05/04/2026
ত্যাগী নেতৃত্বের মূল্যায়ন: সময়ের দাবি
“আন্দোলনের রাজপথ যার ঠিকানা, ত্যাগের মহিমায় যিনি উজ্জ্বল—তিনিই আমাদের প্রিয় আলাল ভাই।”
দীর্ঘ ১৭ বছরের দুঃশাসন আর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ভাইয়ের ভূমিকা কেবল একজন নেতার নয়, বরং একজন অকুতোভয় সিপাহসালের মতো। জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান এবং বাংলাদেশের দ্বিতীয় স্বাধীনতার এই মাহেন্দ্রক্ষণে দাঁড়িয়ে আমরা বিস্ময়ের সাথে লক্ষ করছি যে, দলের জন্য শত জেল-জুলুম এবং শত প্রতিকূলতায় আপসহীন থাকা এই নেতার যথাযথ মূল্যায়ন আজও অধরা।
কেন আলাল ভাই আমাদের অহংকার?
• মেধা ও প্রজ্ঞা: তিনি একজন রাজনীতিবিদ আইনজীবী। বরিশাল-২আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন ১/ ২/ ৩/ তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা, ও সুবক্তা হিসেবে দলের যৌক্তিক দাবিগুলো সবসময় বলিষ্ঠভাবে তুলে ধরেছেন।
• আপসহীন সংগ্রাম: স্বৈরাচারের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে রাজপথে লড়াই করেছেন, কিন্তু কখনো আদর্শ বিচ্যুত হননি।
• সাংগঠনিক মেরুদণ্ড: বিএনপির দুঃসময়ে তৃণমূলের কর্মীদের কাছে তিনি ছিলেন ভরসার শেষ আশ্রয়স্থল।
একটি গণতান্ত্রিক ও শক্তিশালী রাষ্ট্র গঠনে মেধা এবং ত্যাগের সমন্বয় অপরিহার্য। দলের জন্য নিজের জীবন ও যৌবন বিলিয়ে দেওয়া এই নেতার সাংগঠনিক উচ্চ মর্যাদা এখন সময়ের দাবি। আমরা বিশ্বাস করি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) তার এই সূর্যসন্তানকে যথাযথ সম্মানে ভূষিত করে তৃণমূলের আবেগ ও প্রত্যাশাকে শ্রদ্ধা জানাবে।
ত্যাগী নেতারা যদি অবহেলিত হয়, তবে রাজনীতি মেধাশূন্য হবে। আমরা চাই মেধা, ত্যাগ আর সাহসের সংমিশ্রণ—সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ভাইয়ের যথাযোগ্য মূল্যায়ন।