24/04/2026
মেয়ে নিউ টেনের ছাত্রী।
এক পোলার সাথে ১.৫ বছর ধরে সম্পর্ক। এর মধ্যেই এই পোলার লগে শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়েছে বহুবার। তাও আবার নিজ বাড়িতেই এগ্লা হইতো
এখন টুইস্ট হলো- পোলায় বিয়া করবে না, তাই ম্যাডাম এখন বিয়ের দাবিতে পোলার বাড়িতে অনশন করতেছে!
অথচ ক্লাস টেনের একটা মেয়েকে যদি কেউ বিয়ে করতে যেতো তাহলে নিশ্চয়ই সেটা বাল্যবিবাহ হতো। খবর পেয়ে UNO সহ এক গাড়ি পুলিশ এসে মেয়ে/ছেলের বাপ-মার খবর করে ছাড়তো। যেই কাজি বিয়ে পড়াতো তারও গুষ্টি উদ্ধার করে দিতো। বরকে জেলের ভাত খাওয়াইতো ইত্যাদি ইত্যাদি।
কিন্তু কথা হচ্ছে এই যে দশম শ্রেনীর ছাত্রী বয়ফ্রেন্ডের সাথে যিনা করলো, নিজের ভার্জিনিটি হারাইলো তাতে কি এদেশের আইনে অপরাধ হইছে? এ ব্যাপারে কোনো শাস্তির আইন আছে? কিচ্ছু নেই।
সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং ব্যাপার হচ্ছে, এই ঘটনাগুলো যখন বড় আকার ধারন করে থানা পুলিশ পর্যন্ত যায় তখন'ও কিন্তু তাদের বিয়ে হয় না। অনেক সময় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বা স্থানীয় শালিসের মাধ্যমে উভয় পক্ষকে মেয়ের বয়স ১৮ এবং ছেলের ২১ না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে বলা হয়। এর মধ্যে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় ছেলে মেয়েকে দিয়ে দেওয়া হয়।
পরবর্তীতে তাদের অনেক সময় খুঁজ থাকে না। ওই পোলাও পরে হাজিসাব হইয়া দ্বীনদার খুজে আবার মেয়েও তার অতীত লুকিয়ে কোনো আলাভোলার গলায় ঝুলে যায়।
এগুলো এখন সমাজের নিত্য নতুন ঘটনা 😢
আইন নিয়ে আবার কিছু বললে গানতান্ত্রিক দেশে নাই হয়ে যাওয়ার রেকর্ড ও আছে।