21/04/2026
সরকারের জোটসঙ্গী হয়ে নির্বাচন পরবর্তী সময়ে গণ অধিকার পরিষদের করণীয় শুধু ক্ষমতায় অংশ নেওয়া নয়—বরং নিজেদের আদর্শ, জনগণের প্রত্যাশা এবং রাজনৈতিক বিশ্বাসযোগ্যতা ধরে রাখা। সরাসরি বললে, শুধু “জোটে থাকা”ই যথেষ্ট না—কিভাবে থাকা হচ্ছে, সেটাই আসল বিষয়।
নিচে একটি বাস্তবভিত্তিক করণীয় তুলে ধরা হলো—
১. নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে চাপ সৃষ্টি
জোটে থাকলেও নিজের দলের ইশতেহার ভুলে গেলে চলবে না। জনগণ যে আশা নিয়ে ভোট দিয়েছে, সেগুলো বাস্তবায়নে সরকারকে নিয়মিত চাপ দিতে হবে। প্রয়োজনে সংসদ ও বাইরে গঠনমূলক অবস্থান নিতে হবে।
২. স্বতন্ত্র রাজনৈতিক অবস্থান বজায় রাখা
জোটসঙ্গী মানেই অন্ধ সমর্থন নয়। ভুল সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে যুক্তিপূর্ণ সমালোচনা করতে হবে। এতে দলের গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে এবং “লেজুড়বৃত্তি”র অভিযোগ এড়ানো যাবে।
৩. দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির বিরুদ্ধে অবস্থান
সরকারের অংশ হয়েও দুর্নীতির বিরুদ্ধে স্পষ্ট অবস্থান নিতে হবে। এতে জনআস্থা তৈরি হবে এবং দল আলাদা পরিচয় পাবে।
৪. সাংগঠনিক শক্তি বাড়ানো
নির্বাচনের পর অনেক দল ঢিলে হয়ে যায়—এটা বড় ভুল। তৃণমূল থেকে মহানগর পর্যন্ত সংগঠনকে শক্তিশালী করা, নতুন নেতৃত্ব তৈরি করা এবং কর্মীদের সক্রিয় রাখা জরুরি।
৫. জনগণের সাথে সরাসরি সংযোগ বজায় রাখা
শুধু মন্ত্রী-এমপি হয়ে গেলে হবে না। নিয়মিত জনসংযোগ, সমস্যা শোনা এবং সমাধানের উদ্যোগ নিতে হবে। জনগণ যেন মনে করে—“এই দল আমাদের পাশে আছে।”
৬. নীতি ও সংস্কার এজেন্ডা সামনে আনা
রাষ্ট্র সংস্কার, নির্বাচন ব্যবস্থা, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা—এই ধরনের বড় ইস্যুগুলোতে স্পষ্ট প্রস্তাব দিতে হবে এবং বাস্তবায়নের চেষ্টা চালাতে হবে।
৭. ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান প্রস্তুত রাখা
জোট স্থায়ী কিছু নয়। তাই ভবিষ্যতের জন্য দলকে প্রস্তুত রাখতে হবে—যাতে প্রয়োজনে এককভাবে বা ভিন্ন জোটে শক্ত অবস্থান নিতে পারে।
#গণঅধিকারপরিষদ #যোগ্যনেতৃত্ব #নুরুলহকনুর #ভিপি #রাজনীতি #রাজনৈতিক গণঅধিকার পরিষদ, আদাবর থানা /Gono Odhikar Parishad, Adabor thana ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিপি VP Nurul Haque Nur Saportar