01/05/2026
আসছে স্থানীয় সরকার ( পৌরসভা) নির্বাচন, দিন যতই ঘনিয়ে আসছে দেশের সকল পৌরসভার মতো বরুড়া পৌরসভা এলাকাতেও বিভিন্ন ওয়ার্ডে সম্ভাব্য প্রার্থীরা তাদের নিজ নিজ প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে , কেউ প্রকাশে্্য কেউবা আবার কিছুটা গোপনে, পৌরসভার সবচেয়ে বড় গ্রাম দেওড়াতেও এর ব্যাতিক্রম নয়, পৌর ৯ নং ওয়ার্ডে ইতিমধ্যেই ডজনখানেক সম্ভাব্য কাউন্সিলর প্রার্থী তাদের নিরব জনসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন,তাদের অধিকাংশই ক্ষমতাসীন দল বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত, কয়েকজন রয়েছেন ওয়ার্ড ও পৌরসভা পর্যায়ে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনগুলোর (যুব, স্বেচ্ছাসেবকদল) পদধারী নেতা আবার বেশ কয়েকজন আছেন শুধুমাত্র কর্মী বা সর্মথক পর্যায়ের, জামায়াত সমর্থিত কিংবা স্বতন্ত্র কোনো প্রার্থীর এখন পর্যন্ত কোনো কার্যক্রম এলাকায় প্রকাশ্যে লক্ষ্য করা যায়নি এবং স্বাভাবিক ভাবেই নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ সমর্থিত কোনো প্রার্থীর এবারের নির্বাচনে অংশগ্রহণের সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।
তো কে হচ্ছেন আগামীর ৯ নং ওয়ার্ডের অভিভাবক?
আগামীতে কাকে জনপ্রতিনিধি হিসেবে বেছে নিবে ৯ নং ওয়ার্ডের জনসাধারণ?? উত্তর সময়ই বলে দিবে।
কিন্তু একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে আপনি অবশ্যই আপনার তাকেই বেছে নেওয়া উচিত যার মধ্যে খুব বেশি নয় এই তিনটি গুণাবলী রয়েছে
১/ প্রার্থী অবশ্যই শিক্ষিত হতে হবে, হ্যাঁ জনসেবা করতে সার্টিফিকেট লাগে না ইচ্ছা এবং দায়বদ্ধতাই যথেষ্ট, কিন্তু ২০২৬ সালের আধুনিক এই যুগে একজন স্বশিক্ষিত কিংবা নিরক্ষর (৮ম বা ৫ম শ্রেনী পাস) ব্যাক্তির তুলনায় একজন শিক্ষিত বা মোটামুটি পর্যায়ের শিক্ষিত ব্যক্তি (কমপক্ষে এইচএসসি) নিঃসন্দেহে জনবান্ধব ও দ্রুত নাগরিক পরিষেবা পৌঁছে দিতে পারবেন।
২/প্রার্থীর পেশা এবং বর্তমানে অবৈধ কোনো আয়ের উৎস আছে কিনা? যেমন,সুদ,ঘুষ, জুয়া,মাদক ব্যাবসা ও চাঁদাবাজি (অবশ্যই প্রমাণ সহকারে) মনে রাখবেন একজন ছোট ব্যাবসায়ী কিংবা হালাল পেশাজীবী যেমন কৃষক, একজন অবৈধ কারবারির সে যতোই অভিজ্ঞতা ও ক্ষমতাসম্পন্ন হোক তার তুলনায় অধিক বিশ্বাসযোগ্য।
৩/প্রার্থীর রাজনৈতিক ইতিহাস ও বর্তমান অবস্থান, মনে রাখবেন টাকা কিংবা পেশীশক্তি দিয়ে একটা রাজনৈতিক দলের পদধারী হওয়া সম্ভব কিন্তু ছাত্ররাজনীতি থেকে উঠে আসা একজন প্রার্থীর জনগণের কাছাকাছি থাকার অভিজ্ঞতা বেশি, এবং অবশ্যই এলাকায় স্থায়ীভাবে বসবাস করছে ও সচরাচর দেখা মেলে এমন একজন প্রার্থীই যোগ্য