Uttara Poshchim Thana Chatroleague

Uttara Poshchim Thana Chatroleague উত্তরা পশ্চিম থানা ছাত্রলীগ এর একমাত্র অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ !
(10)

১৯৪৮ সালের ৪ঠা জানুয়ারি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের জন্ম। বৃটিশ পরাধীনতার কবল থেকে মুক্ত হয়ে পাকিস-ানি পরাধীনতায় প্রবেশের এক বছরের মাথায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সেদিন ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠা করে বাঙালির মুক্তি সংগ্রামকে এগিয়ে রেখেছিলেন দুই যুগ। আজ ইতিহাসের সাধারণ পাঠক মাত্রই জানেন, বাংলা ও বাঙালির যা কিছু সোনালী অর্জন তার সবকিছুরই গর্বিত অংশীদার বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। পৃথিবীর দেশে দেশে গণতান্ত্রিক স্বাধীনতা

সংগ্রামের ইতিহাস খুজলে দেখা যাবে সময়ের প্রয়োজনে জন্ম নিয়েছে অনেক সংগঠন। অতঃপর এগিয়ে নিয়ে গিয়েছে সময়কে। ১৯৪৮ সালে সময়ের প্রয়োজনেই জন্ম নেয় ছাত্রলীগ। ইতিহাস সাক্ষ্য আছে, তেরি পথে কখনো হাঁটেনি ছাত্রলীগ। বরং পথ তৈরি করে নিয়েছে বার বার। অহর্নিশ লড়াই সংগ্রামে ইতিহাসের অগ্নিগর্ভে জন্ম নিয়েছে ৫২, ‘৬২, ‘৬৯ এবং অবশেষে ‘৭১। ২৪ বছরের অড়াই সংগ্রামের আগুনে পুড়ে খাক হয়েছে ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীরা। ১৭ হাজার নেতা কর্মীর শাহাদৎবরণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধ বীরত্বপূর্ণ নেতৃত্বের গৌরবে গরীয়ান আজকের বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। স্বাধীনতার পর মাত্র সাড়ে তিন বছর দেশ গড়ার সংগ্রামে ব্যাপৃত থাকার সুযোগ পেয়েছে এই সংগঠনের নেতা কর্মীরা। পুনর্গঠন, দারিদ্র দূরীকরণ ও নিরক্ষতার বিরুদ্ধে সংগ্রামে জাতির জনকের উদাত্ত আহবানে সাড়া দিয়ে সদ্য স্বাধীন দেশে দৃষ্টান- স’াপন করেছিল সেদিন ছাত্রলীগ। পচাত্তরের ঘাতক বাত্রের পর দীর্ঘ ২১ বছর আবারো অন্ধকার অপশক্তির বিরুদ্ধে মরণপণ সংগ্রাম জারি রাখতে হয়েছে আমাদের প্রিয় সংগঠনকে । এই সময়কালে রাত শেষের সোনালী সূর্যোদয় থেকে বঞ্চিত হয়েছে কত সহযোদ্ধা, প্রকাশ্য দিবালোকে গল্প রক্তে রাজপথ রঞ্চিত হয়েছে কত বার সাথীর। আমাদের পূর্ব প্রজন্মের সেই পুণ্যত্থাদের পবিত্র আত্মদানের কারণেই আমাদের প্রিয় সংগঠন আজো লড়াইয়ের ময়দানে।
সম্মুখ সারিতে নেতৃত্ব দিচ্ছে। ১৯৯৬-২০০১ সময়কালে বাংলাদেশ ছাত্র লীগ শিক্ষার অধিকবার, নিরক্ষরতা দূরীকরণ, বন্যার্তদের জন্য স্বেচ্ছাশ্রম, বৃক্ষরোপণ সহ দেশ গঠনমূলক কাযক্রমে আত্মনিয়োগ করেছিল। আজ আবারো ধ্বংস, মৃত্যু, রক্তপাত আর গণতন্ত্রহীনতার বিরুদ্ধে কঠোর সংগ্রামে ব্যাপৃত রয়েছে আমাদের প্রিয় সংগঠন। ইতিহাসের অমোঘ নির্দেশেই যেন আজ আমরা লড়াই করছি ইতিহাসেরই শত্রুর বিরুদ্ধে। বাঙালি জাতির ওপর চাপিয়ে দেয়া এ যুদ্ধে জয়লাভের কোন বিকল্প নেই। গণতন্ত্র, নানাবাধিকার এবং উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির জন্য এই লড়াইয়ে আমাদের বিজয়ের জন্য চাই সুশৃঙ্খল, সুসংগঠতি ও চেতনায় উদ্দীপ্ত, সংগ্রামে সম্মুখবর্তী লড়াকু সংগঠন। সংগঠিত সংগঠনের জন্য চাই সুগ্রনি’ত গঠনতন্ত্র। একটা সংগঠনের দৈনন্দিন ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্র কেবলই কোন সংগঠনের গঠনতন্ত্র নয়। অর্ধশতাব্দীর অধিক সময় ধরে কার্যকর এই গঠনতন্ত্র এখন বাঙালির সমসাময়িক রাজনৈতিক ইতিহাসের অনিবার্য উপাদান। তারপর ১৯৯৫, ৬৬, ৬৭, ও ৬৯ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস-ান ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্রের প্রয়োজনীয় রদবদল করা হয়। স্বাধীনতাত্তোর বাংলাদেশ ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্রে ১৯৭২, ’৭৬, ’৮৬, ’৯২, ও ’৯৪ সালের পর ২০০২ সালের সম্মেলনে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন সাধন করা হয়েছে। আমরা এই সমযেল বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নেতা কর্মীরা একদিক থেকে সৌভাগ্যবান। আমাদের চলার পথে পাথেয় রূপে রয়েছে কয়েক হাজার বছরের ইতিহাসে জাতির শ্রেষ্ঠ সন-ান জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবরে আদর্শিক প্রেরণা। জাতির জনকের ভাষায়, নেতার মৃত্যু হতে পারে, কিন’ সংগঠন বেঁচে থাকলে আদর্শের মৃত্যু হতে পারে না। আদর্শিক নেতৃত্বের পাশাপামি সাংগঠনিক নেতৃত্বের অনন্য সম্পদের আমরা ঐশ্বর্যবান। দীর্ঘ প্রায় দুই যুগ ধরে জাতির গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা, অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা এবং শানি-র সংগ্রামে বীর সেনানী দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার সাংগঠনিক নেতৃত্বে আমাদের পথচলার কঠিন সংগ্রামে যেন স্নেহের শীতল বারি। তারই সাংগঠনিক দিক নির্দেশনা এবং কাউন্সিলদের সমর্থিত এই গঠনতন্ত্র সাংগঠনিক নির্দেশিকা হিসেবে শক্তিশালী করবে বিশার কর্মী বাহিনীর সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে। আসুন সত্য ও সুন্দরের নামে আরেকবার নিজেকে উৎসর্গ করার শপথে হাতে হাত ধরি, উচ্চারণ করি, “উহ শ্যাল ওভারকাম সাম ডে।

Address

Dhaka
1230

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Uttara Poshchim Thana Chatroleague posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share