18/03/2026
ছোটবেলায় বিটিভির পর্দায় 'আলিফ লায়লা', 'ম্যাকগাইভার' কিংবা 'পাপাই'-এর পাশাপাশি যে নামটি আমাদের রক্তে শিহরণ জাগাতো, তা হলো— 'সিনবাদ'।
উত্তাল সাগরের বুকে এক দুঃসাহসী নাবিক, যার প্রতিটি শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানে আমরা থাকতাম মন্ত্রমুগ্ধ।
আজ রূপকথার কোনো গল্প নয়, আপনাদের শোনাবো বাস্তব পৃথিবীর, রাজপথের এক অকুতোভয় 'সিনবাদ'-এর গল্প।
বিগত ১৭টি বছর এই বাংলার বুকে চেপে বসেছিল এক নব্য বাকশালের জগদ্দল পাথর। সেই ঘোর অমানিশায়, যখন গুম-খুন আর জুলুমের ভয়ে অনেকেই নিস্তব্ধ, তখন যে মানুষটি প্রশাসনের বুলেট, স্বৈরাচারের পেটোয়া বাহিনীর ডান্ডা আর শত মিথ্যা মামলার রক্তচক্ষুকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে রাজপথে গর্জে উঠেছিলেন— তিনি আমাদের রাজিবুল ইসলাম ভাই (সিনবাদ রাজিব)।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) আদর্শকে বুকে ধারণ করে প্রতিটি লড়াইয়ে তিনি ছিলেন প্রথম সারির যোদ্ধা। চরম দুঃসময়ে তাঁর অগ্নিঝরা লেখনী আমাদের হাজারো নেতাকর্মীর বুকে জ্বালিয়েছে দ্রোহের আগুন, যুগিয়েছে হার না মানা সাহস। ২৪-এর ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানেও তিনি ছিলেন সম্মুখ সমরের এক নির্ভীক সিপাহসালার। রাজপথের পিচঢালা পথ থেকে শুরু করে সাইবার জগৎ— সবখানেই তাঁর দৃপ্ত পদচারণা আর অনবদ্য অবদান।
পেশায় একজন মার্চেন্ট মেরিন অফিসার হয়েও, জাহাজের চার দেয়ালের বন্দিজীবন কিংবা উত্তাল সমুদ্রের ঢেউ— কোনো কিছুই তাকে দেশ ও দলের প্রতি ভালোবাসা থেকে একচুলও টলাতে পারেনি। অথৈ সাগরের বুক থেকেও জাতীয়তাবাদী রাজনীতির স্বার্থে তিনি নিবেদন করেছেন নিজের সর্বোচ্চ মেধা ও সময়।
তিনি আর কেউ নন, তিনি আমাদের জিয়া সাইবার ফোর্সের সদ্য সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মিয়া মোহাম্মদ রাজিবুল ইসলাম।
আগামী জিয়া সাইবার ফোর্সের আসন্ন দ্বিবার্ষিক নির্বাচনে তিনি আমাদের 'সাধারণ সম্পাদক' পদপ্রার্থী।
সময় এসেছে মূল্যায়নের। আসুন, একজন পরীক্ষিত, রাজপথের ত্যাগী, সুশিক্ষিত, যোগ্য এবং আপাদমস্তক কর্মীবান্ধব এই মানুষটির প্রতি আমাদের সমর্থন ব্যক্ত করি। পেশাগত জীবনে তিনি যেমন এক দক্ষ নাবিক হিসেবে গভীর সাগরের ভয়াল ঢেউ পাড়ি দিয়ে জাহাজকে নিরাপদে তীরে ভেড়ান, তেমনি আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস— জিয়া সাইবার ফোর্সের হাল ধরার সুযোগ পেলে এই দুঃসাহসী নাবিক আমাদের প্রাণের সংগঠনকেও বহুদূর এগিয়ে নিয়ে যাবেন, ইনশাআল্লাহ।
রাজিব ভাইয়ের বিজয় হোক,
জিয়া সাইবার ফোর্সের জয় হোক!