08/10/2025
প্রবীণ জনগোষ্টী আমাদের পথ প্রদর্শক- তাদের সম্মান করতে হবে: উপদেষ্টা শারমীন মুরশিদ।
১লা অক্টোবর ২০২৫ আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস। হিন্দু ধর্মালম্বীদের শারদীয় দুর্গাপূজার কারণে সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৭ অক্টোবর ২০২৫ দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপিত হয়।
সমাজকল্যাণ এবং মহিলা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ প্রবীণ ব্যক্তিদের জন্য সম্মানজনক ও সুখী জীবনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করে বলেন, প্রবীণরা পথ প্রদর্শক। তাদের সম্মান করতে হবে। ০৭ অক্টোবর ২০২৫ মঙ্গলবার আগারগাঁওয়ে সমাজসেবা অধিদফতর আয়োজিত ৩৫ তম আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উপলক্ষে র্যালি ও আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে সমাজসেবা অধিদফতর এর মহাপরিচালক মো: সাইদুর রহমান খানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড.মোহাম্মদ আবু ইউছুফ, বাংলাদেশ প্রবীণ হিতৈষী সংঘের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো:শামসুল হক, মহাসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: ইন্তেজার রহমান পিপিএম এবং সমাজসেবা অধিদফতর এর পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) মো:আবদুল হামিদ মিয়া। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ প্রবীণ হিতৈষী সংঘ ও জরাবিজ্ঞান প্রতিষ্ঠানের যুগ্ম-মহাসচিব ও বিশিষ্ট কলাম লেখক মনজু আরা বেগম।
এবারের প্রবীণ দিবসের মূল প্রতিপাদ্য" একদিন তুমি পৃথিবী গড়েছো,আজ আমি স্বপ্ন গড়বো, সযত্নে তোমায় রাখবো আগলে"।আমরা প্রবীণদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হবো। এটাই আমাদের মূল্যবোধ। তিনি বলেন,প্রবীণরা তাদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সম্মানের সাথে জীবন কাটাবে। এটা নিয়ে আমাদের কাজ করতে হবে। উন্নত দেশের মত কমিউনিটিভিত্তিক কেয়ারব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। আজ না হোক কাল আমাদের এই পথেই ফিরে যেতে হবে। একই সংগে প্রবীণ দিবসের আয়োজনেও পরিবর্তন আনতে হবে। প্রবীণ দিবসের অনুষ্ঠান নবীন ও প্রবীণের সংমিশ্রণে আয়োজন করতে হবে।সেখানে আমরা নবীন ও প্রবীণদের কথা শুনবো। একে অপরের সাথে পরিচয় ঘটবে। এর আগে দিবসটি উপলক্ষে একটি র্যালি অনুষ্ঠিত হয়।র্যালীতে নেতৃত্ব দেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ, সমাজসেবা অধিদফতর এর মহাপরিচালক জনাব মো:সাইদুর রহমান খান।প্রবীণ হিতৈষী সংঘের সদস্যবৃন্দ ও সমাজসেবা অধিদফতর এর কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ র্যালীতে অংশগ্রহণ করেন। প্রবীণ হিতৈষী সংঘের প্রায় হাজারেরও অধিক জীবন সদস্য প্রবীণ ভবনে সকাল
৮ ঘটিকায় উপস্থিত হন। উপস্থিত সদস্যবৃন্দদের সকালের নাস্তা, দুপুরের খাবার এবং উপহার সামগ্রী প্রদান করা হয়।