05/09/2026
বিদ্যুৎ নেই, কিন্তু অজুহাত আছে বিএনপির ষোলোআনা!
দেশে এখন বিদ্যুৎ ঘাটতি দাঁড়িয়েছিল ৩৭০০ মেগাওয়াটে, গত পঞ্চান্ন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। এই তথ্যটা লুকানো যায়নি বলেই খোদ প্রতিমন্ত্রীকে সংসদে স্বীকার করতে হয়েছে। কিন্তু এই স্বীকার করাটাই কি যথেষ্ট? বিএনপির এই তথাকথিত অবৈধ দখলদার তথাকথিত সরকার তো ক্ষমতায় ফেব্রুয়ারি থেকে। ছয় মাস পার হয়ে গেছে। এই ছয় মাসে দেশ পেয়েছে লোডশেডিং, শিল্প-কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার খবর, আর মন্ত্রীদের মুখে একের পর এক ব্যাখ্যা।
সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো অজুহাতের ধরন। এফএসআরইউ চুক্তি বাতিল হয়েছিল কুখ্যাত সুদী মহাজন ইউনুসের অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে, সেই পুরনো গল্প টেনে আনা হচ্ছে আজও। অথচ প্রশ্ন হওয়া উচিত ছিল, দায়িত্ব নেওয়ার পর ছয় মাসে বিকল্প কী ব্যবস্থা নেওয়া হলো! গ্যাসের হিসাব দিয়ে বোঝানো হচ্ছে সরবরাহ নাকি চাহিদার চেয়ে বেশি, তাহলে ঘাটতি আসছে কোত্থেকে সেই প্রশ্নের কোনো জবাব নেই।
ক্ষমতার বাইরে থাকার সময়ে বিএনপির যাবতীয় গলাবাজি ছিল তাদের কথিত সুশাসন, আর অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিয়ে। আর এখন দেশের মানুষ পাচ্ছে অন্ধকার আর বানোয়াট ব্যাখ্যার ফুলঝুরি। ২০০১ থেকে ২০০৬, সেই পুরনো ধাঁচ যেন আবার ফিরে এলো, দায় এড়ানোর রাজনীতি, কথার মারপ্যাঁচে বাস্তবতা ঢাকার চেষ্টা। জনগণ বিদ্যুৎ বিল ঠিকই দিচ্ছে প্রতি মাসে, বিনিময়ে পাচ্ছে অন্ধকার আর গালভরা বক্তৃতা।