Dhamoirhat-ধামইরহাট

Dhamoirhat-ধামইরহাট বরেন্দ্র ভূমির কেন্দ্রস্থলেই আমাদের বসবাস
(1)

ন‌ওগাঁ জেলার সর্ব উত্তরের একটি উপজেলা। এর উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বালুরঘাট থানা,পূর্বে জয়পুরহাট জেলা এবং দক্ষিণ ও পশ্চিমে পত্নীতলা উপজেলা।
পাল রাজ বংশের শেষ খ্যাতিমান রাজা রামপালের সভাকবি সন্ধ্যাকরনন্দি বরেন্দ্র ভূমিকে ‘বসুধার শীর্ষ স্থান’ বলে উল্লেখ করেছেন। বরেন্দ্র ভূমির কেন্দ্রস্থলেই আমাদের বসবাস। আবার প্রাচীন বাংলার দুই রাজধানী পুন্ড্র বর্ধণ (মহাস্থানগড়) ও গৌড় (মালদহ ও পার্শ্ববর্তী এলাকা)

এর মধ্যস্থল এবং পরবর্তী কালের রাজধানী কর্ণসুবর্ণ, লক্ষনাবর্তী, লহ্মৌতি, পান্ডুয়া ও মুর্শিদাবাদ সবগুলিই আবর্তিত হয়েছিল এই জনপদকে ঘিরেই। এখানকার পরগনা সন্তোষ জনপ্রিয় রাজা মহীপালের নামের প্রথম অংশের সাথে যুক্ত হয়ে মহীসন্তোষ বা মাহীসন্তোষ নামে প্রসিদ্ধি লাভ করেছে। পঞ্চদশ শতকে সুলতান রুকুন উদ্দীন বারবাকশাহ এখানে বারবাকাবাদ নামের প্রাদেশিক রাজধানী স্থাপন করেন। স্থাপিত হয় টাকশাল, দুর্গ, মসজিদ, মাদ্রাসা ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। কিন্তু মুঘল আমলে বিরান ভূমিতে পরিণত হয় সুলতানী আমলের মাহীগঞ্জ। অবশিষ্ট ছিল কেবল রাজস্ব আদায়ের প্রশাসনিক কাঠামো ‘ সরকার বারবাকাবাদ’। মাহী সন্তোষের সুলতানি আমলের ইতিহাস সম্পর্কে কিছু গবেষণা মুলক কাজ হয়েছে। সম্প্রতি মুসলিম বাংলার প্রথম মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা হযরত তকিউদ্দীন আল আরাবির মাজার নির্মিত হয়েছে।

ভট্রগুরব মিশ্র সুকবি এবং নারায়ন পালের (৯ম শতক) মন্ত্রী ছিলেন। তিনি দর্ভপানী মিশ্র সহ এই পরিবারের সকল মন্ত্রী, কবি, সাহিত্যিক, বিদ্যান ও বিদুষী গণের গুন কীর্ত্তণ করেছেন স্তম্ভলিপিতে। তিনি শিবের উপাষক ছিলেন। তাই উপাস্য দেবতার বাহন গড়–র-পাখী স্তম্ভের শীর্ষে স্থাপন করে শিবের উদ্দেশ্যে উৎস্বর্গ করেছিলেন। পাল রাজত্বের অবসানের পর ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর রেশম ও নীলচাষ কার্যে নিয়োজিত বাদাল কুঠির অধ্যক্ষ গভীর জঙ্গলে স্তম্ভটি নতুনভাবে আবিষ্কার করেন। তখন বজ্রখাতে গড়–র পাখিটি বিদীর্ণ হয়ে কিছুটা কাৎ অবস্থায় স্তম্ভটি দেখতে পাওয়া যায়। ইতিহাস বিশ্রুত স্থানীয় ধর্মাশ্রয়ী লোকজন তখন একটি কিংবদন্তির অবতারনা করে। পৌরানিক কাহিনী অবলম্বনে মানুষের ধারণা জন্মে যে, দেবদূত ভীম মর্ত্যলোকের ভূমি কর্ষনের দায়িত্ব পেয়েছিলেন। গভীর রজনীতে চাষ কার্য শেষে মঙ্গলবাড়ী এসে ভোর হয়। তিনি দ্রুত লোক চক্ষুর অন্তরালে স্বর্গে গমনকালে তার হাতে থাকা পান্টিটি আপন ভারে মাতিতে পুঁতে যায়।

একাদশ শতকে পাল রাজত্বের অধঃপতনের যুগে দ্বিতীয় মহীপালের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে এক গণ বিক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এর নেতৃত্ব প্রদান করেছিলেন স্থানীয় কৈবর্ত নায়ক দিব্যোক। তিনি দিবর দিঘীতে প্রতিষ্ঠিত দিব্যোক স্মৃতি স্তম্ভের (দিবরদীঘি) নিকটবর্তী স্থানে মহীপালের বিরুদ্ধে যুদ্ধে বিজয়ী হয়ে বাংলায় সুশাসন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। দিব্যোকের ভ্রাতুস্পুত্র ভীম জনপ্রিয় শাসক ছিলেন। তারই স্মৃতি দেবদূত ভীমের অলৌকিক শক্তিকে হয়তো আচ্ছন্ন করেছে। প্রাচীন কাল থেকেই এই অঞ্চলের মানুষ হিন্দু ধর্মানুরাগী ছিলেন। এখানে হরগৌরির যুগল স্বর্ণমূর্তি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এবং খিষ্ট্র পূর্ব দ্বিতীয় শতকের শিবলিঙ্গের অনুরূপ একটি বিগ্রহের আরধনা করত এখানকার মানুষ। সভ্যতার আলো থেকে বঞ্চিত কুসংস্কারাচ্ছন্ন মানুষ এই ধর্মীয় অনুভূতির কেন্দ্রে এক সময় আবিষ্কার করে মঙ্গলজলের। এখানকার একটি জলাশয় থেকে সকল প্রকার রোগ শোকের মুক্তি লাভের আশায় ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকল শ্রেণীর মানুষ মঙ্গলবার দিন ভিড় জমাতো। সেখান থেকেই মঙ্গল বারির মহিমায় মঙ্গলবাড়ী হাটে রূপান্তরিত হয়েছে। একাদশ শতকের শেষার্ধে ভীমকে পরাজীত করে রামপাল প্রিয় পিতৃভূমি বরেন্দ্র উদ্ধার করেন। তিনি প্রজা সাধারণের আকুন্ঠ ভালবাসা অর্জনের জন্য সর্বাত্বক প্রচেষ্টা চালিয়েছিলেনএবং জগদ্দল মহাবিহার (বিশ্ববিদ্যালয়) ও রামাবতি নামক রাজধানী প্রতিষ্ঠা করে সুখ্যাতি অর্জন করেছিলেন। এ সময় পাহাড়পুর মহাবিহার বিদ্রোহীরা ভস্মীভূত করায় এটি পরিত্যাক্ত হয়েছিল। রামাবতিকে জগদ্দল মহাবিহারের দক্ষিণে এবং মালদহের নিকটে বলে নিদের্শ করা হয়েছে। ভৌগোলিক অবস্থান,ভবন-অট্রালিকার ধ্বংসাবশেষ ও নামের সঙ্গে কিছুটা মিল থাকায় আড়ানগর, লক্ষনপাড়ার সন্নিকটে আমাইড় গ্রামটিই রামাবতি বলে অনুমিত হয়।

রাজশাহী জেলার ইতিহাস রচয়িতা প্রখ্যাত ঐতিহাসিক কাজী মোহাম্মদ মিছের মহোদয়ের বর্ণনা মতে- ‘ধামা’ শব্দ থেকে ধামইরহাট শব্দের উৎপত্তি। আর এর পিছনের ঐতিহাসিক সুত্র হলো, ১৮৫৫ সালের ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর শাসন-শোষনের বিরুদ্ধে সাঁওতাল বিদ্রোহ। এই বিদ্রোহ ব্যর্থ হলে সাঁওতাল উপজাতী গোষ্ঠীর মানুষেরা ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে বিভক্ত হয়ে রাজমহল ত্যাগ করে দুরবর্তী দুর্গম, পাহাড়, বন, জঙ্গলে পালিয়ে আত্মরক্ষা করে। এদেরই একটি শাখা বর্তমান ধামইরহাট উপজেলা পরিষদের দক্ষিণাংশে জঙ্গলে বসবাস শুরু করে। কালক্রমে প্রাণ ভয়মুক্ত হয়ে জীবন জীবিকার তাগিদে সহজ লভ্য বাঁশ ও বেঁত দিয়ে মানুষের দৈনন্দিন গৃহস্থালী কাজের অতি প্রয়োজনীয় সামগ্রী প্রস্তুত কাজে মনোযোগ দেয়। এসব সামগ্রীর পসরা নিয়ে সপ্তাহের রবিবার দিন মাহালীরা বর্তমান হাট খোলায় বিক্রি করতে বসতো। পণ্য গুলির মধ্যে ধামাই ছিল প্রধান। কেননা এ সময় লেন-দেনের জন্য বাটখারা বা দাঁড়িপাল্লার পরিবর্তে ধামার ব্যাপক প্রচলন ছিল। আর ধামার পাশাপাশি দোন, ডোল, ডালি, ডালা, চাঙ্গারী, ঝাঁটা, কুলা, খইচালা, মাথল প্রভৃতি পন্যগুলি অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল। দূর-দূরান্ত থেকে প্রচুর মানুষ এখানে ভিড় জমাতো। এভাবে ধামা বিক্রির হাট দিনে দিনে প্রসার লাভ করে। এখানে গড়ে উঠে বাজার, পুলিশ স্টেশন, থানা উন্নয়ন কেন্দ্র এবং বর্তমানের ধামইরহাট উপজেলা পরিষদ।

06/04/2026

প্রিয় ধামইরহাটবাসী,

এখন থেকে পেট্রোল পাম্পগুলোতে জ্বালানি তেল সরবরাহ সুশৃঙ্খল ও স্বাভাবিক রাখতে অনলাইন রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতিতে তেল বিক্রয় করা হবে। উপজেলা আইসিটি অফিসার, ও পেট্রোল পাম্প এ নিয়োজিত ট্যাগ অফিসার সর্বসাধারণকে এ ব্যাপারে সহযোগিতা করবেন।

এতে বারবার লাইন ধরা, অতিরিক্ত তেল গ্রহণ করে পরে বেশি দামে বিক্রি রোধ করা সম্ভব হবে।

প্রথমদিকে, একটু সময় নিয়ে হলেও ধৈর্য সহকারে আপনাদের অনলাইন রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতিতে জ্বালানি তেল গ্রহণের অনুরোধ করা হল।

ঘোষণায়: উপজেলা নির্বাহী অফিসার

তথ্যসূত্র: Uno Dhamoirhat

18/02/2026
বিখ্যাত ধর্ম প্রচারক শায়িত আছেন নওগাঁর মাটিতেনওগাঁ জেলার ধামইরহাট উপজেলার ইতিহাসেমাওলানা তকী উদ্দীন আল-আরাবী (যাকে সংক্ষ...
04/02/2026

বিখ্যাত ধর্ম প্রচারক শায়িত আছেন নওগাঁর মাটিতে

নওগাঁ জেলার ধামইরহাট উপজেলার ইতিহাসে
মাওলানা তকী উদ্দীন আল-আরাবী (যাকে সংক্ষেপে তকী আরাবী বলা হয়) একজন অত্যন্ত প্রভাবশালী সুফি সাধক এবং পণ্ডিত ছিলেন। তিনি খ্রিস্টীয় ত্রয়োদশ শতকে এই অঞ্চলে ইসলাম প্রচার এবং শিক্ষা বিস্তারে অবিস্মরণীয় ভূমিকা পালন করেন।
তাঁর সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো নিচে দেওয়া হলো:

*ঐতিহাসিক পরিচয় ও মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা:
তকী উদ্দীন আল-আরাবী ত্রয়োদশ শতাব্দীতে ধামইরহাটের মাহীসন্তোষ (যা বর্তমানে মাহীগঞ্জ নামেও পরিচিত) এলাকায় একটি মাদ্রাসা স্থাপন করেন। ঐতিহাসিকদের মতে, এটি ছিল প্রাচীন বাংলার অন্যতম প্রাচীন এবং প্রথম সারির একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
শিক্ষাদান: এখানে দূর-দূরান্ত থেকে শিক্ষার্থীরা শিক্ষা লাভ করতে আসতেন এবং অল্প সময়ের মধ্যেই এর খ্যাতি চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।
পরিচালনা: তিনি নিজেই এই মাদ্রাসার প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

*মাহীসন্তোষ ও তাঁর মাজার:
মাহীসন্তোষ আত্রাই নদীর তীরে অবস্থিত একটি প্রাচীন ও সমৃদ্ধ নগরী ছিল। সুলতানি আমলে এটি প্রশাসনিক ও শিক্ষা-সংস্কৃতির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। মাওলানা তকী উদ্দীন আল-আরাবীর কারণে এই স্থানটি ধর্মপ্রাণ মানুষের কাছে অত্যন্ত পবিত্র।
বর্তমানে মাহীসন্তোষে মাওলানা তকী উদ্দীন আল-আরাবীর মাজার অবস্থিত, যা স্থানীয়ভাবে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থান হিসেবে পরিচিত।

* তাঁর সম্মানে নামকরণ:
ধামইরহাট উপজেলায় তাঁর স্মৃতি ও সম্মান রক্ষার্থে আত্রাই নদীর উপর নির্মিত গুরুত্বপূর্ণ একটি সেতুর নামকরণ করা হয়েছে 'হযরত তকী উদ্দীন আল-আরাবী সেতু' (যা স্থানীয়ভাবে শিমুলতলী ব্রিজ নামেও পরিচিত)। এই সেতুটি ধামইরহাট উপজেলার খেলনা ও আগ্রাদ্বিগুন ইউনিয়ন কে যুক্ত করেছে।

মাহী সন্তোষ শুধু ধর্ম প্রচারের কেন্দ্র ছিল না, এটি ছিল মধ্যযুগের একটি বিশাল শিক্ষা নগরী।
বিখ্যাত মাদ্রাসা: সুলতানি আমলে এখানে একটি বিশাল মাদ্রাসা ছিল যা উত্তরবঙ্গের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ হিসেবে পরিচিত ছিল।
মসজিদ ও মাজার: এখানে সুলতানি আমলের প্রাচীন মসজিদের ধ্বংসাবশেষ এবং সুফি সাধকদের মাজার রয়েছে, যা প্রমাণ করে যে এটি একসময় বড় একটি মুসলিম বসতি ছিল।

*ঐতিহাসিক গুরুত্ব*
মাহী সন্তোষ এক সময় বাংলার রাজধানী গৌড় ও পাণ্ডুয়ার খুব কাছে হওয়ায় এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও ধর্মীয় দুর্গ (Garh) হিসেবে ব্যবহৃত হতো। ১২০৪ সালে বখতিয়ার খলজির বাংলা বিজয়ের পর থেকে এই এলাকাটি মুসলিম সংস্কৃতি ও ধর্ম প্রচারের একটি শক্তিশালী কেন্দ্রে পরিণত হয়।

আমরা শোকাহত
17/12/2025

আমরা শোকাহত

11/12/2025

রাজশাহীর তানোরে ৩২ ঘন্টা পর বাচ্চাটাকে জীবিত উদ্ধারের ঘটনাটি সত্যিই আল্লাহর রহমতের অন্যতম নিদর্শন। আলহামদুলিল্লাহ

07/11/2025

আগামীকাল শনিবার (৮ নভেম্বর ২০২৫) সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ধামইরহাট উপজেলায় বিদ্যুৎ থাকবে না।

 #নওগাঁরমানবিকমানুষ, *ঢাকার বুকে অনুকরণীয় মানবিকতা*!!নওগাঁর গর্ব অগ্রজ সমাজ সেবক ও মানবতার সৈনিককাজী ওয়াহিদুল ইকবাল স্যা...
02/11/2025

#নওগাঁরমানবিকমানুষ, *ঢাকার বুকে অনুকরণীয় মানবিকতা*!!
নওগাঁর গর্ব অগ্রজ সমাজ সেবক ও মানবতার সৈনিক
কাজী ওয়াহিদুল ইকবাল স্যারের অতিথিশালা!!

* অতিথিশালার নতুন কক্ষ সংযোজন ও কিচেন চালু *
যারা ঢাকায় চিকিৎসা, চাকরির পরীক্ষা, অফিসিয়াল মিটিং বা দাপ্তরিক কাজে আসেন —
তাদের জন্য এটি একটি স্বস্তিদায়ক, নির্ভরযোগ্য ও মানবিক আশ্রয়স্থল।

সবার অবগতির জন্য আনন্দের সাথে জানানো যাচ্ছে অতিথিশালায় অতিথিদের আগমন বৃদ্ধি পাওয়ায় আরও একটি নতুন কক্ষ সংযোজন করা হয়েছে।
সাথে চালু হয়েছে ফ্রিজসহ সম্পূর্ণ কিচেন সুবিধা, যাতে যারা নিজে রান্না করে খেতে চান বা রোগীর জন্য খাবার প্রস্তুত করতে চান, তারা সহজেই করতে পারবেন।

যারা ঢাকায় চিকিৎসা, চাকরির পরীক্ষা, অফিসিয়াল মিটিং বা দাপ্তরিক কাজে আসেন,
তাদের জন্য এটি একটি স্বস্তিদায়ক, নির্ভরযোগ্য ও মানবিক আশ্রয়স্থল। 💙

🏠 এখানে থাকার জন্য সঙ্গে আনতে হবে:

জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র (Documents)
মানুষকে সহযোগিতা করার মানসিকতা 🤝

💫 এখানে যে সুবিধাগুলো রয়েছে:

✅ সম্পূর্ণ ফ্রি থাকার ব্যবস্থা
✅ একটি সুন্দর লাইব্রেরি
✅ ফ্রি ইন্টারনেট সুবিধা
✅ বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা
✅ কোনো প্রকার টাকা প্রদান করতে হয় না

📅 আসার অন্তত ৭ দিন পূর্বে যোগাযোগ করুন।

📍 ঠিকানা:
মিরপুর-১২ (বাসস্ট্যান্ডের পাশে), ব্লক–সি, রোড–৩, সেকশন–১২, বাড়ি–২৪
(পল্লবী মেট্রোরেল স্টেশন ও মিরপুর–১২ বাসস্ট্যান্ড থেকে মাত্র ৩–৪ মিনিটের হাঁটার পথ)

📞 যোগাযোগ:
ইঞ্জিনিয়ার কাজী ওয়াহিদুল ইকবাল
📱 ০১৭১৫-৬১৮১৬৩

#অতিথিশালা
#আমরা_সবাই_অতিথি
#মানবতার_সেবা
#ফ্রি_থাকার_ব্যবস্থা
#ঢাকায়_অতিথিশালা

নওগাঁর ঐতিহাসিক পাহাড়পুর মহাবিহারের সংযোগ সড়কের 3D ডিজাইন
02/11/2025

নওগাঁর ঐতিহাসিক পাহাড়পুর মহাবিহারের সংযোগ সড়কের 3D ডিজাইন

31/10/2025

আগামীকাল শনিবার (১লা নভেম্বর ২০২৫) রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ধামইরহাট পৌরসভা ও আশেপাশের এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

🏰 অজানা ইতিহাস: টাকশাল নগরী মাহিসন্তোষ — ধামইরহাট, নওগাঁউত্তরবঙ্গের ইতিহাসের এক বিস্মৃত অধ্যায় লুকিয়ে আছে নওগাঁ জেলার ধা...
28/10/2025

🏰 অজানা ইতিহাস: টাকশাল নগরী মাহিসন্তোষ — ধামইরহাট, নওগাঁ

উত্তরবঙ্গের ইতিহাসের এক বিস্মৃত অধ্যায় লুকিয়ে আছে নওগাঁ জেলার ধামইরহাট উপজেলার অন্তর্গত মাহিসন্তোষ নগরীতে।
এই নগরী ছিল এক সময়কার বিকশিত ও সুরক্ষিত দুর্গনগরী, যা প্রতিষ্ঠিত হয় ১৪৫৯ খ্রিস্টাব্দের অনেক আগেই।

🏺 টাকশাল স্থাপন ও নগরীর নামকরন

১৫ শতকের মাঝামাঝি সময়েই মাহিসন্তোষে স্থাপিত হয় একটি রাজকীয় টাকশাল (মুদ্রা নির্মাণ কেন্দ্র)।
এই সময়েই নগরীর নামকরণ করা হয় ‘বারবাকাবাদ’, সুলতান রোকনউদ্দিন বারবাক শাহ (১৪৫৯–১৪৭৪ খ্রি.)-এর নামানুসারে।

এই টাকশাল থেকেই জারি করা হয় উৎকীর্ণ সাতটি ঐতিহাসিক মুদ্রা, যার মধ্যে ছয়টি রুপার ও একটি তাম্রমুদ্রা। এর মধ্যে চারটি রুপোর মুদ্রা বারবাক শাহের আমলে জারিকৃত বলে জানা যায়।

📜 লিপি ও প্রত্নতাত্ত্বিক প্রমাণ

দিনাজপুরের চেহেলগাজীর মাজার সংলগ্ন এক প্রাচীন ইটনির্মিত মসজিদের উত্তর দেয়ালে পাওয়া দিনাজপুর লিপিতে এই তথ্য পাওয়া যায়।
তৎকালীন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ভি. ওয়েস্ট মেকোড লিপিটি উদ্ধার করেন।

ড. রেজাউল করিমের গবেষণা অনুযায়ী —

তিনটি রুপোর মুদ্রা জারি হয় ৮৬৪ হিজরি (১৪৫৯ খ্রিস্টাব্দে),

একটি মুদ্রা সুলতান শামসুদ্দিন মুজাফফর শাহের (১৪৯০–১৪৯৩) আমলে ৮৯৬ হিজরিতে,

এবং একটি রুপা ও একটি তাম্রমুদ্রা সুলতান নাসির উদ্দিন নসরৎ শাহের (১৫১৯–১৫৩২) আমলে ৯২৮ হিজরিতে (১৫২২ খ্রিস্টাব্দে)।

(সূত্র: ড. রেজাউল করিম, পৃষ্ঠা ১০৩)

🏯 নগরীর গুরুত্ব ও পতনের কারণ

এই টাকশাল স্থাপন প্রমাণ করে যে মাহিসন্তোষ কেবল একটি বসতি নয়, বরং এক সুরক্ষিত দুর্গনগরী ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র ছিল।
১৫২২ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত এখানে টাকশাল চালু ছিল, অর্থাৎ ১৬ শতকের শেষ ভাগ পর্যন্ত নগরীর গুরুত্ব অপরিবর্তিত ছিল।

পরবর্তীকালে কোনো ভূমিকম্প বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে নগরীর গুরুত্ব হ্রাস পেতে শুরু করে, এবং টাকশালটি অচল হয়ে যায়। তবুও বারবাকাবাদ শহর হিসেবে অস্তিত্ব ধরে রাখে আরও বহু বছর।

📚 মুঘল যুগে বারবাকাবাদের মর্যাদা

আবুল ফজলের ‘আইন-ই-আকবরি’ ও অন্যান্য মুঘল দলিলপত্রে বারবাকাবাদ-এর উল্লেখ পাওয়া যায়।
সম্রাট আকবর মাহিসন্তোষকেন্দ্রিক এই অঞ্চলকে “সুবেহ বাংলা”-এর অন্যতম সরকার হিসেবে ঘোষণা করেন।

এই সরকারের অন্তর্ভুক্ত ছিল দিনাজপুর, রংপুর, বগুড়া, রাজশাহী ও পাবনা জেলা — মোট ৩৮টি মহাল বা পরগনা।
টোডরমলের রাজস্ব তালিকা অনুযায়ী বারবাকাবাদের রাজস্ব নির্ধারিত হয়েছিল ১৭,৪৫১৫৩২ দাম বা ৪৩৬,২৮৮ রুপি।

এ তথ্যগুলো থেকেই বোঝা যায়, বারবাকাবাদ তথা মাহিসন্তোষ ছিল তৎকালীন বাংলার এক অর্থনৈতিক, প্রশাসনিক ও সামরিক কেন্দ্র।

🏚️ প্রত্নসম্পদের অবহেলা

দুঃখজনকভাবে আশির দশক থেকে এ অঞ্চলে অবৈধ বসতি ও খনন কাজ শুরু হয়।
ফলে পাওয়া যায় বহু মূল্যবান তাম্রমূর্তি, শিলালিপি, মুদ্রা ও প্রত্নবস্তু, যা পরবর্তীতে যথাযথ সংরক্ষণের অভাবে বেহাত হয়ে যায়।

আজও ধামইরহাটের এই টাকশাল নগরী অপ্রকাশিত ইতিহাসের ভাণ্ডার হয়ে পড়ে আছে।
যদি যথাযথভাবে খনন ও গবেষণা শুরু হয়, তবে এখানে প্রকাশ পেতে পারে পাল, খলজি ও সুলতানি আমলের এক অমূল্য নগর সভ্যতার ইতিহাস।

✍️ উপসংহার

মাহিসন্তোষ কেবল একটি প্রাচীন নগরী নয়—
এটি একসময়কার বাংলার মুদ্রা উৎপাদন কেন্দ্র, দুর্গনগর ও প্রশাসনিক রাজধানী।
আজ প্রয়োজন এর সঠিক সংরক্ষণ ও প্রত্নতাত্ত্বিক অনুসন্ধান,
যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম জানতে পারে নওগাঁর মাটিতে লুকিয়ে থাকা এই টাকশাল নগরীর গৌরবময় ইতিহাস।

📍 অবস্থান: মাহিসন্তোষ, ধামইরহাট, নওগাঁ
🏺 গুরুত্ব: সুলতানি আমলের টাকশাল নগরী, পরবর্তীতে বারবাকাবাদ সরকার

📖 তথ্যসূত্র: ড. রেজাউল করিম, প্রত্নতাত্ত্বিক নথি ও দিনাজপুর লিপি
সৌজন্য: ডেইলি আমাদের মাতৃভূমি

#প্রাচীন_নওগাঁ #টাকশাল_নগরী #মাহিসন্তোষ #বারবাকাবাদ #ধামইরহাট #বাংলার_ঐতিহ্য #প্রত্ননওগাঁ #অজানা_ইতিহাস

স্কুল-কলেজে নতুন নিয়মে নিয়োগের নির্দেশনাবেসরকারি এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজে কর্মচারী নিয়োগে পরিচালনা পর্ষদ বা ম্যানেজিং কমিট...
29/09/2025

স্কুল-কলেজে নতুন নিয়মে নিয়োগের নির্দেশনা

বেসরকারি এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজে কর্মচারী নিয়োগে পরিচালনা পর্ষদ বা ম্যানেজিং কমিটি ও গভর্নিং বডির আর কোনো কর্তৃত্ব থাকছে না। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে এসব পদে নিয়োগ সুপারিশ কমিটি গঠিত হবে। আর এ কমিটিতে ম্যানেজিং কমিটি ও গভর্নিং বডির কোনো সদস্য অন্তর্ভুক্ত থাকবেন না।

রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাতে জারি করা ‘বেসরকারি স্কুল-কলেজের প্রবেশ পর্যায়ে শিক্ষক ব্যতীত অন্যান্য পদে অনুসরণীয় নির্দেশমালা’ পরিপত্র থেকে এসব তথ্য জানা যায়। এতে স্বাক্ষর করেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব রেহানা পারভীন।

আগে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক ছাড়া অন্যান্য কর্মচারী নিয়োগে গঠিত কমিটি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডির বা ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির নেতৃত্বে গঠিত হতো।

এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বেসরকারি মাধ্যমিক শাখার উপসচিব সাইয়েদ এ জেড মোরশেদ আলী বলেন, বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রে আগের মতো গভর্নিং বডির বা ম্যানেজিং কমিটির কর্তৃত্ব থাকছে না। নতুন নিয়মে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে নিয়োগ সুপারিশ কমিটি গঠিত হবে। বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মচারী নিয়োগে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এ বিধান করা হয়েছে।

পরিপত্রে বলা হয়, শিক্ষক ছাড়া অন্যান্য এমপিওভুক্ত কর্মচারী পদে নিয়োগ সুপারিশ কমিটির সভাপতি হবেন জেলা প্রশাসক। এ কমিটিতে সদস্য হিসেবে থাকবেন সংশ্লিষ্ট জেলার সবচেয়ে পুরোনো সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ বা তার প্রতিনিধি, সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের একজন প্রতিনিধি (পরিদর্শকের নিচে নয়) এবং সংশ্লিষ্ট জেলার যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক বা সহকারী পরিচালক। কমিটির সদস্যসচিবের দায়িত্ব পালন করবেন সংশ্লিষ্ট জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা।

এতে আরও বলা হয়, নিয়োগ সুপারিশ কমিটি পরীক্ষা গ্রহণ, ফলাফল প্রস্তুত ও নিয়োগের সুপারিশ দেবে।

নিয়োগ সুপারিশ কমিটি মৌখিক পরীক্ষার সময় প্রয়োজনে একাধিক বোর্ড গঠন করতে পারবে। জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধির নেতৃত্বে নবম গ্রেডের নিম্নে নয় এমন ৩ সদস্যবিশিষ্ট বোর্ড গঠিত হবে।

Address

Dhamoirhat, Naogaon
Dhamoirhat

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dhamoirhat-ধামইরহাট posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Dhamoirhat-ধামইরহাট:

Share