ধানমন্ডি থানা বি এন পি

ধানমন্ডি থানা বি এন পি president: Md. Abul Khayer Bablu
Secretory: Md. Abdul Alim

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম★

১ সেপ্টেম্বর,২০১৩ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল(বিএনপি)-এর ৩৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী।১৯৭৮ সালের এইদিনে বিকাল ৫ টার সময় ঢাকাস্থ রমনা রেস্তোরাঁয় সংবাদ সম্মেলনে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের এক আনুষ্ঠানিক ঘোষণার মাধ্যমে যাত্রা শুরু করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।এসময় তিনি নিজেকে আহ্বায়ক করে ১৮ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করেন।পরবর্তীতে ১৯ সেপ্টেম্বর বিএনপির

৭৬ সদস্য বিশিষ্ট পুর্নাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটি গঠিত হয়।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান এবং এ.কিউ.এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিবের দায়িত্ব গ্রহন করেন।

বিএনপির রাজনীতির মূলভিত্তি হল—
১। সর্ব শক্তিমান আল্লাহর উপর বিশ্বাস
২। জাতীয়তাবাদ
৩।গণতন্ত্র
৪। সামাজিক ও অর্থনৈতিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা।

জাতি-ধর্ম-বর্ণ-লিঙ্গ-সংস্কৃতি নির্বিশেষে সকল নাগরিকের ঐক্য এবং সংহতির উপর গুরুত্ব আরোপ করে বিএনপি গঠিত হয়।যে কারনে সংখ্যাগুরু বাঙালী জাতি ছাড়াও চাকমা,মারমা,গারো,মনিপুরী,সাঁওতালী সহ অন্যান্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী গুলো বিভেদ ভুলে একটি অভিন্ন জাতীয়তার পরিচয়ে আবদ্ধ হতে পেরেছিলো।
বাংলাদেশ নামক সদ্য স্বাধীন রাষ্ট্রে বসবাসরত নানা ধর্ম,বর্ণ ও গোত্রের বহুধাবিভক্ত জনগোষ্ঠিকে একটি অভিন্ন জাতীয়তার পরিচয় দিয়ে সংশয়হীন জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার অনন্য কৃতিত্ব রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপিকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে বাংলাদেশের সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয়, প্রাসঙ্গিক ও অপরিহার্য দলে পরিনত করেছিলো।নতুন দলের যুগোপযোগী আদর্শ এবং প্রতিষ্ঠাতার অতুলনীয় চারিত্রিক গুণাবলী ও মোহনীয় নেতৃত্ব গুনে আকৃষ্ট হয়ে বিভিন্ন দল-মত ও শ্রেনী-পেশার মানুষ দলেদলে বিএনপিতে যোগদান করতে থাকেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জিয়াউর রহমানের সবচেয়ে বড় সফলতা হল- বাংলাদেশে জাতীয়তাবাদের কালজয়ী ধারনা প্রবর্তন করা এবং তার প্রতিষ্ঠিত দল বিএনপির মাধ্যমে সেটার ব্যাপক প্রচার ও প্রসার ঘটানো।আর সেই ধারনা কাজে লাগিয়ে দেশের সর্বস্তরের জনসাধারণকে এক সুতোয় গাঁথতে পারাটাই হল বিএনপির সব চেয়ে বড় সাফল্য।

অর্থনৈতিক উন্নয়ন,গণতন্ত্রায়ন,বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে জাতীয় ঐক্য এবং জনগনের মধ্যে স্বনির্ভরতার উত্থান ঘটিয়ে দেশের আর্থ-সামাজিক মুক্তির লক্ষ্যে দেশের মানুষের সামনে দিকনির্দেশনা স্বরূপ বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯ দফা কর্মসূচি প্রনয়ন করেছিলেন।দফা গুলো নিম্নরূপ—

১. সর্বতোভাবে দেশের স্বাধীনতা,অখন্ডতা এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা।

২. শাসন তন্ত্রের চারটি মূলনীতি অর্থাৎ সর্বশক্তিমান আল্লাহর প্রতি সর্বাত্মক বিশ্বাস ও আস্থা,গনতন্ত্র,জাতীয়তাবাদ,সমাজতন্ত্র (সামাজিক ও অর্থনৈতিক ন্যায়বিচার); জাতীয় জীবনে সর্বাত্নক প্রতীফলন।

৩. সর্ব উপায়ে নিজেদেরকে একটি আত্মনির্ভরশীল জাতি হিসাবে গঠন করা।

৪. প্রশাসনের সর্বস্তরে,উন্নয়ন কার্যক্রমে ও আইন শৃংঙ্খলা রক্ষার ব্যাপারে জনগনের অংশগ্রহন নিশ্চিত করা।

৫. সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার এর ভিত্তিতে কৃষি উন্নয়ন এর মাধ্যমে গ্রামীন তথা জাতীয় অর্থনীতিকে জোরদার করা।

৬. দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ন করা এবং কেউ যেন ক্ষুধার্থ না থাকে তা নিশ্চিত করা।

৭. দেশে কাপড় এর উৎপাদন বাড়িয়ে সকলের জন্য অন্তত মোট কাপড় নিশ্চিত করা।

৮. কোন নাগরিক যেন গৃহহীন না থাকে তার যথাসম্ভব ব্যবস্থা করা।

৯. দেশকে নিরক্ষরতার অভিশাপ থেকে মুক্ত করা।

১০. .সকল দেশ বাসীর জন্য নূন্যতম চিকিৎসার ব্যবস্থা করা।

১১. সমাজে নারীর যথাযোগ্য মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করা এবং যুবসমাজ কে সুসংহত করে জাতি গঠনে উদ্বুদ্ধ করা।

১২. দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বেসরকারী খাতে প্রয়োজনীয় উৎসাহ দান।

১৩. শ্রমিকদের অবস্থার উন্নতি সাধন এবং উৎপাদন বৃদ্ধির স্বার্থে সুস্থ শ্রমিক-মালিক সম্পর্ক গড়ে তোলা।

১৪. সরকারী চাকুরীজীবিদের মধ্যে জনসেবা ও দেশ গঠনের মনোবৃত্তি উৎসাহিত করা এবং তাদের আর্থিক অবস্থার উন্নয়ন করা।

১৫. জনসংখ্যা বিস্ফোরন রোধ করা।

১৬. সকল বিদেশী রাষ্ট্রের সাথে সমতার ভিত্তিতে বন্ধুত্ব গড়ে তোলা এবং মুসলিম দেশ গুলোর সাথে সম্পর্ক জোড়দার করা।

১৭. প্রশাসন এবং উন্নয়ন ব্যবস্থা বিকেন্দ্রীকরন এবং স্থানীয় সরকার কে শক্তিশালী করা।

১৮. দূর্নীতিমুক্ত,ন্যায়নীতি ভিত্তিক সমাজ ব্যবস্থা কায়েম করা।

১৯. ধর্ম,গোত্র ও বর্ণ নির্বিশেষে সকল নাগরিকের অধিকার পূর্ন সংরক্ষন করা এবং জাতীয় ঐক্য ও সংহতি সুদৃঢ় করা।

প্রতিষ্ঠাতা শহীদ জিয়াউর রহমানের এই ১৯ দফার উপরে ভিত্তিকরে বিএনপি বিগত ৩৫ বছরের মধ্যে বিভিন্ন মেয়াদে ১৪ বছর ক্ষমতায় থাকাকালীন ও বাকি সময় ক্ষমতার বাহিরে থাকাকালীন দেশ এবং দেশের আপামর জনসাধারণের জন্য নিরলস ভাবে কাজ করে গেছে (যার বিষদ বর্ণনা থাকছে পরবর্তী পোস্টে)।
যেটা ভবিষ্যত দিনগুলিতে উত্তরোত্তর ভাবে বৃদ্ধি পাবে,ঈনশাল্লাহ।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল- বিএনপির ৩৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর এই মাহেন্দ্রক্ষণে বিএনপির সকল নেতাকর্মী সহ দেশের সর্বস্তরের জনগনকে "জাতীয়তাবাদী অনলাইন এক্টিভিস্ট"-দের পক্ষ থেকে জানাই সংগ্রামী শুভেচ্ছা এবং বিপ্লবী অভিনন্দন।
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ,
শহীদ জিয়া অমর হোক।
আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া জিন্দাবাদ,
আগামীর রাষ্ট্রনায়ক তারেক জিয়া জিন্দাবাদ।

19/06/2017
Breakingসাবেক সফল কমিশনার,ধানমন্ডি থানা বি,এন.পির বিল্পবী সভাপতি,বাবলু ভাই ধানমন্ডি থেকে সকাল ১০.৩০ গ্রেফতার হয়েছেন..
17/06/2017

Breaking
সাবেক সফল কমিশনার,ধানমন্ডি থানা বি,এন.পির বিল্পবী সভাপতি,বাবলু ভাই ধানমন্ডি থেকে সকাল ১০.৩০ গ্রেফতার হয়েছেন..

22/01/2017

কিছু বলতে চাই
ভয়ে বলবো না নির্ভয়ে ??

ওয়ার্ড সম্পাদক থেকে তিন চার বছরেই কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য,অথবা থানার যুগ্ন সম্পাদক হয়ে যায় নির্বাহী কমিটির কোনো বিশেষ সম্পাদক ,অথবা বাংলাদেশের কোথাও বি এন পি'র কোনো কমিটিতে নাম ই ছিল না তারাই যখন বি এন পি বা কোনো অঙ্গসংঘটনের সভাপতি সম্পাদক হয় তখন মনে হয় সুদিন বুঝি এসেই গেলো ,,আর সুদিন আসবে সুবিধা ভোগীদের পদপদবী না থাকলে তো হবেনা ,তাই যে যেভাবে পারছে যে কোনো কিছুর বিনিময়ে একটি বা একধিক পদের মালিক হচ্ছে , এই হলো বি এন পি'র বর্তমান সাংগঠনিক অবস্থা , যেখানে এতো নির্মূল নিধন শাসকের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে দেশের 70ভাগ সাধারণ মানুষের সমর্থন শহীদ জিয়ার হাতে গড়া বি এন পি'র প্রতি সেখানে বার বার ঘুরে দাঁড়াতে ব্যার্থ আমাদের প্রিয় বি এন পি ,,যতদিন এই কেনা বেচা বন্ধ না হবে ততদিন সুদিন আসবেনা ,,কারণ বিশেষ ব্যবস্থায় যারা নেতৃত্বে আসেন তারা কখনো রাজপথে থাকেনা , দলের নিবেদিত প্রাণ যারা রাজপথে থাকে তারাই হামলা মামলা জেল জুলুম নিযাতনের শিকার হয় কিন্তু হাই কমান্ড বা সুবিধাবাদী নেতারা তাদের খবর'ও নেয়না ,,
তবুও অপেক্ষায় থাকি হয়তো সত্যি সত্যি একদিন সুদিন আসবে ,ঘুরে দাঁড়াবে আমার প্রাণ প্রিয় সংগঠনটি ,,বাংলাদেশ জিন্দাবাদ ,শহীদ জিয়া ওমর হউক !!!

20/01/2017
চেয়ারপারসন বেগম খালেদাজিয়ার চট্রগ্রাম রোডমার্চ এ আমরাও যাচ্ছি ,, ধানমন্ডি থানা বি এন পি'র সকল নেতা কর্মীরাও প্রস্তুত !!!
10/12/2016

চেয়ারপারসন বেগম খালেদাজিয়ার চট্রগ্রাম রোডমার্চ এ আমরাও যাচ্ছি ,, ধানমন্ডি থানা বি এন পি'র সকল নেতা কর্মীরাও প্রস্তুত !!!

05/12/2016

∆©ম্যাডাম যথার্থই বলেছেন ©∆

ফখরুদ্দিন মঈনুদ্দিন থেকে শুরু !! তারপর এলো ডিজিটাল বাকশাল, শুরু হলো " বি এন পি " নিধন ,, জাতীয় নেতৃবৃন্দ থেকে শুরু করে তৃণমূল ,বাদ পড়লোনা কেউ ই ,,, হামলা মামলার পাশাপাশি রাষ্ট্রযন্ত্র বেবহার করে শুরু হলো গুম ,, যারা গুম বা নিখোঁজ হলেন তাদের কারো কারো লাশ পাওয়া গেলেও তা নিজের এলাকায় নয় ,, যশোরের কারো লাশ পাওয়া গেলো চট্টগ্রামে তো চট্রগ্রামের কারো লাশ বরিশালে ,,আবার কাউ কে পাগল বানিয়ে ফেলে আসা হয় সীমান্তের ওপারে ,, বেশির ভাগ ক্ষেত্রে কারো তো লাশ ও পাওয়া যায়নি ,,, স্বজন রা আজ ও অপেক্ষায় থাকে ,,, তারা জানেনা প্রিয় মানুষটিকে শাসক নামের রাক্ষস বাঁচিয়ে রেখেছে না মেরে ফেলেছে ,,, অপেক্ষা নামক শান্তনা টি আগলে ধরে সৃষ্টিকর্তার কাছে ফরিয়াদ অথবা বুকফাটা আর্তনাদ এ জীবন মিশে যায় !! এতো গুম খুন করেও রাক্ষুসে শাসক এর মন ভরেনা ,,, যেখানেই বি এন পি সেখানেই গোপালী পুলিশ এর হামলা ,, যদি মামলার জামিন থাকে তো নতুন কিছু পেন্ডিং মামলা দিবে অথবা ওদের পকেট থেকে মাদক বিশেষ করে ইয়াবা দিয়ে চালান করে দিবে ,, বাস শুরু হলো আরেক যুদ্ধ ,,থানা পুলিশ কোর্ট কাচারী আর নাজিম উদ্দিন রোড (কারাগার) হয়ে যখন দুই চার ছয় মাস পরে ফিরে আসে ততক্ষনে বৌ এর সোনা গয়না অথবা বাপ্ দাদার ভিটাবাড়ি টুকুও বেচা শেষ,, অথবা নিলামের অপেক্ষায় !!!!!

অপরাধ কি? অপরাধ একটাই আমরা বি এন পি'র রাজনীতি করি ,, আমরা শহীদ জিয়া'র আদর্শ কে লালন করি ,, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ ধারণ করি ,,, এই অপরাধে এতো গুম খুন জেল জুলুম !!!!!

বি এন পি চেয়ারপার্সন যথার্থই বলেছিলেন ঘরে বসে থাকলেও ফেসিবাদী সরকার হামলা মামলা চালাবে , বি এন পি ছেড়ে গেলেও তা অব্যাহত থাকবে ,, সুতরাং ঘরে থেকে লাভ নেই ,, রাজপথে ই থাকতে হবে !!..

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ধানমন্ডি থানা বি এন পি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share