26/05/2026
ঈদে ঘরমুখো মানুষের হয়রানী রোধে সরকারের কার্যক্রম আরো দৃশ্যমান হতে হবে
-অধ্যক্ষ ইউনুছ আহমাদ
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা ইউনুছ আহমদ আজ ২৬ মে, মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে বলেছেন, ঢাকা কেন্দ্রীক অর্থনৈতিক বিকাশ, পারিবারিক বন্ধন, আত্মীয়তার টান ও সাংস্কৃতিক কারণে ঈদে লাখো মানুষ ঘরমুখো হয়। মানুষের এই ঘরমুখো হওয়া আমাদের স্যোশাল ক্যাপিটাল বা সামাজিক পুজিকে সমৃদ্ধ করে, একই সাথে আর্থিকখাতেও তারল্যের প্রবাহও বৃদ্ধি করেন। কিন্তু ঈদে মানুষের ঘরে-ফেরা নিয়ে সরকারের অব্যবস্থাপনা ও উদাসীনতা দেখে মনে হয় মানুষ কোন অপরাধ করছে। প্রতিবছর দুর্ঘটনা, বাড়তি ভাড়া আদায়, যানজট ও বিশৃংখলা যেনো আমাদের ঈদের সংস্কৃতিতে পরিনত হয়েছে। গতকালও মার্মান্তিক দুর্ঘটনায় ১৫ জন মানুষ মারা গেছে। রাস্তায় তিন থেকে চারগুন ভাড়া বেশি আদায় করা হচ্ছে। মানুষ ঘন্টার পর ঘন্টা দাড়িয়ে থেকেও বাড়তি ভাড়ার কারণে কাঙ্ক্ষিত বাসে উঠতে পারছে না। এহেন বাস্তবতায় সরকার কি উদ্যোগ ও পদক্ষেপ নিয়েছে তা জানি না, কিন্তু জনগণের হয়রানী ও দুর্ভোগ দুর হয় নাই। আমরা সরকারকে বলবো, ঈদে ঘরমুখো মানুষের হয়রানী ও দুর্ভোগ লাঘব করতে প্রশাসনের কার্যক্রম আরো দৃশ্যমান করুন। পরিবহন খাতের মালিকদের স্বার্থ না দেখে জনগনের স্বার্থ দেখুন।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব বলেন, বিশেষ করে পোশাকখাতে শ্রমিকদের দুর্ভোগ বহুমাত্রিক। তাদের বেতন-বোনাস কম, সকলে একসাথে ছুটি পায়, অনেকে আবার বেতন-বোনাসও পায় না, কিন্তু বাড়িতে যাওয়ার সময় তাদেরকে ভাড়া গুনতে হয় দুই থেকে তিনগুন। তারা যে টাকা পায় তা রাস্তাতেই খরচ হয়ে যায়। টাকা বাঁচাতে অনেকেই অপ্রচলিত যাতায়াত পদ্ধতি বেছে নেয় যা আবার দুর্ঘটনার কারণ হয়। সামগ্রিকভাবে ঈদযাত্রা একটি বহুমাত্রিক অব্যবস্থাপনা ও ব্যর্থতার প্রতিকে পরিনত হয়েছে যার খেসারত দিতে হচ্ছে সাধারণ নাগরিকদের। আমরা সরকারকে বলবো, পরিবহনখাতে জনস্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে কাজ করুন। আর ঈদযাত্রাকে সহজ ও আনন্দময় করতে প্রশাসনিক উদ্যোগকে আরো দৃশ্যমান ও কঠোর করুন।
বার্তা সম্পাদক
শেখ ফজলুল করীম মারুফ
কেন্দ্রীয় প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ