01/11/2025
Saaon Ashraf আমরা বিপ্লবীরা হাসিনাকে লেংটা কইরা দেশছাড়া করেছি । জন্ম আমার হুজুর কেবলার দেশে- বিপ্লবীদের ঘাঁটি এ মাটি -লোহাগাড়া -সাতকানিয়া ; সে মাটির সন্তান আমি ও আমরা । বিপ্লবদের এমাটি এবার ধান্দাবাজ টাউট বাটপার দলের নাম বিক্রি করে ব্যবসা-বাণিজ্য করার আন্দোলন সংগ্রাম শুরু হবে - ইনশাল্লাহ । মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর সহায়তা চাই কামনা করছি- আল্লাহ তুমি সত্যি সাহস তো এদের বিরুদ্ধে সংগ্রামে বিপ্লবে বিজয়ী হতে- তুমিই উত্তম ফয়সালাকারী :
যে বা যারা দলের নাম বিক্রি করে ও দলবাজি করে সংসার চালায় , যাদের একমাত্র পেশা দলের পদ বিক্রি; তাদের এবার থামতে হবে । আমরা হারতে শিখি নাই ।
গুলশানে ঐ দিনই আমাদের কে আরো সাহসী - উজ্জীবিত ও বিপ্লবী করে তুলেছে নিজেদের অধিকার আদায়ে । ওদিন অনেককে অনেক সম্মানিত লোককে অসম্মান করে তথাকথিত দলের চট্টগ্রামের বিভাগীয় কর্মকর্তারা ; কিভাবে অধিকার ইজ্জত সম্মান রক্ষা করতে হয় " সুবোধ" আমাদের শিখিয়ে গেছে এবং তৃণমূলের অধিকার এবার আদায় না করে ঘরে ফিরব না ।
রাজধানী ঢাকার মাটিতে, সেই সেই স্বৈরাচার এরশাদ আমলে ই আমাদের রাজনীতির রাজপথে ঢাকা র শুরু পথচলা ; আন্দোলন সংগ্রাম বিপ্লবের মাধ্যমে । যেখানে অন্যায় , অনিয়ম ও দল বিক্রি ও ধান্দাবাজ চামচা নির্ভর রাজনৈতিক নেতার নোংরামি সেখানেই প্রতিবাদ -হবে ।আর আমাদের রাজনীতি শুরু ঢাকা কলেজ রাজনীতির আরেক বিপ্লবের প্রথম পাঠশালার মাটিতে । মৃত্যুর ভয় এবং পরাজয় কি জিনিস আমাদের জীবনে নাই । যার ভয় নাই- মৃত্যুকে । তার আর হারানোর কিছু নাই । এরশাদ আমাদের কে মারতে পারেনি , হাসিনার দুই আমলে আমাদের কে দমাতে- মারতে পারেনি ; ভিনদেশী চর - ধান্দাবাজ'' বারবার তুমি ঘুঘু খেয়ে যাও ধান - '' এবার তোমাকে থামতে হবে বাবু;
ভিনদেশী চর - ধান্দাবাজ - হুজুর কেবলার ও ১২ উলিয়ার হুজুর কেবলার দেশের চট্টগ্রামের মানুষের মাথার উপর লবণ রেখে ১৫ বছর বড়ই খেয়েছ ; আর কত !! এবার থামো ভাই !! এবার তাকে / তাদেরকে থামতে হবে ।
১৯৯৬-৯৭ - সালে তুমি আমার সাথে ছিলে রাজপথে ৫ বছর - রাজপথে স্লোগানে স্লোগানে - মুখরিত করেছ সেই স্লোগান মাস্টার শাওনের আশরাফ - রমনা, শাহবাগ, পল্টন ও মতিঝিল ও শাহজাহানপুর সহ ঢাকা রাজধানীর মাটি ওলিগলি রাজপথ । কখন সেই বিপ্লবী আন্দোলনে নেতৃত্বে ছিলেন স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের বীর সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মতিন চৌধুরী, মির্জা আব্বাস, শাহাজান সিরাজ ,খাইরুল কবির খোকন, কমিশনার আরিফ ও সাজ্জাদ জহির ভাই এবং তখন আমি এক বিপ্লবী - রাজপথের সাহসী নগণ্যকর্মী ।
- তখন আমি রমনা থানা বিএনপি র সাধারণ সম্পাদক (সাবেক ৫৩) ও - বৃহত্তর রমনা ( রমনা- শাহবাগ- হাতিরঝিল) থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এবং সহ-সভাপতি বৃহত্তর ঢাকা মহানগর এর নেতৃত্বে দায়িত্বে ছিলাম । সারাদিন আন্দোলনের কর্মী সংগ্রহ করতাম খুজে খুজে বাড়ি গিয়ে বাড়ি গিয়ে- তুমি তো রাজ সাক্ষী। তাহাদের ওই বিপ্লবী সাহসী নেতাদের বিপ্লবী বাহিনী আমরা ; তাহাদের নেতৃত্বে আমরা সেই কর্মী - সেই সাহসী বিপ্লবীদের বাতিঘর ছিলাম এবং এখনো তিলে তিলে ধাপে ধাপে আন্দোলনের সংগ্রামে শপথে অবিষ্ট লক্ষ্যে আছি বেঁচে দলের নেতার নেত্রীর অনুগত থেকে জীবন বাজি রেখে ও মৃত্যুকে আলিঙ্গন করে ।। তাই অন্যায় জুলুম ও বিচারের বিরুদ্ধে বিপ্লব - সংগ্রাম ই আমার /আমাদের জীবন । আমরা তৃণমূলের নগণ্য কর্মী। নেতা হয়ে উঠতে পারে নাই। আমাদের কোন অভিভাবক নাই - একমাত্র আল্লাহই আমাদের অভিভাবক প্রভু । আমরা তৃণমূলের কর্মী ।আমাদের দেখার কেউ নাই। আমরা নেতার ও প্রভুর তেলবাজি, তেল মারা, চামচামি মার্কা ও হাত-পা টিপা মার্কা কর্মী নহে । আমাদের হারানের কিছু নাই - তৃণমূল থেকে উঠে এসেছি- সেই তৃণমূল থেকে সামান্যওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি এবং ছিলান -; সেখান থেকে উঠে আসা কমী আমরা ( সাবেক ৫৩ নম্বর ওয়ার্ড) বর্তমান ১৯ রমনা থানা । কিভাবে আন্দোলন সংগ্রাম ও বিজয় সিনিয়ে আনতে হয়-👍🏻👍🏻 আমরা জানি ।
তাই তাদের আগাম মিষ্টি হওয়া এবং টাকা খেয়ে যোগ্য ত্যাগী বিপ্লবী কারা নির্যাতিত নিপীড়িত নির্যাতিত দের নাম কেটে দেওয়া এবং তৃণমূলের নেতাকর্মীদের অপমান ও অপদস্থ করা থেকে থামাতে হবে।
তৃণমূলের নেতাকর্মীরা - তাই বলছে ১৫ বছর অনেক করেছ দল বাদী ও দল বিক্রি এবার তোমাকে / তোমাদেরকে থামতে হবে ভাই ।
তাই সাধু সাবধান -" সুবোধ "ইহা ৪০ বছর আমাদের শিখিয়ে গেছে ---
তৃণমূলের নগণ্য কর্মী - মৌলানা ভাসানী ও যাদু মিয়ার একনিষ্ঠ অনুসারী- খাদেম # নাচৌ