Our Faridganj - আমাদের ফরিদগঞ্জ

Our Faridganj - আমাদের ফরিদগঞ্জ This is community based unofficial page from Faridgonj municipality and upazila.

Faridgonj upazila is located beside the Dakatiya river and is second largest upazila of Chandpur District.

মালয়িশায় যেতে ইচ্ছুক শ্রমিকদের জন্য সতর্ক বার্তা...
20/08/2025

মালয়িশায় যেতে ইচ্ছুক শ্রমিকদের জন্য সতর্ক বার্তা...

27/07/2025

নিজেরাই প্রশিক্ষণ দিয়ে ৫ বছরে ১লাখ কর্মী নিবে জাপান। বিস্তারিত প্রথম কমেন্ট এ......

06/06/2025
সুলতান শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ (ফার্সি: شمس الدین الیاس شاه, প্রতিবর্ণীকৃত: Shams al-Dīn Ilyās Shāh; ১৩৪২–১৩৫৮) ছিলেন অবি...
30/03/2025

সুলতান শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ (ফার্সি: شمس الدین الیاس شاه, প্রতিবর্ণীকৃত: Shams al-Dīn Ilyās Shāh; ১৩৪২–১৩৫৮) ছিলেন অবিভক্ত বাংলার প্রথম স্বাধীন মুসলিম শাসনকর্তা। তিনি ১৩৪২ সালে সোনারগাঁও বিজয়ের পর লখনৌতির সুলতান হন। শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুসলিম স্বাধীন সুলতান ছিলেন এবং ইলিয়াস শাহী বংশের সূচনা করেন,যা ১৫২ বছর ক্ষমতায় ছিলো।ইলিয়াস শাহী বংশ ১৩৪২ সাল থেকে ১৪১৫ সাল পর্যন্ত একটানা ৭৩ বছর ধরে অবিভক্ত বাংলা শাসন করে এবং এরপর মাঝখানে প্রায় ২০ বছর বাদ দিয়ে আরো ৫২ বছর তাদের শাসন কায়েম থাকে।সুলতান ইলিয়াস শাহের মৃত্যুর পর তার পূত্র সুলতান সিকান্দার শাহ ক্ষমতায় আসেন।বাংলার ইতিহাসে তাকে মহাবীর আলেক্সান্ডারের সাথে তুলনা করা হয়।

সব জায়গায় সব সময় নিজেকে প্রমাণ করতে যাওয়া জরুরি নয় 👊
11/02/2025

সব জায়গায় সব সময় নিজেকে প্রমাণ করতে যাওয়া জরুরি নয় 👊

11/02/2025

বৈশাখের আগাম দাওয়াত

ইনকিলাব মঞ্চ'র উদ্যোগে এবার একটা সত্যিকারের বাংলাদেশী বৈশাখ উদযাপন করার প্রস্তুতি নিচ্ছি আমরা। এতে ইলিশ-গরু কিছুই থাকবে না।

সকালে ইলিশ বা গরু দিয়া পান্তা খেয়ে মাঠে যাওয়ার সঙ্গতি বাংলাদেশের কৃষকের কোনোকালেই ছিলো না।

আরবান মিডেল ক্লাস ও ছায়ানট-উদীচীদের চাপিয়ে দেয়া কর্পোরেট বাঙ্গালী বাণিজ্যের বিপরীতে আমরা বাংলার আপামর কৃষক-শ্রমিক-জনতার স্বতঃস্ফূর্ত বৈশাখ উদযাপন করতে চাই।

সকালে শাহবাগে আলু ভর্তা ও পেঁয়াজ-মরিচ ভর্তা দিয়া পান্তা খাবো সবাই। গরম ভাতে পানি ঢাইলা বানানো পান্তা না এইটা।

সাথে থাকবে নারিকেল, গুড় ও কাঠালি কলা। শত বছর ধরে বাংলার কৃষকেরা যেভাবে খায় আর কি।

থাকবে দিনব্যাপী বৈশাখী মেলা। যেখানে আবহমান বাঙলার দৈনন্দিন জিনিসপত্রের জোগান থাকবে বিরাট।

যেমনঃ রঙ্গিন বাসন, কুলা, ঝুড়ি, হাড়ি, হোগলা, শীতল পাটি, তাঁতের গামছা, শাড়ি, লুঙ্গি..

ঐতিহ্যের স্মারক হিসেবে থাকবে নাগরদোলা, বায়োস্কোপ, মোড়ক যুদ্ধ, এক্কাদোক্কা, কানামাছি, হাঁড়িভাঙ্গা ও হাডুডুর আয়োজন।

প্রাচীন বাংলার খাবারের সাথে পরিচয় করাবো জেন জি-কে। তাদেরকে চেনাবো- বাতাসা, সন্দেস, নকুল, মোয়া, মুড়কি, শনপাপড়ি ও হরেক রকম পিঠাপুলি।

পরিবেশিত হবে জারি, বাউল, ভাওয়াইয়া, ভাটিয়ালি।

কর্পোরেট আধিপত্যে হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যবাহী হালখাতাকে উদযাপনে ফিরিয়ে আনবো আমরা।

ব্যবসায়ীদেরকে আগের মতোন হালখাতার কার্ড বানাতে উৎসাহিত করবো।

মোসলমান ব্যবসায়ীরা হালখাতায় মিলাদ পড়াবেন। হুজুরকে দিয়া নতুন টালি খাতায় বিসমিল্লাহ লেখাবেন। দোয়া শেষে গরম জিলাপি খাওয়াবেন।

সনাতনী ভাইয়েরা তাদের দোকানে ধর্মীয় রীতি মোতাবেক প্রার্থনা করবেন। শঙ্খ ও ঢাক বাজাবেন। নেমতন্নে আমাদেরকে নিমকি ও মিষ্টি খাওয়াবেন।

বিকেলে একটা বৈশাখী র‍্যালি বের করবো। তার সামনে থাকবে ঐতিহ্যবাহী গরুর গাড়ি, পালকি, ঢেকি, লাঙ্গল...

বাচ্চাদের হাতে থাকবে কাঠ দিয়ে বানানো কাস্তে, কোদাল, নিড়ানি ও বাঁশের ঝুড়ি। মাথায় থাকবে ছোট্ট মাথাল।

আরও অনেক কিছুর প্ল্যান আছে। খুব সংক্ষেপে আপনাদেরকে একটু জানিয়ে রাখলাম।

এমন একটা আয়োজনে আপনাদের প্রচুর হেল্প লাগবে আমাদের। প্রচুর হেল্প।

বাঙলাকে আমরা কলকাতার কৌলিন্য থেকে মুক্ত করে আপামর জনসাধারণের কাছে ফিরিয়ে দিতে চাই।

জমিদারদের প্রতিষ্ঠিত সেজদার রসম থেকে মাথা তুলে আমরা জনতাকেই জমির মালিক বানাতে চাই।

স্টেইকবিহীন আপামরের প্রাণের সংস্কৃতিকেই আমরা বাংলার জাতীয় সংস্কৃতি বানাতে চাই।

হেল্প করবেন তো আপনারা?

অনেকেই জানেন, ১৮৪০ সালে চট্টগ্রামের কমিশনার মি. স্কন্স বাংলাদেশের প্রথম চা-বাগানের সূচনা করেছিলেন চট্টগ্রামে। তিনি আসাম ...
30/01/2024

অনেকেই জানেন, ১৮৪০ সালে চট্টগ্রামের কমিশনার মি. স্কন্স বাংলাদেশের প্রথম চা-বাগানের সূচনা করেছিলেন চট্টগ্রামে। তিনি আসাম থেকে কিছু চায়ের চারা এনে চট্টগ্রাম ক্লাবের আশপাশের টিলাগুলোর মধ্যে লাগিয়েছিলেন। তিন বছর পর সে চা-বাগান থেকে নমুনা নিয়ে কলকাতায় অ্যাগ্রিকালচারাল সোসাইটিতে পাঠানোর পর সরকারের অনুমোদন লাভ করেছিলেন তিনি। তারপর থেকে চট্টগ্রাম শহর এবং আশপাশের এলাকায় চায়ের বাগান গড়ে উঠতে থাকে। কিন্তু চা-বাগানের উদ্যোগ নেবার আগ থেকেই যে চট্টগ্রামে কফি চাষ শুরু হয়েছিল, এত দিন সেটা জানা ছিল না। একটি প্রাচীন মানচিত্র থেকে ব্যাপারটার সন্ধান পাওয়া গেল। কিছুদিন আগে চট্টগ্রাম শহরের একটি দুর্লভ প্রাচীন মানচিত্র হাতে এল সৌখিন ইতিহাস গবেষক শেখ শওকত কামালের মাধ্যমে।

অনেকেই জানেন, ১৮৪০ সালে চট্টগ্রামের কমিশনার মি. স্কন্স বাংলাদেশের প্রথম চা-বাগানের সূচনা করেছিলেন চট্টগ্রামে। ত....

বাংলা যে প্রাচীন ভাষা থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে ঠিক একইভাবে ইংরেজি, হিন্দু, উর্দু, স্পেনীয়, ফরাসি, রুশ, পর্তুগিজ, জার্মান,...
28/01/2024

বাংলা যে প্রাচীন ভাষা থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে ঠিক একইভাবে ইংরেজি, হিন্দু, উর্দু, স্পেনীয়, ফরাসি, রুশ, পর্তুগিজ, জার্মান, ফার্সি, পাঞ্জাবি ভাষাগুলোও একি প্রাচীন ভাষা থেকেই এসেছে। এই ভাষাগুলো বলতে পারেন সহোদর বা ভাই-বোন। এরা মূলত ইন্দো-ইউরোপীয় (ইউরোপ + এশিয়া) ভাষা পরিবার, যাতে প্রায় পৃথিবীর সর্বমোট ৪৬ শতাংশ বা ৩২০ কোটি জনসংখ্যার মানুষ কথা বলে।

প্রতিটি ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাই একটি প্রাচীন ভাষা থেকে এসেছে, যা কিনা নব্যপ্রস্তরযুগ থেকে নব্যব্রোঞ্জ যুগের মধ্যবর্তী কোনো সময়ে কোন জাতিগোষ্ঠী ওই ভাষায় কথা বলতো। আস্তে আস্তে সেই ভাষা ইউরোপ, এশিয়া, ভারতবর্ষতে এসে ভেঙ্গে ভেঙ্গে ইংরেজি, উর্দু, স্পেনীয়, ফরাসি বা বাংলা ভাষাগুলোতে আজকের দিনে পরিনত হয়েছে।

ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাসমূহ হল পশ্চিম ও দক্ষিণ ইউরেশিয়ার (ইউরোপ + এশিয়া) স্থানীয় একটি ভাষা পরিবার। এটি উত্তর ভারতীয় উপমহাদেশ এবং ইরানীয় মালভূমির ভাষাসমূহের সাথে অধিকাংশ ইউরোপের ভাষাসমূহ নিয়ে গঠিত।

এইরকম সাদৃশ্যের বা মিলের বিষয়টি ১৬শ শতকের সময় ভারতে আগত ইউরোপীয়রা লক্ষ্য করেন। তারা দেখেন যে, ইন্দো-আর্য, ইরানীয় ও ইউরোপীয় ভাষাসমূহের মধ্যে বেশ সাদৃশ্য আছে। ইউরোপিয়রা দেখেন যে, বাংলা ভাষায় আমরা যে ঢংয়ে বা স্টাইলে কথা বলি, ঠিক সেই ঢংয়ে বা স্টাইলে ইউরোপীয়রাও কথা বলেন।

১৫৪০ সালে ইটালির ফ্লোরেন্সে জন্ম নেওয়া বণিক ফিলিপো সাসেতি, যিনি ভারতীয় উপমহাদেশে ভ্রমণ করেছিলেন, তিনি ইউরোপের উদ্দেশ্যে একটা বিবরণ লিখেন। ১৫৮৫ সালের লেখায়, তিনি সংস্কৃত ও ইতালীয় ভাষার শব্দগুলোর মধ্যে কিছু সাদৃশ্য লিপিবদ্ধ করেন, যেমন: devaḥ(দেবঃ)/dio "ঈশ্বর", sarpaḥ(সর্পঃ)/serpe "সাপ", sapta(সপ্ত)/sette "সাত", aṣṭa(অষ্ট)/otto "আট", এবং nava(নব)/nove "নয়"।

১৬৪৭ সালে, ওলন্দাজ ভাষাতাত্ত্বিক ও পণ্ডিত মার্কাস জুয়েরিয়াস ভান বক্সহর্ন কিছু এশীয় ও ইউরোপীয় ভাষাসমূহের মধ্যের সাদৃশ্য লক্ষ্য করেন এবং ধারণা করেন যে সেগুলো অন্য এক আদিম ভাষা থেকে উৎপন্ন হয়েছে।

এখানে একটা বিষয় লক্ষণীয় যে ভারতের সব ভাষা ইন্দো-ইউরোপীয় না, যেমন বাংলা, হিন্দি, উর্দু ইন্দো-ইউরোপীয়, এসব ভাষার সাথে ইউরোপের ভাষাগুলোর মিল আছে।

সুতরাং আমরা যারা বাংলায় কথা বলি তাদের গর্ব করা উচিত, কারন আমাদের বাংলা ভাষা যে ভাষা থেকেই এসেছে ইংরেজীও সেই একি ভাষা থেকেই এসেছে।

চাঁদপুর জেলা বা আধুনিক চাঁদপুর প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮৪ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারিতে। চাঁদপুরের ইতিহাস পর্যালোচনায় দেখা যায়, চাঁদপুর...
20/01/2024

চাঁদপুর জেলা বা আধুনিক চাঁদপুর প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮৪ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারিতে। চাঁদপুরের ইতিহাস পর্যালোচনায় দেখা যায়, চাঁদপুর ঐতিহাসিকভাবে কখনো কখনো কুমিল্লা জেলা, বৃহত্তরভাবে ত্রিপুরা জেলা, ঢাকার সাথে এবং সুপ্রাচীনকালে সমতট জনপদের অংশ ছিলো। মধ্যযুগে ত্রিপুরা (বর্তমান ত্রিপুরা, কুমিল্লা, চাঁদপুর, ব্রাহ্মনবাড়িয়া, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, শাহবাজপুর, হাতিয়া, চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ ও মীরসরাই) যখন কুমিল্লার সাথে ছিলো তখন প্রশাসনিক সুবিধার জন্য বাংলার নবাব বা ব্রিটিশ সবাই এর সমতল এবং পার্বত্য অঞ্চল দুটিকে আলাদাভাবে ভাগ করে নিতো।

ব্রিটিশ শাসনামলে চাঁদপুর ছিলো ত্রিপুরা জেলার অন্তর্গত একটা এলাকা। বর্তমানে ত্রিপুরা নামে ভারতে একটি রাজ্য আছে, যা বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলার পাশেই অবস্থান করছে। ১৯৬০ সালে সদর দপ্তরের নামানুসারে ত্রিপুরা জেলার নামকরণ করা হয় কুমিল্লা এবং তখন থেকে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও কালেক্টর পদটির নামকরণ জেলা প্রশাসক করা হয়। ১৯৮৪ সালে কুমিল্লার দু'টি মহকুমা চাঁদপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে পৃথক জেলা হিসেবে পুনর্গঠন করা হয়।

কুমিল্লা নামটি এসেছে কমলাঙ্ক নাম থেকে। বৃহত্তর কুমিল্লা প্রাচীনকালে সমতট জনপদের অংশ ছিল। ১৭৩৩ সালে বাংলার নবাব সুজাউদ্দিন খান ত্রিপুরা রাজ্য বিজয় করে এর সমতল অংশ সুবাহ বাংলার অন্তর্ভুক্ত করেন। ১৭৬৫ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী ত্রিপুরা দখল করে। ১৭৬৯ সালে রাজস্ব আদায়ের সুবিধার্থে কোম্পানী একজন তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ করে। তখন ঢাকা প্রদেশের অন্তর্গত ছিল কুমিল্লা। কুমিল্লাকে ১৭৭৬ সালে কালেক্টরের অধীনস্থ করা হয়।

১৭৯০ সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর শাসনামলে ত্রিপুরা নামের জেলার সৃষ্টি করা হয়। সেসময় বর্তমান কুমিল্লা, চাঁদপুর, ব্রাহ্মনবাড়িয়া, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, শাহবাজপুর, হাতিয়া, ত্রিপুরার কিছু অংশ, চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ ও মীরসরাই নিয়ে সমতল অঞ্চল নিয়ে ত্রিপুরা জেলা এবং পার্বত্য অঞ্চল নিয়ে পার্বত্য ত্রিপুরা নামে ভাগ করা হয়। এই জেলার সদর দপ্তর স্থাপিত হয় কুমিল্লায়। তারমানে চাঁদপুর জেলা ১৯৮৪ সালের আগে কুমিল্লা জেলার অন্তর্গত ছিলো, যদিও আগে কুমিল্লাকে বৃহৎ পরিসরে ত্রিপুরা বলো হত।

Address

Faridgonj

Telephone

+8801842568271

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Our Faridganj - আমাদের ফরিদগঞ্জ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Our Faridganj - আমাদের ফরিদগঞ্জ:

Share

আমাদের ফরিদগঞ্জ !

ফরিদগঞ্জ উপজেলাটি চট্টগ্রাম বিভাগের চাঁদপুর জেলায় অবস্থিত। সমতল ভূমি এই উপজেলার মধ্য দিয়ে ডাকাতিয়া নদী প্রবাহিত হয়েছে। এ উপজেলার আয়তন ২৩১.৫৪ বর্গ কি.মি.। ফরিদগঞ্জ উপজেলার উত্তরে চাঁদপুর সদর উপজেলা, দক্ষিণে রামগঞ্জ উপজেলা, পূর্বে হাজীগঞ্জ উপজেলা এবং পশ্চিমে হাইমচর উপজেলার অবস্থান। ( সূত্রঃ উইকিপিডিয়া)

Our Faridgonj পেজটা খুলা হয়েছে আমাদের ফরিদগঞ্জকে নিয়ে ব্যান্ডিং সৃষ্টি করার জন্য।