Skill Development & Resources Center

Skill Development & Resources Center জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ; বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট।
মুক্তি সেখানে অসম্ভব.....

14/09/2026

HR: আপনার আগের বেতন কত ছিল?
প্রার্থী: Tk. 69,600।

HR: আমরা আপনাকে Tk. 72,000 দিতে পারি। এটা একটি যৌক্তিক বৃদ্ধি।

প্রার্থী: আমার চাকরির মেয়াদ, দক্ষতা, সার্টিফিকেশন এবং অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে আমি প্রায় Tk. 85,000 আশা করেছিলাম।

HR: আপনার বর্তমান বেতন হলো শুরু করার একটি ভিত্তি। এখানে শেখা ও উন্নতির জন্য আপনার অনেক সুযোগ থাকবে।

প্রার্থী: ঠিক আছে, দারুণ! আমি অফারটি গ্রহণ করছি।

দুই মাস পর...

প্রার্থীকে আরও বেশি প্রজেক্ট, অতিরিক্ত দায়িত্ব এবং ভারী কাজের চাপ দেওয়া হলো।

তার পারফরম্যান্স ভালোই ছিল। নিয়মিত সময়মতো কাজ শেষ করেছে এবং কাজের মান কখনো কমেনি।

কিন্তু কোনো স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি। কোনো বেতন পর্যালোচনা হয়নি। কোনো অর্থবহ বেতন সমন্বয়ও হয়নি।

এরপর অন্য একটি কোম্পানি তাকে Tk. 95,000 বেতনের অফার দিল।

প্রার্থী পদত্যাগ করল।

ম্যানেজার: “আপনার আমাদের জানানো উচিত ছিল। আমরা হয়তো...”

কিন্তু বাস্তবতা ছিল খুবই সহজ: যখন বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছিল, তখন কিছুই করা হয়নি।

শিক্ষাটা কী?

মানুষকে অবমূল্যায়ন করে, শুধু “শেখার সুযোগ” দেওয়ার কথা বলে তাদের প্রতিষ্ঠানে ধরে রাখার আশা করবেন না।

কেউ যদি নিয়মিতভাবে উচ্চমানের কাজ করে এবং প্রতিষ্ঠানে বেশি মূল্য যোগ করে, তাহলে তার পারিশ্রমিকেও সেই মূল্য প্রতিফলিত হওয়া উচিত।

#নিজের_মূল্য_জানুন #কর্মসংস্কৃতি

আমাদের অফিসে একজন লোক দরকার ছিল। বিজ্ঞাপন দেয়া হয়েছে, পদের নাম "সিনিয়র এক্সিকিউটিভ।" এই পদের কাজ কী, কেউ জানে না। বস সা...
11/06/2026

আমাদের অফিসে একজন লোক দরকার ছিল। বিজ্ঞাপন দেয়া হয়েছে, পদের নাম "সিনিয়র এক্সিকিউটিভ।"

এই পদের কাজ কী, কেউ জানে না। বস সালেহ সাহেব নিজেও হয়তো জানেন না। জব পোস্টিংয়ে লিখেছিলেন, "মাল্টিটাস্কার হতে হবে, টিম প্লেয়ার হতে হবে, আউট অফ দ্য বক্স থিংকার হতে হবে।"

আমি দেখে বললাম, "স্যার, এটা মানুষের বিজ্ঞাপন না কি সুপারহিরোর অডিশন?"

বস বললেন, "এগুলো কর্পোরেট ল্যাঙ্গুয়েজ। আপনি বুঝবেন না।"

বাধ্য হয়ে তিনশোর বেশি সিভি পড়লাম। এই তিনশো সিভি পড়ার পর আমার উপলব্ধি হলো — বাংলাদেশের প্রতিটা মানুষ নিজেকে "ডায়নামিক, প্রোঅ্যাকটিভ, রেজাল্ট-ওরিয়েন্টেড প্রফেশনাল" মনে করে। এবং প্রত্যেকের হবি হলো "ট্রাভেলিং, রিডিং আর মিউজিক।"

একজনের সিভিতে লেখা ছিল, "হবি: নিজেকে উন্নত করা।"

আমি সিভিটা আলাদা করে রাখলাম। এই লোককে দেখতে চাই। (যদিও তাকে ডাকা হয় নাই)

---

# # ইন্টারভিউর দিন

সকাল দশটায় শুরু হওয়ার কথা। বস এলেন সাড়ে দশটায়। হাতে কফি, চোখেমুখে ঘুম।

বললেন, "শুরু করেন।"

বললাম, "স্যার, ক্যান্ডিডেট বাইরে বসে আছে।"

বললেন, "একটু অপেক্ষা করুক। ধৈর্য পরীক্ষাও ইন্টারভিউর অংশ।"

মনে মনে বললাম, স্যার আপনি দেরি করে এসে এখন দর্শন বলছেন।

---

# # প্রথম ক্যান্ডিডেট — তানভীর

ঢুকলো। বয়স পঁচিশ-ছাব্বিশ। গায়ে এত পারফিউম যে চোখ পর্যন্ত জ্বালা ধরে গেলো। স্যুট পরেছে। টাই পরেছে। চুল এমনভাবে আঁচড়ানো যে মনে হচ্ছে প্রতিটা চুল আলাদাভাবে বসানো হয়েছে।

বস জিজ্ঞেস করলেন, "নিজের সম্পর্কে বলুন।"

তানভীর শ্বাস নিলো। তারপর শুরু করলো।

"স্যার, আমি একজন ডায়নামিক, প্রোঅ্যাকটিভ, রেজাল্ট-ওরিয়েন্টেড প্রফেশনাল। আমি বিশ্বাস করি টিমওয়ার্কে। আমি আউট অফ দ্য বক্স থিংক করতে ভালোবাসি। আমার লক্ষ্য হলো কোম্পানির ভিশনের সাথে নিজের মিশন অ্যালাইন করে সিনার্জি ক্রিয়েট করা।"

পুরো ঘরে নীরবতা।

আমি বুঝলাম না সে কী বললো। বস-ও মনে হয় বুঝলেন না। সম্ভবত তানভীর নিজেও বোঝেনি।

বস মাথা নাড়লেন। বললেন, "চমৎকার।"

আমি কলম রেখে দিলাম।

বস জিজ্ঞেস করলেন, "আপনার দুর্বলতা কী?"

তানভীর আবার শ্বাস নিলো। এই প্রশ্নের জন্য সে প্রস্তুত ছিল।

"স্যার, আমি একটু বেশি পারফেকশনিস্ট। কাজ একদম নিখুঁত না হলে ছাড়তে পারি না। অনেক সময় রাত তিনটা পর্যন্ত কাজ করি শুধু একটা প্রেজেন্টেশনের ফন্ট ঠিক করতে।"

আমি ভেতরে ভেতরে মরে গেলাম।

এই উত্তর পৃথিবীর সব ইন্টারভিউতে দেওয়া হয়। এটা দুর্বলতা না, এটা দুর্বলতার পোশাক পরা অহংকার।

বস বললেন, "আহা, এমন ডেডিকেটেড কর্মী-ই দরকার আমাদের।"

তানভীর বিনয়ের হাসি দিলো। আমি জানালা দিয়ে বাইরে তাকালাম।

বস জানতে চাইলেন, "পাঁচ বছর পর নিজেকে কোথায় দেখতে চান?"

তানভীর একটুও না থেমে বললো, "স্যার, পাঁচ বছর পর আমি এই কোম্পানির একটা গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হতে চাই। আপনার ভিশনকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।"

বস আবেগে প্রায় গলে গেলেন।

আমি ভাবলাম — পাঁচ বছর পর এই লোক এখানে থাকবে না। ছয় মাস পরই রিজাইন দেবে। কিন্তু এখন যা বলেছে তা শুনতে এত মিষ্টি যে সত্যি মনে হচ্ছে।

---

# # দ্বিতীয় ক্যান্ডিডেট — মিতু

মিতু ঢুকলো। হাতে ম্যাকবুক। কাঁধে যে ব্যাগটা এনেছে, তার দাম আমার এক মাসের বেতনের সমান।

বস প্রশ্ন করলেন, "আপনার সিভিতে দেখলাম পাঁচ বছরে পাঁচটা কোম্পানিতে চাকরি করেছেন। এত জায়গা বদলালেন কেন?"

মিতু একটুও না ঘাবড়ে বললো, "স্যার, আমি গ্রোথ-মাইন্ডেড। যেখানে লার্নিং কার্ভ ফ্ল্যাট হয়ে যায়, সেখানে থেকে আমার পটেনশিয়াল ওয়েইস্ট করতে চাই না।"

(অনুবাদ: কাজের কাজ পারি না, তাই ধরা পড়লেই চম্পট)

বস মাথা নাড়লেন। "এটা ভেরি প্রফেশনাল অ্যাটিটিউড।"

আমি চায়ের কাপ তুললাম।

মিতু বললো, "স্যার, আমি জয়েন করার আগে কিছু জানতে চাই।"

বস বললেন, "অবশ্যই।"

মিতু ম্যাকবুক খুললো। ভেতর থেকে একটা লিস্ট বের করলো।

"ওয়ার্ক ফ্রম হোম পলিসি কী? ফ্লেক্সিবল ওয়ার্কিং আওয়ার আছে? মেডিকেল কাভারেজ কতটুকু? অ্যানুয়াল বোনাসের স্ট্রাকচার কী? পেইড লিভ কতদিন? কনভেয়ান্স অ্যালাউন্স আছে?"

বস একটু থতমত খেয়ে বললেন, "এগুলো পরে আলোচনা হবে।"

মিতু বললো, "স্যার, এগুলো না জানলে আমি সিদ্ধান্ত নিতে পারবো না।"

ইন্টারভিউতে যে প্রশ্ন করতে আসে, সে চাকরি পাচ্ছে না। কিন্তু এই সত্য কেউ বলে না।

বস বললেন, "আমরা জানাবো।"

মিতু ম্যাকবুক বন্ধ করলো।

---

# # তৃতীয় ক্যান্ডিডেট — রফিক

রফিক ঢুকলো। সাধারণ শার্ট। হাতে পুরনো একটা ফাইল। ঢুকতে গিয়ে দরজায় ধাক্কা খেলো। চেয়ারে বসতে গিয়ে প্রায় পড়ে গেলো।

বস জানতে চাইলেন, "নিজের সম্পর্কে বলুন।"

রফিক বললো, "স্যার, আমি রফিক। মিরপুরে থাকি। মা-বাবা আছেন। একটা ছোট বোন আছে। আমি খুব একটা দ্রুত কাজ করতে পারি না, তবে একবার বুঝলে আর ভুলি না।"

ঘরে সুনসান নীরবতা।

বস কপাল কুঁচকালেন। "আর কিছু?"

রফিক একটু ভেবে বললো, "স্যার, আমি মিথ্যা বলতে পারি না। এটা অনেক সময় সমস্যা করে।"

বস আমার দিকে তাকালেন। আমি নোট নিলাম।

বস জিজ্ঞেস করলেন, "পাঁচ বছর পর নিজেকে কোথায় দেখতে চান?"

রফিক বললো, "স্যার, সত্যি বলতে জানি না। পাঁচ বছর পর কী হবে কেউ জানে? আমি শুধু জানি এখন ভালো কাজ করতে চাই।"

বস মুখ শক্ত করলেন।

আমি বুঝলাম, এই লোক চাকরি পাবে না।

---

# # ইন্টারভিউ পরবর্তী আলোচনা

বস বললেন, "তানভীর ছেলেটাকে নেওয়া যায়।"

বললাম, "স্যার, রফিক—"

বস হাত তুললেন। "কমিউনিকেশন স্কিল নেই। কর্পোরেটে ইমেজ ইজ এভরিথিং।"

বললাম, "স্যার, মিতু?"

বস বললেন, "ও তো আমারই ইন্টারভিউ নিলো।"

এই একটা বিষয়ে বসের সাথে একমত হলাম।

---

# # তিন মাস পর

তানভীর জয়েন করেছে। প্রথম সপ্তাহে এসেছিল স্যুট পরে। দ্বিতীয় সপ্তাহে জিন্স। তৃতীয় সপ্তাহ থেকে হাওয়াই শার্ট। টিকটকারদের মতন।

মিটিংয়ে বড় বড় কথা বলে। "স্যার, আমরা যদি একটা হলিস্টিক অ্যাপ্রোচ নিই এবং স্টেকহোল্ডারদের সাথে সিনার্জাইজ করি তাহলে আউটকাম অপটিমাইজ হবে।"

বস মাথা নাড়েন। কেউ কিছু বোঝে না। কিন্তু সবাই মাথা নাড়ে। কারণ না বোঝাটা স্বীকার করলে বোকা মনে হবে।

কাজের কথা বললে বলে, "প্রসেসে আছি স্যার।"

ডেডলাইন মিস করলে বলে, "এক্সটার্নাল ফ্যাক্টর ছিল।"

বস বিরক্ত হন কিন্তু বলেন না। কারণ তানভীর প্রতিদিন সকালে বসকে দেখলে বলে, "স্যার আপনাকে আজকে অসাধারণ দেখাচ্ছে।"

এই একটা বাক্যের ক্ষমতা ওর তিন মাসের অকাজের চেয়ে বেশি।

---

# # ছয় মাস পর

তানভীর রিজাইন দিলো।

কারণ হিসেবে বললো, "স্যার, অন্য জায়গায় বেটার অপরচুনিটি পেয়েছি। আপনার কাছ থেকে অনেক শিখেছি।"

বস মন খারাপ করলেন। বললেন, "এত ভালো ছেলেটা চলে গেলো!"

আমি চুপ রইলাম।

রফিক এখন অন্য একটা কোম্পানিতে কাজ করে। শুনেছি প্রমোশন পেয়েছে। তার বস নাকি বলেছেন, "এই ছেলে কম কথা বলে, বেশি কাজ করে।"

---

বিকেলে কিচেনে চা বানাচ্ছিলাম।

অফিসের সহকারী করিম ভাই এসে বললো, "ভাই, আবার লোক নেওয়া হবে শুনলাম।"

বললাম, "হ্যাঁ।"

বললো, "এইবার কেমন লোক নেবেন?"

বললাম, "ডায়নামিক, প্রোঅ্যাকটিভ, রেজাল্ট-ওরিয়েন্টেড।"

করিম ভাই মাথা চুলকে বললো, "এইগুলা কী জিনিস ভাই?"

বললাম, "আমিও জানি না।"

দুজনে চুপ করে চা খেলাম।

কর্পোরেট দুনিয়ার সবচেয়ে বড় রহস্য হলো — এখানে যে সবচেয়ে বেশি বোঝে সে চুপ থাকে, আর যে কিছুই বোঝে না সে সবচেয়ে জোরে কথা বলে।

এবং অফিসে সবসময় জোরে কথা বলা লোকটাকেই প্রাধান্য দেয়া হয়।

সবাই বলে নেটওয়ার্কিং করো।কিন্তু কেউ বলে না,  একজন ইন্ট্রোভার্ট ছেলে বা মেয়েযার কোনো "পরিচিত মানুষ" নেই,সে কোথা থেকে শুর...
17/05/2026

সবাই বলে নেটওয়ার্কিং করো।

কিন্তু কেউ বলে না, একজন ইন্ট্রোভার্ট ছেলে বা মেয়ে
যার কোনো "পরিচিত মানুষ" নেই,

সে কোথা থেকে শুরু করবে।

কেউ বলে না, কীভাবে কথা শুরু করতে হয়।

কীভাবে ফলো আপ করতে হয়।

কীভাবে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে হয়।

শুধু বলে, "নেটওয়ার্কিং করো।"

আজকে সেই কথাগুলোই বলবো যেটা কেউ বলে না।

প্রথম সত্য।

নেটওয়ার্কিং মানে শুধু কার্ড বিনিময় না।

বেশিরভাগ মানুষ নেটওয়ার্কিং মানে বোঝে,
কোন ইভেন্টে যাওয়া।

কিছু মানুষের সাথে হাত মেলানো। নাম্বার নেওয়া।

তারপর কিছুই না।

এভাবে আসলে নেটওয়ার্কিং হয় না।

আসল নেটওয়ার্কিং হলো,
মানুষের সমস্যা সমাধান করা।

মানুষের কাজে লাগা। মানুষের মনে থাকা।

যে মানুষটা আপনার কথা মনে রাখে,
সেই আপনাকে কাজের সুযোগ বা অপরচুনুটি দেয়।

আর যে ভুলে যায়, সে কখনো দেয় না।

দ্বিতীয় সত্য।

আগে দিন, তারপর চান।

নেটওয়ার্কিং-এর সবচেয়ে বড় ভুল হলো,
প্রথম দিনই কিছু চাওয়া শুরু করা।

"ভাই একটু হেল্প করেন।"
"ভাই একট কানেকশন দেন।"
"ভাই একটু বলে দেন।"

এটা আসল নেটওয়ার্কিং না।

আসল নেটওয়ার্কিং হলো, আগে এমন কিছু করে দেওয়া যেটা তার কাজে লাগে।

একটা ইউজফুল আর্টিকেল শেয়ার করুন।

তার কোনো সমস্যার করে সমাধান দিন।

তার কোনো কাজে ভলেন্টিয়ার হোন।

বেশিরভাগ সময় মানুষ সেই সব মানুষকে হেল্প করে,
যে আগে তাক হেল্প করেছিলো।

এটাই আসল হিউম্যান ন্যাচার।

তৃতীয় সত্য।

আপনার কাজই আপনার সবচেয়ে বড় পরিচয়।

অনেকে ভাবে,নেটওয়ার্কিং মানে বড় বড় মানুষদের কাছে যাওয়া। গিয়ে নিজেকে চেনানো।

কিন্তু বাস্তবতা হলো,
বড় মানুষের কাছে প্রতিদিন শত শত মানুষ আসে।

আপনি আলাদা হবেন কেনো?

উত্তর একটাই, আপনার কাজ যদি ভালো হয়,
তাহলে বড় মানুষ নিজেই আপনাকে খুঁজে নিবে।

তাই আপনার কাজে এতটাই ভালো হোন,
যাতে আপনাকে ignore করা অসম্ভব হয়ে যায়।

তারপর নেটওয়ার্কিং এমনিতেই হয়ে যাবে।

চতুর্থ সত্য।

একজন সত্যিকারের মানুষ হাজারটা এভারেজ কানেকশনের চেয়ে দামি।

ধরেন, LinkedIn এ আপনার ৫০০০ কানেকশন আছে। কিন্তু কাজের সময় কেউ ফোন ধরে না।

এটা নেটওয়ার্ক না। এটা একটা illusion।

আসল নেটওয়ার্ক হলো, ৫ জন মানুষ যারা রাত দুটায় আপনি কল দিলেও সেটা রিসিভ করবে।

সেই ৫ জন বানাতে সময় লাগে। চেষ্টা লাগে।

সত্যিকারের ভালো সম্পর্ক লাগে।

কিন্তু সেই ৫ জনই একদিন আপনার জীবন বদলে দিবে।

পঞ্চম সত্য।

নেটওয়ার্কিং শুরু হয় আপনার সবচেয়ে কাছের মানুষ থেকে।

অনেকে মনে করে, নেটওয়ার্কিং মানে অচেনা বড় বড় মানুষদের সাথে সম্পর্ক বানানো।

অথচ আপনার পাশের বন্ধুটা,

আপনার পুরনো ক্লাসমেট,

আপনার এলাকার কোন উদ্যোক্তা,

এরাই আপনার প্রথম নেটওয়ার্ক।

আজকে যে আপনার সমান,
পাঁচ বছর পরে সে হয়তো অনেক বড় কেউ হতে পারে।

তখন সে তার পাশে সেই মানুষদেরই রাখবে,

যে পাঁচ বছর আগে তার পাশে ছিল।

তাই দূরের মানুষ খোঁজার আগে,
কাছের মানুষগুলোকে ঠিকমতো চিনুন।

মনে রাখবেন, নেটওয়ার্কিং কোনো স্কিল না।

এটা একটা মাইন্ডসেট।

"আমি কীভাবে এই মানুষটার কাজে লাগতে পারি?"

এই একটা প্রশ্ন যেদিন থেকে আপনি জিজ্ঞেস করা শুরু করবেন,
সেদিন থেকেই আপনার নেটওয়ার্ক বাড়তে শুরু করবে।

আপনাআপনি।

13/03/2026

শিশুদের কে মানি ম্যানেজমেন্ট শিখাতে হবে...

বর্তমান সময়ে তিনটা মেজর সমস্যা১। মানুষের কাছে কোনো কাজ নেই। ২। কাজের জন্য মানুষ পাওয়া যাচ্ছে না।৩। কাজের জন্য যাদের রাখা...
17/11/2025

বর্তমান সময়ে তিনটা মেজর সমস্যা

১। মানুষের কাছে কোনো কাজ নেই।
২। কাজের জন্য মানুষ পাওয়া যাচ্ছে না।
৩। কাজের জন্য যাদের রাখা হয়েছে, তারা কাজের না।

বাংলাদেশের কর্পোরেট দুনিয়ায় একটা কথা খুব প্রচলিত — “আমি শুধু নিজের কাজটা ঠিকমতো করি, পলিটিক্সে যাই না।” কথাটা শুনতে যে...
14/11/2025

বাংলাদেশের কর্পোরেট দুনিয়ায় একটা কথা খুব প্রচলিত — “আমি শুধু নিজের কাজটা ঠিকমতো করি, পলিটিক্সে যাই না।” কথাটা শুনতে যেমন ভালো লাগে, বাস্তবে ততটাই ভয়ংকর। কারণ তুমি পলিটিক্সে না গেলেও, পলিটিক্স কিন্তু তোমাকে ছাড়ে না।অফিসে পলিটিক্স মানেই শুধু নেগেটিভ কিছু না — এটা হচ্ছে পাওয়ার, প্রভাব, আর সম্পর্কের খেলায় বুদ্ধিমত্তা দেখানোর জায়গা। কিন্তু আমাদের দেশে ৮০% কর্মী এই বাস্তবতাটা বুঝে না। তারা ভাবে, “বস তো আমার কাজ দেখছে, আমি তো পারফর্ম করছি।” অথচ বাস্তবতা হলো — কর্পোরেট জগতে শুধু কাজ নয়, তুমি কার সাথে কেমন সম্পর্ক রাখছো, কে তোমাকে পছন্দ করে, কে করে না — এই বিষয়গুলোই তোমার ক্যারিয়ারের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে।

একটা রিপোর্ট অনুযায়ী, বাংলাদেশের প্রাইভেট কোম্পানিগুলোর ৬০% প্রোমোশন হয় পারফরম্যান্সের চেয়ে সম্পর্ক দেখে। তুমি যতই ট্যালেন্টেড হও না কেন, যদি তোমার পলিটিকাল নেটওয়ার্ক না থাকে, তুমি একসময় “সাইডলাইন” হয়ে যাবে। অনেক সময় তুমি যাকে নিজের বন্ধু ভাবছো, সে-ই তোমার বিরুদ্ধে বসের কানে গল্প করছে—তোমার ছোট ভুলটাকে বড় করে তুলে ধরছে।

অফিস পলিটিক্সকে উপেক্ষা মানে হলো, তুমি নিজের চারপাশের পাওয়ার গেম থেকে নিজেকে সরিয়ে নিচ্ছো। কিন্তু যখন সিদ্ধান্ত নেওয়ার টেবিলে বস তোমার নাম শুনবে না, বা কেউ বলবে “ও একটু কঠিন মানুষ, কাজ করে ঠিকই, কিন্তু দলবাজি করে না”—তখন তুমি বুঝবে, নীরব থাকা মানে সুযোগ হারানো।

তাই অফিসে শুধু কাজ নয়, পাওয়ার ম্যাপ বুঝতে হবে, কার হাতে সিদ্ধান্তের সুতো, কার সাথে কথা বললে দরজা খুলে যায়, সেটা জানতে হবে। এটা “চামচামি” নয়, এটা হলো “স্ট্র্যাটেজি”—তোমার ক্যারিয়ার বাঁচানোর স্ট্র্যাটেজি।
আজ যারা অফিস পলিটিক্সকে হালকাভাবে নিচ্ছে, কাল তাদের জায়গায় থাকবে এমন কেউ—যে কাজ কম জানে, কিন্তু সম্পর্ক তৈরি করতে জানে। আর তখন তোমার ট্যালেন্ট, ডেডিকেশন, কিংবা হার্ডওয়ার্ক কিছুই কাজে লাগবে না।

মনে রাখো, কর্পোরেট অফিসে বুদ্ধি দিয়ে না খেললে, খেলাটা তোমার বিরুদ্ধে চলে যাবে। তুমি যদি পলিটিক্স না বোঝো, একদিন পলিটিক্সই তোমার চাকরি খেয়ে নেবে — নিঃশব্দে, নির্দয়ভাবে।

Address

Abul Kashem Road, Mirpur
Dhaka
1216

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Skill Development & Resources Center posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category