24/03/2026
ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলার জাগ্রত আছিম গ্রন্থাগারের নতুন সভাপতি আরাফাত রহমান, সাধারণ সম্পাদক আশিকুল ইসলাম।
জাগ্রত আছিম গ্রন্থাগার,
নিবন্ধন নং-বিসগগ্র,ময়মন/৩৪
আছিম বাজার, ফুলবাড়ীয়া,ময়মনসিংহ।
মোবাইল-01942313679 Jagroto Asim Library, Asim, Fulbaria, Mymensingh.
আছিম বাজার, ফুলবাড়ীয়া, ময়মনসিংহ।
Fulbaria
MYMENSINGH
| Monday | 09:00 - 18:00 |
| Tuesday | 09:00 - 18:00 |
| Wednesday | 09:00 - 18:00 |
| Thursday | 09:00 - 18:00 |
| Friday | 09:00 - 18:00 |
| Saturday | 09:00 - 18:00 |
| Sunday | 09:00 - 18:00 |
Be the first to know and let us send you an email when জাগ্রত আছিম গ্রন্থাগার, ফুলবাড়ীয়া, ময়মনসিংহ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.
Send a message to জাগ্রত আছিম গ্রন্থাগার, ফুলবাড়ীয়া, ময়মনসিংহ:
শুরুটা করেছিলেন জিল্লুর রহমান রিয়াদ নামের এক কিশোর। ছোট থেকেই বই পড়ার প্রতি তাঁর ভীষণ আগ্রহ ছিল। যেখানেই বই পেতেন, ধার করে নিয়ে পড়তেন। টিফিনের টাকা বাঁচিয়ে পছন্দের বই কিনতেন। স্বপ্ন দেখতেন গ্রামে একটি লাইব্রেরি করার। আর এই স্বপ্ন থেকেই বন্ধু শোয়াইব হাসান শিবলীসহ বই পড়ায় আগ্রহী ছেলে-মেয়েদের খোঁজ করা শুরু করেন। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী কবির, সোয়াদ, তামিম, নাহিদ, মাসুদ, সোহান, তুষার, জাহিদ, সুন্নান, তায়্যিব, মিঠুন, মেহেদি, মিঠু, সিফাত, কিমিয়া, সারওয়ার ও আরাফাতকে সঙ্গে নিয়ে একসময় প্রতিষ্ঠা করেন ‘জাগ্রত আছিম গ্রন্থাগার’।
ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার মধ্যে দক্ষিণাঞ্চলকে বলা হয় শিক্ষানগরী। আর এর মূল কেন্দ্র হচ্ছে আছিম নামের এলাকাটি। উপজেলা সদর থেকে দক্ষিণে এর অবস্থান। রিয়াদ ২০১৪ সালে ‘জাগ্রত আছিম’ নামে একটি ফেসবুক আইডি খোলেন। সেখানে বই পড়াসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রচারণা চালান। এটা এলাকার স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া জাগায়।
২০১৬ সালের প্রথম দিকে তারা স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান এস এম সাইফুজ্জামানের শরণাপন্ন হয়। আছিম-পাটুলি ইউনিয়নের পুরনো কার্যালয়টি লাইব্রেরি হিসেবে ব্যবহার করার অনুমতি দেন তিনি। অর্থ সংগ্রহ শুরু হয়। সংস্কার করা হয় পুরনো ইউপি ভবনটি। ২০১৭ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে ‘জাগ্রত আছিম গ্রন্থাগার’। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লীরা তরফদার লাইব্রেরিটি পরিদর্শনও করেছেন।
বিকেলে গ্রামের স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের সংবাদপত্র ও বই পড়ার আড্ডা বসে অনেকটা গ্রন্থাগারটি ঘিরেই। পাঠ্য বইয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন লেখকের কয়েক শ বইও রয়েছে। জাতীয় দৈনিক ও সাপ্তাহিক পত্রিকা রাখা হয়। স্কুল - কলেজের শিক্ষার্থীরা লাইব্রেরির সদস্য হয়ে বিনা মূল্যে বাড়িতে বই নিয়ে পড়তে পারে।