07/03/2026
ম্যাজিস্ট্রেট হবার পর দুর্ভাগ্যবসত বেশ কয়েকজন শিশু ধর্ষকের দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী নেয়ার সুযোগ হয়েছে। শিশু মানে শুধু কন্যা শিশু না, ছেলে শিশুও আছে। সেখানে ১৩ মাসের শিশু থেকে ১৪ বছরের শিশু পর্যন্ত।
আসামীরা দেখতে ভিন্ন মানুষ হলেও প্রত্যেকের মধ্যে স্বভাবগত অস্বাভাবিক কিছু মিল পেয়েছি। তারা প্রত্যেকেই তাদের অপরাধের বিষয়ে নির্লিপ্ত, লজ্জাহীন, হাস্যোজ্জ্বল, অনুতাপ ও অনুশোচনাহীন। কি অবলীলায় তারা নিজেদের দোষ স্বীকার করছে।
যখন আমি ১৩ মাসের শিশু ধর্ষনকারীর জবানবন্দী নিলাম তাকে কৌতুহলবসত জিজ্ঞাস করলাম তার পরিবারে কে কে আছে। সে জানালো ২ মাস আগে সে বিয়ে করেছে। ধর্ষনের সময় স্ত্রী দূরের রান্নাঘরে রান্না করছিলো। জিজ্ঞাস করলাম বাচ্চা কি খালি গায়ে ছিলো? সে উত্তর করলো না। জামা, প্যান্ট পরা ছিলো। হঠাৎ শিশুটিকে দেখে তার মাথা কাজ করেনি।
ছেলে শিশুর ধর্ষনকারীর জবানবন্দীও একই ছিলো। সে ছিলো শিশুটির দাদার বন্ধু। ছেলেটিকে নিয়ে পাশের জমি থেকে বাড়ি যাচ্ছিলো। পথে এক বাশঝাড় দেখে তারা মাথায় দুষ্টু বুদ্ধি আসে।
এসব দেখে আমার নি:শ্বাস বন্ধ হয়ে আসে। আমার বাচ্চার বিষয়ে আমি কাউকে বিশ্বাস করিনা। দয়া করে আপনিও আপনার বাচ্চার বিষয়ে কাউকে বিশ্বাস করবেন না।
কেউনা মানে কেউনা।
শিশুধর্ষকরা মানুষ না। তারা মানুষের রুপে ইবলিশের বংশধর।
কার্টেসি- একজন বিচারকের পোস্ট