17/05/2026
আজ ১৭ মে, বিশ্ব উচ্চরক্তচাপ দিবস ২০২৬। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এবং বিশ্ব হাইপারটেনশন লীগের নির্ধারিত এবারের প্রতিপাদ্য হলো: "একসাথে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করি: নিয়মিত আপনার রক্তচাপ পরীক্ষা করুন, এই নীরব ঘাতককে পরাজিত করুন"
📌 নীরব ঘাতকের বিরুদ্ধে হোক সম্মিলিত প্রতিরোধ! 🩸
বাংলাদেশে প্রাপ্তবয়স্কদের প্রতি ৪ জনে ১ জন উচ্চরক্তচাপ বা হাইপারটেনশনে ভুগছেন। আশঙ্কার কথা হলো, আক্রান্তদের এক বিশাল অংশই জানেন না যে তাদের এই সমস্যা রয়েছে। কোনো লক্ষণ প্রকাশ না করেই এটি হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক, ক্রনিক কিডনি ডিজিজ এবং অন্ধত্বের মতো মারাত্মক জটিলতা তৈরি করতে পারে।
এজন্যই উচ্চরক্তচাপকে বলা হয় "নীরব ঘাতক"।
⚠️ ঝুঁকি বাড়ায় যা কিছু:
খাবারে অতিরিক্ত কাঁচা লবণ খাওয়া।
মাত্রাতিরিক্ত মানসিক চাপ ও অপর্যাপ্ত ঘুম।
কায়িক পরিশ্রম না করা এবং অলস জীবনযাপন।
বংশগত কারণ, অতিরিক্ত ওজন এবং ধূমপান।
🛡️ নিয়ন্ত্রণে আমাদের করণীয়:
১. নিয়মিত রক্তচাপ মাপুন (Know Your Numbers): বছরে অন্তত কয়েকবার বা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী রক্তচাপ চেক করুন।
২. লবণ নিয়ন্ত্রণ: দৈনিক ১ চা চামচের (৫ গ্রাম) বেশি লবণ খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। পাতে কাঁচা লবণ নেওয়া আজই বন্ধ করুন।
৩. সক্রিয় থাকুন: প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট মাঝারি ধরনের শারীরিক পরিশ্রম বা দ্রুত হাঁটার অভ্যাস করুন।
৪. খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন: খাবারে শাকসবজি ও ফলমূলের পরিমাণ বাড়ান; চর্বিযুক্ত ও প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে চলুন।
৫. নিয়মিত ওষুধ ও ফলোআপ: একবার উচ্চরক্তচাপ ডায়াগনোসিস হলে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ বন্ধ করবেন না। মনে রাখবেন, এটি নিরাময়যোগ্য নয়, তবে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণযোগ্য।
আসুন, নিজে সচেতন হই এবং পরিবারের সবাইকে নিয়মিত রক্তচাপ পরীক্ষা করতে উৎসাহিত করি। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুস্থ রাখি প্রতিটি হৃদয়।