08/02/2024
ভেবেছিলাম কাউকে কিছু বলবো না। বই পাগল যারা আছে তারা দেখলে কিনবে অথবা কিনবে না। কিন্তু এখন আমার উষ্ণ আবেগ গুলো সবার সাথে ভাগাভাগি করে নিতে ইচ্ছে করছে। নিতান্তই স্বার্থপর হয়ে আজকের পোস্টটি লিখতে বসলাম।
আমি কখনোই কবি নই, লেখকও নই। ক্রিকেট খেলা, লং ড্রাইভ, ফুটবল খেলা, ঘুড়ি উড়ানো, বাদাবনে ঘুরে বেড়ানো, জীবজন্তুর বৈচিত্র্য জানা, এমন হাজার হাজার শখ আছে আমার। আমি খুবই এনজয় করি এগুলো। হঠাৎই অনুধাবন করি দিনশেষে এগুলো এনজয় করে রাত্রিযাপনের আগে মানসিক শান্তির জন্য কিছু লেখা নিতান্তই প্রয়োজন। প্রথম লেখা শুরু করলাম বছরখানেক আগে। কিছুই হতো না। ছাই পাস লিখতাম শুধু। হিবিজিবি হিবিজিবি। লেখালেখি ছেড়ে দিলাম। ঘুমানোর আগে আবার সেই উৎপাত। নিজে নিজেকে সময় দেয়ার জন্য এবার আবার লেখা শুরু করলাম। কোনরকম একটা দুটো কবিতা হলো আর কি। ফেসবুকে শেয়ার করলাম। বেশ কিছু বাহবা আসলো, অনুপ্রাণিত হতে থাকলাম। এরপর বছর খানেক লিখলাম।
এসব কিছুর পিছনে, যিনি স্তম্ভ হয়ে লেখার জন্য বারংবার বলেছেন তিনি আমার অত্যন্ত প্রিয় ভালোবাসার এবং সম্মানের মানুষ Razia Rahman Jolly আপা। একজন সৎ, নিষ্ঠাবান, অত্যন্ত ক্রিয়েটিভ ব্যক্তিত্ব এবং আমার স্কুলের বড় বোন। আপাকে একেক সময় একেক কথা বলে জ্বালাতাম। একবার বলি ভ্রমণ বিষয়ক কিছু লিখব, আরেকবার বলি না থাক কবিতা লিখি। জলি আপা অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে আমার জ্বালা যন্ত্রণা হজম করেছেন। এখনো অবধি সহ্য করে যাচ্ছেন। বইয়ের নাম থেকে শুরু করে সবকিছু উনি নিজের স্নেহ মাখা চিন্তা চেতনা দিয়ে করেছেন। বানান নিয়ে আজকে কিছু বলবো না। বানানের জন্য যে জলি আপা আমাকে গুলি করে মারেনি এর জন্য আমি তার কাছে চির কৃতজ্ঞ। জলি আপা কে নিয়ে আরেকদিন লিখব। উনি আসলে নিজেই একটা ইনস্টিটিউট।
যাইহোক, আসছে অমর একুশে বইমেলায় আমার প্রথম কবিতার বই বের হচ্ছে "তমাল তরুর ছায়ে" নামে, প্রকাশক - জাগৃতি প্রকাশনী। স্টল নাম্বার ১৫৫ - ১৫৭। ছুটির দিনগুলোতে থাকার চেষ্টা করব, এছাড়াও সময় সুযোগ হলেই দৌড়ে যাব স্টলে।
অটোগ্রাফ দেয়ার যোগ্যতা আমার নেই। তবে, আলতো শুভেচ্ছা এবং ভালোবাসা লিখে দিতে পারব বই নেয়ার সময়।
সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।
অফুরান ভালোবাসা
তমাল