রঙ্গিন - Poem .

রঙ্গিন - Poem        . Online Service Point. VIsit Visa Processing, Passport. NID. & Other Online Services . Tilagor Point. Sylhet .

✅কানাডা ভিজিট ভিসার প্রসেসিং
✅সুইডেন,এস্তোনিয়া,অস্ট্রেলিয়া ইউকে প্রসেসিং
✅ নেপাল, মালেশিয়া, ইন্ডিয়া প্রসেসিং
✅পাসপোর্ট আবেদন ও রি-নিউ
✅ টিন ও ট্যাক্স রিটার্ন জমা
✅ ড্রাইভিং লাইসেন্স করা
✅ হোটেল বুকিং ও ফ্লাইট টিকেট বুকিং
✅ ট্যুর গাইড ও ট্যুর অপারেটর

না পারলে বন্ধুদের মেনশন দেন, সাথে পোস্ট টি শেয়ার দেন।
22/10/2025

না পারলে বন্ধুদের মেনশন দেন, সাথে পোস্ট টি শেয়ার দেন।

13/10/2025

ও ভাইরে ভাই 😁😁😁

#আওয়ামিলীগ

প্রথমে ভাবছিলাম পিচ্ছিল খেয়ে পড়ে একজন উপরে চলে গেছে,  আর অন্যজন পাশে বসে কাদছে 😥😥 কিন্তু কমেন্টে ২য় ছবি দেখে আমার মনে হই...
13/10/2025

প্রথমে ভাবছিলাম পিচ্ছিল খেয়ে পড়ে একজন উপরে চলে গেছে, আর অন্যজন পাশে বসে কাদছে 😥😥
কিন্তু কমেন্টে ২য় ছবি দেখে আমার মনে হইলো See more...

ডোয়াইন "দ্য রক" জনসন: ৭ ডলার থেকে বিলিয়ন ডলারের মালিক!আমরা অনেকেই রেসলিংয়ের রিং অথবা হলিউডের পর্দা কাঁপানো "দ্য রক"-কে চ...
12/10/2025

ডোয়াইন "দ্য রক" জনসন: ৭ ডলার থেকে বিলিয়ন ডলারের মালিক!

আমরা অনেকেই রেসলিংয়ের রিং অথবা হলিউডের পর্দা কাঁপানো "দ্য রক"-কে চিনি।

কিন্তু তার শুরুর দিনগুলো ছিল চরম দারিদ্রতায় ভরা।

একসময় ডোয়াইন জনসনের পরিবারের এমন অবস্থা হয়েছিল যে, তারা ঠিকমতো রাতের খাবারও জোগাড় করতে পারতেন না। ১৯৮৭ সালের থ্যাঙ্কসগিভিং ডিনারের সময় তাদের ঘরে খাবার কেনার মতো টাকাও ছিল না। তারা শুধু প্রার্থনা করছিলেন যেন কেউ তাদের দাওয়াত দেয়।

মাত্র ১৫ বছর বয়সে তাদের বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয় এবং তাদের গাড়িও জব্দ করা হয়।

ক্যানাডিয়ান ফুটবল লিগ থেকে বাদ পড়ার পর তার পকেটে ছিল মাত্র ৭ ডলার। এই ঘটনাটি তিনি প্রায়ই মনে করেন, কারণ এটি তাকে কঠোর পরিশ্রম করতে উৎসাহিত করে।

আজকের বাস্তবতা?

২০২৪ সালের হিসাব অনুযায়ী, ডোয়াইন জনসনের মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৮০০ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ৯,৪৪০ কোটি টাকা)।

তিনি শুধু হলিউডের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাওয়া অভিনেতাদের একজনই নন, একজন সফল ব্যবসায়ীও।

আমরা কি শিখতে পারি তার জীবন থেকে?

ডোয়াইন জনসনের জীবন আমাদের এটাই শেখায় যে, পকেটে কত টাকা আছে সেটা বড় কথা নয়, বড় কথা হলো আপনার স্বপ্ন আর পরিশ্রম করার ইচ্ছা কতটা বড়।

আপনার শুরুটা যত ছোটই হোক না কেন, পরিশ্রম আর আত্মবিশ্বাস থাকলে আপনিও একদিন শীর্ষে পৌঁছাতে পারবেন।

ডিভোর্সের পর ছোট বোনটা দশ মাসের বাচ্চা নিয়ে আমাদের বাসায় এসে উঠলো।  ভাবলাম বোনের বাচ্চাকে নিয়ে আমার স্ত্রী লুনার সময়টা এ...
12/10/2025

ডিভোর্সের পর ছোট বোনটা দশ মাসের বাচ্চা নিয়ে আমাদের বাসায় এসে উঠলো। ভাবলাম বোনের বাচ্চাকে নিয়ে আমার স্ত্রী লুনার সময়টা এবার হয়তো ভালোই কাটবে। বোনটাও আমার এ বাড়িতে একটু শান্তিতে থাকতে পারবে। আমাদের বিয়ের সাত বছরেও কোনো বাচ্চাকাচ্চা হলো না। বাবা বললেন আমি বৃদ্ধ হয়েছি তো কি হয়েছে? তোদের চার ভাইবোনকে খাইয়ে পরিয়ে এতো বড় করতে পারলে শেষ বয়সে আমার ছোট মেয়ের দায়িত্বও নিতে পারবো ইনশাআল্লাহ।

মাস তিনেক পর থেকেই আমার স্ত্রী লুনার সাথে বিথীর ঝামেলা হতে লাগলো। এ নিয়ে মা প্রায়ই আমার কাছে বিচার দিতেন। আমি লুনাকে বুঝানোর চেষ্টা করতাম যে আজ বিথীর অবস্থা যদি তোমার হতো তাহলে কি করতে?

একদিন অফিস থেকে এসে দেখি বিথী বারান্দায় বসে কাঁদছে। আমার স্ত্রী লুনা বললো, খালি তো বলো আমি খারাপ। তাইলে আজ দুপুরে মা কেন বিথীকে বকলো "বিয়ে দিয়েছি স্বামীর ঘর করার জন্য। নিজের খাসলতের কারণে স্বামীর ভাত খেতে না পেরে ভাই-ভাবীর ঘাড়ে এসে উঠেছিস। তুই মরতে পারিসনা?"

একটা মেয়ে তার এই চরম দুঃসময়ে নিজের মাকেই সবচেয়ে কাছে চায়, পাশে চায়। কিন্তু আমার বোনের বেলায় হলো সম্পূর্ণ উল্টা। মা কেনো জানি দিনকে দিন ওকে আর সহ্যই করতে পারছিলো না। রোজই কিছু না কিছু নিয়ে ঝামেলা হতো। আমার স্ত্রী লুনা মনেমনে তাতে বেশ খুশিই হতো। আমি হলাম মাঝখানে দিশাহারা। ছোট বোনের এমন বিপদে মাকে সামলাবো নাকি নিজের স্ত্রীকে সামলাবো!? কিন্তু মার আচরণে আমি দিনকে দিন অবাক হচ্ছি। নিজের মেয়ের এমন বিপদে মার এই আচরণ একেবারেই অপ্রত্যাশিত।

বিথী রোজ রাতে বারান্দায় বসেবসে কাঁদে। আমার চার ভাইবোনের মধ্যে এই অসহায় বোনটা ছিল পরিবারের সবার চোখের মণি।তার প্রতি পরিবারের সবার আদরযত্ন ছিল অন্যরকম। কিন্তু ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস আজ সেই সবচেয়ে বেশি অবহেলিত লাঞ্চিত।

আব্বার বয়স হয়েছে। বেশির ভাগ সময় অসুস্থ থাকেন। শুধু মুখটাই যা শক্ত আছে। আমার অন্য দুই ভাই বোন নিজের মতো করে আলাদা থাকে। আব্বা মাদ্রাসার শিক্ষক ছিলেন। এখন অবসরে আছেন। পেনশনের টাকা আর আমার চাকরির যৎসামান্য বেতনে কোনরকম দিন চলে যায়। মধ্যবিত্ত পরিবারের একটাই সমস্যা। তা হলো টাকা। তার উপর এখন নতুন যোগ হয়েছে ছোট বোনটা। প্রতি মাসে তার এবং তার বাচ্চার পেছনে বাড়তি অনেকগুলা টাকা খরচা হয়। মাঝেমাঝে আমি বেদিশা হয়ে যাই খরচ সামলাতে সামলাতে। তবুও যতই অভাবে থাকি নিজের মায়ের পেটের বোনকে ফেলে তো আর দেয়া যায়না। এব্যাপারটা মাও বুঝতে চায়না আমার স্ত্রীও বুঝতে চায়না।

ইদানিং বিথী আমার সামনে আসতে চায়না। সবসময় নিজেকে লুকিয়ে রাখে। আমি বুঝতে পারি ওর মধ্যে হয়তো অপরাধ বোধ কাজ করে। বর্তমান উর্ধগতির বাজারে টানাপোড়েনের সংসারে হুট করে দুজন মানুষের বাড়তি খরচ নেহাতই কম না।

মাস শেষে আজ বেতন পেলাম। বিথীকে ডেকে জিগ্যেস করলাম "কিরে কই থাকিস সারাদিন? সবসময় এমন মন মরা হয়ে থাকিস কেন? মা আর লুনা ছাদে গেছে শুকনো কাপড় আনতে। আমি বাজারে যাব কিছু লাগবে তোদের? লাগলে বল মা আর তোর ভাবি জানতে পারবেনা। "

বোনটার মুখের দিকে তাকানো যাচ্ছে না। চেহারার কি হাল হয়েছে। চিন্তায় রাতের পর রাত না ঘুমিয়ে চোখ দুটো কঠোরের ভেতর ঢুকে গেছে। চাঁদমাখা মুখটার কি শ্রী হয়েছে! দুধে আলতা গায়ের রঙ ছিল বোনটার। অথচ ডিভোর্সের এই কয়েক মাসে যেন পাতিলের তলায় রুপ নিয়েছে।

ও ঝরঝরে কেঁদে উঠলো। বললো ভাইয়া মেয়েটার জ্বর দুদিন থেকে। বুকের দুধ ছাড়া বাড়তি কোনো খাবার মুখে দিতে পারিনা ভয়ে। মা ফ্রিজ লক করে রাখে। ভাবিও নিষেধ করেছে ওনাকে না বলে যেন কোনো কিছু না ধরি। তার কান্না ভরা কন্ঠে কথাগুলো শুনে আমার চোখ ভিজে এলো। তাকে শান্তনা দিয়ে বললাম, চিন্তা করিস না বোন। মানুষের খারাপ সময় আজীবন থাকেনা। রাত যত গভীর হয় ভোর তত নিকটে আসে। আমি বাজার থেকে তোর মেয়ের জন্য কিছু খাবারদাবার নিয়ে আসবো। তুই তোর খাটের নিচে লুকিয়ে রাখিস কেমন।

বাবার ভুলের খেসারত আজ বোনটাকে দিতে হচ্ছে। কত করে নিষেধ করেছি কোনো বিদেশি ছেলের কাছে বিথীকে বিয়ে দিও না। মার অতি চালাকি আর লোভের কারণে বাবা আমাদের ভাইবোনের কথা অগ্রাহ্য করে ছেলের কোনো খোঁজ খবর না নিয়েই তড়িঘড়ি করে বিয়ে দিয়ে দিল। বিয়ের কিছুদিন পর জানতে পারি ছেলের কোনো লেখাপড়া নেই তারউপর নেশা করে। সৌদি থেকে দেশে এসে কয়দিন রমরমা চললেও এখন ধারকর্জ করে নেশা করে। বিথী কিছু বললে গায়ে হাত তোলে। বিথীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। টাকার বিনিময়ে বাজে বন্ধুদের বাড়িতে এনে বিথীকে বলে তাদের মনোরঞ্জন করে খুশি করতে। বিথী রাজি না হওয়াতে তাকে মারপিট করে ডিভোর্স দিয়ে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়।

গত মাসে একটা বড় কোম্পানিতে ইন্টারভিউ দিয়েছিলাম। আজ এইচ আর থেকে ফোন করে কনফার্ম করলো। আগামী মাসে জয়েনিং। সেলারি বর্তমানের দিগুণ। আমার কেন জানি মনে হচ্ছে প্রায় দিগুণ সেলারির জবটা বিথী আর বিথীর মেয়ের জন্যই হয়েছে। নাহয় গত বার বছরে আমি মনে হয় বারটা ইন্টারভিউ ফেস করেছি। অনেক ভালো ভালো ইন্টারভিউ দিয়েও টেন পার্সেন্ট বাড়তি সেলারিতে কোথায়ও ঢুকতে পারলাম না। অথচ এখন কোনো রকম প্রস্তুতি ছাড়াই হঠাৎ ইন্টারভিউ ফেস করে চাকরি হয়ে গেল, তাও আবার দিগুণ সেলারিতে! অবিশ্বাস্য ব্যাপার। অসহায় বোন ভাগ্নীর রিজিক হয়তো আল্লাহ আমার মাধ্যমেই পাঠাচ্ছেন। যাক, বাসায় গিয়ে বিথীকে বলবো আর যেন চিন্তা না করে। আগামী মাস থেকে হাতখরচ বাবত ওকে কিছু টাকা দেব যেন ওদের মা মেয়ের প্রয়োজন মিটাতে পারে। সে সাথে একটা সেলাই মেশিন কিনে দিব। বিয়ের আগে যুব উন্নয়ন থেকে ওর সেলাইয়ের উপর প্রশিক্ষণ নেওয়া ছিল। সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে ঘরে বসেই যেন অনলাইনে একটা ছোটখাটো বিজনেস দাড় করাতে পারে। আমার বিশ্বাস বিথী বেশ খুশি হবে আমার পরিকল্পনা শুনে এবং একজন সফল উদ্দোক্তাও হতে পারবে নিজের শ্রম আর বুদ্ধিমত্তা কাজে লাগিয়ে।

এসব ভাবতে ভাবতে বাসের হেল্পার যখন আজমপুর আজমপুর বলে ডাকতে লাগলো তখন ভাবনায় আমার ছেদ পড়লো। বাস থেকে নেমে বনফুল থেকে দুই কেজি মিষ্টি নিলাম। ছোট বেলায় বিথীর মিষ্টি খুব ফেবারিট ছিল। তাছাড়া নতুন জবের সুসংবাদটা খালি মুখে দেওয়া বেমানান হবে। সারাদিনের ক্লান্তি আর ঘর্মাক্ত শরীর নিয়ে যখন বাসার সামনে আসি দেখি চেনা অচেনা অনেক মানুষের ভিড়। প্রতিবেশী কয়েকজনকে বলতে শুনলাম, এইতো মেয়ের ভাই এসেছে। বাসার সামনে লোকে লোকারণ্য। ভিড় ঢেলে ড্রয়িং রুমে প্রবেশ করতেই সবার কান্নাকাটির শব্দ কানে আসলো। বিথীর রুমের খোলা দরজায় চোখ পড়তেই দেখি বোন আমার ফ্যানের সাথে ওড়না পেচিয়ে ঝুলে আছে। আমাকে দেখে বাবা হাউমাউ করে কাঁদতে কাঁদতে বলে উঠলেন খোকা তুই এসেছিস? এদিকে আমার যে সব শেষ হয়ে গেল রে বাবা। আমার সোনার ময়না পাখি উড়াল দিয়ে চলে গেল অচিন দেশে। দুপুরে বিথী মাছের পেটির পিসে কাঁটা কম সেজন্য পেটি খুটে ভাত খাইয়েছিল মেয়েকে। এ নিয়ে তোর মা আর বৌমা বিথীকে কথা শুনিয়েছে। তাতেই পাখি আমার অভিমান করে আত্নহত্যা করে ফেললো।

আমি যেন একমুহূর্তে পাথর মূর্তি হয়ে গেলাম। মাকে দেখলাম মেঝেতে বসে খাটে মাথা ঠেকিয়ে বিলাপ করে কাঁদতে। আমার স্ত্রী লুনা, বিথীর মেয়েকে কোলে নিয়ে কাঁদছে। আমার বাকি দুই ভাইবোন খবর পেয়ে বিকালেই চলে এসেছে। আমার ফোনের চার্জ শেষ হয়ে অফ হয়ে গিয়েছিল তাই কেউ কিছু জানাতে পারেনি। লোকজন বলাবলি করছে, থানায় খবর দেওয়া হয়েছে।

আমি তাকিয়ে দেখি বোন আমার ছাতক পাখির মতো আমার দিকেই যেন চোখ মেলে চেয়ে আছে। হাতের চুড়িতে ভাঁজ করা একটা চিরকুট পাওয়া গেল। তাতে ছোট বড় কষ্টের অক্ষরে লেখা- "ভাইয়া তুই এসেছিস? বিশ্বাস কর ভাইয়া এতো সুন্দর পৃথিবী ছেড়ে এতো তাড়াতাড়ি মোটেও যেতে ইচ্ছা করছিল না আমার। কিন্তু কি করবো? উপায় যে আমার আর ছিল না। পৃথিবীটা আমার জন্য জাহান্নাম হয়ে গেছে। আমার মেয়েটাকে তুই দেখে রাখিস ভাইয়া। পারলে আমাকে ক্ষমা করিস। আমি তোদের বোঝা ছিলাম। তাই বোঝাটাকে নামিয়ে মাটিচাপা দিয়ে দিস চিরদিনের জন্য। মা আর ভাবিকে বলিস ভালো থাকতে শান্তিতে থাকতে। আমি আর জালাতন করবো না কোনদিন।

সবাইকে নিয়ে খুব বেশি ভালো থাকিস ভাইয়া।"

'লিখেছেন -জারা জামান '

পুডিং হাতে নিয়ে দেখি এক হাউয়ার হাতি আধুনিক মাইকেল জ্যাকসন হয়ে গেছে। সাইজের থেকে বান্দার উত্তেজনা বেশি, পুডিং তো নয় যেনো ...
10/10/2025

পুডিং হাতে নিয়ে দেখি এক হাউয়ার হাতি আধুনিক মাইকেল জ্যাকসন হয়ে গেছে। সাইজের থেকে বান্দার উত্তেজনা বেশি, পুডিং তো নয় যেনো হাতে উত্তেজনার ডাব্বা নেয়া মাত্রই শরীরে শিহরণ চলে আসে। তার থাকার কথা দুবাইয়ের শেখের ঘরে সেখানে বেলি ডান্স দিবে কিন্তু তা না করে ঢাকার মাঝরাস্তায় পুডিং ডান্স দিচ্ছে। বাঙালি তার নাচ দেখে দেখে পুডিং খাবে, দুবাইর শেখদের মত টাকা উড়াইতে না পারলে বগলের লূম ছিড়ে উড়াতে কার্পণ্য করা উচিত না এ জাতির।

আরেক সুন্দরী আপু দেখি কেক বেঁচতে না পেরে কানতেছে। আমি বুঝলাম না মানুষের মনুষ্যত্ব কোথায় গেছে? এত অবনতি কেমনে হইতে পারে, বিশ্বাস উঠে যাচ্ছে মানুষের উপর থেকে। সুন্দর মাইয়া যদি কেক এর বদলা মাটিও বেঁচে ঐটা আর মাটি থাকেনা অমৃত হয়ে যায়। দেশীয় মানুষের হার্ট বলতে কিচ্ছু নাই। তো যা বলছিলাম "সুইটি তুমি আর কেঁদো না, ঘুম আসেনা।" আমি দেশে আসলে একাই তোমার সব কেক খাবো।

10/10/2025
10/10/2025

পোস্ট দেখেও যদি না দেখার ভান করেন তবে আপনার নিজের এঙ্গেজমেন্ট লস হবে

দেহ পচে যাচ্ছে ,অথচ শ্বাস আছে।টাকা না দিতে পারেন ,শেয়ার করার অনুরোধ রইল। বর্তমানে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বারান্দা...
06/10/2025

দেহ পচে যাচ্ছে ,অথচ শ্বাস আছে।
টাকা না দিতে পারেন ,শেয়ার করার অনুরোধ রইল।

বর্তমানে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বারান্দায় পড়ে আছে।

Pothik Tours & Trips পেইজে কানাডা,  অস্ট্রেলিয়া, মালেশিয়ার ভিজিট ভিসার প্রসেসিং করতে পারেন কম খরচে কম সময়ে।  ✅✅✅
05/10/2025

Pothik Tours & Trips পেইজে কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, মালেশিয়ার ভিজিট ভিসার প্রসেসিং করতে পারেন কম খরচে কম সময়ে। ✅✅✅

Pothik Tours & Trips  পেইজে কানাডার ভিজিট ভিসার প্রসেসিং করতে পারেন ✅✅✅
05/10/2025

Pothik Tours & Trips পেইজে কানাডার ভিজিট ভিসার প্রসেসিং করতে পারেন ✅✅✅

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when রঙ্গিন - Poem . posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share