Women's Shadow

Women's Shadow The platform of "Women's Shadow" was introduced in 2016, Dhaka, Bangladesh with some dedicated young and energetic rights activists.

Women's Shadow is an organisation for developing human rights situation rights by defending all kinds of discrimination and violence against women and child and protecting the rights of women and children. OUR MOTTO
“Everything Matters, Learn the Law”

OUR VISION
“Giving knowledge about law and rights”

OUR MISSION
We want to see in Bangladesh where every woman can determine her own life. Our miss

ion is to bring awareness to women about law and issues and challenges and providing legal supports to them in the critical situation. A JOURNEY OF WOMEN'S SHADOW
The main purpose of Women’s Shadow is to help and encourage a self-reliant citizen through increasing awareness of the law and the proper application of the law in Bangladesh. "Women's Shadow" seeks to provide community, social events, professional mentoring and networking, and substantive discussions about the issues that women in the law face. "Women's Shadow” works for the awareness and protection of the rights of all women in Bangladesh. But more of the times our special focus is on all women in need of support, protection and care. A well trained reputed and dedicated youth associate team gives the support to the victim, round the clock by their responsibilities.

মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা
16/12/2022

মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা

27/01/2022
01/01/2022

Happy New Year 2022

17/12/2021

কেউ আপনার সম্পর্কে কুৎসা রটাচ্ছে?
আজেবাজে মন্তব্য করে আপনার মানসম্মান ধুলোয় মিশিয়ে দিচ্ছে কি?
মানহানির শিকার হয়েছেন আপনি?

নিশ্চয়ই ভাবছেন আইনি ব্যবস্থা নেবেন। তবে চাইলেই কি কারো বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করতে পারবেন? না,কারন আইনে স্পষ্ট করে দেয়া আছে মানহানির সংজ্ঞা।

তাই আপনাকে প্রথমে জানতে হবে, আইনে মানহানির সংজ্ঞা কি?

সঠিক সংজ্ঞা ও প্রতিকার জানার জন্য চোখ রাখুন Women’s Shadow পেজ এ।

22/06/2021

আইনী তথ্য ও পরামর্শের জন্য আপনার পাশেই আছে Women's Shadow

30/10/2018

Womens’ Shadow আছে আপনার পাশে। কথা দিলাম।
বাংলাদেশের সংবিধান এর ২৭নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রত্যেক নাগরিক ন্যায় বিচার পাবার অধিকার রাখে।
অথচ, আমাদের দেশের দারিদ্রতার সহিত সংগ্রামী বিচারপ্রার্থীরা অধিক সময় অর্থের অভাবে এবং আইন অজ্ঞতা-য় সঠিক দিক নির্দেশনায় নিজেকে পরিচালিত করতে পারেন না। যার কারণে নিজেদের অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়ে চলেছে প্রতিনিয়ত।
শুধুমাত্র তাদের সাহায্যেই আমরা, আমাদের আইনি পরামর্শে তাদের ন্যায় অধিকার প্রতিষ্ঠায় আমরা নিরূপিত। নিজের সঠিক অধিকার পেতে যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে।
[email protected]

08/03/2018

জেনে নিন থানায় পুলিশ মামলা না নিলে কী করবেন ?
#মামলার পদ্ধতি ঃ
নালিশি মামলার ক্ষেত্রে আদালতে রাষ্ট্রপক্ষ প্রথমেই মামলা শুরু করে না। ম্যাজিস্ট্রেট আদালত পুলিশকে অভিযোগটি এজাহার হিসেবে নেওয়ার জন্য আদেশ দেওয়ার পর পরবর্তী সময়ে মামলা পরিচালনা করবেন। তাই নালিশি মামলার ক্ষেত্রে কেউ অভিযোগ দায়ের করে পরবর্তী শুনানির দিন যদি সংশ্লিষ্ট বাদী আদালতে হাজির না হয় কিংবা ঘটনা তদন্তের যদি অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত না হয়, তবে ম্যাজিস্টেট মামলাটি খারিজ করে দিতে পারেন। অভিযোগকারী চাইলে এর বিরুদ্ধে জজ আদালতে বা হাইকোর্টে যেতে পারেন।

#করণীয়:
পুলিশ থানায় কখনো মামলা নিতে না চাইলে বিচলিত হয়ে নিজেকে অসহায় ভাবার কোনো কারণ নেই। আইনানুযায়ী যে কেউই এ রকম পরিস্থিতিতে সরাসরি ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে গিয়ে নালিশি মামলা করে আইনের আশ্রয় প্রার্থনা করতে পারেন। তবে আমাদের দেশের বাস্তবতায় অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অসহায় ও দরিদ্র বিচারপ্রার্থীরা থানায় আইনের আশ্রয় না পেলে পুলিশকে এড়িয়ে অজ্ঞতা, দীনতা ও নানাবিধ প্রতিবন্ধকতার দরুন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত পর্যন্ত পৌঁছাতে পারেন না। জনগণের ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করতে তাই এ ব্যাপারে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি দরিদ্র জনগোষ্ঠেীর জন্য সরকারের আইনি সহায়তা প্রদান কর্মসূচিও ব্যাপক পরিসরে বাড়লে উপকার পাবে সাধারণ মানুষ।
Nazmul Mitoo

06/03/2018

# #জেনে নিন থানায় পুলিশ মামলা না নিলে এর প্রতিকার কী?

এ রকম অবস্থায় আইনের বিধান কী? পুলিশ যদি মামলা নিতে নাই চায়, সে ক্ষেত্রে তাদের বাধ্য করার মতো কোনো সুযোগ আছে কি? হ্যাঁ, চারটি উপায়ে পুলিশের নির্লিপ্ততার বিরুদ্ধে ভিকটিম বা ভিকটিমের পরিবার প্রতিকার পেতে পারেন। পর্যায়ক্রমে সেগুলো নিয়ে আলোচনা করা যাক।

#ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা:
থানায় পুলিশ মামলা নিতে না চাইলে একজন ভালো আইনজীবীর পরামর্শক্রমে নিকটস্থ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করা যেতে পারে। এ প্রক্রিয়ায় মামলা করলে আদালতে সংশ্লিষ্ট থানাকে মামলাটি রুজুপূর্বক তদন্তের নির্দেশ দেবে এবং আদালতের এ নির্দেশ মানতে বাধ্য। অন্যসব পন্থার মধ্যে এটি সহজতর এবং এতে সময় কম অপচয় হবে, অর্থনীতিক ঝুঁকিও কমবে।

#হাইকোর্টে মামলা:
দ্বিতীয় প্রক্রিয়া হলো থানা পুলিশ মামলা নিতে না চাইলে হাইকোর্টে রিট দায়ের করে প্রতিকার চাওয়া যায়। রিট আবেদনে ভিকটিম বা তার পরিবার থানায় মামলা দায়েরের অনুমতি প্রদান ও আসামিদের গ্রেফতারের আদেশ প্রার্থনা করতে পারেন। হাইকোর্ট বিভাগ রায় প্রদান করলে পুলিশ রায় মানতে বাধ্য।

#মানবাধিকার কমিশনে অভিযোগ:
পুলিশ মামলা নিতে না চাইলে প্রতিকার চাওয়ার তৃতীয় মাধ্যম হলো জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। এ ছাড়া বেসরকারি মানবাধিকার কমিশনের কাছেও এ ধরনের অভিযোগ দেওয়া যায়। বিশেষ করে নারী নির্যাতন ও মানবিক বিষয়গুলো মানবাধিকার কমিশনের কাছে আবেদন করলে তাঁরা এ বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে পারেন।
আরো তথ্য জানতে সাথেই থাকুন।
Nazmul Mitoo

04/03/2018

#জেনে নিন থানায় পুলিশ মামলা না নিলে কী করবেন ?

#ফৌজদারি মামলার একটা বড় অংশের কার্যক্রম শুরু হয় থানায় এজাহার দায়েরের মধ্য দিয়ে। আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটিত হওয়ার পর কোনো নাগরিক থানায় মামলা করতে চাইলে পুলিশ বিনামূল্যে সে মামলা নিতে বাধ্য। কোনো কারণে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী থানায় মামলা নিতে না চাইলে সংক্ষুব্ধ নাগরিক কী করবেন? সে বিষয়টি তুলে ধরে হলো।

#থানায় মামলা:
অপরাধ সংঘটনের পর বিচারপ্রার্থীর প্রথম কাজ হলো থানায় মামলা দায়ের করা। এর পর মামলা তদন্তের মাধ্যমে শুরু হয় বিচারকাজ। পুলিশ বিনামূল্যে সে মামলা নিতে বাধ্য। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায়, প্রভাবশালীদের চাপে থানার পুলিশ মামলা নিতে চায় না। মামলার বাদী তুলনামূলক দুর্বল হলে থানার পুলিশ এ ধরনের আচরণ করে থাকে বলে অভিযোগ শোনা যায়।

দৃশ্যপট-১
নিজে একজন নারী ও পুলিশ সদস্য। তিনি গণধর্ষণের অভিযোগ এনেছেন অপর এক পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে, যিনি তাঁর সাবেক স্বামী। পুলিশ হওয়া সত্ত্বেও ধর্ষণের মামলা করতে গেলে থানা পুলিশ তা নেয়নি। গত ১১ জুন রাজধানীতে এমনই এক ঘটনা ঘটে।

দৃশ্যপট-২
রেহানাকে নানাভাবে উত্ত্যক্ত করত তারই সহপাঠী অর্ণব। একদিন স্কুল থেকে ফেরার পথে রেহানাকে বাজে প্রস্তাব দেয় অর্ণব। প্রতিবাদ করলে অন্য সহপাঠীদের সামনে তার শ্লীলতাহানি করে বসে অর্ণব। এ ঘটনায় মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে রেহানা অভিমান করে আত্মহত্যা করে বসে। পুলিশ অস্বাভাবিক মৃত্যু হিসেবে বিষয়টি বর্ণনা করে একটি মামলা করে। মৃত্যুর আগে রেহানা নিজের সুইসাইড নোটে এই পরিণতির জন্য অর্ণবকে দায়ী করে। রেহানার বাবা-মা থানায় গিয়ে এ সুইসাইড নোটটি আমলে নিয়ে অর্ণবকে আসামি করতে চাইলে পুলিশ তা আমলে নিতে গড়িমসি করে। অর্ণবের বাবা স্থানীয়ভাবে প্রতাপশালী হওয়ায়, আগে থেকেই তিনি থানাকে হাতে রেখেছিলেন। অন্যদিকে নিজের আদরের মেয়ের মর্মান্তিক মৃত্যুর পরও প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না দেখে রেহানার বাবা-মা ভেঙে পড়েন।
বিঃ দ্রঃ- বিস্তারিত জানতে চোখ রাখুন 'Women's Shadow' পেজ এ।
Nazmul Mitoo

04/02/2018

#এক গবেষণায় দেখা গেছে যে -
#যারা মুখে বলে মরে যাব,তারা আসলে আত্মহত্যা করতে ভয় পায়।
আর যারা কখনো মুখে বলেনি,তারাই আত্মহত্যার চেষ্টা করে,
আপনি কি আত্মহত্যা করতে চান ???
তাহলে আপনাকে বলছি ,,
যদি ধর্ম-শাস্ত্র বিশ্বাস করেন, তাহলে জেনে রাখুন- ধর্ম মতে
'' আত্মহত্যা মহাপাপ '' ।
যদি আপনি আইনের প্রতি শ্রদ্দাশীল হোন ,তাহলে বুঝে নিন
আত্মহত্যা চেষ্টায় সফল হলে বেঁচে গেছেন।ব্যর্থ হলে তৈরি থাকুন
কারাদণ্ড ভোগের জন্য কারন আইনের দৃষ্টিতে -
'' আত্মহত্যা করার চেষ্টা দণ্ডনীয় অপরাধ '' ।
এখন যদি আপনি বলেন ''আমি কি করব ?''
তাহলে বলব আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন,আমরা সাধ্য মত চেষ্টা করব আপনার দুঃখ মুছে সুখের সঙ্গী হতে ।
'' Women's Shadow '' একটি সামাজিক আইনি সহায়তা ভিত্তিক সংগঠন।
আইনি পরামর্শ ও সহযোগিতায় আপনার পাশে সব সময় ।

Address

Dhaka

Telephone

+8801766459571

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Women's Shadow posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Women's Shadow:

Share

Category