন। নাসাঈ কুবরাঃ ১১৫৪৭, তাবাকাত ইবনু সা’দঃ ২/১৪৫-১৪৬।
কুরআনে আল্লাহ পাক ‘ফিতনাহ’ শব্দ দ্বারা কয়েকটি বিষয়কে বুঝিয়েছেনঃ
(১) পরীক্ষা (test, trail)
(২) আযাব বা শাস্তি punishment, torment)
(৩) শিরক (associating partner with Allah)
যেমন মহান আল্লাহ তাআ’লা বলেন,
“ফিতনাহ মানুষ হত্যার চাইতে জঘন্য।”
সুরা আল-বাক্বারাহঃ ১৯১।
এই আয়াতের তাফসীর সম্পর্কে আবুল আলিয়া, মুজাহিদ, আল-হাসান, জাহহাক, ইকরিমা, সাঈদ ইবনে জুবায়ের, কাতাদাহ (আল্লাহ তাদের সকলের প্রতি রহম করুন), ক্বুরানের তাফসীরকারক হিসেবে প্রসিদ্ধ এই সমস্ত “তাবেয়ী”রা বলেছেন, এই ফিতনার অর্থ হচ্ছেঃ “শিরক”।
অর্থাৎ এই আয়াতের উদ্দিষ্ট অর্থ হচ্ছে, শিরকের পাপ মানুষ খুনের চাইতে নিকৃষ্ট।
সুতরাং, হিন্দুদের দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে যারা শুভেচ্ছা জানাবে, তাদের উৎসবে শরীক হবে, তারা খুনের চাইতে নিকৃষ্ট পাপকে সমর্থন জানালো।
আজকাল অনেক পূজা মন্ডপে হিন্দুদের চাইতে মুসলমানধারী অনেক মানুষ বেশি দেখা যায়। এইভাবে আস্তে আস্তে এরা এক সময় ‘ঈমান’ থেকে বের হয়ে ‘কুফুরীতে’ নিমজ্জিত হবে।
(১) কেয়ামতের পূর্বে মুসলিমরা মূর্তি পুজা করবেঃ
আবু হুরায়রাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নাবী (সাঃ)-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেনঃ ‘‘কিয়ামত ততক্ষণ পর্যন্ত সংঘটিত হবে না, যতক্ষণ ‘যুল-খালাসার’ পাশে দাওস গোত্রের মহিলারা কোমর দুলিয়ে নাচবে।’’
সহীহ বুখারীঃ ৭১১৬; সহীহ মুসলিমঃ ৭১৯০ (৫১/২৯০৬)।
নোটঃ যুল-খালাসাহ হল দাওস গোত্রের মূর্তি। ইয়ামানের যুলখালাস নামক স্থানে দাওস বংশের এই মূর্তি ছিল, কোন বর্ণনায় এই স্থানের নাম তাবালাহ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। অজ্ঞতার যুগে তারা এই মূর্তির ইবাদত করতো, সেখানে তাওয়াফ (চক্কর) দেয়া হতো।
(২) মুসলিমদের কোনো কোনো বংশ মূর্তি পূজা আরম্ভ করবে আর কিছু সংখ্যক মুশরিকদের সাথে মিলে যাবেঃ
রাসুল (সাঃ) এর আযাদকৃত দাস সাওবান (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ ‘‘আমি আমার উম্মাতের ব্যাপারে পথভ্রষ্ট ইমাম বা নেতাদেরকে ভয় করছি। অচিরেই আমার উম্মাতের কোনো কোনো গোত্র বা সম্প্রদায় প্রতিমা পূজায় লিপ্ত হবে, এবং আমার উম্মতের কতগুলো গোত্র মুশরিকদের সাথে যোগ দিবে।’’
সুনানে আবু দাউদঃ ৪২৫২; সুনানে ইবনু মাযাহঃ ৩৯৫২; শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানি (রহঃ) হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।
(৩) কেয়ামতের পূর্বে ‘লাত’ ও ‘উজ্জার’ পূজা এমনভাবে শুরু হবে যেইভাবে জাহেলিয়াতের সুময় (অন্ধকার যুগে) প্রচলিত ছিলঃ
আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সাঃ) কে বলতে শুনেছি, ‘‘রাত ও দিন শেষ হবে না, যতক্ষন না লাত ও উযযা দেবতার পূজা আবার শুরু করা হবে।
এ কথা শুনে আমি (আয়িশায় রাঃ) বললাম, হে আল্লাহর রাসুল! পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ নাযিল করেছেন, ‘‘তিনি তাঁর রাসুলকে পাঠিয়েছেন হিদায়াত ও সত্য দ্বীন সহকারে, সকল দ্বীনের উপর বিজয়ী করার জন্য, যদিও মুশরিকরা তা অপছন্দ করে।’’ [সুরা আত-তাওবাঃ৩৩]
এই আয়াত নাযিলের পর আমি (আয়িশাহ) তো মনে করেছিলাম যে, এ প্রতিশ্রুতি পূরন করা হবে।
রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বললেনঃ ‘‘তা অবশ্যই হবে। তবে যতদিন আল্লাহ ইচ্ছা করবেন ততদিন পর্যন্ত তা বলবৎ থাকবে। অতঃপর তিনি এক মনোরম বাতাস প্রেরন করবেন। ফলে যাদের অন্তরে সরিষার দানা পরিমান ঈমান আছে তাদের প্রত্যেকেই মৃত্যুবরণ করবে। পরিশেষে যাদের মাঝে কোন কল্যাণ (অর্থাৎ, ঈমান) নেই তারাই শুধু বেঁচে থাকবে। অতঃপর তারা আবার পিতৃ-পুরুষদের ধর্মের (শিরকের) দিকে ফিরে যাবে।’’
সহীহ মুসলিমঃ ৭১৯১ (৫২/২৯০৭)।
মহান আল্লাহ আমাদেরকে এবং আমাদের পরিবারকে প্রকাশ্য ও গোপন, নামে ও বেনামে সকল ধরনের মূর্তি পূজা এবং যাবতীয় শিরকি কর্মকাণ্ড থেকে হেফাযত করুন (আমিন)।

06/10/2016

প্রশ্নঃ হিন্দুদের পূজার উৎসবে যাওয়া ও পুজার
প্রসাদ খাওয়া হালাল না হারাম?
উত্তরঃ
এই প্রস্বাদ নামক খাবারটা দেওয়া হয় হিন্দু
মনগড়া নকল ঈশ্বরের উদ্দেশ্য। অর্থাৎ হিন্দুরা নিজের হাতে নির্মিত বিভিন্ন মূর্তির, যার কোন ক্ষমতাই নেই, সেই নকল ঈশ্বরের উদ্দেশ্য
প্রসাদ দেয়। মহান আল্লাহ্ পবিত্র কুর'আনের মোট চার জায়গায় উল্লেখ করেছেন-
* সূরাহ বাকারার ১৭৩
নং আয়াতে,
* সূরাহ মায়িদাহ’র ৩
নং আয়াতে,
* সূরাহ আন’আমের
১৪৫ নং আয়াতে,
এছাড়াও
* সূরাহ নাহলের ১১৫
নং আয়াতে উল্লেখ
করা হয়েছে,
“আল্লাহ্ তোমাদের জন্য হারাম করেছেন মৃত জন্তু, রক্ত, শূকরের মাংস খাওয়া। আর যে পশু
জবাই করার সময় আল্লাহ্ ব্যতীত অন্য কারো নাম নেয়া হয়েছে” অর্থাৎ যা আল্লাহ্ ছাড়া অন্য
কারো নামে উৎসর্গ করা হয় সেটা আমাদের জন্য আল্লাহ্ হারাম করে দিয়েছেন। আর এই কারনেই পূজার প্রস্বাদ খাওয়া হারাম।
* এখন আসি পূজার অনুষ্ঠানে মুসলিমদের যাওয়ার বিষয়ে- আমাদের দেশে যখন হিন্দুদের পূজার উৎসব চলতে থাকে তখন অনেক মুসলিম-ই তাদের ঐ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করে। ঐ অনুষ্ঠানে উপভোগ করে।অনেকে উৎসুক
ভাবেই যায়। ঐ সমস্ত মুসলিমদের যদি বলি- ভাই হিন্দুদের পূজায় অংশগ্রহন করো না, উৎসুক ভাবেও যেও না, তাদের দেব-দেবীর
নামে উৎসর্গকৃত প্রসাদও খেওনা।
তখন তারা উত্তরে খুব বুক ফুলিয়েই বলে-গেসি তো কি হয়েছে?
গেলেই কি আমি হিন্দু হয়ে যাব? আমার ঈমান ঠিক আছে।এখন একটু ভেবে দেখুন,মূর্তিপূজা হচ্ছে আল্লাহর সাথে শির্ক করা।আর শির্ক হচ্ছে সবচেয়ে বড় অন্যায়, সবচেয়ে বড় অপরাধ।
মহান আল্লাহ বলেনঃ নিশ্চয়ই আল্লাহ্র সাথে শির্ক হচ্ছে সবচেয়ে বড় অন্যায়।(সুরা লুকমানঃ ১৩)
আর শির্কের অপরাধ আল্লাহ কখনো ক্ষমা করবেন না। মহান আল্লাহ বলেন : "নিশ্চয়ই
আল্লাহ তাঁর সাথে অংশী স্থাপন করলে তাকে ক্ষমা করবেন না,কিন্তু এর চেয়ে ছোট পাপ যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করবেন,এবং যে কেউ আল্লাহর অংশী স্থির করে, সে মহাপাপে আবদ্ধ হয়েছে।
(সূরা নিসাঃ ৪৮)।
এখন দেখুন,সবচেয়ে বড় অন্যায় আপনার সামনে হচ্ছে।আর রাসুল (সাঃ) বললেন-তোমাদের কেউ কোন গর্হিত/ অন্যায় কাজ
হতে দেখলে সে যেন নিজের হাতে (শক্তি প্রয়োগে)তা সংশোধন করে দেয়,যদি তার সে ক্ষমতা না থাকে তবে যেন মুখ দ্বারা তা সংশোধন করে দেয়, আর যদি তাও না পারে তবে যেন সে ঐ কাজটিকে অন্তর থেকে ঘৃণা করবে। আর এটা হল ঈমানের নিম্নতম স্তর।
[সহিহ মুসলিম,
ঈমান অধ্যায়, হাদিস
নং ৭৮]
অথচ আপনি ঐ অন্যায়কে বাঁধা তো দেনই না,
মনথেকেও ঘৃণা করেন না বরং ঐ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করে মনে মনে উপভোগ করেন। অন্তত মন থেকে ঘৃণা করলেও দুর্বলতম ঈমানদার হিসেবে আপনার ঈমান থাকত কিন্তু
ঐ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করে তাদের অনুষ্ঠান
মনে মনে উপভোগ করার পরেও কি আপনি দাবী করবেন যে- আপনার ঈমান ঠিক আছে?
তাই হিন্দুদের পূজার উৎসবে কোন মুসলিমের
যাওয়া হারাম।

একটা মেয়েকে কোপানো হচ্ছে, রাস্তায় ফেলে কুপাচ্ছে। মাত্র একজন ছেলে হাতে একটা দা নিয়ে মেয়েটিকে কুপাচ্ছিল।আশেপাশে ফাকা ছিল ন...
05/10/2016

একটা মেয়েকে কোপানো হচ্ছে, রাস্তায় ফেলে কুপাচ্ছে। মাত্র একজন ছেলে হাতে একটা দা নিয়ে মেয়েটিকে কুপাচ্ছিল।
আশেপাশে ফাকা ছিল না, বলতে গেলে শত শত ছেলে মেয়ে সেই দৃশ্য উপভোগ করছিল। "উপভোগ করছিল" শব্দটা শুনতে কি খারাপ শুনাচ্ছে? না তো,সবাই দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখছিল,অনেকেই তো দৃশ্যগুলোকে স্মৃতি হিসেবে রেখে দেয়ার জন্য হাতের মোবাইল বের করে ভিডিও করছিল।কি মনোরম দৃশ্য!!
তনু মারা গেলে, আমরা অনলাইনে ঝড় তুলি। রাস্তায় বসে যাই, ছিড়েফুড়ে সব খেয়ে ফেলব অবস্থা। আর আজকে তো দেখাই গেল কার ক্ষমতা কত!! একটা মেয়েকে কুপিয়ে মেরে ফেলার আগ পর্যন্ত কাওকে তো দেখলাম না একটু এগিয়ে যেতে!! মেয়েটাকে যতক্ষন কুপানো হচ্ছিল কাওকে তো দেখলাম না এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতে।
আমি সবাইকে এক কাতারে ফেলে দোষ দিচ্ছি না।যেসব ছেলে ওখানে উপস্থিত ছিল,তারাই আজকে ফেসবুকে দরদমাখা স্ট্যাটাস দিবে,কালকে প্ল্যাকার্ড ব্যানার নিয়ে হত্যাকারীর বিচার চাইবে, আমরা ভিডিও দেখে শিহরিত হব।কিন্তু একবার, শুধু একটিবার ১০টা ছেলে একসাথে গর্জে উঠে যদি এগিয়ে যেত,মেয়েটার পরিণতি এতটা করুণ হত না।
আমি জানি,আমরা সবাই অনলাইন যোদ্ধা, অনলাইনে বকবক করে মুখে ফেনা তুলে ফেলি।এই যে আমিই,কালকে যদি আমার সামনে কোন মেয়েকে কুপায় আমি কি এগিয়ে যাব?? আপনি নিজেকেই জিজ্ঞেস করেন, আপনার চোখের সামনে যত অন্যায় ঘটেছিল, সবকিছুর প্রতিবাদ কি করেছিলেন আপনি? আস্তে আস্তে আমরা সুবিধাবাদী জাতি হয়ে যাচ্ছে। যদি সমাজের অন্যের সাহায্যে এগিয়েই না আসা যায়,তাহলে সমাজে বাস করার চেয়ে জঙলে বাস করাই তো অধিক যুক্তিযুক্ত।
প্রতিবাদের কি দরকার, কারো জীবন চলে যাচ্ছে সেই দৃশ্যটা ভিডিও ধারণ করে যদি ফেসবুকে দেয়া যায়,নিমিষেই হাজার হাজার লাইক পাওয়া যাবে। এই হল আমাদের চিন্তা।
মনুষ্য বিকৃতির শেষ স্তর আর কত্ত দূর!!

সবাইকে হিজরী নববর্ষের শুভেচ্ছা।এই হিজরী সনেই মিশে আছে আমাদের অনেক ইসলামী ইতিহাস ও সভ্যতা।এই বছরটা আমরা সবাই ভালো কাজ দিয়...
03/10/2016

সবাইকে হিজরী নববর্ষের শুভেচ্ছা।
এই হিজরী সনেই মিশে আছে আমাদের অনেক ইসলামী ইতিহাস ও সভ্যতা।
এই বছরটা আমরা সবাই ভালো কাজ দিয়ে শুরু করবো এবং আল্লাহ তায়ালা যেনো আমাদের সবাইকে হেফাজতে রাখেন #আমিন

26/09/2016

শহীদ আইয়ুব আলী:
তিনি জন্ম গ্রহন করেন বাংলাদেশের এক প্রত্যন্ত গ্রামে।যা অবস্থিত দিনাজপুর জেলার,ঘোড়া ঘাট থানায়, যার নাম কুলানন্দপুর।এই গ্রামের বাসিন্দা আলহাজ্জ মফিজ উদ্দিনের ঘরে তিনি জন্ম গ্রহণ করেন।পাঁচ ভাই দুই বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার ছোট এবং সবার খুব আদরের।
তিনি খুবই মার্জিত রুচির একজন মানুষ ছিলেন।তিনি পড়ালেখার সুবাদে অধিকাংশ সময়ই কাটান শহরে।হাজী মফিজ উদ্দিন ছিলেন অগাদ জমির মালিক এবং একজন সম্ভ্রান্ত কৃষক।যার সংসারে ছিল না কোন কিছুর অভাব।
এরকম সম্ভ্রান্ত পরিবারের হওয়ার কারণে আইয়ুব আলী তার জীবনে যখন যা করতে চেয়েছেন তখন তাহাই করতে পেরেছেন, শহীদ আইয়ুব আলী 1964ই সালে SSCপাশ করেন প্রথম বিভাগে, 1966 ই সালে HSSC পাশ করেন প্রথম বিভাগে এবং গ্রাজুয়েট কমপ্লিট করেন বগুড়া সরকারি কলেজ থেকে । কলেজ জীবনের শুরু থেকেই তিনি রাজনীতিতে ছাএ লীগের সর্বোচ্চ পদে মেধার সাথে আসীন হতে থাকেন । তিনি প্রথমে গাইবান্দা কলেজের জি এস, তার পর বগুড়া কলেজের ভি পি নিবাচিত হন । শহীদ হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত তিনি দিনাজপুর জেলার ছাএ লীগের সভাপতি ছিলেন । শহীদ আইয়ুব আলী দিনাজপুর জেলার ঘোড়া ঘাট থানার সর্বপ্রথম শহীদ । শহীদ হওয়ার স্থান রানিগঞ্জ বাজার । তিনিই সর্বপ্রথম অএ এলাকার কিছু সাহসী তরুণ দের নিয়ে মুক্তি যোদ্ধা আহ্বায়ক কমিটি গঠন করেন । তিনি ছিলেন সেই কমিটির প্রধান । তিনি যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে শহীদ হওয়া পর্যন্ত রানিগঞ্জের বাসায় থাকতেন । অএ এলাকার কিছু রাজাকার আলবদর, পাকিস্তান হানাদার বাহিনীকে তাঁর অবস্থান চিহ্নিত করে দেয় । পাকিস্তান বাহিনী আইয়ুব আলীকে প্রথম যে গুলি টি করে ,সেই গুলি টি তাঁর ডান হাতের আঙুল বিচ্ছিন্ন করে দেয়।ফলে তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়ে যান পাশে অবস্থিত একটি ভাঙ্গা কবরের মধ্যে ।অনেক ক্ষণ পরে আবার জ্ঞান ফিরলে তিনি কবর থেকে উঠার চেষ্টা করেন, কিন্তু এবার পাকিস্তান বাহিনী আইয়ুব আলীকে পুনরায় গুলি করে।এবার গুলি টি তাঁর পেটের ভেতর দিয়ে ঢুকে পিঠ ভেদ করে বের হয়ে যায় । ফলে তিনি শাহাদাৎ এর কোলে ঢলে পড়েন ।
ঘোড়া ঘাট থানার শহীদের রক্তের ইতিহাস লেখা শুরু হয় শহীদ আইয়ুব আলীর নাম দিয়ে ।

26/09/2016

মানবে মানবে আনে বিদ্বেষ কলহ ও হানাহানি,
ইহারা দানব, কেড়ে খায় সব মানবের দানাপানি।
এই আক্ষেপ জেনো তাহাদের মৃত্যুর যন্ত্রণা
মরণের আগে হতেছে তাদের দুর্গতি লাঞ্ছনা।
এক সে পরম বিচারক, তার শরিক কেহই নাই,
কাহারে শাস্তি দেন তিনি, দেখো দু’দিন পরে তা,
ভাই!
মোরা দরিদ্র কাঙাল নির্য্যাতিত ও সর্ব্বহারা,
মোদের ভ্রান্ত দ্বন্দ্বের পথে নিতে চায় আজ
যারা
আনে অশান্তি উৎপাত আর খোঁজে স্বার্থের দাঁও,
কোরানে আল্লা এদেরই কন- ‘শাখা-মৃগ হয়ে যাও’।

Be different..
26/09/2016

Be different..

Address

Ghoraghat
5282

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when কুলানন্দপুর শহীদ আইয়ুব আলী স্মৃতি সংঘ ও পাঠাগার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share