19/07/2020
বই পড়ুন! নিজেকে ও পরিবারের সদস্যদের সমৃদ্ধ করুন!
জ্যোতি বসু (৮ জুলাই, ১৯১৪ - ১৭ জানুয়ারি, ২০১০)। ডাক্তার নিশিকান্ত বসু ও হেমলতা বসুর তৃতীয় সন্তান জ্যোতি বসুর শৈশব কেটেছে আমাদের এই সোনারগাঁ উপজেলার বারদী গ্রামে। পিতা নিশিকান্ত ছিলেন এক প্রথিতযশা ডাক্তার এবং মা হেমলতা ছিলেন এক গৃহবধূ। ১৯২০ সালে স্বপরিবারে তাঁরা কলকাতায় পাড়ি জমান। ১৯৭৭ সাল থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত একটানা তেইশ বছর জ্যোতি বসু পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। তিনিই ছিলেন ভারতের দীর্ঘতম মেয়াদের মুখ্যমন্ত্রী।ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসাবেও কয়েকবার তাঁর নাম প্রস্তাব করা হয়েছিলো।ছাত্রাবস্থায় উচ্চশিক্ষার্থে ইংল্যান্ডে গিয়ে কমিউনিস্ট ভাবাদর্শে উদ্বুদ্ধ হন বসু। বাংলাদেশের একজন অকৃত্তিম বন্ধু ছিলেন তিনি।
আজ কিছুটা সময় আমি সেই মহান ব্যক্তিত্ত্বের স্মৃতি বিজড়িত বাড়ীতে কাটিয়েছি। সেখানে গড়ে উঠেছে একটি লাইব্রেরী ও সেমিনার হল। লাইব্রেরীটি পুস্তক সমারোহে যথেষ্ট সমৃদ্ধ না হলেও প্রাকৃতিক মনোরম পরিবেশে এখানে রয়েছে বই পড়ার অফুরন্ত সুযোগ।
এই লাইব্রেরীটি আরো ঢেলে সাজাতে আমার নিজস্ব কিছু পরিকল্পনার কথা আমি লাইব্রেরি কতৃপক্ষকে জানিয়েছি। যেমনঃ পাঠকের জন্য পেইড বেসিস চা /কফির ব্যবস্থা রাখা, জ্যোতি বসুর জীবন সংগ্রাম পাওয়ার পয়েন্ট এর মাধ্যমে উপস্থাপন, দর্শনার্থীদের জন্য শেড তৈরী, একটি শিশু কর্ণার তৈরী করা। উপজেলা প্রশাসন এই বিষয়ে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে ইনশাআল্লাহ।
সমাজের বিত্তবানদের কাছে অনুরোধ লাইব্রেরিটিকে সমৃদ্ধ করে তুললে আপনিও কিছু বই উপহার হিসাবে দিন। আপনি ও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে লাইব্রেরীতে আসুন বই পড়ুন।
আসলে ২০৪১ সালের উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হলে একটি মেধা ও প্রযুক্তিগত জ্ঞানসম্পন্ন প্রজন্ম গড়ে তোলার কোন বিকল্প নেই আমাদের হাতে। তাই আসুন নিজে বই পড়ুন! নিজেকে ও পরিবারের সদস্যদের সমৃদ্ধ করুন!