ধনবাড়ী, টাঙ্গাইল, ঢাকা

ধনবাড়ী, টাঙ্গাইল, ঢাকা ধনবাড়ী টাঙ্গাইলের অন্যতম সমৃদ্ধ এবং প্রভাবশালী একটি উপজেলা।

গভীর অর্থবহ আলাপ🤔🤔
10/08/2026

গভীর অর্থবহ আলাপ🤔🤔

20/07/2026

আমার যতটুকু মনে আছে ২০২২ অথবা ২০২৩ সালের ঘটনা

তখনো আমি ভারতের হিন্দুত্ববাদীদের 'ভাগওয়া লাভ ট্র্যাপ (Bhagwa Love Trap) সম্পর্কে কিছুই জানতাম না

মাধবপুর উপজেলা কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশনের একটা দায়িত্বে ছিলাম,

সেই সুবাদে তখন সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সাথে আমার বিভিন্ন স্কুল পরিদর্শনে যেতে হতো

যেকারণে বেশিরভাগ স্কুলের শিক্ষক এবং মেমরা আমাকে চিনতো, সবার সাথেই আমার ভালো সম্পর্ক ছিলো

হঠাৎ একদিন একটা স্কুলের পরিচিত শিক্ষিকা কল দিয়ে একটা জটিল সমস্যার কথা জানালো এবং পরামর্শ চাইলো

এমন হাসিখুশি শিক্ষিকার মুখে এমন ভয়ানক ঘটনা শুনে আমি এতোটা ভয় পাইছিলাম যে,

অনেকদিন পর্যন্ত মাথার ভিতর থেকে এটা মুছতে পারিনি

ঘটনাটা খুব সংক্ষেপে বলি,

প্রাইভেসির কারণে তার নাম পরিচয়টা বলতে পারবো না

সে ছিলো মুসলিম এবং অবিবাহিতা। বৃন্দাবন কলেজে অনার্স ফাইনাল ইয়ারে পড়তো

বয়সে তার থেকে দুই/তিন বছর বড় একটা হিন্দু ছেলে তার কাছে ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে জানার আগ্রহ প্রকাশ করতো

ছেলেটাও একই কলেজে পড়তো

বেশ কিছুদিন কথাবার্তার পর হিন্দু ছেলেটা মুসলিম হতে রাজি হলো

তবে শর্ত একটাই ছিলো,

যার কাছ থেকে ইসলাম সম্পর্কে বিস্তারিত জানার কারণে সে মুসলিম হওয়ার সৌভাগ্য পাচ্ছে,

সেই মেয়েটাকেই বিয়ে করতে চায়

তাকে সে হারাতে চায়না

মেয়েটা, মানে শিক্ষিকা এক পর্যায়ে রাজি হয়ে যায়

তারা লুকিয়ে এক হুযুরের মাধ্যমে বিয়ে করে ফেলে

এর পর স্বাভাবিক নিয়মে তাদের মধ্যে শারিরীক সম্পর্ক চলতে থাকে

ঘটনা এখান পর্যন্ত শেষ হলেই ভালো হতো

এর পরের অংশটাই ছিলো ভয়াবহ

হিন্দু ছেলেটা তাদের শারিরীক সম্পর্কের সকল কিছু তার মোবাইলে রেকর্ড করে রাখে

এরপর ছেলেটা নিজেই স্বীকার করে যে, সে আসলে কখনোই ইসলাম ধর্ম বিশ্বাস করেনা

মুসলিম মেয়েদের চরিত্র নষ্ট করাই তার উদ্দেশ্য

এবং সে ছিলো ৬ নাম্বার মুসলিম মেয়ে, যাদেরকে একই ফাঁদে ফেলে চরিত্র নষ্ট করেছে

এখানেও ঘটনা শেষ হলে একটা সমাধান হয়ে যেতো

কিন্তু না,

এর পরের অংশ আরো মারাত্মক

ভিডিও ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দিয়ে তাকে ভারতীয় পাসপোর্ট করিয়েছে

ছেলের সাথে ভারতে না গেলে তার সকল ভিডিও ছড়িয়ে দিবে

শুধু তাইনা,

মেয়েটার হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার এবং ফেসবুক আইডির লগইন সেই ছেলেটার মোবাইলে সেইভ করা ছিলো

এই ফাঁদ থেকে বের হওয়ার পরামর্শ আমি কী দিবো কিছুই বুঝতে পারছিলাম না

প্রথমে ভাবছিলাম থানায় যাবো, মামলা করবো

কিন্তু মেয়েটা তাতে রাজি হয়নি, কারণ বিষয়টা প্রকাশ হয়ে গেলে সে বাঁচতে পারবে না

অবশেষে বুঝে না বুঝে আমি তাকে তার এক আত্নীয়ের কাছে ঢাকায় চলে যেতে পরামর্শ দেই

ফেসবুক এবং হোয়াটসঅ্যাপ ডিএক্টিভ করে সিম কার্ড ভেঙে ফেলতে বলি

যদিও তাদের ভিডিও ছড়িয়ে দেয়ার রিস্ক ছিলো, তবুও এটাই করতে হইছে

বিষয়টা নিয়ে অন্য কিছু করার সাহস ছিলোনা তখন আমার

মেয়েটা ঢাকায় চলে যাওয়ার পর থেকে আর কিছু ঘটেনি, হিন্দু ছেলের ব্যাপারেও আর কিছু জানতে পারিনি

এর কিছুদিন পরেই, মানে ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে ফেসবুকে একটা লিখা পড়ে জানতে পারি

ভারতের হিন্দুত্ববাদী উগ্র সংগঠনের সদস্যরা পরিকল্পিতভাবে মুসলিম মেয়েদের চরিত্র নষ্ট করার জন্য 'ভাগওয়া লাভ ট্র্যাপ' (Bhagwa Love Trap) কার্যক্রম শুরু করে

উগ্রবাদী হিন্দুদের এই কার্যক্রম আর ভারতের সীমানায় সীমাবদ্ধ নাই

উগ্রবাদী 'ইসকন', বিশ্ব হিন্দু পরিষদ' এবং 'হিন্দু মহাজোট' সংগঠনের মাধ্যমে এটা বাংলাদেশের সকল জেলা উপজেলায় ছড়িয়ে পড়েছে

যে ভিডিওটা আপলোড দিলাম,

গাউছিয়া রয়েল হোটেলে রাত সাড়ে এগারোটার দিকে দুইটা মুসলিম মেয়েকে নিয়ে একটা 'ইসকন' সদস্য আটক হওয়ার

একটা 'ইসকন' সদস্যের সাথে দুইটা মুসলিম মেয়েকে এক সাথে এক রুমে আপত্তিকর অবস্থায় আটক করেছে

কতটা ভয়াবহ অবস্থায় চলে গেছে হিন্দুদের 'ভাগওয়া লাভ ট্র্যাপ' বুঝতে পারছেন?

এটা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা না

এমন ঘটনা এখন প্রতিদিন ঘটতেছে

কয়দিন আগে সিলেট জিন্দাবাজারে আরেকটা 'ইসকন' সদস্য অভিজিৎ তালুকদার একটা মুসলিম মেয়ের সাথে আটক হইছে

মেয়েটার নাম মিতা আক্তার। বাড়ি সুনামগঞ্জ জাওয়া

'ইসকন' সদস্যের নাম অভিজিৎ তালুকদার। গ্রাম- নতুনবাজার ধর্মপাশা, সুনামগঞ্জ

তার কাছে ভারতের পাসপোর্টও পাওয়া গেছে

চাঁপাইনবাবগঞ্জেও সাগর নামে আরেকটা 'ইসকন' সদস্য ভাগওয়া লাভ ট্র্যাপে ফেলে ৪টা মুসলিম মেয়ের চরিত্র নষ্ট করেছে

তাকেও আটক করা হইছে

কুড়িগ্রাম থেকে ইসকনের সদস্য প্রশান্ত চন্দ্র শীল একটা মুসলিম মেয়েকে ঢাকায় শামীবাগ 'ইসকন' মন্দিরে নিয়ে হিন্দু বানাইছে

মেয়েটাকে ভারতে পাচার করার আগ মূহুর্তে 'Protect Our Sisters BD' টিম তাদেরকে আটক করেছে

মেয়েটাকে তার পরিবারের কাছে তুলে দিছে

ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া আরেক ঘটনা ঘটেছে রাজশাহীতে

রাজশাহী কলেজের সাবেক অধ্যাপকের মেয়েকে সুহাদ্র সরকার যুবরাজ নামে এক ভাগওয়া সন্ত্রাসী 'ইসকন' সদস্য এই ট্র‍্যাপে ফেলে ব্ল্যাকমেইল করেছে

এরকম অসংখ্য ঘটনা ঘটতেছে প্রতিনিয়ত

গতকাল 'দৈনিক আজাদি বার্তা' নিউজে দেখলাম

কুষ্টিয়ার লাবণ্য ইসলাম নামের একটা মেয়েকে 'ইসকন' এর দুই নেতা শুভ দীপ তিলক এবং শ্রী নেহাল হালদার

ভাগওয়া লাভ ট্র‍্যাপে ফেলে অবশেষে মেয়েটাকে হিন্দু বানিয়েছে

শুধু তাইনা, এখন তার পুরো পরিবারকে হিন্দু হওয়ার জন্য হুমকি ধামকি দিচ্ছে, হিন্দু না হলে তার বাকি দুই বোনকেও তুলে নিয়ে যাবে!

ভাগওয়া সন্ত্রাসীরা শুধু স্বাভাবিকভাবে লাভ ট্র‍্যাপে ফেলে মুসলিম মেয়েদের চরিত্র নষ্ট করে না

এরা যদি কোনো মুসলিম মেয়েকে লাভ ট্র‍্যাপে ফেলতে না পারে, তখন ব্ল্যাক ম্যাজিকের আশ্রয় নেয়

ব্ল্যাক ম্যাজিকের মাধ্যমে মাদরাসার মেয়েদেরকেও তারা ফাঁদে ফেলে ধর্ষণ করে যাচ্ছে

এরকম কয়েকটা ঘটনা দেশে ভাইরাল হইছে

এর মধ্যে একটা ছিলো আমাদের পাশের উপজেলা চুনারুঘাটে

আরো ভয়াবহ বিষয় হচ্ছে,

এসব ভাগওয়া সন্ত্রাসীরা মুসলিম মেয়েদের চরিত্র নষ্ট করে শারীরিক সম্পর্কের ভিডিওগুলা তাদের সংগঠনের গ্রুপে আপলোড দিয়ে উল্লাস করতেছে

এতোকিছু ঘটার পরেও অনেক মুসলিম মেয়েরা সতর্ক হচ্ছেনা

দুইদিন আগে যে হিন্দুদের 'রথযাত্রা' হইছে

সেই 'রথযাত্রা'য় অসংখ্য বোরখা পড়া মুসলিম মেয়েদের দেখা গেছে

বিশেষ করে, আমাদের সিলেটের 'ইসকন' আয়োজিত রথ মেলায় অসংখ্য মুসলিম মেয়েদের উপস্থিতি দেখা গেছে

বিষয়টা ভয়াবহ উদ্বেগের এবং ভয়ের

কারণ, ভালোভাবে খুঁজ নিলে দেখা যাবে 'রথ মেলায়' উপস্থিত হওয়া বেশিরভাগ মুসলিম মেয়েরা এই ভাগওয়া লাভ ট্র্যাপে আটকে আছে

বাংলাদেশের মুসলমানদের এই বিষয়ে কঠোরভাবে
সতর্ক হতে হবে, সচেতনতা বাড়াতে হবে

সবাই সবার মা বোন কিংবা উপযুক্ত মেয়ের দিকে বিশেষ নজর রাখুন, তাদেরকে এই ব্যাপারে সতর্ক করুন

আশপাশে মুসলিম কোনো মেয়েকে হিন্দু কোনো ছেলের সাথে দেখতে পেলে তাদেরকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করুন, মুসলিম মেয়ের পরিবারকে জানান

হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসীদের 'ভাগওয়া লাভ ট্র্যাপ'কে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দিন

✍️সাদমান জহির
ইংল্যান্ড, ১৯ জুলাই

একে ধরিয়ে দিন।যাত্রীবেশে মধুপুর থেকে এক অসহায় লোকের অটো কৌশলে চুরি করে নিয়ে গেছে। কেউ চিনলে নাম ঠিকানা দয়া করে জানান।
19/07/2026

একে ধরিয়ে দিন।
যাত্রীবেশে মধুপুর থেকে এক অসহায় লোকের অটো কৌশলে চুরি করে নিয়ে গেছে। কেউ চিনলে নাম ঠিকানা দয়া করে জানান।

ভারতের হিন্দুত্ববাদী রাজনীতিতে কতটা উগ্রতা নগ্নভাবে ফুটে উঠেছে!ভিডিও লিংক কমেন্টে...
28/05/2026

ভারতের হিন্দুত্ববাদী রাজনীতিতে কতটা উগ্রতা নগ্নভাবে ফুটে উঠেছে!
ভিডিও লিংক কমেন্টে...

17/04/2026

আজ "হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইন-২০২৬" সম্পর্কে জুম্মার নামাজে জনগণকে অবহিত করার জন্য ধনবাড়ী উপজেলার ইমামগণদের নিয়ে সভা করা হয়।

হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইন-২০২৬ সংক্রান্ত জরুরী জ্ঞাতব্য:

* উদ্দিষ্ট জনগোষ্ঠী: ৬ মাস থেকে ৫ বছরের নিচের সকল শিশু এই টিকাদান ক্যাম্পেইনের আওতাভুক্ত হবে।
* যেসব শিশু ৯ মাস এবং পনের মাস বয়সে নিয়মিত হামের টিকা গ্রহণ করেছে, তারাও চলতি ক্যাম্পেইনের আওতাভুক্ত হবে।
* সময়কাল: ২০ এপ্রিল - ১০ মে, ২০২৬
* টিকাদান সময়সূচী: সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত।
* ক্যাম্পেইন চলাকালীন বীরতারা, যদুনাথপুর পাইস্কা, বলিভদ্র; এই চার ইউনিয়নে শনিবার, সোমবার, মঙ্গলবার, বৃহস্পতিবার হাম-রুবেলার এমআর টিকা দেওয়া হবে।
(রবিবার ও বুধবার নিয়মিত (ইপিআই) টিকা কার্যক্রম চলবে।)

• মুশুদ্দি, ধোপাখালী, বানিয়াজান; এই তিন ইউনিয়নে শনিবার, রবিবার, মঙ্গলবার, বুধবার হাম-রুবেলার এমআর টিকা দেওয়া হবে।
(সোমবার ও বৃহস্পতিবার নিয়মিত (ইপিআই) টিকা কার্যক্রম চলবে।)
* এছাড়া ক্যাম্পেইন চলাকালীন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ধনবাড়িতে প্রতিদিন হাম রুবেলার এমআর টিকা দেওয়া হবে।
* উল্লিখিত স্থানগুলো ব্যতীত বাদ পড়ে যাওয়া পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদেরকে স্কুল প্রোগ্রামের আওতায় ৩ দিন টিকা দেওয়া হবে।
*
* বিশেষ দ্রষ্টব্য: ক্যাম্পেইন চলাকালীন ছয় মাস থেকে অনূর্ধ্ব ৫ বছর বয়সী ১ ডোজ বুস্টার টিকা পাবে।

*ইতিপূর্বে কোন টিকা গ্রহণ করে থাকলে কমপক্ষে ২৮ দিন বিরতিতে এই টিকা গ্রহণ করতে পারবে।

হামের সংক্রমণ রুখে দিতে আপনার, আমার; সকলের দ্রুত পদক্ষেপ অত্যন্ত জরুরী। আসুন, নিজেরা সচেতন হই, সবাইকে সচেতন করি। উল্লিখিত বয়সের শিশুদের টিকা নিশ্চিত করি।

প্রচারে: উপজেলা প্রশাসন, ধনবাড়ী, টাঙ্গাইল।

16/04/2026

হাদীর ভক্ত হওয়া মানে নাকি হাদী ব্যবসায়ী হওয়া!?
এক ভাই তার কড়া জবাব দিয়েছেন...

এখানে ব্যাবসার কি আছে? হাদির নাম বিক্রি করে কেউ প্রধানমন্ত্রী হইসে? নাকি হাদির নাম বিক্রি করে কেউ ক্রিকেটবোর্ডের পরিচালক হইসে? নাকি হাদির নাম বিক্রি করে কেউ ঢাবির ভিসি হইসে? নাকি কেউ এমপি মন্ত্রী মেয়র প্রশাসক হইসে হাদির নাম ভাঙিয়ে? নাকি হাদির নাম বেচে কেউ হাজার হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে? আপনি এখানে হাদি ব্যাবসা হিসেবে ঠিক কি বুঝাতে চেয়েছেন বা চাচ্ছেন? সৎ সাহস থাকলে উত্তর দিবেন আশা করি।

আমি একটু সংক্ষেপে বলি হাদি কে নিয়ে আপনাদের চুলকানির প্রধান কারণ হচ্ছে তরুণ প্রজন্ম হাদিকে ধারণ করছে এবং এই ধারাবাহিকতা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ছড়িয়ে যাবে। এটাতেই আপনাদের মূলত চুলকানি হচ্ছে। বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যদি হাদির মতো জীবন্ত বিপ্লবীদের আদর্শে উজ্জীবীত হয় তাহলে তো আপনাদের অর্ধশত বছরের চেতনা ব্যাবসায় বড় ধস নেমে যাবে, তখন তো ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আর নাতি পুতিদের এসি রুমে বসে বিনা পুঁজিতে ব্যাবসার গল্প শুনবেনা বরং তারা শহীদ শরিফ উসমান হাদির মতো বিপ্লবীদের আদর্শে আদর্শিত হবে। এবং সেই প্রজন্ম কারোর দালালী করবে না পরিবারতন্ত্রের গোলাম হবেনা এজন্য আপনাদের শহীদ হাদিকে নিয়েও এতো ভয়। জীবিত হাদিকে যেমন আপনাদের বস্তাপচা চেতনার রাজনীতি ধ্বংসের জন্য ভয় পেতেন তেমনি শহীদ হাদিকেও ভয়ে আছেন, ভীষণ ভয়!

13/02/2026

নির্বাচনের প্রেডিকশন দেওয়ার আগে কিছু ডট মিলায়ে দেই। নাইলে প্রেডিকশন অ্যাকিউরেট লাগবে না।

১।
হাদি ছিলেন মাফিয়া বাহিনীর জন্যে সিস্টেমেটিক রিস্ক। হাদিকে নাই করাটা দুই মাসের একক কোনো প্ল্যান ছিলো না। বিচ্ছিন্ন ঘটনাও না। এইটা ছিলো - এলিট রিস্ক এলিমিনেশন।
অনেক লম্বা ছকের একটা অংশ ছিলো হাদির শহীদি। এই ছকের শুরু হয়- হাসনাত-সার্জিস যখন লীগ পুনর্বাসনের প্রপোজাল রিজেক্ট করে এবং হাসনাত ডিপ্লোমেটিক প্রোটোকল ভেঙে সেই প্রস্তাব প্রকাশ করে দেয় জনসম্মুখে- তারপর থেকে।

২।
ম্যাডাম মারা গেছেন এই খবর পেয়েছি এভারকেয়ার হাসপাতলের এক স্টাফ থেকে, যে ছিলে ফ্রেন্ডস অব ফ্রেন্ড। এটা ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে- যে বলেছিলো আরও আগেই মারা গেছেন। আমি বিশ্বাস করিনি। তবে ধরে নিয়েছি ম্যাডামকে বাঁচায়া রাখা হইছে লাইফ সাপোর্টে। সাপোর্ট সরালেই মৃত্যু- এমনটা হইতে পারে।

অর্থাৎ আনঅফিসিয়াল ডেথ।

২৯ নভেম্বর তারেক যে স্ট্যাটাস দেয়- "দেশে আসাটা তার একার সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে না"- এটা সম্ভবত ম্যাডামের মৃত্যুর নিশ্চয়তা বুঝেই।

কারণ, খালেদার মৃত্যু হলে, তারেকের ফেরাটা আরও রিস্কি হয়ে ওঠে। বরং মাইনাসের প্ল্যানও হতে পারে। খালেদা জিয়ার শারীরিক উপস্থিতি ছিল তারেকের ফলব্যক লেজিটিমিসি। ফলে, ম্যাডাম না থাকলে - তারেক সিদ্ধান্ত নিতে না পারার দূর্বলতা প্রকাশ করতে বাধ্য হয়।

এই আলাপ থেকে বুঝা যায়- সেই মুহূর্তে তারেক আর ডিসিশন মেকার না। বরং পাওয়ার ট্রান্সফার ভেহিকল।

তখন তার দেশে ফেরা নির্ভর করে দেশী-বিদেশী কয়েকটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর ইচ্ছার ওপর। তারেক না থাকলে যারা সুবিধাভোগী হবে তারা এবং যাদের প্রেসাক্রিপশনে দল চলবে তারাই তারেকের আসাকে ঠেকায়া দিতো।

কিন্তু তারেক বিহীন বিএনপি জাশির বিপক্ষে খুবই ভালনারেবল। এতে জাশির ক্ষমতায় আসার চান্স শতভাগ। এই রিস্ক ক্যালকুলেট করে, ওইসব গ্ৰুপ তারেককে আনতে সম্মত হয়। কিন্তু নির্দিষ্ট এজেন্ডা বাস্তবায়নের শর্তে।

৩।
গোপন রাষ্ট্র বলে আমরা যাদেরকে বুঝি- ওরা মূলত বাঙাল মাফিয়া। এই মাফিয়ার সঙ্গে জাশির আপস হবার পসিবিলিটি নাই। জাশিকে মাফিয়ার ভিনদেশি গডফাদাররা কলিজা কেটে খাওয়ালেও বিশ্বাস করে না। ফলে-১৭ বছরের চেইন অব ক্রাইম থেকে বাঁচার কোনো স্ট্রেইট রুট নাই।

কিন্তু বিকল্প এসকেইপ রুট তো দরকার।

সেই রুট হইছে তারেক।

বিনিময়ে তারেক পাবে ফেরার সুযোগ, ফুল প্রটেকশন, ক্ষমতায় বসার নিশ্চয়তা।

৪।
তারেকের প্রাণনাশের হুমকি ছিলো। দেশে আসা রিস্কি। এদিকে ম্যাডামও নাই। ফলে ঝুঁকি আরও বেশি হবার কথা। কিন্তু তারেক ফিরেছে।

প্রত্যাবর্তনের পরের ঘটনাবলি খেয়াল করলে, মূলত সেই থ্রেটের সঙ্গে আপোস করেই ফিরেছে বলাটা বেশ সঙ্গত লাগে।

কিচ্ছু করার নাই আশলে। কম্প্রোমাইজ না হলে, প্রধানমন্ত্রীত্ত্ব দূর কি বাত- মায়ের চেহারা দেখতো পেতো কিনা- সন্দেহ জাগে।

অর্থাৎ মাফিয়ারা এতোই শক্তিশালী যে- ইউনুস যেখানে বাধ্য হয়েছে মাথা নোয়াতে- তারেক ইজ নাথিং।

দ্যাটস হাউ তারেক গট ব্যাক টু বাংলাদেশ।

৪।
আপসের ফলাফল কী?

ট্রানজিশনাল ফিগার সেক্রালাইজেশন-

হুয়ান লিন্‌জের লেজিটিমিসি ক্রাইসিস্ তত্ত্ব অনুযায়ী- ক্ষমতা বদলের সময় রাষ্ট্র একটি "ইনেভিটেবল লিডার" তৈরি করে- যার বিরুদ্ধে প্রশ্ন তোলা মানেই স্থিতিশীলতার বিরুদ্ধে দাঁড়ানো।

মানে, তারেক ফিগারকে অস্বাভাবিকভাবে পবিত্র বানানো হইছে, যাতে তার বিরুদ্ধে প্রশ্ন করাই "অপরাধ" হিশেবে প্রতিফলিত হয়।

তার সমালোচনা অস্বাভাবিক ফিল হইতে থাকে।

মিডিয়া ন্যারেটিভ, জনপ্রিয় উপাধি এবং রাজনৈতিক ভবিষ্যদ্বাণী ব্যবহার করে জনগণের কাছে তাকে অনিবার্য হিশেবে উপস্থাপন করা হইছে।

মেসেজ ওয়াজ ক্লিয়ার- ইফ ইট'স নট হিম, দেন হুঁ দ্যা হেল ইজ ইট?

এ উপস্থাপনার উদ্দেশ্য ব্যক্তিকে জনপ্রিয় করা না। বরং ক্ষমতা স্থানান্তরকে স্বাভাবিক এবং অপরিহার্য হিশেবে প্রতিষ্ঠা করা।
তারেককে চমৎকার প্রতীকী মর্যাদা দিয়ে ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে তোলা হয়েছে- যা মূলত তার নিজস্ব অর্জন না।

রাজনৈতিক সমাজবিজ্ঞানে এটিকে বলা হয় 'লেজিটিমিসি ইঞ্জিনিয়ারিং।'

সেই উপস্থাপনের নমুনা হইলো-

- অভূতপূর্বভাবে কঠোর ও বহুস্তরীয় নিরাপত্তা!

খেয়াল করে দেখেন-
দেশে নামার পরে বিমানবন্দর থেকে বাসস্থান- RAB, পুলিশের স্বরাঙ্কন ইউনিট, কিলোমিটার পরপর চেক পোস্ট, রাস্তা ব্লক, ড্রোন নজরদারি, DGFI, NSI, CID-এর যৌথ টিম তার চারপাশে ৩৬০° নজরদারি ও থ্রেট ইন্টেলিজেন্স!!

এইটা কিরে ভাই?

এইটা ছিলে এসকেইপ রুটের বিনিময়ে দেওয়া সার্ভিস প্রতিজ্ঞার একটা দুর্দান্ত নমুনা।

- মিডিয়া জুড়ে হাইপ।

"তারেকের রাজকীয় প্রত্যাবর্তন (নেলসন- লেনিনের সঙ্গে তুলনা, নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার চাদরে মোড়ানো রাজকীয় ফেরা, এলেন-দেখলেন- জয় করলেন, "বাংলার লুথার কিং"-মানে আর কিছু বাকি নাই!

সিরিয়াসলি?

একটা কারণ দেখান- যার ফলে তারেককে লুথার কিং উপাধি দেওয়া যাইতে পারে।

শো মি জাস্ট অ্যা সিঙ্গেল রিজন!

এমনকি তারেককে ১০% উপাধি দেওয়া ডেইলি স্টার ও প্রথমআলো পর্যন্ত চাপলুশিতে নেমে যেতে বাধ্য হয়েছে - যা খুবই অস্বাভাবিক!

- ভাবি প্রধানমন্ত্রী হাইপ।

মিডিয়া থেকে রাষ্ট্র, কমিশন থেকে ইন্টালিজেন্স- অনেকেই তারেকের সাক্ষাতের বিনিময়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করে। বাঙালির যেই নেচার- এইটাকে অনুগত্যে প্রকাশ করার বিউরোক্র্যাটিক অ্যালাইনমেন্ট বলা যায়।

এনিহাউ, সেই সব সাক্ষাৎ নানাভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। এইটা মূলত তাদেরকে এক্সপোজ করা।

অর্থাৎ তারেকের বাইরে অন্য কেউ ক্ষমতায় এলে, এসব লোকজনের ক্রেডিবিলিটি থাকবে না আর। এজ এ রেজাল্ট - তারেককে ক্ষমতায় আনতে, যা কিছু দরকার- নৈতিক- অনৈতিক এরা সেটাতে জড়াবে।

অতএব, এই পাওয়ার রিকনফিগারেশনের পুরো সেটাপ হচ্ছে তারেককে প্রধানমন্ত্রীত্ব দেওয়া।

তারমানে কি বিএনপি ভোটে জিতবে না?

জিতবে। কিন্তু, জয়টা সংখ্যাগোরিষ্ঠ হওয়া লাগবে। যাতে অ্যাবসুলিউট পাওয়ার থাকে। এর বাইরেও হাসিনার পতনের মতো এক্সিডেন্টাল কিছু ঘটে যায় যদি - সেই ঝুঁকি মাফিয়ারা নিতে পারবে না।

সুতরাং বিএনপিই ক্ষমতায় আসতে হবে এবং তা যেকোনো উপায়ে নিশ্চিত করলেও যাতে প্রশ্ন তোলার সুযোগ না থাকে- সেই সিস্টেমেটিক সেটাপ দেওয়া হয়েছে- যার সর্বশেষ সংযোজন হইলো-

- ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি)কে নির্বাচণে ভলেন্টিয়ার হিশেবে নিয়োগ বাতিল।

- ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ডিভাইস নিষিদ্ধ।

এগুলো কারচুপির ক্লাসিক কৌশল না। এগুলো হইলো নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারার সক্ষমতা ধ্বংস করা। কারণ আধুনিক হাইব্রিড রেজিমে নির্বাচন জেতা মুখ্য না। মুখ্য হইলো কনটেস্টবিলিটি ডিস্ট্রাকশন।

সেই ডিস্ট্রাকটসনের একটা ক্লাসিক উদাহরণ হইলো- তারেকের প্রতিদ্বন্দ্বির কাটছাঁট আর্মি বিদ্বেষ ফুটেজ ভাইরাল করা।

৫।
এখন প্রশ্ন হইলো- এই সেটাপ কি ইউনুস দেখছে না বা মানছে কেনো?

কারণ ইউনুসের পক্ষে মাফিয়াতন্ত্রের সঙ্গে পেরে উঠা সম্ভব না। ইউনুস রাজনৈতিক না। অ্যাডমিনিস্ট্রেটর। প্রশাসনে তার প্রভাব নাই। সে খেলতে পারবে না চাইলেও। খেলতে গেলে দেশ ছারখার হবে। ইউনুস তা চায় না।

এবং মাফিয়ারা ইউনুস-সহ অন্যদের "লীগের ভয়" দেখিয়ে, নিজস্ব সেটাপকে মানতে বাধ্য করাতে পারছে।

ফলে, ইউনুসকে মেনে নিতে হচ্ছে।

অর্থাৎ বিএনপির ক্ষমতায় আসাটা এখন আর শুধু মাফিয়ার এসকেইপ রুটে সীমাবদ্ধ না। ইউনুসের "অনিচ্ছাকৃত সম্মতি" আছে এবং ইউনুস সেই সম্মতি দিয়েছে কতগুলো স্ট্রাকচারাল রিফর্ম ও লং-টার্ম মাস্টারপ্ল্যানধর্মী প্রজেকটের বিনিময়ে- যেগুলো বিএনপিকে ক্যারি অন করতে হবে।

যেমন-ব্যাংকিং, রাজস্ব, IMF প্যাকেজ, রিজিওনাল কানেকটিভিটি, রিফর্ম কমিশন, সোশ্যাল ফাইন্যান্স-এই লেয়ারগুলোতে যে ভিত্তি রেখে যাচ্ছে, সেগুলোর ফলাফল আসবে পরবর্তী দশক জুড়ে।

দেখবেন- আগামী দশকে বাংলাদেশে একটা অর্থনৈতিক জোয়ার বইবে। এটাই ইউনুসের আপসের সেটাপ।

অর্থাৎ সংঘাত এড়িয়ে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতাকে অগ্রাধিকার দিয়েই এলিট সোসাইটি, মাফিয়া ও বিএনপির সঙ্গে ইউনুসের এই অপ্রমাণিত কিন্তু স্পষ্ট সেটাপ।

তো এই সেটাপ তো ভালোই। অসুবিধে কী?

অসুবিধে হইলো- দুইটা

(ক)
উন্নতি বলতে আপনারা যে, ফ্লাইওভার, এক্সপ্রেসওয়ে, জিডিপি গ্রোথ বুঝেন,আশলে তা না।
উন্নতি করা আর সেই উন্নতিকে এনজয় করতে পারা এক জিনিস না। ঋণ করে বা চুরি করেই হোক- হাসিনা কম উন্নতি করেনি। কিন্তু, আপনারা কী তা উপভোগ করতে পেরেছেন?

পারেন নাই।

হাদি বলছিলেন - " অগাস্টের পর একদিন হাসতে হাসতে রাস্তায় হাঁটছি। ভাবতেই ভালো লাগছে- মন খুলে কথা বলব, কিন্তু কেউ হুট করে এসে গু ম করবে না। এই স্বাধীনতার সুখটাই উন্নতি।"

আর, কোনো উন্নতি টিকে থাকে না যদি বিচারব্যবস্থা আপস করে। কারণ, অপরাধী পার পাবার সুযোগ থাকলে- উন্নতি এলিটের হস্তগত হয়। অতএব, আগে বিচার ব্যবস্থা টেকসই হতে হবে। তারপর উন্নতি।

এখন, এই মাফিয়াতন্ত্র আরোপিত ক্ষমতার সেটাপ এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার বিনিময়ে ইউনুসের বিচারিক সংস্কৃতির আপস- স্বল্পমেয়াদে প্রবৃদ্ধি আনতে পারে হয়তো।

কিন্তু হান্টিংটনের ভাষায়- দীর্ঘমেয়াদে এটি rule of law erosion institutionalize করে।

ইউনুসকে আমি এজন্য গাইল্যাই।

বিচারিক সিস্টেম আল্লাহ প্রদত্ত। এটা অত্যাবশ্যক। যত বড় উন্নতিই হোক- ন্যায়বিচারের বিনিময়ে আপস হইতে পারে না। বিচার লাগবেই।

দ্বিতীয় সমস্যা হইলো-

সেই একই মাফিয়াতন্ত্রই টিকে গেলো অবশেষে- যা-হাদির মন খুলে কথা বলতে পারার সুখকে দীর্ঘস্থায়ী হইতে দিলো না।

আমার লাল জুলাই ব্যর্থতার বেদনায় নীলই যদি হবে- এতো প্রাণ ঝরিয়ে কী ফল পেলাম?

এই যে সেটাপ একটার পর একটা-

কল্পনা করেন, হাদি বেঁচে থাকলে, এই সেটাপ কতটা ডিস্টার্ব হইতো।
ট্রাস্ট মি- এইসব ম্যানজেড ট্রাঞ্জিশন দেখলে আরও আগেই সর্বব্যপি আন্দোলনের ডাক দিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করে ফেলতেন। ইউনুস-সহ সমস্ত গং পেরেশানিতে পড়তো।

কারণ, রাজনীতি অসচেতন, প্রান্তিক জনগণকেও নিরঙ্কুশভাবে প্রভাবিত করার দুর্দান্ত সম্মোহনি ক্ষমতা ছেলেটার ছিলো!
ওরা বুঝতে পেরেছিলো- সবাইকে কিনতে পাবে, আপস করাতে পারবে, ভয় দেখাতে পারবে, ব্ল্যাকমেইল করতে পারবে- কিন্তু হাদিকে না।

হাদি ওয়াজ ডিফেরেন্ট।

শুধু আলাপে না ; বিচক্ষণতায়ও।

সুতরাং এই ছেলে মাফিয়াতন্ত্রের জন্যে রিস্কি। তার খু/ন হওয়া অনিবার্য।

সেই অনিবার্যতাকে স্বাভাবিকরণের প্রথম স্টেপ ছিলো- হাদির গু-লিবিদ্ধ হবার দিন তারেকের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ঘোষণা! যদিও চাপা দিতে পারেনি আমাদের জন্যে।

নাইলে বিচার আবার হইতো না! ছোঁহ!

এই একবিংশ শতাব্দীতে এসে, এডভান্স টেকনোলজির যুগে- এরকম একটা হাই প্রোফাইল কেইসের পুরো ঘটনা জানা যাবে না -ইটস ইম্পসিবল!

কিন্তু, বিচার করতে গেলে মাফিয়াতন্ত্র ফেঁসে যায়। বিএনপির অনেকেই ফেঁসে যায় (লিখেছি আগে)। ওরা ফাঁসলে দেশকে ফাঁসায়। একজন হাদির জন্যে কেউই এসব ফাঁসাফাসি চায় না।

ফুটনোট-
২০০৭-৮ সালের সেটাপগুলো দেইখেন। লীগকে ক্ষমতায় আনতে জনমতকে প্রভাবিত করতে সত্য মিথ্যা মিলিয়ে, মিডিয়ায় যে হাইপ এবং নির্বাচনী আসন বন্টন- এগুলোও ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং এর অংশ। যার ফলে বিএনপি ভোট প্রায় ৩৩% - কিন্তু আসন পায় ৩০টি!!

ওই টাইপের সেটাপ এখনো বিদ্যমান।

এগুলো প্রমাণের বিষয় না।

পলিটিকাল আন্ডারস্ট্যান্ডিং এর বিষয়।

উপসংহার-

তো যখন ক্ষমতা 'ভোটে' না - বরং সেটাপে নির্ধারিত হয়- তখন নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে খুব বেশি সাসপেন্স থাকে না।

সুতরাং বিএনপির ২১০-২৩০ আসন পাওয়া স্বাভাবিক। না পেলেই বরং অস্বাভাবিক লাগবে।

কিন্তু আপনারা যারা জাশিকে ভোট দেবার সংকল্প নিয়েছেন, হতাশ হবার কিছু নাই। দেন। কারণ এইটা এখন আর হারা- জেতার ইলেকশন না।

এইটা হইলো মাফিয়ার+এলিট+বহিঃশক্তির কনসেন্সাস ভাঙার ইলেকশন।

আপনি তো এখন আর ক্ষমতা নিতে ভোট দিবেন না।

দিবেন - ক্ষমতাকে অস্বস্তিতে ফেলতে।

এই ভোট জনগণের আত্মসম্মানের পরীক্ষা।

উপরন্তু,

যদি ভার্সিটির নির্বাচনের মতো নীরব ভোট বিপ্লব ঘটে-তো পুরো পাওয়ার সেটাপ আর "ইনেভিটেবল" থাকবে না। ভাঙতে বাধ্য হবে।

তখন জাতীয় সরকার শুধু বিকল্প না, প্রয়োজন হয়ে উঠবে।

আমরা জাতীয় সরকারের দিকে এই নির্বাচন ঠেলে দিতে পারলে- আমাদের জুলাই জিতে যাবে ইনশাআল্লাহ।

এটা আমাদের সিটের লড়াই না- লেজিটিমিসির লড়াই।

আর ইতিহাসে শেষ কথা কখনো মাফিয়ারা লেখে না। লেখে সেই মানুষগুলো- যারা জানে, হার নিশ্চিত হলেও প্রশ্ন তোলা অপরাধ না।

আমি বিশ্বাস করি - আপনারা তা জানতে পেরেছেন এবং সবাইকে জানাবেন।

আমাদের লড়াই কোনো দলের পক্ষে- বিপক্ষে না।

আমাদের লড়াই মাফিয়াতন্ত্রের বিরুদ্ধে।

আমাদের লড়াই জুলাইয়ের স্বপ্ন- নতুন বাংলাদেশ গড়ার পক্ষে।

Sahab

06/02/2026

ভোট একটা বড় আমানত! আমাদের প্রার্থীদের কাছ থেকে তাদের যোগ্যতা, জ্ঞান, চরিত্র দেখার সুযোগ হয় নাই।
হে আল্লাহ! আমাদেরকে সঠিক মানুষকে ভোট দেওয়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।

Address

Madhupur-Jamalpur Highway
Dhanbari
1997

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ধনবাড়ী, টাঙ্গাইল, ঢাকা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share