08/07/2026
ফিফা ও ফুটবলের নৈতিকতার মৃত্যু: বাণিজ্য বনাম সততা
হাজার হাজার হাই-ডেফিনিশন ক্যামেরা, বিশ্বসেরা ভিএআর (VAR) প্রযুক্তি আর কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমীর চোখের সামনে কাল যা ঘটল, তাকে আর যাই হোক 'সুস্থ খেলা' বলা যায় না। কোটি কোটি মানুষের চোখের সামনে ক্যামেরার প্রতিটি ফ্রেমে যা স্পষ্ট ফাউল এবং পেনাল্টি ছিল, রেফারি আর ভিএআর-এর চোখে তা ধরা পড়ল না! এটা কি শুধুই ভুল, নাকি পরিকল্পিত পক্ষপাতিত্ব?
আজ প্রশ্ন জাগে, ফুটবল কি এখন আর মাঠের পারফরম্যান্সে সীমাবদ্ধ আছে, নাকি এর পেছনে কাজ করছে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলারের বাণিজ্যিক সমীকরণ? বড় দল বা টুর্নামেন্টের বাজার ধরে রাখার গাকতি (ঘাটতি) পূরণের লক্ষ্যেই কি কাল মিশরকে এভাবে হারিয়ে দেওয়া হলো?
প্রযুক্তির এই যুগে কোটি কোটি দর্শক যখন প্রতিটা দৃশ্য নিজেদের চোখে লাইভ দেখছে, তখন এমন পক্ষপাতিত্ব কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। ফিফা বা রেফারিদের মনে রাখা উচিত—কারো কোটি কোটি মানুষের বিশ্বাস ভঙ্গ করার অধিকার নেই। খেলাধুলার আসল সৌন্দর্য লুকিয়ে থাকে সততা ও নিরপেক্ষতায়, বাণিজ্যের লোভে সেই বিশ্বাসকে ধ্বংস করা চরম অন্যায়।
ফিফার এই অনৈতিক সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানাই। মাঠের লড়াইয়ে মিশরই ছিল কালকের আসল বিজয়ী!
হাজী মোহাম্মদ নাঈম হাসান
সভাপতি,
জনতার কথা বলে পার্টি