Department of Social Services - DSS, Bangladesh সমাজসেবা অধিদফতর, বাংলাদেশ

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • Department of Social Services - DSS, Bangladesh সমাজসেবা অধিদফতর, বাংলাদেশ

Department of Social Services - DSS, Bangladesh সমাজসেবা অধিদফতর, বাংলাদেশ The Department of Social Services (DSS) is one of the leading Government Departments of People's Republic of Bangladesh under the Ministry of Social Welfare.
(207)

The Department of Social Services was established in 1961. The mandate of the Department of Social Services is to provide services to the vulnerable groups of society, the poorest of the poor, the marginalized and the disadvantaged groups. Our service goes further than just bringing services to these groups. It is our brief to deliver on our mandate in a manner that will engage and empower communi

ties to participate actively in the improvement of their quality of life so as to build their self-reliance, which is a pre-requisite to sustainable development.The Department of Social Services (DSS) is working to ensure Social Protection and Social Safety nets for the poor vulnerable people of the country as well as socio-economic development, rehabilitation and reintegration, poverty reduction, human resource development, community empowerment and other development activities for the vulnerable aged persons, the persons with disabilities (PWDs), orphans, children at risk, destitute, poor and helpless persons. Moreover, DSS is running a good number of programmes for poverty reduction and human resource development. Among the programmes, development services provide for juvenile delinquents, training and rehabilitation of the socially disadvantaged women, counseling, training and rehabilitation of orphan and vulnerable children, development and rehabilitation of vagrants, safe custodian women, adolescent, destitute and helpless. The programmes of the DSS which have undertaken much earlier are now in conformity with the provisions of the Roadmap for National Strategy for Accelerated Poverty Reduction (NSAPR) of the Government and Millennium Development Goals (MDGs). The main objective of the department is to reduce the poverty of hardcore poor through human resource development and to organize the poorest segment of people and aware them about their rights, problems and requirements and building up capacity for their self-sustainability. The Ministry of Social Welfare (MoSW) is one of the important ministries of the Government of the People’s Republic of Bangladesh working for the human resources development. The Department of social Services (DSS), under the Ministry of Social Welfare (MoSW), has been implementing several multidimensional programmes like socio-economic development and protection of rights besides social safety-net for the destitute, poor, orphan, senior citizens, widows, vulnerable children, persons with disabilities (PWDs), and marginalised people of the country. The Department of Social Services has a glorious history in the implementation of programmmes since 1961. Januray 2 was declared as the “National Social Services Day” and enlisted in category B by the Cabinet Division June 04, 2012. In the perspective of social philosophy and development policy, to inspire the social workers who are involved in this mammoth task, in 1999 on the eve of the inauguration ceremony of “Shamajseba Bhaban” the Honourable Prime Minister of the People’s Republic of Bangladesh declared January 02 as “National Social Services Day”. Through the celebration of this day a speed has been infused with a new life to the social services programmes which revived the social workers

13/01/2026
13/01/2026

দেশের চাবি আপনার হাতে। গণভোটে অংশ নিন। গণভোট কি এবং কেন?

08/01/2026
03/01/2026

জাতীয় সমাজসেবা দিবস ২০২৬ | যত্নশীল সমাজঃ নবীন প্রবীণ কথোপকথন

03/01/2026

জাতীয় সমাজসেবা দিবস ২০২৬

জাতীয় সমাজসেবা দিবস, ২০২৬ এর প্রতিপাদ্য  "প্রযুক্তি ও মমতায়, কল্যাণ ও সমতায়, আস্থা আজ সমাজসেবায়”- কে ভিত্তি করে চ্যানেল ...
02/01/2026

জাতীয় সমাজসেবা দিবস, ২০২৬ এর প্রতিপাদ্য "প্রযুক্তি ও মমতায়, কল্যাণ ও সমতায়, আস্থা আজ সমাজসেবায়”- কে ভিত্তি করে চ্যানেল আই এর "তৃতীয় মাত্রা"য় অনুষ্ঠিত আলোচনা অনুষ্ঠানের লিংক শেয়ার করা হলো।
Saidur Rahman Khan sir

তৃতীয় মাত্রা, পর্ব-৮১৯২, তারিখ-০২.০১.২০২৬ অতিথি সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ সাইদুর রহমান খান, বাংলাদেশ রে....

সরকারি শিশু পরিবার (বালিকা), তেজগাঁও,ঢাকা এ নানারকম আয়োজন লেগেই থাকে। তবে তার মধ্যে গত শুক্র, শনিবার ছিলো একটু ভিন্নরকম।...
10/12/2025

সরকারি শিশু পরিবার (বালিকা), তেজগাঁও,ঢাকা এ নানারকম আয়োজন লেগেই থাকে। তবে তার মধ্যে গত শুক্র, শনিবার ছিলো একটু ভিন্নরকম। কারণ, গত শুক্রবার এসেছিলেন আজারবাইজান এর মান্যবর রাষ্ট্রদূত, আর শনিবার স্বয়ং প্রেসিডেন্টের দুই মেয়ে এবং তার পরিবারের সদস্যরা। উক্ত অনুষ্ঠানের কিছু স্থিরচিত্র এবং ভিডিও শেয়ার করা হলো।
উল্লেখ্য যে সারা বাংলাদেশে আমাদের ৮৫ টি শিশু পরিবার আছে। এই প্রতিষ্ঠানগুলোতে অনুমোদিত আসন সংখ্যা ১০৩০০।
বিস্তারিত জানতে লিংকে ক্লিক করুন: https://goo.gl/nQ4H1p

09/12/2025

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য বাংলাদেশের দ্রুত সম্প্রসারিত ডিজিটাল সেবাসমূহকে সম্পূর্ণ প্রবেশযোগ্য করতে সুস্পষ্ট ও সময়বদ্ধ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে আজ ঢাকায় অনুষ্ঠিত এক সেমিনারে। বক্তারা বলেন, দেশের ডিজিটাল অগ্রযাত্রা তখনই অর্থবহ ও পরিপূর্ণ হবে, যখন সব নাগরিক বিশেষ করে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা নিরাপদ, স্বচ্ছন্দ ও স্বাধীনভাবে সরকারি ই-সেবা গ্রহণ করতে পারবেন। এ লক্ষ্য অর্জনে সাশ্রয়ী ইন্টারনেট সুবিধা, সরকারি ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপের নিয়মিত প্রবেশযোগ্যতা মূল্যায়ন, এবং বিদ্যমান আইন ও নীতিমালার কার্যকর বাস্তবায়ন ও প্রয়োগকে তারা অত্যাবশ্যক বলে উল্লেখ করেন।

“ইনোভেশন টু ইনক্লুশন ইন দ্য ডিজিটাল এইজ” শীর্ষক সেমিনারটি আগারগাঁওয়ের বিডা অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। আয়োজন করে এসপায়ার টু ইনোভেট (এটুআই) প্রোগ্রাম এবং জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) বাংলাদেশ। ১৫০ জনের অধিক অংশগ্রহণকারী এ সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন; তাদের মধ্যে ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগ, এটুআই, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল, সমাজসেবা অধিদফতর, বিভিন্ন জাতিসংঘ সংস্থা, উন্নয়ন অংশীদার, মোবাইল অপারেটর, ব্যাংক, ডিজিটাল পেমেন্ট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান, অনলাইন লার্নিং প্লাটফর্ম, সিভিল সোসাইটি, ডিজিটাল অ্যাক্সেসিবিলিটি বিশেষজ্ঞ এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সংগঠনের প্রতিনিধি।

সেমিনারে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইসিটি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী, সমাজসেবা অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. সাইদুর রহমান খান, জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিজয় কৃষ্ণ দেবনাথ, এটুআই এর প্রকল্প পরিচালক (যুগ্ম সচিব) মোহা: আব্দুর রফিক, প্রোগ্রাম ম্যানেজমেন্ট লিড আব্দুল্লাহ আল ফাহিম, ইন্টারন্যাশনাল প্রজেক্ট ম্যানেজার মাহা আবু এমায়ের, হেড অব ইনোভেশন ক্লাস্টার মো. নাহিদ আলম, কনসালট্যান্ট (অ্যাক্সেসিবিলিটি) ভাস্কর ভট্টাচার্য, ইউএনডিপি বাংলাদেশের অ্যাসিস্টেন্ট রেসিডেন্ট রিপ্রেজেন্টেটিভ আনোয়ারুল হক এবং ডাইভার্সিটি অ্যান্ড ইনক্লুশন অফিসার মো. নাজমুস সাকিব।

অনুষ্ঠানে এটুআই ও ইউএনডিপি বাংলাদেশ যৌথভাবে “ডিজিটাল বৈষম্য দূরীকরণ: বাংলাদেশের ডিজিটাল ইকোসিস্টেমে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রবেশযোগ্যতা উন্নয়ন” শীর্ষক নতুন এক গবেষণা ও পলিসি ব্রিফ উপস্থাপন করে। গবেষণায় উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশের বিস্তৃত ডিজিটাল রূপান্তর উদ্যোগের অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে এক হাজারের বেশি ই-সেবা চালু হয়েছে এবং প্রায় ৩৩ হাজার সরকারি ওয়েবসাইটকে সমন্বিত প্ল্যাটফর্মে সংযুক্ত করা হয়েছে। তা সত্ত্বেও বাস্তবে বহু প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এসব সেবা ব্যবহার করতে গিয়ে নানা প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হচ্ছেন। অনেকের জন্য সেবা এখনো কার্যত অপ্রবেশযোগ্য রয়ে গেছে।

গবেষণাটি উপস্থাপন করেন ভাস্কর ভট্টাচার্য। ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা ও রাজশাহীতে পরিচালিত ডেস্ক রিভিউ, সার্ভে, ফোকাস গ্রুপ আলোচনা, কর্মশালা ও সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে গবেষণায় বেশ কিছু পুনরাবৃত্ত চ্যালেঞ্জ চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সহায়ক প্রযুক্তি ও সাশ্রয়ী ইন্টারনেটের সীমিত প্রাপ্যতা, ডিজিটাল দক্ষতার ঘাটতি, নিরাপদ অনলাইন পরিবেশের অভাব এবং ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপ উন্নয়নে যথাযথ অ্যাক্সেসিবিলিটি ফিচার অন্তর্ভুক্ত না করা। গবেষণায় আরও উঠে এসেছে, প্রতিবন্ধী নারীরা অনলাইন হয়রানির বিশেষ ঝুঁকির মুখে থাকেন এবং তুলনামূলক কম মোবাইল ফোনের ব্যবহারকারী হওয়ায় তাদের ডিজিটাল সেবায় প্রবেশাধিকার আরও সংকুচিত হয়।

আলোচনায় বাস্তব অভিজ্ঞতার উদাহরণও শেয়ার করা হয়। যেমন, এক প্রতিবন্ধী নারী জানান, তার ছবি বিকৃত করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার মাধ্যমে তাকে গুরুতর অনলাইন হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। আরেক অংশগ্রহণকারী বলেন, প্রতিবন্ধী ভাতার আবেদন এখন অনলাইনে করা গেলেও শেষ পর্যন্ত ফরম প্রিন্ট করে হাতে হাতে জমা দিতে হয়, যা ডিজিটালাইজেশনের উদ্দেশ্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং অতিরিক্ত সময় ও ব্যয়ের চাপ তৈরি করে। এসব উদাহরণ তুলে ধরে উপস্থাপকরা বলেন, নকশা ও বাস্তবায়নের ফাঁকফোকর অনেক সময় সম্ভাবনাময় ডিজিটাল সংস্কারকেও বঞ্চিত মানুষের জন্য নতুন বোঝায় পরিণত করে।

আইসিটি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী বলেন, প্রবেশযোগ্যতাকে সেবা ডিজাইনের প্রারম্ভিক স্তর থেকেই বাধ্যতামূলক উপাদান হিসেবে যুক্ত করতে হবে। সরকার সারা দেশে দ্রুতগতিতে ডিজিটাল সেবা সম্প্রসারণ করছে; এখন অগ্রাধিকার হওয়া উচিত প্রতিটি নতুন সেবাকে সূচনা থেকেই প্রবেশযোগ্য করে তৈরি করা।

সমাজসেবা অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. সাইদুর রহমান খান বলেন, প্রবেশযোগ্যতা মর্যাদা ও সম্মানের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত কারণ যারা সহজ একটি অনলাইন কাজও প্রবেশযোগ্যতার জন্য নিজেরা সম্পন্ন করতে পারেন না, তারা প্রায়ই নিজেদের জনজীবন থেকে বিচ্ছিন্ন ও অবহেলিত মনে করেন।

এটুআই-এর প্রকল্প পরিচালক (যুগ্ম সচিব) মোহা: আব্দুর রফিক সমাপনী বক্তব্যে বলেন, একক কোনো প্রতিষ্ঠান একা ডিজিটাল বৈষম্য দূর করতে পারবে না। বাস্তবভিত্তিক ও ন্যায্য সমাধান তখনই আসে, যখন নীতিনির্ধারক, প্রযুক্তিবিদ ও প্রতিবন্ধী অধিকারকর্মীরা একসঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে কাজ করেন।

বিজয় কৃষ্ণ দেবনাথ বলেন, প্রতিবন্ধিতা-সংক্রান্ত সেবা ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মকে বিচ্ছিন্ন কাঠামোর মধ্যে না রেখে সমন্বিতভাবে পরিচালনা করতে হবে। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের নিয়ে কাজ করা কোনো প্রতিষ্ঠান ডিজিটাল রূপান্তরের বাইরে থাকতে পারে না। মানুষের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত প্রতিটি মোবাইল অ্যাপ, ওয়েবসাইট ও ডিজিটাল সেবায় শুরু থেকেই অ্যাক্সেসিবিলিটি নিশ্চিত করা জরুরি।

আব্দুল্লাহ আল ফাহিম বলেন, “প্রবেশযোগ্যতাকে আমাদের জনসেবা প্রদানের মূল শর্ত হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। একে বাড়তি সুবিধা হিসেবে দেখলে চলবে না। আমাদের অভিজ্ঞতা বলছে, যখন আমরা সেবা নকশায় সবচেয়ে প্রান্তিক ব্যবহারকারীদের চাহিদাকে কেন্দ্রে রাখি, তখন সেই সেবা সবার জন্যই আরও উন্নত ও কার্যকর হয়। এখন প্রয়োজন বিচ্ছিন্ন উদ্যোগের বদলে সমন্বিত, সিস্টেমভিত্তিক প্রচেষ্টায় অগ্রসর হওয়া। যেখানে নীতি, নকশা, প্রযুক্তি ও সামনের সারির সেবা প্রদান একই দিকনির্দেশনায় এগিয়ে যায়। তবেই আমরা নিশ্চিত করতে পারব, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা আত্মবিশ্বাস ও স্বাবলম্বিতার সঙ্গে ডিজিটাল সেবা ব্যবহার করতে পারবেন।”

আনোয়ারুল হক বলেন, ডিজিটাল অগ্রগতির প্রকৃত মানদণ্ড হলো কতজন মানুষ বাস্তবে সেবা ব্যবহার করতে পারছে, কেবল কতগুলো প্ল্যাটফর্ম তৈরি হয়েছে তা নয়। তিনি বলেন, “ডিজিটাল অগ্রগতি তখনই অর্থবহ, যখন সবাই তার সুফল ভোগ করতে পারে। অন্তর্ভুক্তিকে কোনো অতিরিক্ত ফিচার হিসেবে দেখা যাবে না বরং আমাদের সব ধরনের ডিজিটাল উদ্যোগের সফলতা মাপার প্রধান মানদণ্ড হওয়া উচিত অন্তর্ভুক্তি।”

সেমিনারে উপস্থাপিত নীতি-প্রস্তাবে আগামী পাঁচ বছরের জন্য ধাপে ধাপে বাস্তবায়নযোগ্য একটি রোডম্যাপ প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রথম বছরে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য সাশ্রয়ী ইন্টারনেট প্যাকেজ চালু, সব সরকারি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের অ্যাক্সেসিবিলিটি অডিট, বিদ্যমান ডিজাইন গাইডলাইনসমূহের পূর্ণাঙ্গ প্রয়োগ এবং বিশেষ করে প্রতিবন্ধী নারী ও তরুণদের জন্য ডিজিটাল নিরাপত্তা ও অধিকারের ওপর প্রশিক্ষণ জোরদার করার সুপারিশ করা হয়েছে। পাশাপাশি ডেভেলপার ও সেবা প্রদানকারীদের জন্য ডিজিটাল অ্যাক্সেসিবিলিটি বিষয়ক বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ এবং ডিজিটাল স্কিলস ট্রেনিং হাব প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবও রাখা হয়েছে।

দ্বিতীয় থেকে তৃতীয় বছরের মধ্যে সরকারি ভাতা ও ভর্তুকি কার্যক্রমে দূরবর্তী পরিচয় যাচাইকরণ ব্যবস্থা চালু করা, সহজে ব্যবহারযোগ্য ন্যাশনাল ডিজেবিলিটি হেল্পলাইন প্রতিষ্ঠা, ডিজিটাল ব্যাংকিং এবং আর্থিক সেবার প্রবেশযোগ্যতা বৃদ্ধি, সহায়ক প্রযুক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণ এবং দেশীয় প্রযুক্তি উদ্ভাবনে সহায়তা জোরদারের সুপারিশ করা হয়েছে। তৃতীয় থেকে পঞ্চম বছরের মধ্যে আন্তর্জাতিক মানসম্মত ডিজিটাল অ্যাক্সেসিবিলিটি অ্যাক্ট প্রণয়ন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অধীনে ওয়েব অ্যাক্সেসিবিলিটি মনিটরিং অথরিটি গঠন, মুক্তপাঠ ও নাইসসহ গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্মসমূহে পূর্ণ প্রবেশযোগ্যতা নিশ্চিত করা এবং সব ধরনের সরকারি তথ্য জরুরি বার্তাসহ সব ধরনের প্রতিবন্ধী ব্যক্তির জন্য প্রবেশযোগ্য করে তোলার প্রস্তাব রয়েছে।

বক্তা ও অংশগ্রহণকারীরা মত দেন, প্রস্তাবিত সুপারিশসমূহ বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ এমন এক অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল পরিবেশের দিকে এগোবে, যেখানে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা শিক্ষা, কর্মসংস্থান, সরকারি সেবা ও নাগরিক জীবনের সব ক্ষেত্রে সমান মর্যাদা নিয়ে, পূর্ণাঙ্গ অংশগ্রহণকারী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারবেন। United Nations Development Programme in Bangladesh

Address

E-8/B-1, Agargaon, Sher-e-Bangla Nagar
Dhaka
1207

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+880255007024

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Department of Social Services - DSS, Bangladesh সমাজসেবা অধিদফতর, বাংলাদেশ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Department of Social Services - DSS, Bangladesh সমাজসেবা অধিদফতর, বাংলাদেশ:

Share