05/10/2024
আমরা বললাম শরীয়াহ্ শাসন চাই। একদল পোলাপাইন বানিয়ে দিলো আমরা নাকি আজকেই শরীয়াহ্ শাসন চাই। তারপর এই যুক্তির উপর নিজেরা কাউন্টার দিতে শুরু করলো।
জি, আমরা শরীয়াহ্ শাসন চাই। প্রত্যেক মুসলমানই চাই অসাধারণ এই জীবনব্যবস্থার মধ্যে ইনক্লুডেড থাকতে। কিন্তু কখনো বলিনি বাংলাদেশে আজকেই শরীয়াহ্ শাসন কায়েম করতে হবে।
আমরা সকলকে বুঝাবো কেন শরীয়াহ্ শাসন তার জন্য প্রয়োজন। কেন গণতান্ত্রিক-সেক্যুলার শাসনের চেয়ে শরীয়াহ্ শাসন হাজারগুনে উত্তম। এই শাসনে অমুসলিম কতটা নিরাপদ সেটা তো বলার অপেক্ষা রাখে না। শরিয়া শাসনের সৌন্দর্য-ব্যাপকতা নিরাপত্তা-ব্যবস্থাপনার ব্যাপারে প্রত্যেকটা স্থানে জানিয়ে দিবো ইনশাআল্লাহ।
কুরআন-সীরাহ, আকিদাহ, তাযকিয়া-তালিম-তবলীগ চলতে থাকবে। সীরাতের কাঠামোর বাইরে কোন পথ-পদ্ধতি, জীবনব্যবস্থা আমরা গ্রহণ করবো না। রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দ্বীন বিজয়ের দুই পদ্ধতির অসাধারণ সমন্বয়ের এক ম্যাচিউর অবস্থান আমাদের।
গত শতাব্দীতে গণতন্ত্র-সমাজতন্ত্র, জাতীয়তাবাদ, লিবারেলিজম-কমিউনিজম এবং সেক্যুলারিস্ট শাসনের টেস্ট পেয়েছে উম্মাহ্। এইবার হোক ভিন্ন কিছু। শরীয়াহ্'র বীজ বুনে দিবা প্রত্যেকটি অন্তরে।
বীজ বুনে দেওয়ার দায়িত্ব আমাদের, ফসল ফলাবেন আল্লাহ তা'আলা। বিজয় দেখে যাওয়াটা গুরুত্বপূর্ণ না, বিজয়ের জন্য কাজ করাটা গুরুত্বপূর্ণ।
মুস'আব ইবনে উমাইর বীজ বুনেছেন, বিজয় দেখে যাননি। রক্তাক্ত হয়ে পড়েছিলেন উহুদের প্রান্তরে। আমরা মরে যাবো, হারিয়ে যাবো। তবে শরিয়াহ্ তৃষ্ণার্ত একদল তরুণ বিজয়ের পতাকা হাতে নিয়ে নিবে এই আশা ব্যক্ত করে আজকে শেষ করলাম।