Share Market News

Share Market News Share Market News it your voice it say what are you want now.

24/11/2025

বাংলাদেশ ব্যাংকের জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানিকারকেরা এখন বিশ্বের যেকোনো সুপরিচিত অনলাইন প্ল্যাটফর্ম, আ...

https://www.dailyamardesh.com/national/amdtff0i8zlqv
23/11/2025

https://www.dailyamardesh.com/national/amdtff0i8zlqv

বহুতল ভবনে থাকলে ড্রপ কভার হোল্ড পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে। নিচু হয়ে শক্ত টেবিল/ডেস্কের নিচে ঢুকে খুঁটি শক্ত করে ধরত....

01/08/2025

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আলোচনার তৃতীয় দফা শেষে বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের ওপর ২০ শতাংশ পাল্টা শুল্ক আরোপে...

উড়োজাহাজের জ্বালানি জেট ফুয়েলের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।অভ্যন্তরীণ রুটের জন্য প্রতি লিটার...
15/05/2025

উড়োজাহাজের জ্বালানি জেট ফুয়েলের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।

অভ্যন্তরীণ রুটের জন্য প্রতি লিটারে দাম কমেছে ১৭ টাকা ৪৩ পয়সা। আন্তর্জাতিক রুটে দাম কমেছে দশমিক ১৪৩৪ ডলার (গতকালের বিনিময় হার অনুযায়ী ১৭ টাকা ৪৫ পয়সা)। জেট ফুয়েলের দাম কমায় অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রুটে উড়োজাহাজ ভাড়া কমতে পারে। একাধিক এয়ারলাইনস বণিক বার্তাকে ভাড়া সমন্বয়ের প্রক্রিয়া শুরু করার কথা জানিয়েছে।

আকাশ পরিবহন বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি উড়োজাহাজ পরিচালনায় যত খরচ হয়, তার ৪০ শতাংশ জ্বালানি তেলের পেছনে যায়। তেলের দাম বাড়লে বা কমলে তার উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়ে উড়োজাহাজের ভাড়ায়। বাংলাদেশে জেট ফুয়েলের দাম কমে যাওয়ায় দেশীয় এয়ারলাইনস যেমন লাভবান হবে, তেমনি বিদেশী এয়ারলাইনসগুলোও সমানভাবে উপকৃত হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

জেট ফুয়েলের দাম কমায় ভাড়া সমন্বয়ে এরই মধ্যে হিসাব-নিকাশ শুরু করেছে দেশের বেসরকারি আকাশ পরিবহন সংস্থা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস। সংস্থাটির মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) কামরুল ইসলাম এ প্রসঙ্গে বণিক বার্তাকে বলেন, ‘‌তেলের দাম কমে যাওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ইউএস-বাংলা কর্তৃপক্ষ ভাড়া সমন্বয়ের জন্য হিসাব-নিকাশ করছে। এটা হয়তো একটু সময় নিতে পারে।’

সময় লাগার বিষয়টি ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, ‘‌যখন জেট ফুয়েলের দাম বাড়ে, সেটা রাতারাতি বেড়ে যায়। কিন্তু তার আগেই পরবর্তী কিছুদিনের টিকিট কিন্তু বিক্রি হয়ে গেছে। তাই এসব টিকিটে বর্ধিত ভাড়া সমন্বয়ের সুযোগ থাকে না। এখন যেহেতু তেলের দাম কমেছে, সেই পরিপ্রেক্ষিতে ভাড়া সমন্বয়ের বিষয়টি আমাদের ম্যানেজমেন্টের মাথায় আছে।’

দেশে জেট ফুয়েলের নতুন দাম মঙ্গলবার দিবাগত রাত থেকে কার্যকর হয়েছে। হ্রাসকৃত দাম স্থিতিশীল থাকে কিনা তা পর্যবেক্ষণের পর ভাড়া সমন্বয় করতে চায় রাষ্ট্রায়ত্ত আকাশ পরিবহন সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। সংস্থাটির মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) এবিএম রওশন কবীর এ বিষয়ে বণিক বার্তাকে বলেন, ‘এখন পর্যন্ত ভাড়া সমন্বয়ের কোনো সিদ্ধান্ত আমরা নিইনি। ‌মাত্রই তো তেলের দাম কমল। এ দাম স্থিতিশীল থাকে কিনা সেটা আমরা পর্যবেক্ষণ করব। আমাদের প্রতিযোগী যেসব এয়ারলাইনস আছে, তারা ভাড়া সমন্বয় করছে কিনা সেটাও পর্যবেক্ষণ করা হবে।’

দেশের অভ্যন্তরীণ রুটে উড়োজাহাজের জন্য আগে জেট ফুয়েলের দাম ছিল ১১১ টাকা। মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টা থেকে তা কমে ৯৩ টাকা ৫৭ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। এ দাম আরো কমার আশা করছে বেসরকারি আকাশ পরিবহন সংস্থা এয়ার অ্যাস্ট্রা। সংস্থাটির উপব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) সাকিব হাসান শুভ এ প্রসঙ্গে বণিক বার্তাকে বলেন, ‘‌আমরা প্রত্যাশা করছি, অভ্যন্তরীণ বাজারের জন্য ফুয়েলের দাম আরো কম হবে। লোকাল ফুয়েলের দামের ওপরে এখনো ১৫ শতাংশ ভ্যাট-ট্যাক্স আছে। এটা তুলে নেয়ার অনুরোধ করে আমরা সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোয় যোগাযোগ করছি। অন্যদিকে মাত্রই তো জেট ফুয়েলের দাম কমল। এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রাইস অ্যাডজাস্টমেন্ট নিয়ে আমরা কাজ করছি। তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।’

এয়ারলাইনসগুলো বাংলাদেশে জেট ফুয়েলের দাম কমানোর দাবি দীর্ঘদিন ধরেই করে আসছিল। দাম কমায় দেশী এয়ারলাইনসগুলো লাভবান হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের পরিচালন ব্যয় কমবে। একইভাবে বিদেশী এয়ারলাইনসগুলোরও অভিযোগ ছিল যে বাংলাদেশে জেট ফুয়েলের দাম বেশি। তেলের দাম কমে যাওয়ায় এখন বিদেশী এয়ারলাইনসগুলোও সুবিধা পাবে বলে মনে করেন আকাশ পরিবহন বিশেষজ্ঞ কাজী ওয়াহিদুল আলম। বিষয়টি নিয়ে তার দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বণিক বার্তাকে বলেন, ‘‌শুধু দাম কমালেই হবে না, হ্রাসকৃত দাম ধরে রাখতে হবে। একবার কমিয়ে দুদিন পর আবার বাড়িয়ে দিলে তা কোনো কাজে আসবে না। সবচেয়ে ভালো হলো আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে বাংলাদেশে জেট ফুয়েলের দামে সংগতি রেখে চলা। অতীতে আমরা দেখেছি, সারা দুনিয়ায় যখন তেলের দাম কমেছে, তখন আমাদের এখানে বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘‌দাম কমানো একটা ভালো সিদ্ধান্ত। এটার সঙ্গে এয়ারপোর্টে পার্কিং, ল্যান্ডিং, অ্যারোনটিক্যাল, নেভিগেশনাল, গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং চার্জসহ বিভিন্ন ধরনের ফি এবং উড়োজাহাজ ও উড়োজাহাজের যন্ত্রাংশ আনার জন্য যে ট্যাক্স কাঠামো আছে, সেটাতেও পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। বাংলাদেশের এভিয়েশন খাতকে বাঁচিয়ে রাখতে ফি, চার্জ ও ট্যাক্স সহনীয় পর্যায়ে রাখাটা খুব জরুরি।’

31/03/2025
15/11/2024

অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি করে পরিশোধন করতে পারলে কম খরচে পণ্যটি সরবরাহ করা যায়। কারণ, এতে প্রতি লিটারে ১১ টাক....

01/10/2024

বেক্সিমকোর শেয়ার কারসাজি, জরিমানা ৪২৮ কোটি টাকা

বেক্সিমকোর শেয়ার কারসাজি করে ৪৭৭ কোটি টাকা মুনাফা করেছে চার ব্যক্তি ও পাঁচ প্রতিষ্ঠান। কারসাজির মাধ্যমে দাম বাড়িয়ে এরপর শেয়ার বিক্রি করে মুনাফা তুলে নিয়েছে তারা। এর বাইরে একই শেয়ারে এসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের অনাদায়ি মুনাফার (আনরিয়ালাইজড গেইন) পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৫১২ কোটি টাকা। ২০২১ ও ২০২২ সালে এই কারসাজির ঘটনা ঘটে।

কারসাজির মাধ্যমে ৪৭৭ কোটি টাকা মুনাফা তুলে নেওয়া চার ব্যক্তি ও পাঁচ প্রতিষ্ঠানকে ৪২৮ কোটি টাকার বেশি জরিমানা করেছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। শেয়ারবাজারে কোনো একক কোম্পানির কারসাজির ঘটনায় এটিই এখন পর্যন্ত রেকর্ড জরিমানা।

গতকাল মঙ্গলবার বিএসইসির কমিশন সভায় এই জরিমানার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভা শেষে বিএসইসির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়। জরিমানা করা হয়েছে মারজানা রহমান, মুশফিকুর রহমান, মমতাজুর রহমান ও আবদুর রউফকে। আর পাঁচ প্রতিষ্ঠান হলো ট্রেডনেক্সট ইন্টারন্যাশনাল, জুপিটার বিজনেস লিমিটেড, অ্যাপোলো ট্রেডিং, এআরটি ইন্টারন্যাশনাল ও ক্রিসেন্ট লিমিটেড।

মুশফিকুর রহমানকে সর্বোচ্চ ১২৫ কোটি টাকা, ক্রিসেন্ট লিমিটেডকে ৭৩ কোটি টাকা, এআরটি ইন্টারন্যাশনালকে ৭০ কোটি টাকা, মমতাজুর রহমানকে ৫৮ কোটি টাকা, আবদুর রউফকে ৩১ কোটি টাকা, মারজানা রহমানকে ৩০ কোটি টাকা, জুপিটার বিজনেসকে সাড়ে ২২ কোটি টাকা, অ্যাপোলো ট্রেডিংকে ১৫ কোটি ও ট্রেডনেক্সট ইন্টারন্যাশনালকে ৪ কোটি টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

শেয়ারবাজারে শেয়ার নিয়ে কারসাজির ঘটনা ঘটানো হয় বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংকের মাধ্যমে। বেক্সিমকোর শেয়ারের কারসাজিতে এসব প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি যেসব ব্রোকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংককে ব্যবহার করেছেন, সেসব প্রতিষ্ঠানের একাধিক শীর্ষ নির্বাহীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কারসাজির সঙ্গে যুক্ত উল্লেখিত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলো বেক্সিমকো গ্রুপেরই সুবিধাভোগী। মূলত বেক্সিমকো গ্রুপের শেয়ার নিয়ে কাজ করেন এমন এক শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা এসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করে এই লেনদেন করতেন।

সংশ্লিষ্ট এক ব্রোকারেজ হাউসের শীর্ষ এক কর্মকর্তা প্রথম আলোকে জানান, তাঁর হাউসে উল্লেখিত ৯ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এক ব্যক্তি ও এক প্রতিষ্ঠানের বিও (বেনিফিশিয়ারি ওনার্স) হিসাব ছিল। কিন্তু কখনোই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা এসব বিও হিসাবে লেনদেন করতেন না। বিভিন্ন সময় বেক্সিমকো গ্রুপের একেকজন প্রতিনিধি ব্রোকারেজ হাউসে আসতেন এবং তাঁরা এসব বিও হিসাবে লেনদেন করতেন। এমনকি বিও হিসাবও খোলা হয়েছে বেক্সিমকোর কার্যালয়ে।

শেয়ারবাজারে শেয়ার নিয়ে কারসাজির ঘটনা ঘটানো হয় বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংকের মাধ্যমে। বেক্সিমকোর শেয়ারের কারসাজিতে এসব প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি যেসব ব্রোকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংককে ব্যবহার করেছেন, সেসব প্রতিষ্ঠানের একাধিক শীর্ষ নির্বাহীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কারসাজির সঙ্গে যুক্ত উল্লেখিত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলো বেক্সিমকো গ্রুপেরই সুবিধাভোগী। মূলত বেক্সিমকো গ্রুপের শেয়ার নিয়ে কাজ করেন এমন এক শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা এসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করে এই লেনদেন করতেন।

সংশ্লিষ্ট এক ব্রোকারেজ হাউসের শীর্ষ এক কর্মকর্তা প্রথম আলোকে জানান, তাঁর হাউসে উল্লেখিত ৯ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এক ব্যক্তি ও এক প্রতিষ্ঠানের বিও (বেনিফিশিয়ারি ওনার্স) হিসাব ছিল। কিন্তু কখনোই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা এসব বিও হিসাবে লেনদেন করতেন না। বিভিন্ন সময় বেক্সিমকো গ্রুপের একেকজন প্রতিনিধি ব্রোকারেজ হাউসে আসতেন এবং তাঁরা এসব বিও হিসাবে লেনদেন করতেন। এমনকি বিও হিসাবও খোলা হয়েছে বেক্সিমকোর কার্যালয়ে।

বেক্সিমকোর শেয়ার নিয়ে কারসাজির এ ঘটনা তদন্ত করেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কর্তৃপক্ষ। সেই তদন্ত প্রতিবেদন পরে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসিতে পাঠানো হয়। তদন্ত প্রতিবেদনে প্রাপ্ত অভিযোগ ও আইন লঙ্ঘনের ঘটনা পর্যালোচনা করে বিএসইসি অভিযুক্তদের শুনানিতে ডাকে।

বিএসইসি সূত্রে জানা যায়, কারসাজির দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলো বিও হিসাবে যে ঠিকানা ব্যবহার করেছে, সেই ঠিকানায় যোগাযোগ করে তাদের শুনানিতে ডাকা হয়। কিন্তু অভিযুক্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তারা শুনানিতে হাজির হননি। এসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের পক্ষে ঘুরেফিরে কয়েকজন তরুণ নির্বাহী বিএসইসির শুনানিতে এসে লিখিত বক্তব্য জমা দেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কারসাজির জন্য জরিমানার মুখে পড়া অধিকাংশ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিও হিসাবে ঠিকানা ব্যবহার করা হয়েছে রাজধানীর শান্তিবাগের। আর এসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের শেয়ার কারসাজিতে বেশি ব্যবহার করা হয়েছে জনতা ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান জনতা ক্যাপিটাল অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টকে। জনতা ব্যাংকের সবচেয়ে বড় গ্রাহক বেক্সিমকো গ্রুপ। বিগত আওয়ামী লীগের ১৫ বছরের শাসনামলের প্রায় পুরোটা সময় জনতা ব্যাংকে সালমান এফ রহমানের নিরঙ্কুশ নিয়ন্ত্রণ ছিল। ব্যাংকটির চেয়ারম্যান থেকে শুরু করে পরিচালক, ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ শীর্ষ পদে কারা বসবেন, তা নেপথ্যে থেকে ঠিক করতেন সালমান এফ রহমান। জনতা ক্যাপিটালের মাধ্যমে শেয়ারবাজারে সালমান এফ রহমান ও বেক্সিমকোর শেয়ারের বড় লেনদেন হতো।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, শেয়ারবাজারে শেয়ারের দাম বাড়িয়ে সেই শেয়ার বন্ধক রেখেও অনেক সময় জনতা ব্যাংক থেকে বড় অঙ্কের ঋণ বের করেছেন সালমান রহমান। সূত্রটি বলছে, যেসব প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিকে কারসাজির দায়ে জরিমানা করা হয়েছে, তাঁরা মূলত বেক্সিমকো শেয়ার কারসাজিতে ক্রীড়নক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছেন।

ডিএসই ও বিএসইসির সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র বলছে, যেসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়েছে, সেগুলো বেক্সিমকোরই বেনামি প্রতিষ্ঠান। এ কারণে এসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের পরিচয় কেউ নিশ্চিত করতে পারেনি। ফলে এসব ব্যক্তির আদৌ অস্তিত্ব আছে কি না, তা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেছে ডিএসইর সংশ্লিষ্ট সূত্রটি। বিএসইসি–সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, কারসাজির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের যথাযথ পরিচয় নিশ্চিত করা না গেলে এ জরিমানার অর্থ আদায় করা দুঃসাধ্য হবে।

শেয়ারবাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, বেক্সিমকোর শেয়ার কারসাজির মাধ্যমে যে মুনাফা করা হয়েছে, তার প্রকৃত সুবিধাভোগী কারা, তা ব্যাংক হিসাবের তথ্য যাচাইয়ের মাধ্যমে নিশ্চিত হতে হবে। তাহলেও কারসাজির প্রকৃত সুবিধাভোগীদের চিহ্নিত করা সম্ভব হবে।

ডিএসই ও বিএসইসি সূত্রে জানা যায়, প্রথম দফায় বেক্সিমকোর শেয়ার নিয়ে বড় ধরনের কারসাজির ঘটনা ঘটে ২০২১ সালের ২৮ জুলাই থেকে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এ সময়ে বাজারে কোম্পানিটির শেয়ারের দাম ৯০ টাকা থেকে বেড়ে দাঁড়ায় ১২০ টাকায়। তাতে মাত্র দেড় মাসে এটির শেয়ারের দাম ৩৩ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পায়। এ সময়ের মধ্যে উল্লেখিত ৯ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান কোম্পানিটির শেয়ার বিক্রি করে ১৫৭ কোটি টাকার বেশি মুনাফা তুলে নেয়। আর অনাদায়ি মুনাফার পরিমাণ ছিল ৯৮৫ কোটি টাকা।

দ্বিতীয় দফায় কোম্পানিটির শেয়ার নিয়ে কারসাজির ঘটনা ঘটে ২০২২ সালের ২ জানুয়ারি থেকে ১০ মার্চের মধ্যে। এ সময়ের মধ্যে কোম্পানিটির শেয়ারের দাম ৪ টাকা (প্রায় আড়াই শতাংশ) বৃদ্ধি পায়। তাতে উল্লেখিত ৯ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান শেয়ার বিক্রি করে মুনাফা তুলে নেয় প্রায় ৩২০ কোটি টাকা। আর অনাদায়ি মুনাফার পরিমাণ ছিল ৫২৬ কোটি টাকার বেশি।

জানা যায়, ২০২২ সালের আগস্টে বেক্সিমকোর শেয়ারে কারসাজির বিষয়ে ডিএসইর তদন্ত প্রতিবেদন বিএসইসিতে জমা দেওয়া হয়। কিন্তু শিবলী রুবাইয়াত উল ইসলামের নেতৃত্বাধীন বিগত কমিশন এই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে ফাইলচাপা রেখে দেয়। গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সরকার বদলের পর সাবেক ব্যাংকার রাশেদ মাকসুদের নেতৃত্বে বিএসইসি পুনর্গঠিত হয়। পুনর্গঠিত বিএসইসি এখন এসব ঘটনায় ব্যবস্থা নিতে শুরু করেছে।

পুঁজিবাজার–সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, কারসাজিতে জড়িতরা যে মুনাফা করেছে, তার প্রায় ৯০ শতাংশই জরিমানা করা হয়েছে। এ ধরনের জরিমানা আরোপের বিষয়টিকে বাজারের জন্য কঠোর বার্তা বলে মনে করেন বাজার–সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। তাঁরা বলছেন, কারসাজির ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির বিধান করা গেলে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা কমে আসবে।

জানতে চাইলে বিএসইসির সাবেক চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ সিদ্দিকী বলেন, বিপুল অঙ্কের জরিমানা করার আগে কারসাজির সঙ্গে জড়িত প্রকৃত সুবিধাভোগীদের খুঁজে বের করাটা জরুরি। যেসব ব্রোকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংকের মাধ্যমে লেনদেন হয়েছে, তাদের সঙ্গে কথা বলে ও ব্যাংক হিসাবের তথ্য যাচাইয়ের মাধ্যমে কাজটি যথাযথভাবে করা সম্ভব। এরপর যদি জরিমানা করা হয়, তাহলে তা আদায়ের সম্ভাবনা থাকে। কিন্তু সেটি না করে শুধু বিও হিসাবে কারসাজির ভিত্তিতে যথাযথভাবে চিহ্নিত না হওয়া ব্যক্তিদের জরিমানা করা হলে তা আদায়ের সম্ভাবনা ক্ষীণ। তাই জরিমানা আদায় ও কারসাজির সঙ্গে জড়িত প্রকৃত ব্যক্তিদের খুঁজে বের করা জরুরি।

01/09/2024

শেয়ারবাজারে অনিয়ম তদন্তে বিএসইসি’র ৫ সদস্যের কমিটি গঠন

শেয়ারবাজারের স্থিতিশীলতা, বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সুরক্ষা ও আস্থা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে বিগত সময়ের অনিয়ম, কারসাজি ও দুর্নীতি খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

রোববার (০১ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত বিএসইসি’র জরুরি কমিশন সভায় তদন্ত সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিএসইসি সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

বিএসইসি’র এই সভায় তদন্ত পরিচালনার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের টেরা রিসোর্সেস ইন্টারন্যাশনালের এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান জিয়া ইউ আহমেদের নেতৃত্বে ৫ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, আর্থিক খাত বিশেষজ্ঞ ও সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান এইমস অব বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইয়াওয়ার সাইদ, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক সদস্য মোঃ শফিকুর রহমান, ডেপুটি এটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মোঃ জিশান হায়দার এবং বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম।

জানা যায়, কমিটিকে প্রথম পর্যায়ের তদন্তের জন্য ৬০ দিন সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

এই ৬০ দিনের মধ্যে তারা বেশ কয়েকটি কোম্পানির আইপিও অনুমোদন, বেক্সিমকো গ্রুপ সংশ্লিষ্ট দুটি বন্ড ইস্যু, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের স্ট্রাটেজিক পার্টনার মনোনয়ন এবং ওটিসিতে থাকা আল আমিন কেমিক্যাল, কোয়েস্ট বিডি (সাবেক পদ্মা প্রিন্টার্স) ও এমারেল্ড অয়েলের শেয়ার ইস্যু সংক্রান্ত অনিয়ম খতিয়ে দেখবেন।

অনুসন্ধান ও তদন্ত কমিটি প্রথম ধাপে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো তদন্ত ও অনুসন্ধান করে কমিশনে প্রতিবেদন দাখিল করবে:

১. বেক্সিমকো গ্রীন-সুকুক আল ইসতিসনা (BEXIMCO Green Sukuk Al Istisna’a) ইস্যু সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয়।

২. IFIC Guaranteed Sreepur Township Green Zero Coupon Bond ইস্যু সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয়।

৩. চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ পিএলসি (সিএসই) এর স্ট্যাটেজিক পার্টনার বা কৌশলগত বিনিয়োগকারী হিসেবে বসুন্ধরা গ্রুপের প্রতিষ্ঠান এবিজি লিমিটেডের অনুমোদন/মনোনয়ন, শেয়ার বরাদ্দকরণ/ শেয়ার অধিগ্রহণ ও মূল্য নির্ধারণ সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয়।

৪. বেস্ট হোল্ডিংস লিমিটেড সংক্রান্ত আইপিও (IPO) অনুমোদন ও ইস্যু সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয়।

৫. আল-আমিন কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ সংক্রান্ত শেয়ারবাজারের যাবতীয় অনিয়ম ও কারসাজি, ব্লক মার্কেটে শেয়ার অধিগ্রহণ সংক্রান্ত কারসাজি এবং ওটিসি থেকে এসএমই প্ল্যাটফর্মে স্থানান্তরের জন্য বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন কর্তৃক আরোপিত শর্তসমূহ পরিপালনের হালনাগাদ তথ্যাদিসহ যাবতীয় বিষয়।

৬. সোনালী পেপার অ্যান্ড বোর্ড মিলস লিমিটেড সংক্রান্ত শেয়ারবাজারে যাবতীয় অনিয়ম ও কারসাজি এবং ২০২০ সালে কোম্পানিটিকে ওভার-দ্য-কাউন্টার (ওটিসি) মার্কেট থেকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান বোর্ডে পুনরায় তালিকাভুক্তকরণ সংক্রান্ত অনিয়ম এবং কোম্পানিটির শেয়ার মূল্য অস্বাভাবিক বৃদ্ধির সাথে জড়িত ব্যক্তিবর্গ ও প্রতিষ্ঠানসমূহের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান ও তদন্ত।

৭. ফরচুন সুজ লিমিটেড সংক্রান্ত শেয়ারবাজারের যাবতীয় অনিয়ম ও কারসাজি, বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ডিভিডেন্ড বিতরণ সংক্রান্ত অনিয়ম এবং কোম্পানিটির শেয়ার মূল্য বৃদ্ধির সাথে জড়িত ব্যক্তিবর্গ ও প্রতিষ্ঠানসমূহের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান ও তদন্ত।

৯. রিং শাইন টেক্সটাইল লিমিটেড এর প্রাইভেট ও পাবলিক অফারের মাধ্যমে মূলধন উত্তোলন ও বার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন অতিরঞ্জিত করে বিক্রয় বেশি দেখানো এবং ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যেমে অর্থ স্থানান্তর/পাচারের বিষয়।

১০. একমি পেস্টিসাইডস লিমিটেড (Acme Presticide Limited) সংক্রান্ত শেয়ারবাজারের যাবতীয় অনিয়ম ও কারসাজি, বিনিয়োগকারীদের মধ্যে লভ্যাংশ বিতরণ সংক্রান্ত অনিয়ম এবং আইপিও’র মাধ্যমে উত্তোলিত টাকা থেকে ন্যাশনাল ফাইন্যান্সের ঋণ পরিশোধের অনিয়মের বিষয়।

১০. কোয়েন্ট বিডিসি লিমিটেড (পূর্বে পদ্মা প্রিন্টার্স অ্যান্ড কালারস লিমিটেড) সংক্রান্ত শেয়ারবাজারের যাবতীয় অনিয়ম ও কারসাজির বিষয়।

১১. কপারটেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড সংক্রান্ত শেয়ারবাজারের যাবতীয় অনিয়ম ও কারসাজির বিষয়।

১২. এমারেল্ড ওয়েল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড এর শেয়ার অধিগ্রহণ/হস্তান্তর, মূল্য সংবেদনশীল তথ্য সরবরাহ, সেকেন্ডারি মার্কেটে অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধি এবং এ সংক্রান্ত শেয়ারবাজারের যাবতীয় অনিয়ম ও কারসাজির বিষয়।

উল্লেখ্য, কমিশন প্রয়োজনবোধে অনুসন্ধান ও তদন্ত কমিটিতে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করতে পারবে। কমিশন অনুসন্ধান ও তদন্ত কমিটিকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবে।

31/08/2024

টাকা কি আসলেই পাচার করা যায়?
========================

একটি বাস্তব উদাহরন দিয়ে ব্যাখ্যা দেয়ার চেষ্টা করবো।

1️⃣ জনাব শিবলী প্রায় ১৮ বছর কানাডায় থাকেন।
2️⃣ বাংলাদেশে শিবলীর উত্তরাধিকার সুত্রে পাওয়া প্রচুর সম্পত্তি আছে।
3️⃣ ২০১৫ সালে সে বাংলাদেশে এসে কিছু সম্পত্তি ৮(আট) কোটি টাকায় বিক্রি করে ঐ টাকা একটি বাণিজ্যিক ব্যাংকে আমানত হিসেবে রাখে। সাথে জমি বিক্রির দলিল ব্যাংকে জমা দেয়।
4️⃣ ঐ বছরেই সে একজন বিশ্বস্ত হুন্ডি ব্যবসায়ীর সাথে আলোচনা করে এই টাকা কিভাবে কানাডিয়ান ডলারে কনভার্ট করে কানাডায় পাঠাবে সেই রোড ম্যাপ তৈরি করে।
5️⃣ ২০১৫ এর শেষ দিকে শিবলী ধীরে ধীরে ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করে হুন্ডি ব্যবসায়ীকে দিতে শুরু করলো এবং হুন্ডি ব্যবসায়ীও তাঁর কানাডিয়ান এজেন্টের মাধ্যমে শিবলীর কানাডার বাসায় কানাডিয়ান ডলার পৌছে দিতে শুরু করলো। এভাবেই পুরো ৮ কোটি টাকা কনভার্ট হয়ে কানাডার মুদ্রায় পাচার হয়ে গেল।

উপরের প্রক্রিয়া থেকে এবার বলুন দেখি :
=========================
ক) টাকা কি দেশের বাহিরে গিয়েছে নাকি দেশেই হুন্ডি ব্যবসায়ীর কাছে রয়ে গিয়েছে?
খ) বিদেশে কি আমাদের দেশের টাকা দিয়ে কেনাকাটা করা যায়?
গ) আমাদের টাকা কি বিদেশে গ্রহণযোগ্য মুদ্রা? একবার কিছু টাকা নিয়ে বিদেশে গিয়ে পরীক্ষা করে দেখুনতো বিদেশীরা কেউ টাকা নিবে কিনা?

উপসংহার :
=========
উল্লেখিত ৮ {আট) কোটি টাকা বাংলাদেশ মধ্যেই আছে। হুন্ডি ব্যবসায়ীর হাত থেকে হাত বদল হয়ে অনেকের হাতেই কালো অর্থনীতির গভীরে বসবাস করছে। তাই টাকা পাচার করা যায় না বরং কালো অর্থনীতির মধ্যেই বসবাস করে।

দেশে যত টাকা ছাপানো হয়েছে সব টাকা দেশেই আছে। প্রায় শোনা যায়, ব্যাংকে টাকা নাই। এর মানে এই নয় যে দেশে টাকা নাই, টাকা গুলো ব্যাংকিং চ্যানেলে নাই। এই টাকা গুলো ব্যাংকিং চ্যানেলে ফিরিয়ে আনাই হবে বর্তমান সরকারের প্রধান চ্যালেঞ্জ।

© Tanvir Ahmed

27/08/2024

ভেঙে দেওয়া হলো ইউসিবি, ইউনিয়ন ও গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ

বেসরকারি খাতের ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (ইউসিবি), ইউনিয়ন ব্যাংক ও গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। পাশাপাশি ইউসিবিতে শেয়ারধারী পরিচালক ও অন্য দুটিতে স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগ করে পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠন করে দেওয়া হয়েছে।

ইউসিবির নিয়ন্ত্রণ ছিল আওয়ামী লীগের নেতা প্রয়াত আখতারুজ্জামান চৌধুরীর পরিবারের। ইউনিয়ন ব্যাংক ও গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ছিল এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান সাইফুল আলমের নিয়ন্ত্রণে। তাঁরা সম্পর্কে মামা-ভাগনে ও চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী। তিন ব্যাংকেই তাঁদের বড় অঙ্কের ঋণ ও তাঁদের নিয়োজিত জনবল রয়েগেছে।

আজ মঙ্গলবার পর্যন্ত এস আলম গ্রুপের নিয়ন্ত্রণে থাকা পাঁচটি ব্যাংকের পর্ষদে পরিবর্তন আনল বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন গ্রুপটির নিয়ন্ত্রণে রয়েছে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক ও বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক। এর আগে ইসলামী, সোশ্যাল ইসলামী ও ন্যাশনাল ব্যাংকের পর্ষদে পরিবর্তন আনা হয়।

Address

Bangladesh Dhaka
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Share Market News posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share