দিনাজপুর

দিনাজপুর It is Make About of Dinajpur District....
Our official page www.facebook.com/AmazingDinajpur

দিনাজপুর জেলা (Dinajpur)বাংলাদেশের সবচেয়ে উত্তরের জেলাগুলির একটি যা রংপুর বিভাগের অন্তর্গত। পৌরাণিক কিংবদন্তীর লীলাভূমি এই জেলাকে বলা হয় বাংলাদেশের সবুজ শস্যের ভান্ডার। বিস্তীর্ণ সমতল ও উর্বর এই জেলা একদা পুন্ড্রবর্ধনের বৃহদাংশ ছিল এবং পরবর্তীতে ব্রিটিশ আমলের স্বল্প সংখ্যক মানুষের আবাসস্থল থেকে উন্নতি ও পরিবর্তনের পর ১৯৪৭ সালে বঙ্গভঙ্গ -এর সময় ১ম দফা বিভাজিত হয়ে (বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে) এবং ব

াংলাদেশের অংশটি ১৯৮৪ সালে আরেক দফা বিভাজিত হয়ে পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁও জেলার জন্মদান এবং রংপুর ও নিলফামারী জেলাগুলোকে কিছু অংশ প্রদানের মাধ্যমে আজকের দিনাজপুর জেলার আবির্ভাব।

সীমাঃ
উত্তরে ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড় ও নিলফামারী জেলা, দক্ষিণে জয়পুরহাট জেলা ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, পূর্বে রংপুর ও নিলফামারী জেলা এবং পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যর পশ্চিম দিনাজপুর (উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাদ্বয়)।
নামকরণ

দিনাজপুর জেলার নামকরণ নিয়ে যেমন অনেক ঐতিহাসিক মতবাদ আছে তেমন আছে একাধিক কিংবদন্তী। ধারণা করা হয় প্রতাপশালী ব্যক্তি দানূজ রায়ের নাম হতে দিনাজপুর নামটি এসেছে। অন্যদিকে কারো মতে পঞ্চদশ শতকের প্রথমার্ধে উত্তর বাংলার রাজা গণেশ যখন গৌড়ের সিংহাসনে আরোহন করেন তখন "দনুজ মর্দন দেব" বা"দানূজ মর্দন দেব" উপাধি ধারন করেন। পরবর্তীতে এই উপাধি থেকে দিনাজপুর নাম হয়। তবে মেহরাব আলী ঐতিহাসিক তত্ব দ্বারা এই নামকরণের উৎপত্তিকে ভিত্তিহীন প্রমাণ করেন। বুকানন অনুমান করেন "দিনাজ" বা "দিনাওয়াজ" নামক কোন রাজকীয় ব্যক্তির নাম হতে জেলার নামটি এসেছে। বলাবাহুল্য, এই রাজকীয় ব্যক্তির কোন ঐতিহাসিক সন্ধান পাওয়া যায় না। যাহোক স্থানীয়ভাবে প্রচলিত হিন্দু কিংবদন্তী মতে দিনা নামক একজন ব্রান্মনের রাখাল অথবা মুসলিম ঐতিহ্য মতে দিনা নামক একজন ফকিরের নাম হতে এই স্থানের নাম দিনাজপুর হয়েছে। এসব বিভিন্ন মতবাদকে গোলমেলে মনে হলেও দিনাজপুর রাজবংশের সাথে দিনাজপুর নামটির সম্পর্ক সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়। দিনাজপুর নামে একটি মৌজা ছিল এবং কোম্পানী আমলে কাগজ কলমে এই নামটি প্রথম ব্যবহৃত হলেও ভৌগলিককভাবে মৌজাটি অনেক প্রাচীন। আর এখানেই ছিল রাজবাড়ী। যেহেতু রাজবাড়ী যে মৌজায় অবস্থিত তার নাম দিনাজপুর তাই রাজার সন্মানার্থে এই জেলার ও শাসনাধিকরণ শহরটির নাম হয় দিনাজপুর।
আয়তনঃ
৩৪৩৭.৯৮ বর্গ কিলোমিটার
জনসংখ্যাঃ
২৬৪২৮৫০ (পুরুষ-১৩৬৩৮৯২, মহিলা-১২৭৮৯৫৮)
শিক্ষার হারঃ
৪৫.৭%
গড় তাপমাত্রাঃ
সর্বোচ্চ ৩৫.৫° সেঃ থেকে সর্বনিম্ন ১০.৫°সেঃ
বৃষ্টিপাতঃ
২৫৩৬ মিলিমিটার

নদনদীঃ
পূণর্ভবা, আত্রাই, ঢেপা, টাঙ্গন।
ঐতিহাসিক ও দর্শণীয়ঃ
কান্তজীউ মন্দির, দিনাজপুর রাজবাড়ী, জাদুঘর, রামসাগর, সুখসাগর, মাতাসাগর, চেহেল গাজীর মাজার, সীতার কুঠুরী, হাবড়া জমিদার বাড়ী, গৌড় গবিন্দ, বারোদুয়ারী, নয়াবাদ মসজিদ, আওকরা মসজিদ।

ব্যাক্তিত্বঃ
হাজী মোহাম্মদ দানেশ, শেখ ফজলুল করিম (সাহিত্যিক), ফকির মজনুশাহ, অধ্যাপক ইউসুফ আলী, বেগম খালেদা জিয়া, খুরশীদ জাহান হক।
উপজেলাঃ

১৩টি - দিনাজপুর সদর, খানসামা, বীরগঞ্জ, কাহারোল, বোচাগঞ্জ, বিরল, চিরিরবন্দর, পার্বতীপুর, ফুলবাড়ী, নবাবগঞ্জ, বিরামপুর, হাকিমপুর ও ঘোড়াঘাট।
পৌরসভাঃ ৬টি
ওয়ার্ডঃ ৫৭টি
মহল্লাঃ ২০৪টি
ইউনিয়নঃ ১০১টি
মৌজাঃ: ২০২০টি
গ্রামঃ ২১৪৩টি
বাড়ীঃ ৫৭৯৯২৯টি

পার্বতীপুরের নামকরণের ইতিহাস.... 📖ইংরেজ ইতিহাসবিদ মিস্টার মাটিনের বিবরণ ও বেল সাহেবের মৌজা ম্যাপের পরিসংখ্যানে এই পার্বত...
17/01/2026

পার্বতীপুরের নামকরণের ইতিহাস.... 📖
ইংরেজ ইতিহাসবিদ মিস্টার মাটিনের বিবরণ ও বেল সাহেবের মৌজা ম্যাপের পরিসংখ্যানে এই পার্বতীপুর অঞ্চলে প্রাচীন অনেক চিহ্ন উল্লেখ করা হয়েছে ।

এই অঞ্চলটি মূলত খ্রিস্টপূর্ব ৬০০ অব্দ থেকে বারোশো খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত হিন্দু এবং বৌদ্ধদের বিচরণ অর্ধেক অর্ধেক ছিল এরপরে মুসলমানদের আগমন এবং বিস্তার শুরু হয়।। খ্রিস্টপূর্ব ৫৬৩ সালে নেপালের লুভিং কি এলাকায় বুদ্ধদেব জন্মগ্রহণ করার কারণে দিনাজপুরের পার্বতীপুর অঞ্চলটা খুব দূরে ছিল না। ফলে এ অঞ্চলে খুব দ্রুত বৌদ্ধ ধর্মের বিকাশ ঘটে ও বিভিন্ন ধরনের বৌদ্ধ বিহার ধর্মশালা ও সাধন কেন্দ্র স্থাপিত হয়।সম্রাট অশোকের কলিঙ্গ যুদ্ধ সমাপ্তির পর তিনি বৌদ্ধ ধর্ম গ্রহণ করেন অহিংস চিন্তার মধ্য দিয়ে। বিশেষত বৌদ্ধ ধর্মের চর্চা ব্যাপকভাবে এই প্রাচীন পার্বতীপুর অঞ্চলে শুরু হয়।

প্রথম শতকের দিকে এই অঞ্চলে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সমৃদ্ধশালী হিন্দু রাজারা বসবাস করত। তেমনি বর্তমানে করতোয়া নদীর পার্বতীপুরের ফকিরা বাজার সংলগ্ন এলাকার কিচক রাজার একটি স্বাধীন রাজ্য ছিল। এই কিচক রাজার ধন সম্পদে ভরপুর রাজ্যটি ছিল। এখনও পর্যন্ত নদীর পশ্চিম তীরে যে গড়টি টিকে আছে তা দর্শনীয় স্থান হিসেবে বিবেচিত আছে। কিন্তু স্থানীয় লোকজন তা নিশ্চিহ্ন করে ফেলেছে। আয়তন অর্ধ কিলোমিটার সমতল ভূমি থেকে উচ্চতা ৩০ ফুট এবং পার্শ্ব ৫০০ ফুট পরীখা পরিবেশিত ছিল।জায়গায় জায়গায় ধ্বংসের স্তুপ হয়ে গেলেও গড়ের স্বরূপ এখনো অখ্যাত ।এখান থেকে ১০০ গজ দূরে দুটি প্রাচীন আমলের পুকুর রয়েছে নাম উসাহার ও কাশাহার এর এক মাইল উত্তরে একটি স্থান ছিল যা হীরা জিরার ভিটা নামে পরিচিত ।

স্থানীয় জনশ্রুতি প্রচলিত গাথা পুথি অনুযায়ী কথিত জায়গাটিতে কিচক নামের রাজার যাতায়াত ছিল। হিরা জিরার ভিটায় দুই বোন বসবাস করত এই দুই বোনের মধ্যে হীরা কে কিচক রাজা বিয়ে করেন । এবং তাদের ঘরে একটি কন্যা সন্তান জন্মগ্রহণ করে। রাজা অনেক আদর করে কন্যাটির নাম রাখেন পায়রাবতী। পায়রাবতী অপরূপ সুন্দর হওয়ার কারণে রাজা খুব দুশ্চিন্তায় পড়ে যায়। রাজা ঢোল দেয় তার কন্যা পায়রাবতীকে বিয়ে দিবে।

বিভিন্ন জায়গায় থেকে রাজপুত্ররা এসে পায়রাবতীকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। কথিত আছে চন্দ্রনাথ নামে এক রাজপুত্র পায়রাবতীকে বিয়ে করে। এর কিছুদিন পর ডাকাত হানা দেয় ধনসম্পদ লুটের আশায় এবং পায়রাবতীর স্বামীকে ডাকাত দল হত্যা করে। পায়রাবতীকে ডাকার দল অপহরণ করে কথিত পৌরাণিক অবকাশে পায়রাবতীকে দিমালিকা দীঘিকা( বর্তমান বাসুপাড়া অঞ্চলে এই পুকুরটি অবস্থিত)। এবং ডাকাত দুর্বৃত্ত কতৃক অপহিত পায়রাবতী লাঞ্ছিত হয়। এই অপমান সহ্য করতে না পেরে পায়রাবতী এই দিমালিকা দীঘিকা তে আত্মহত্যা করেন।

এই নিষ্ঠুর এবং বেদনাক্ত ঘটনা কিচক রাজা সহ্য করতে না পেরে স্ত্রী তার রাজবাড়ী এবং তার রাজ্য ছেড়ে চলে যান ।তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায় না কোনদিন।এই ঘটনার পর এলাকার মানুষের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে শতাব্দীর পর শতাব্দি মানুষ এই ঘটনাটিকে কষ্ট ভরে স্মরণ করতো। কিচক রাজার কন্যা পায়রাবতীর নাম অনুসারে ধীরে ধীরে এই অঞ্চলটি পার্বতীপুর নামে আবির্ভাব হয় বলে অনুমান করা হয়।।

কথিত আছে এই করতোয়া নদীকে কেন্দ্র করে যে হিন্দু এবং বৌদ্ধ ধর্মের বিকাশ ঘটেছিল তার মধ্যে খোলাহাট নামক স্থানে বর্তমান যেখানে বার্নি হয় সেই স্থানে হিন্দু ধর্মাবলীর লোকেরা হিন্দু দেবী পার্বতীর নামে একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান করত এই অনুষ্ঠান টার নাম ছিল পূজা দিগন্ত। এবং এই অনুষ্ঠান টি অত্যন্ত ব্যাপক পরিচিতি পেয়েছিল। হিন্দু দেবী পার্বতীর নামে এই অঞ্চলের হিন্দু জনগোষ্ঠীর ভক্তি ও শ্রদ্ধার নির্দেশনস্বরূপ দূর-দূরান্ত থেকে এই অঞ্চলে পূজা পার্বণ করতে আসত। সেই পার্বতী দেবীর নামেই ধীরে ধীরে এই অঞ্চলটি ইতিহাসের পরিক্রমায় এবং বিবর্তনে আজকের এই পার্বতীপুর।।

তবে এই ইতিহাস কিছু পুথি প্রবাদ বাক্য কিংবদন্তি পৌরাণিক কাহিনীর জনশ্রুতি সমর্থিত।

তথ্য ও ছবি সংগ্রহীত!




05/01/2026

বোচাগঞ্জ উপজেলায় মিনি শিশু পার্ক ও ওয়াকওয়ের শুভ উদ্বোধন করলেন জেলা প্রশাসক মোঃ রফিকুল ইসলাম। ৪ ডিসেম্বর রবিবার বিকেলে উদ্বোধন করা হয়।
ভিডিও: সাজ্জাদ হোসেন



#দিনাজপুর

19/08/2024

দিনাজপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানকে অপসারণ

Address

Dinajpur
5200

Telephone

1714638630

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when দিনাজপুর posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to দিনাজপুর:

Share