27/07/2019
ইয়ুথ ফর হিউম্যান রাইট্স ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ।
পক্ষ থেকে
বাংলাদেশের সকল সচেতন নাগরিক জনগণের প্রতি জরুরী আবেদন।
কোনরুপ গুজবে কান দেবেন না। মিথ্যা গুজব রটনাকারীদের ধরে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহীনির হাতে তুলে দিন। আইন নিজের হাতে তুলে নিবেন না। গণপিটুনিতে অংশগ্রহনকারী প্রত্যেকেই হত্যাকান্ডের বাংলাদেশ দন্ডবিধি ৩০২ ধারা অনুযায়ী দন্ডিত হবেন।
যেহেতু, আমাদের গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ- জাতিসংঘ ঘোষিত মানবাধিকার সনদে স্বাক্ষরকারী অন্যতম সদস্য রাষ্ট্র।
সেহেতু, জাতিসংঘ ঘোষিত মানবাধিকার সনদের প্রতি আমাদের সকলের নৈতিক দায়িত্ববোধ রয়েছে। সেই দায়িত্ব থেকেই আমাদের ভাবতে হবে।
যেহেতু, ৩ নং দফায় উল্লেখ্য জীবনের উপর অধিকার জীবন, স্বাধীনতা ও দৈহিক নিরাপত্তার অধিকার সকলের আছে।
এবং যেহেতু, ৫ নং দফায় উল্লেখ্য দৈহিক বা মানসিক ভাবে কাউকে যন্ত্রণা দেয়া যাবে না। কাউকে দৈহিক বা মানসিকভাবে যন্ত্রনা দেয়ার অধিকার কারো নাই।
এবং যেহেতু, ৮ নং দফায় উল্লেখ্য আইন আমাদের মানবাধিকার রক্ষা করে। আমাদের সাথে কোন অবিচার হলে আমরা আদালতে যেতে পারি।
এবং যেহেতু, ১১ নং দফায় উল্লেখ্য যতক্ষণ না অপরাধ প্রমাণিত হচ্ছে ততক্ষণ আমরা নির্দোষ। প্রমাণ না থাকলে কারো উপর দোষারোপ করা চলবে না। যদি আমাদের নামে কেউ কোনো অভিযোগ জানায় নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করার অধিকার আমাদের রয়েছে।
উপরোক্ত মানব অধিকার সনদের ধারাগুলো নিয়ে আপনার আমার সকলের বিবেককে জাগ্রত করুন। মানুষের বিবেকই হচ্ছে সবচেয়ে বড় আদালত।
সেহেতু, অহেতুক মিথ্যা গুজব রটনাকারীদের প্ররোচনায় দেশ ও জনগনের ক্ষতি করা থেকে বিরত থেকে গুজব রটনাকারীদের ও নিরীহ মানুষ হত্যাকারীদের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দিন। আইন নিজের হাতে তুলে নিবেন না।
পুলিশ ও র্যাব জনগনের বন্ধু
আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় প্রশাসনকে সহায়তা করুন।
প্রচারে: গোলাম কিবরিয়া খান, প্রধান সমন্বয়কারী
ইয়ুথ ফর হিউম্যান রাইট্স ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ।
৭২ তেজকুনিপাড়া, হোন্ডা গলি, তেজগাও, ঢাকা -১২১৫।