BhatparaAttkobor-ভাটপাড়া আটকবর

BhatparaAttkobor-ভাটপাড়া আটকবর বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ৮জন মুক্তিযোদ্ধার মৃতদেহ এখানে কবর দেওয়া হয়

01/12/2021
৬ ডিসেম্বর ‘ভাটপাড়া মুক্ত দিবস’ হিসেবে পালন করুন ৬ ডিসেম্বর মেহেরপুর জেলার মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এক গৌরবোজ্জ্বল দিন। ওই ...
01/12/2021

৬ ডিসেম্বর ‘ভাটপাড়া মুক্ত দিবস’ হিসেবে পালন করুন

৬ ডিসেম্বর মেহেরপুর জেলার মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এক গৌরবোজ্জ্বল দিন। ওই দিন শহীদের আত্মদান ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বীরোচিত লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে মেহেরপুর জেলা হানাদার মুক্ত হয়। একই দিনে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর কবল থেকে মুক্ত হয় ছায়াঘন, সবুজেঘেরা, আম্রকাননময় ভাটপাড়া নীলকুঠি। একাত্তরের অগ্নিঝরা দিনগুলিতে ভাটপাড়া ও এর সন্নিকটবর্তী গ্রামগুলোয় জ্বলে ওঠে প্রতিরোধযুদ্ধের অগ্নিশিখা। প্রতিবাদ-প্রতিরোধের অগ্নি-উত্তাপে অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে এই এলাকার মাঠঘাট, নদীনালা, বিলখাল। মুক্তিকামী জনতার হাতে সর্বত্র পর্যুদস্ত হতে থাকে পাক বাহিনী ও তাদের দোসররা । ষাটের দশকে বাঙালি সংস্কৃতির বিকাশ, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, সত্তরের সাধারণ নির্বাচন এবং বঙ্গবন্ধুর অসহযোগ আন্দোলনে ভাটপাড়া এলাকার মানুষ পালন করে বলিষ্ঠ ভূমিকা। একাত্তরের ১৫ আগস্টের কালোরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর পৈশাচিক বর্বরতায় রক্তস্নাত হয় কাজলা-বিধৌত ভাটপাড়ার সবুজ জমিন। দেশমাতৃকার জন্য শহীদ হন স্বাধীনতাযুদ্ধের বলিষ্ঠ সংগঠক সর্বজন শ্রদ্ধেয় এমলাক হোসেন, উজির আলি মালিথ্যা, আবুল হাশেম সরকার, হাফিজ উদ্দীন, হারিস উদ্দীন ও আবুল কাশেম। ভাটপাড়া থেকে অনতিদূরে সাহারবাটী টেপুখালির মাঠ ভিজে যায় ৮ জন মুক্তিকামী জনতার রক্তস্রোতে। শহীদ হন নওপাড়ার মজিবর রহমান,আফসার আলী মালিথ্যা, শাকের আলী, জবতুল্লাহ এবং হিন্দা গ্রামের আজিজুল হক, বাবর আলী, মনসুর আলী ও নুর বকসো। শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মনিবেদন ও বীরযোদ্ধাদের দুর্দমনীয় সাহস আর দুর্মর স্বপ্নে উজ্জ্বল হয়ে আছে ভাটপাড়া ও এর আশেপাশের গ্রামগুলির ইতিহাস। মুক্তিকামী জনতার দুর্ভেদ্য দুর্গ হিসেবে খ্যাত ভাটপাড়া এলাকার গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস জাতির সামনে তুলে ধরা দরকার। আসুন, ৬ ডিসেম্বর ভাটপাড়া মুক্ত দিবস হিসেবে পালন করি। এলাকার সবাইকে উদ্যোগ গ্রহণের জন্য বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।

10/02/2021

ভাটপাড়া আটকবর এর এরিয়া।

ভাটপাড়া আটকবর এর কাজ চলমান।
10/02/2021

ভাটপাড়া আটকবর এর কাজ চলমান।

29/01/2021

১৯৭১ সালের ৩ আগস্ট তৎকালীন স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার হাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে ভুল সংবাদের ভিত্তিতে একটি জায়গায় অবস্থান নেয়। পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর সহায়তাকারী রাজাকার কুবাদ খাঁ মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ফাঁদ তৈরি করে।[১] পরবর্তীতে মুক্তিযোদ্ধারা সেখানে পৌঁছালে পাকিস্তানি বাহিনীর সাথে তাদের যুদ্ধ হয় এবং যুদ্ধে উভয় পক্ষে হতাহতের ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে ৮ জন মুক্তিযোদ্ধার মৃতদেহ পাশাপাশি দুটি গর্তে সমাহিত করা হয়।

29/01/2021

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ৮জন মুক্তিযোদ্ধার মৃতদেহ এখানে কবর দেওয়া হয় বলে এর নামকরণ করা হয়েছে আট কবর।

Address

Bhatpara
Gangni
7110

Telephone

+8801910491219

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when BhatparaAttkobor-ভাটপাড়া আটকবর posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share