Bangladesh Awami League

Bangladesh Awami League Official page of Bangladesh Awami League For more information please visit: https://albd.org

The oldest and largest political party of Bangladesh, Awami League began its journey as a mighty political expression of the thitherto suppressed hopes and aspirations of the people living on the Padma- Meghna- Jamuna delta. It is the party that steered the nation through post-partition quagmires, voiced the demands and aspirations of the people of this delta and finally led the Liberation War aga

inst West Pakistan to free the people from the centuries-old subordination. With a golden past and grand present, Awami League represents the mainstream of the progressive, non-communal, democratic and nationalist politics of Bangladesh. The party boasts of a glorious past featuring relentless and uncompromising struggles against autocracy and communalism, against political and economic domination. The game-changer of politics of the then Pakistan which began an epic journey with Maulana Abdul Hamid Khan Bhashani and Sheikh Mujibur Rahman at the helm, now is steered by Sheikh Hasina, the daughter of Father of the Nation Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman.

বিদ্যুৎ নেই, কিন্তু অজুহাত আছে বিএনপির ষোলোআনা!দেশে এখন বিদ্যুৎ ঘাটতি দাঁড়িয়েছিল ৩৭০০ মেগাওয়াটে, গত পঞ্চান্ন বছরের মধ...
05/09/2026

বিদ্যুৎ নেই, কিন্তু অজুহাত আছে বিএনপির ষোলোআনা!

দেশে এখন বিদ্যুৎ ঘাটতি দাঁড়িয়েছিল ৩৭০০ মেগাওয়াটে, গত পঞ্চান্ন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। এই তথ্যটা লুকানো যায়নি বলেই খোদ প্রতিমন্ত্রীকে সংসদে স্বীকার করতে হয়েছে। কিন্তু এই স্বীকার করাটাই কি যথেষ্ট? বিএনপির এই তথাকথিত অবৈধ দখলদার তথাকথিত সরকার তো ক্ষমতায় ফেব্রুয়ারি থেকে। ছয় মাস পার হয়ে গেছে। এই ছয় মাসে দেশ পেয়েছে লোডশেডিং, শিল্প-কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার খবর, আর মন্ত্রীদের মুখে একের পর এক ব্যাখ্যা।

সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো অজুহাতের ধরন। এফএসআরইউ চুক্তি বাতিল হয়েছিল কুখ্যাত সুদী মহাজন ইউনুসের অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে, সেই পুরনো গল্প টেনে আনা হচ্ছে আজও। অথচ প্রশ্ন হওয়া উচিত ছিল, দায়িত্ব নেওয়ার পর ছয় মাসে বিকল্প কী ব্যবস্থা নেওয়া হলো! গ্যাসের হিসাব দিয়ে বোঝানো হচ্ছে সরবরাহ নাকি চাহিদার চেয়ে বেশি, তাহলে ঘাটতি আসছে কোত্থেকে সেই প্রশ্নের কোনো জবাব নেই।

ক্ষমতার বাইরে থাকার সময়ে বিএনপির যাবতীয় গলাবাজি ছিল তাদের কথিত সুশাসন, আর অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিয়ে। আর এখন দেশের মানুষ পাচ্ছে অন্ধকার আর বানোয়াট ব্যাখ্যার ফুলঝুরি। ২০০১ থেকে ২০০৬, সেই পুরনো ধাঁচ যেন আবার ফিরে এলো, দায় এড়ানোর রাজনীতি, কথার মারপ্যাঁচে বাস্তবতা ঢাকার চেষ্টা। জনগণ বিদ্যুৎ বিল ঠিকই দিচ্ছে প্রতি মাসে, বিনিময়ে পাচ্ছে অন্ধকার আর গালভরা বক্তৃতা।

05/09/2026

বাজার থেকে অতিরিক্ত দাম নির্ধারণ করে হাজার হাজার কোটি টাকা যাচ্ছে বিএনপি জামাতের সিন্ডিকেটের হাতে।

প্রতিকার ও প্রতিরোধ করতে হবে জনগণকেই।

ব্যাংক লুটের নতুন ইতিহাস লিখলো বিএনপি-জামাত!বাংলাদেশ এখন বিশ্বের এক নম্বর খেলাপি ঋণের দেশ। ব্যাংক থেকে বের হওয়া প্রতি ১...
05/09/2026

ব্যাংক লুটের নতুন ইতিহাস লিখলো বিএনপি-জামাত!

বাংলাদেশ এখন বিশ্বের এক নম্বর খেলাপি ঋণের দেশ। ব্যাংক থেকে বের হওয়া প্রতি ১০০ টাকার মধ্যে ৩৩ টাকাই ফেরত আসছে না। অথচ দায়িত্বে যারা, তাদের চোখে-মুখে কেবলই শুধু ক্ষমতার নেশা।

২০২৬ সালের জুন শেষে খেলাপি ঋণ ছাড়িয়েছে ৬ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা। তিন মাসে বেড়েছে প্রায় ১৮ হাজার কোটি। পুরো ব্যাংক খাত এখন অক্সিজেন ছাড়া রোগীর মতো তড়পাচ্ছে।

যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেনও খেলাপি ঋণ কমিয়ে তালিকা থেকে বের হয়ে গেছে। আর আমরা? আমরা উল্টো পথে হাঁটছি। ২০২৪ সালে খেলাপি ঋণ ছিল ২ লাখ ১১ হাজার কোটি। দুই বছরে তা তিন গুণ। এত দ্রুত আগুন ছড়ায় না, যত দ্রুত ছড়িয়েছে এই মহামারি।

বিএনপি-জামাতের পুরনো চেনা চেহারা আবার প্রকট। ২০০১-০৬ মেয়াদের স্টাইলে ব্যাংক মানে নিজেদের পারিবারিক তহবিল, ঋণ মানে উপহার, খেলাপি মানে আড়াল। হিসাবগত কৌশল, পুনঃ তফসিল, বিশেষ ছাড়, বেনামি ঋণ, সব মিলিয়ে ব্যাংক খাতকে ময়দান বানিয়ে ফেলেছে।

প্রশ্ন একটাই, যারা রাষ্ট্রক্ষমতায় বসে ব্যাংক লুটেছেন, তারা কি কোনোদিন মুখ খুলবেন? নাকি আবারও সব দোষ চাপিয়ে দেবেন আগের সরকারের ঘাড়ে? অ্যাজ ইউজ্যাল?

05/09/2026

দেশরত্ন শেখ হাসিনার ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তন সফল করার প্রস্তুতি

গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ উপজেলায় সৌদি আরব, শিফা শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি আকরাম হোসেন ফকিরের উদ্যোগে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদী মিছিল

05/09/2026

🔴
দায়মুক্তি | ৮৭তম পর্ব

বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা যুক্ত আছেন ‘দায়মুক্তি’ লাইভ অনুষ্ঠানে।

২০২৪ সালের জুলাই–আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত অপশক্তির আক্রমণের শিকার ও শহীদ হওয়া বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিকদের পরিবারের দুঃখ-দুর্দশা ও নির্যাতনের কথা শুনছেন এবং তাঁদের সঙ্গে কথা বলছেন জননেত্রী শেখ হাসিনা।

০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শনিবার
রাত ৯:৩০টা

সরাসরি সম্প্রচারিত হচ্ছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলে।

05/09/2026


‘দায়মুক্তি’ অনুষ্ঠানে কথা বলবেন জননেত্রী শেখ হাসিনা

৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শনিবার | রাত ৯:৩০টা
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ফেসবুক পেইজ ও ইউটিউব চ্যানেলে

তারেক  বলেছেন, “ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার” এবং “ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার।” কিন্তু প্রশ্ন হলো ,বাস্তবে...
05/09/2026

তারেক বলেছেন, “ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার” এবং “ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার।”

কিন্তু প্রশ্ন হলো ,বাস্তবে তার নেতৃত্বাধীন সরকারের আমলে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও অধিকার কতটা নিশ্চিত হয়েছে?

সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহের আলোকে কী বলছেন দ্য ওয়াল-এর এক্সিকিউটিভ এডিটর অমল সরকার?

Sheikh Hasina | Awami Leauge | Tarique Rahman | Awami Leauge Bangla...

এটা সবার আগে বাংলাদেশ?  না, এটাই সেই টেক ব্যাক বাংলাদেশ!
05/09/2026

এটা সবার আগে বাংলাদেশ?
না, এটাই সেই টেক ব্যাক বাংলাদেশ!

বিদ্যুৎ নেই—তবু বিল আছে!গ্যাস নেই—তবু বিল আসে!মিটার নেই—তবু বিলের যন্ত্রণা আছে!নাগরিক সেবা নেই—তবু ট্যাক্স দিতে হয়!এ কেম...
05/09/2026

বিদ্যুৎ নেই—তবু বিল আছে!
গ্যাস নেই—তবু বিল আসে!
মিটার নেই—তবু বিলের যন্ত্রণা আছে!
নাগরিক সেবা নেই—তবু ট্যাক্স দিতে হয়!
এ কেমন রাষ্ট্রব্যবস্থা?

জ্বালানি সংকট এখন আর কেবল রান্নাঘর বা বিদ্যুৎকেন্দ্রের সমস্যা নয়—এটি মানুষের দৈনন্দিন জীবন, ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিল্প উৎপাদনকে সরাসরি আঘাত করছে, এক ভয়াবহ অন্ধকারে ফেলে দেওয়া হয়েছে দেশকে।

বিদ্যুৎ সংকট ভয়াবহ পর্যায়ে পৌঁছেছে। বিদ্যুৎ নাই, ঠিকই বিল আসছে ২ গুণ বেশি, ৩ গুণ, ৪ গুণ। মিটার নাই, তবুও আসছে বিল। মানুষ অতিষ্ঠ। গ্যাস নাই; তবুও যদি মাঝে মধ্যে দেখা পাওয়া যায়, তা বিল আসে ওই বিদ্যুৎ বিলের মতো। জনজীবন স্থবির হয়ে পড়ছে।

ব্যাংকে টাকা নাই! অধিকাংশ ব্যাংক দেউলিয়া হওয়ার পথে। দেশ চলে মাসিক ৮/৯শ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে। বিদেশি বিনিয়োগ বন্ধ! বন্ধ শত শত কলকারখানা। বেকার লক্ষ লক্ষ শ্রমিক। কর্মসংস্থান নাই। কৃষক সার পায় না। দ্রব্যমূল্যে মানুষ হতবিহ্বল। দেশ দুর্ভিক্ষের দ্বারপ্রান্তে। ওদিকে দেশ বিক্রি, দেশের স্বার্থ, দেশের জনগণের দুঃসময় উপেক্ষা করে, জনগণের ক্ষুধা, যন্ত্রণা আর্তনাদ প্রশমিত না করেই জনগণের পেটে লাথি মেরে কেনা হচ্ছে ২/৩ পদ্মাসেতুর সমান টাকার বোয়িং বিমান।
এ কোন পথে বাংলাদেশ?

এই গণবিরোধী, দেশবিরোধী সরকারের বিরুদ্ধে এখনই সোচ্চার হোন। সংকটের সময়ে জনগণের প্রশ্নটা খুব স্বাভাবিক—
সেবা কোথায়?
গ্যাস কোথায়?
বিদ্যুৎ কোথায়?
আর বিল-ট্যাক্সের বোঝা এত বেশি কেন?

গ্যাস নেই—NO GAS, NO BILL.
সেবা নেই—NO SERVICE, NO TAX.

ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ (২৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৩৬- ৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭১)১৯৩৬ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি নড়াইল জেলার মহিষখোলা গ্...
05/09/2026

ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ (২৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৩৬- ৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭১)

১৯৩৬ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি নড়াইল জেলার মহিষখোলা গ্রামের এক দরিদ্র পরিবারে নূর মোহাম্মদ শেখ জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মোহাম্মদ আমানত শেখ, মাতা জেন্নাতুন্নেসা। অল্প বয়সে বাবা-মাকে হারান ফলে শৈশবেই ডানপিটে হয়ে পড়েন। স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের লেখাপড়া শেষ করে উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি হন। সপ্তম শ্রেণীর পর আর পড়াশোনা করেননি। কৈশোরে তিনি নাটক থিয়েটার ইত্যাদি খুব পছন্দ করতেন। ১৯৫২ সালে নিজ গ্রামেরই সম্পন্ন কৃষক ঘরের মেয়ে তোতাল বিবিকে বিয়ে করেন। তখন তার বয়স মাত্র ১৬ বছর এবং স্ত্রী তোতাল বিবির বয়স মাত্র ১২ বছর। তিনি দুই সন্তানের বাবা ছিলেন। ১৯৫৪ সালের শেষ দিকে তার প্রথম সন্তান হাসিনা খাতুন,এবং ১৯৬৪ সালের ১৫ নভেম্বর তার দ্বিতীয় সন্তান শেখ মো. গোলাম মোস্তফা জন্মগ্রহণ করেন।

যুবক নূর মোহাম্মদ শেখ ১৯৫৯-এর ১৪ মার্চ পূর্ব পাকিস্তান রাইফেলস বা ইপিআর-এ যোগদান করেন।. দীর্ঘদিন দিনাজপুর সীমান্তে চাকরি করে ১৯৭০ সালের ১০ জুলাই নূর মোহাম্মদকে দিনাজপুর থেকে যশোর সেক্টরে বদলি করা হয়। এরপর তিনি ল্যান্স নায়েক পদে পদোন্নতি পান। ১৯৭১ সালে যশোর অঞ্চল নিয়ে গঠিত ৮নং সেক্টরে স্বাধীনতা যুদ্ধে যোগদান করেন। যুদ্ধ চলাকালীন যশোরের শার্শা থানার কাশিপুর সীমান্তের বয়রা অঞ্চলে ক্যাপ্টেন নাজমুল হুদা'র নেতৃত্বে পাক হানাদারদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেন।

গোয়ালহাটির যুদ্ধ: ১৯৭১-এর ৫ সেপ্টেম্বর ছুটিপুরে নিজস্ব প্রতিরক্ষা ব্যূহের সামনে যশোর জেলার গোয়ালহাটি গ্রামে নূর মোহাম্মদকে অধিনায়ক করে পাঁচ জনের সমন্বয়ে গঠিত একটি স্ট্যান্ডিং পেট্রোল পাঠানো হয়। সকাল সাড়ে নয়টার দিকে হঠাৎ পাকিস্তানী সেনাবাহিনী পেট্রোলটি তিন দিক থেকে ঘিরে ফেলে গুলিবর্ষণ শুরু করে। পেছনে মুক্তিযোদ্ধাদের নিজস্ব প্রতিরক্ষা থেকে পাল্টা গুলিবর্ষণ করা হয়। তবু পেট্রোলটি উদ্ধার করা সম্ভব হয় নি। এক সময়ে সিপাহী নান্নু মিয়া গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়লে নূর মোহাম্মদ নান্নু মিয়াকে কাঁধে তুলে নেন এবং হাতের এল.এম.জি দিয়ে এলোপাতাড়ি গুলি চালাতে শুরু করলে শত্রুপক্ষ পশ্চাৎপসরণ করতে বাধ্য হয়। হঠাৎ করেই শত্রুর মর্টারের একটি গোলা এসে লাগে তার ডান কাঁধে যাতে তিনি মারাত্মকভাবে আহত হন।

শত্রুর গোলায় ধরাশয়ী হওয়া মাত্র আহত নান্নু মিয়াকে বাঁচানোর জন্য ব্যাকুল হয়ে উঠেন নূর মোহাম্মদ শেখ। হাতের এল.এম.জি সিপাহী মোস্তফাকে দিয়ে নান্নু মিয়াকে নিয়ে যেতে বললেন এবং মোস্তফার রাইফেল চেয়ে নিলেন যতক্ষণ না ওঁরা নিরাপদ দূরত্বে সরে যেতে সক্ষম হন ততক্ষণ ঐ রাইফেল চালিয়ে দিয়ে শত্রুসৈন্যের অগ্রসারতা ঠেকিয়ে রাখবেন এবং শত্রুর মনোযোগ তার দিকেই কেন্দ্রীভুত করে রাখবেন এই মানসে। অন্য সঙ্গীরা অনুরোধ করলেন তাদের সাথে যাওয়ার জন্যে। কিন্তু তাকে বহন করে নিয়ে যেতে গেলে সবাই মারা পড়বে এই আশঙ্কায় তিনি রণক্ষেত্র ত্যাগ করতে রাজি হলেন না। বাকিদের অধিনায়োকোচিত আদেশ দিলেন তাকে রেখে চলে যেতে।

শেষ পর্যন্ত তার আদেশ অনুসরণ করে তাকে রেখেই নিরাপদে সরে যেতে পারলেন সহযোদ্ধারা। এদিকে সমানে গুলি ছুড়তে লাগলেন রক্তাক্ত নূর মোহাম্মদ। একদিকে পাকিস্তানী সশস্ত্রবাহিনী, সঙ্গে অত্যাধুনিক স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রশস্ত্র, অন্যদিকে মাত্র অর্ধমৃত সৈনিক (ই.পি.আর.) যাঁর সম্বল একটি রাইফেল ও সীমিত গুলি। এই অসম অবিশ্বাস্য যুদ্ধে তিনি শত্রুপক্ষের এমন ক্ষতিসাধন করেন যে তারা এই মৃত্যুপথযাত্রী বীর যোদ্ধাকে বেয়নেট চার্জ করে চোখ দুটো উপড়ে ফেলে এবং মস্তক বিদীর্ন করে ঘিলু ছড়িয়ে ফেলে। পরে সহযোগী সৈনিকেরা এসে পাশের একটি ঝাড় থেকে তার মৃতদেহ উদ্ধার করে।

Address

23, Bangabandhu Avenue
Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bangladesh Awami League posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share