বাংলাদেশ কংগ্রেস - Bangladesh Congress

বাংলাদেশ কংগ্রেস - Bangladesh Congress A Registered Political Party,
Election Commission Reg. No: 44
Electoral Symbol: Green Coconut (ডাব) Adv. Kazi Rezaul Hossain is the President of the party and. Md.

The Bangladesh Congress (Bengali: বাংলাদেশ কংগ্রেস) is a political party in Bangladesh, founded in 2013. Earul Islam its Secretary General. This party got registration in Bangladesh Election Commission on 9 May 2019 as per direction of the Appellate Division of the Supreme Court of Bangladesh.

26/08/2026

জনগণের দোরগোড়ায় বাংলাদেশ কংগ্রেস: জনসংযোগ ও মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম!

গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া উপজেলা বাংলাদেশ কংগ্রেসের আহ্বায়ক জনাব গাজী মাসুদ রানা এবং কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম অর্থ সম্পাদক সিজান রহমানের উপস্থিতিতে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের সাথে মতবিনিময় এবং জনসংযোগমূলক কার্যক্রমের একটি বিশেষ মুহূর্ত। দেশের চলমান গ্যাস, বিদ্যুৎ ও বিভিন্ন খাতের সংকট নিয়ে স্থানীয় মানুষের ভাবনা ও বাস্তবচিত্র তুলে ধরা হয়েছে।

Bangladesh Congress

26/08/2026

দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার কণ্ঠ: বিদ্যুৎ, গ্যাস, বিআরটিএ, ভূমি অফিস ও রেজিস্ট্রি অফিসের মতো বিভিন্ন সেবাখাতে অনিয়ম ও দুর্নীতির তীব্র সমালোচনা করে তিনি এর স্থায়ী প্রতিকার দাবি করেছেন.

দায়িত্বশীল রাষ্ট্রপরিচালনা: সরকারের বিরোধিতা নয়, বরং প্রতিটি খাতে সুশাসন নিশ্চিত করে জনগণের অধিকার রক্ষা ও দায়িত্বশীলভাবে দেশ পরিচালনার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি.

সচেতন নাগরিক সমাজ: একটি বৈষম্যহীন, সুন্দর এবং দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে দেশের প্রতিটি মানুষকে সচেতন ও ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান.

আব্দুস সোবহান
আহবায়ক,
বানরীপাড়া উপজেলা, বরিশাল, বাংলাদেশ কংগ্রেস।

Bangladesh Congress

23/08/2026

গ্যাস সংকট নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপের দাবিতে বাংলাদেশ কংগ্রেসের মানববন্ধন!

দেশের চলমান গ্যাস সংকট এবং এর ফলে শিল্পখাত ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় যে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে, তার স্থায়ী সমাধানের দাবিতে গত ৩১ জুলাই ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশ কংগ্রেসের আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখছেন দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম অর্থ সম্পাদক এবং পেশাদার হিসাবরক্ষক সিজান রহমান।

Bangladesh Congress

অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ এবং স্থানীয় সরকার শক্তিশালীকরণ: জুলাই ১৯৭২ থেকে জুন ২০২৬-এর বাস্তবতায় আমাদের নতুন প্...
17/08/2026

অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ এবং স্থানীয় সরকার শক্তিশালীকরণ: জুলাই ১৯৭২ থেকে জুন ২০২৬-এর বাস্তবতায় আমাদের নতুন প্রশাসনিক রূপরেখা

আমাদের জাতীয় রাজনীতি ও প্রশাসনিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রশ্নই ঘুরেফিরে আসছে—কেন আমাদের প্রতিটি কাজের জন্য বারবার রাজধানীমুখী হতে হবে? কেন প্রান্তিক মানুষের ক্ষুদ্রতম সমস্যা সমাধানের জন্যও কেন্দ্রীয় আমলাতন্ত্র ও বরাদ্দের ওপর নির্ভর করতে হবে?

একজন পেশাদার হিসাবরক্ষক এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম অর্থ সম্পাদক হিসেবে জুলাই ১৯৭২ থেকে জুন ২০২৬ পর্যন্ত দীর্ঘ সময়ের জাতীয় অর্থনীতি, বাজেট ব্যবস্থাপনা ও জনপদের আর্থিক চালচিত্র খুব কাছ থেকে বিশ্লেষণ করার সুবাদে আমি এই সংকটের মূল শিকড়টি স্পষ্টভাবে দেখতে পেয়েছি। আমাদের রাষ্ট্রীয় অর্থের সিংহভাগই কেন্দ্রকেন্দ্রিক ব্যবস্থাপনায় অপচয় হয় কিংবা সঠিক সময়ে প্রান্তিক পর্যায়ে পৌঁছায় না। এই দীর্ঘমেয়াদী আর্থিক অদক্ষতা ও বৈষম্য থেকে বেরিয়ে আসার জন্য আমি একজন হিসাবরক্ষক ও রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে একটি সুনির্দিষ্ট আর্থিক ও প্রশাসনিক রূপরেখা উপস্থাপন করছি।

১.০০ কেন্দ্রীভূত ক্ষমতার দীর্ঘসূত্রিতা ও আমাদের আর্থিক বাস্তবতাঃ আমাদের বর্তমান প্রশাসনিক ও আর্থিক ব্যবস্থা ঔপনিবেশিক আমলের সেই কাঠামোর ওপর দাঁড়িয়ে আছে, যেখানে সব রাজস্ব জমা হয় রাজধানীতে এবং প্রান্তিক অঞ্চলের মানুষ তাদের নিজেদের এলাকার উন্নয়নের জন্য কেন্দ্রের দয়ার ওপর নির্ভর করে।

১৯৭২ সালের পর থেকে শুরু করে সর্বশেষ ৩০ জুন, ২০২৬ এ সমাপ্ত অর্থবছরের জাতীয় বাজেট ও অর্থনৈতিক গতিপ্রকৃতি বিশ্লেষণ করলে স্পষ্ট দেখা যায়—স্থানীয় সরকারগুলোর নিজস্ব আয় বৃদ্ধির কোনো কার্যকর আইনি ও কাঠামোগত সুযোগ না থাকায় তারা সম্পূর্ণভাবে কেন্দ্রীয় এডিপি (ADP) বরাদ্দের মুখাপেক্ষী হয়ে থাকে। উপরন্তু, আমলাতান্ত্রিক দীর্ঘসূত্রিতা ও অপ্রয়োজনীয় লাল ফিতার দৌরাত্ম্যের কারণে মাঠপর্যায়ে বরাদ্দের সঠিক ব্যবহার, অডিট কমপ্লায়েন্স এবং সময়মতো অর্থ ছাড় নিশ্চিত করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে।

২.০০ আমাদের প্রস্তাবিত রূপরেখাঃ অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ বাংলাদেশ কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির অর্থনৈতিক দর্শন এবং আমার পেশাগত হিসাবরক্ষণের অভিজ্ঞতার আলোকে আমি এমন একটি কাঠামোর প্রস্তাব করছি, যা স্থানীয় পর্যায়ে আর্থিক ক্ষমতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করবে। এই রূপরেখার মূল ভিত্তিগুলো হলো:

২.১ জেলা পুনর্গঠন ও আঞ্চলিক সুশাসন: বর্তমান বড় জেলাগুলোকে পুনর্বিন্যাস করে প্রশাসনিক পরিধি এমনভাবে ছোট করা দরকার, যাতে সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছায়। তবে এটি কেবল প্রশাসনিক বিস্তার নয়, বরং প্রতিটি অঞ্চলের অর্থনৈতিক সক্ষমতা, জিডিপি অবদান এবং রাজস্ব উৎপাদনের সম্ভাবনার ওপর ভিত্তি করে হওয়া উচিত।

২.২ যৌথ নেতৃত্ব ও স্থানীয় বাজেট প্রণয়ন: জেলা বা উপজেলা পর্যায়ে একক ব্যক্তির হাতে ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত না করে একটি সমন্বিত কাঠামো তৈরি করা যেতে পারে। যেখানে নির্বাচিত স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা যৌথভাবে এলাকার উন্নয়ন পরিকল্পনা ও নিজস্ব বাজেট প্রণয়ন করবেন এবং অভিজ্ঞ প্রশাসনিক ও হিসাব কর্মকর্তারা এর বাস্তবায়নে প্রধান নির্বাহী বা সচিব হিসেবে কাজ করবেন।

২.৩ ফিসক্যাল অটোনমি বা আর্থিক স্বাধীনতা: বিগত পাঁচ দশকেরও বেশি সময়ের আর্থিক অভিজ্ঞতা ও অডিট বাস্তবতার আলোকে আমাদের স্থানীয় সরকারগুলোকে কেবল কেন্দ্রের বার্ষিক বরাদ্দের ওপর নির্ভরশীল রাখা যাবে না। তাদের নিজস্ব আয়ের উৎস সৃষ্টি, স্থানীয় পর্যায়ে কর আদায়ের আইনি অধিকার এবং সংগৃহীত রাজস্বের একটি নির্দিষ্ট অংশ স্থানীয় উন্নয়নে সরাসরি ব্যবহারের আইনি কাঠামো দিতে হবে।

২.৪ প্রযুক্তির ছোঁয়ায় পেপারলেস ও জবাবদিহিমূলক অর্থায়ন: আধুনিক ডিজিটাল অ্যাকাউন্টটিং পোর্টাল ও রিয়েল-টাইম অডিট সিস্টেম নিশ্চিত করে প্রতিটি প্রশাসনিক স্তরের আর্থিক লেনদেন উন্মুক্ত করতে হবে। নাগরিকরা যেন ঘরে বসেই তাদের এলাকার উন্নয়ন বাজেটের ব্যবহার ট্র্যাক করতে পারেন।

শেষ কথাঃ রাজনীতি কেবল ক্ষমতা দখলের খেলা নয়; রাজনীতি হলো মানুষের জীবনমান উন্নয়নের এবং সঠিক আর্থিক ব্যবস্থাপনার সবচেয়ে বড় মাধ্যম। আমরা যদি সত্যিকার অর্থেই একটি বৈষম্যহীন, জনবান্ধব ও অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী রাষ্ট্র গড়তে চাই, তবে ক্ষমতার এই কেন্দ্রীভূত খোলস আমাদের ভাঙতেই হবে।

বাংলাদেশ কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম অর্থ সম্পাদক এবং পেশাদার হিসাবরক্ষক হিসেবে আমার এই রূপরেখাটি কেবল কিছু তাত্ত্বিক আলোচনা নয়—এটি প্রতিটি নাগরিকের অর্থনৈতিক অধিকার রক্ষা, নিখুঁত আর্থিক ব্যবস্থাপনা এবং রাষ্ট্রকে সত্যিকারের জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার এক নির্ভীক আর্থিক ও প্রশাসনিক ব্লু-প্রিন্ট।

সিজান রহমান
পেশাদার হিসাবরক্ষক (বাংলাদেশ এবং যুক্তরাজ্য),
যুগ্ম অর্থ সম্পাদক, বাংলাদেশ কংগ্রেস

25/07/2026

বাংলাদেশ কংগ্রেস এর মহাসচিব জনাব ইয়ারুল ইসলামের নির্দেশে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম অর্থ সম্পাদক জননেতা সিজান রহমান আজকে ঢাকা-১৪ আসনের অন্তর্ভুক্ত সাভার উপজেলায় অবস্থিত প্রস্তাবিত কাউন্দিয়া ব্রিজ এর কাজ এর অগ্রগতি পরিদর্শন করেন।

25/07/2026

বাংলাদেশ কংগ্রেস এর কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম অর্থ সম্পাদক জননেতা সিজান রহমান আজকে প্রস্তাবিত ঢাকা-১৪ আসনের অন্তর্ভুক্ত সাভারে উপজেলায় অবস্থিত কাউন্দিয়া ব্রিজ এর এলাকা পরিদর্শন করেন।

25/07/2026

"যেই সরকারই ক্ষমতায় আসুক না কেন, তারা নিজেদের নিয়ে ভাবে, দল নিয়ে ভাবে। রাষ্ট্রকে নিয়ে ভাবার কেউ নেই, জনগণকে নিয়ে ভাবার কেউ নেই।"

-আসাদ ইবনে হাফেজ গ্রেট
যুগ্ম শিল্প ও বানিজ্য বিষয়ক সম্পাদক
কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি
বাংলাদেশ কংগ্রেস।

বাংলাদেশ কংগ্রেস বিশ্বাস করে—গণতন্ত্র, অধিকার ও উন্নয়নই একটি আধুনিক রাষ্ট্রের মূল ভিত্তি।বাংলাদেশের জনগণ যে গণতান্ত্রিক ...
25/06/2026

বাংলাদেশ কংগ্রেস বিশ্বাস করে—গণতন্ত্র, অধিকার ও উন্নয়নই একটি আধুনিক রাষ্ট্রের মূল ভিত্তি।

বাংলাদেশের জনগণ যে গণতান্ত্রিক রায় প্রদান করেছেন, তার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা প্রতিটি রাজনৈতিক শক্তির দায়িত্ব। তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।

আমরা আশা করি নতুন সরকার গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করবে, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করবে এবং সকল নাগরিকের জন্য সমান সুযোগ ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় কাজ করবে।

বাংলাদেশ কংগ্রেস সবসময় জনগণের অধিকার, সুশাসন এবং জাতীয় উন্নয়নের পক্ষে কাজ করে যাবে।

15/06/2026

প্রচণ্ড বৃষ্টি উপেক্ষা করে বরিশাল মহানগরের আলেকান্দায় আজ অনুষ্ঠিত হলো জনসচেতনতামূলক পথসভা।

আমতলা পানির ট্যাংকি প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ পথসভায় বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। বক্তারা জনগণের অধিকার, সামাজিক সম্প্রীতি, যুবসমাজের ইতিবাচক ভূমিকা এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বৃষ্টি থামাতে পারেনি মানুষের উপস্থিতি, থামাতে পারেনি জনস্বার্থে কথা বলার অঙ্গীকার।

জনগণের পাশে, জনগণের জন্য।

আজ বরিশাল মহানগরে আলেকান্দাবাসীর পক্ষ থেকে বাংলাদেশ কংগ্রেসের ব্যানারে সমাজকে সুস্থ রাখার জন্য একটি পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। স...
15/06/2026

আজ বরিশাল মহানগরে আলেকান্দাবাসীর পক্ষ থেকে বাংলাদেশ কংগ্রেসের ব্যানারে সমাজকে সুস্থ রাখার জন্য একটি পথসভা অনুষ্ঠিত হয়।

স্থানঃ আমতলা পানির ট্যাংকি, আমতলা, আলেকান্দা, বরিশাল-৮২০০, বাংলাদেশ।

সভায় যারা বক্তব্য রাখেনঃ

১। সঞ্চালকঃ সিজান রহমান
যুগ্ম অর্থ সম্পাদক, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি,
সদস্য সচিব, ঢাকা মহানগর দক্ষিন,
আহবায়ক, বরিশাল বিভাগ,
বাংলাদেশ কংগ্রেস।

২। অতিথিঃ মীর আদনান আহমদ তুহিন
আহবায়ক,
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা,
বরিশাল মহানগর।

৩। অতিথিঃ মতিউর রহমান মিঠু
সাবেক আহবায়ক,
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল,
১৩ নং ওয়ার্ড, বরিশাল মহানগর।

৪। অতিথিঃ হাফিজুর রহমান তারেক
সাবেক সদস্য সচিব,
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল,
১৩ নং ওয়ার্ড, বরিশাল মহানগর।

৫। অতিথিঃ মোঃ বেলায়েত হোসেন
সিনিয়র যুগ্ম সাধারন সম্পাদক,
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল,
বরিশাল জেলা।

৬। অতিথিঃ রুহুল আমিন মৃধা
যুগ্ম সাধারন সম্পাদক,
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল,
বরিশাল জেলা।

৭। অতিথিঃ রেজাউল ইসলাম রেজা
যুগ্ম সাধারন সম্পাদক,
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল,
বরিশাল মহানগর।

৮। অতিথিঃ রেজাউল ইসলাম রেজা
যুগ্ম সাধারন সম্পাদক,
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল,
বরিশাল মহানগর।

৯। অতিথিঃ মোঃ আব্দুর রহমান তালুকদার
সদস্য সচিব,
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ওলামাদল,
বরিশাল মহানগর।

১০। অতিথিঃ মোঃ রাজু সিকদার
আহবায়ক,
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল,
১৩ নং ওয়ার্ড, বরিশাল মহানগর।

১১। শুভেচ্ছান্তেঃ মুভিন দুরানী
জাতীয়তাবাদী আদর্শের তরুন ছাত্রনেতা,
বরিশাল মহানগর।

Address

Happy Rahman Plaza, 3rd Floor, 25-26 Kazi Nazrul Islam Avenue, Banglamotor
Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বাংলাদেশ কংগ্রেস - Bangladesh Congress posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share