19/08/2014
কার্টেসী---চৌধুরী সাহেব
২১ আগষ্ট বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার উপর বোমা হামলায় মুফতি হান্নান ও অন্যান্য আসামীদের জবানবন্দির অংশবিশেষঃ-
১) ১৯ আগষ্ট ২০০৪, মাওলানা তাহের, কাজল, জান্দাল ও আবদুস সালাম পিন্টু মিরপুর ১ নম্বর পানির ট্যাংকের কাছে মসজিদ-এ আকবর কমপ্লেক্সে বৈঠক করে।
২) ২০ আগষ্ট ২০০৪, বেলা ১১ টা, জান্দাল ও কাজল ধানমন্ডির পিন্টুর বাসায় গেলে তাদের ১৫টি গ্রেনেড ও ২০ হাজার টাকা দেয় আবদুস সালাম পিন্টু ও মাওলানা তাজউদ্দিন।
৩) ২১ আগষ্ট ২০০৪, শেখ হাসিনার সমাবেশ শুরু হয়ে গেছে। পরিকল্পনা মাফিক ১২ জন জঙ্গি তিন ভাগে ভাগ হয়ে সমাবেশ মঞ্চের তিন দিকে অবস্থান নেয়। এর মধ্যে মঞ্চে আক্রমণের দায়িত্ব ছিল জান্দাল, কাজল, বুলবুল ও লিটনের সমম্বয়ে গঠিত দলের। তাদের অবস্থান ছিল মঞ্চের দক্ষিণ-পশ্চিম পাশে। সবুজ, জাহাঙ্গীর আলম, মাসুদ ও উজ্জ্বলের সমন্বয়ে দ্বিতীয় এবং মুত্তাকিন, মুরসালিন, আরিফ হাসান ও ইকবালের সমন্বয়ে গঠিত তৃতীয় দলটির দায়িত্ব ছিল যথাক্রমে মঞ্চের পশ্চিম ও পশ্চিম-উত্তর দিকে অবস্থান নিয়ে সমাবেশে উপস্থিত জনতার ওপর আক্রমণ করা। জনতার ওপর আক্রমণের উদ্দেশ্য ছিল নেতাকর্মীরা মঞ্চের দিকে গিয়ে শেখ হাসিনাকে বাচানোর চেষ্টা করার সুযোগ যেন না পায়।
এই ১২ জনের বাইরে আবু বকর, জুয়েল, খলিল, শুভ, বাবু ফেরদৌসসহ আরও কয়েকজন গোলাপশাহ মাজারের মসজিদে অবস্থান নেয়। উদ্দেশ্য, আক্রমণকারীদের কেউ ধরা পড়লে দ্রুত এগিয়ে গিয়ে ব্যবস্থা নেয়া। মুফতি হান্নান তার জবানবন্দিতে বলেছেন, উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টু ছয়জনকে পাঠিয়েছিলেন। তারা গোলাপশাহ মাজারে ছিলেন প্রয়োজনে সহায়তার জন্য। ওই ছয়জনের দলনেতা ছিলেন ঢাকার সিদ্ধেশ্বরী এলাকার জনৈক লাদেন।