Police Bureau of Investigation

Police Bureau of Investigation মামলা তদন্ত সংক্রান্তে কোন অভিযোগ থাকলে Send Message অপশনে ইনবক্স করুন।
(2)

Police Bureau of Investigation-
A Specialised Investigation Unit of Bangladesh Police;

Maximises the use of scientific tools and modern equipment to investigate cases;

Gradual shifting from oral testimony to physical evidence based investigation;

Maintains good rapport with the court and the prosecution;

Keeping victim and/or complainant updated with the development of cases;

Investigation c

arried out relentlessly to avoid unnecessary delay and

Earns people’s confidence through free, fair and impartial investigation.

স্ত্রীর সাথে পরকিয়ার জেরে স্বামী কর্তৃক পরকিয়া প্রেমিককে হত্যা, অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের, পিবিআই ক...
03/06/2026

স্ত্রীর সাথে পরকিয়ার জেরে স্বামী কর্তৃক পরকিয়া প্রেমিককে হত্যা, অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের, পিবিআই কিশোরগঞ্জ কর্তৃক রহস্য উদঘাটন, ০১ জন আসামী গ্রেফতার ও বিজ্ঞ আদালতে দোষ স্বীকারোক্তি।

গত ০২/০৭/২০২৫ খ্রিঃ তারিখ বিকাল অনুমান ০৬.০০ ঘটিকার সময় ভিকটিম জাহাঙ্গীর তার নিজ বাড়ি থেকে বের হয়ে বাড়ির পশ্চিম দিকে রওনা হয়। গত ০৩/০৭/২০২৫ খ্রিঃ তারিখ বিকাল অনুমান ০৫.৩০ ঘটিকার সময় কিশোরগঞ্জ জেলার কুলিয়ারচর থানাধীন বড়খারচর মধ্যপাড়ায় ঘাসের জমিতে ভিকটিম জাহাঙ্গীর মিয়ার মৃতদেহ পাওয়া যায়। এই ঘটনায় ভিকটিমের মাতা দিলুয়ারা বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে কুলিয়ারচর থানার মামলা নং-০৫, তারিখ- ০৪/০৭/২০২৫ খ্রিঃ, ধারা- ৩০২/২০১/৩৪ পেনাল কোড দায়ের করেন। থানা পুলিশ ০২ (দুই) মাস মামলাটি তদন্ত করে । পিবিআই, কিশোরগঞ্জ জেলা মামলাটি স্ব-উদ্যোগে গ্রহণ করে। পিবিআই এর তদন্তকারী দল তথ্যপ্রযুক্তি, গোয়েন্দা তথ্য এবং পারিপার্শ্বিক সাক্ষ্য-প্রমাণ বিশ্লেষন করে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ০২ (দুই) জন আসামী শনাক্ত করেন। পরবর্তীতে অভিযান পরিচালনা করে কিশোরগঞ্জ জেলার কুলিয়ারচর থানা এলাকা হতে তদন্তে প্রাপ্ত সন্দিগ্ধ আসামী ১। হুসনা খাতুন (৪৫), কুলিয়ারচর, কিশোরগঞ্জ‘কে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামী হুসনা পিবিআই এর জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে এবং পরবর্তীতে ০২/০৬/২০২৬ খ্রিঃ তারিখে বিজ্ঞ আদালতে সিআরপিসি ১৬৪ ধারা মোতাবেক স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।

পিবিআই এর তদন্ত ও আসামীর জবানবন্দি থেকে জানা যায় যে, ভিকটিম জাহাঙ্গীর এর বিবাহের পূর্বে আসামী হুসনার সাথে পরকিয়া প্রেমের সম্পর্ক ছিলো। তাদের প্রায় সময়ই শারীরিক সম্পর্ক হতো। ভিকটিম জাহাঙ্গীর বিবাহ করার পর বেশ কয়েক বছর তাদের মধ্যে সম্পর্ক ছিলো না। পরবর্তীতে অত্র মামলার ঘটনার আনুমানিক ০৩ বছর পূর্ব থেকে তাদের মধ্যে পুনরায় পরকিয়া সম্পর্ক শুরু হয়। তখন থেকে আবারও মাঝে মধ্যেই জাহাঙ্গীর ও আসামী হুসনার মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক হতো। এরই ধারাবাহিকতায় অত্র মামলার ঘটনার দিন জাহাঙ্গীর রাত অনুমান ০৮.০০ ঘটিকার সময় আসামী হুমনাকে অত্র মামলার ঘটনাস্থল কুলিয়ারচর থানাধীন বড়খারচর মধ্যপাড়া যেতে বলে। তখন আসামী হুসনা জাহাঙ্গীরের সাথে আসাদ মিয়ার নেপিয়ার ঘাসের জমিতে যায়। সেখানে তারা শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হয়। তারা শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত থাকা অবস্থায় আসামী হুসনা এর স্বামী শহীদ বিষয়টি টের পেয়ে একটি ছুড়ি নিয়ে এসে জাহাঙ্গীরের উপর আক্রমন করে তার পিঠে ও পেটে আঘাত করে তাকে হত্যা করে। জাহাঙ্গীরের মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর আসামী শহীদ রশি দিয়ে তার হাত ও পা বেধে ঘটনাস্থলে ফেলে রেখে চলে যায়। ঘটনার সঙ্গে জড়িত পলাতক আসামী শহীদ‘কে গ্রেফতারে লক্ষ্যে অভিযান ও তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত আছে।

২৪ ঘন্টার মধ্যে গ্যাং রেপ সহ নৃশংস হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন এবং ০৪ জন আসামীর দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদানগত ২৯...
31/05/2026

২৪ ঘন্টার মধ্যে গ্যাং রেপ সহ নৃশংস হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন এবং ০৪ জন আসামীর দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদান

গত ২৯/০৫/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ গজারিয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়ি একটি অজ্ঞাতনামা মহিলা এর লাশ গজারিয়া থানাধীন টেংগারচর ইউ্নিয়নের বড় ভাটেরচর সাকিনের ‍পশু ডাক্তার জনৈক সাইফুল ইসলাম এর বসত বাড়ির পূর্ব ‍পাশে ফুলদী নদী হতে ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার করে। পিবিআই, মুন্সীগঞ্জ জেলা ভিকটিমের পরিচয় সণাক্ত করে। ভিকটিমের নাম-হালিমা আক্তার (১৯), পিতা-মহাসিন বেপারী, মাতা-আয়েশা আক্তার, সাং-জামালদী, ইউপি-হোসেন্দী, থানা-গজারিয়া, জেলা-মুন্সীগঞ্জ। এই ঘটনায় ভিকটিমের বোন হোসনেয়ারা আক্তার বৃষ্টি বাদী হয়ে গজারিয়া থানার মামলা নং-৩৯, তারিখ-৩০/০৫/২০২৬ খ্রি: ধারা-৩০২/২০১/৩৪ পেনাল কোড দায়ের করে। গত ৩০/০৫/২০২৬ খ্রি. তারিখে পিবিআই মুন্সীগঞ্জ জেলা স্ব-উদ্যোগে মামলাটির তদন্তভার গ্রহণ করে এবং বর্তমানে এসআই (নিঃ) রনি দেবনাথ তদন্ত করছেন।

পিবিআই এর তদন্তকারী কর্মকর্তা তথ্য প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আসামী ১। আবু কালাম (৪৮), পিতা-আম্বর আলী, মাতা-ফুলমতী, সাং-উত্তর আব্দুল্লাহপুর, ডাক-আব্দুল্লাহপুর-২৩৭১, থানা-অষ্টগ্রাম, জেলা-কিশোরগঞ্জ, এপি-মজিবরের বাড়ির ভাড়াটিয়া, সাং-বড় ভাটেরচর, ডাক-মধ্য ভাটেরচর, সর্বথানা-গজারিয়া, জেলা-মুন্সীগঞ্জ, ২। মো: জামাল হোসেন (৪৪), পিতা-মো: ইছহাক আলী, মাতা-মিনোরা বেগম, সাং-বড় ভাটেরচর, ডাক-মধ্য ভাটেরচর-১৫১০, ৩। মো: রাসেল মিয়া(৪৪), পিতা-মো: ধন মিয়া, মাতা-ফিরোজা বেগম, সাং-বড় ভাটেরচর (শিকদারবাড়ি), ডাক-মধ্য ভাটেরচর-১৫১০, ৪। মো: আলামিন প্রধান(৫০), পিতা-মৃত মনির হোসেন, মাতা-মৃত ভারদিয়া, সাং-বড় ভাটেরচর, ডাক-মধ্য ভাটেরচর, সর্বথানা-গজারিয়া, জেলা-মুন্সীগঞ্জ’ সনাক্ত করে তাদের গজারিয়া থানাধীন বড় ভাটেরচর এলাকা হতে গত ৩০/০৫/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করে এবং আসামীরা বিজ্ঞ আদালতে ফৌঃ কাঃ বিঃ ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।

তদন্তকালে প্রাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণে ও আসামীদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি হতে জানা যায়, আবু কালাম এর নিকট ভিকটিম হালিমা আক্তার অনুমান ২৫,০০০/- টাকা ও আসামী রাসেল এর নিকট ভিকটিম ১০,০০০/- টাকা পেত এবং ভিকটিমের সাথে আসামী জামাল শারীরিক সম্পর্ক করার সময় জামাল এর নিকট আত্নীয় দেখে ফেলায় ভিকটিম তাদের সম্পর্কে কথা অন্যকোথাও বলে দিতে পারে তাহাতে জামাল এর এলাকায় মানসম্মান নষ্ট হওয়ার সম্ভবনা থাকায় ভিকটিমকে টাকা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহন করে। ঘটনার অনুমান ১৫ দিন পূর্বে আসামী আবু কালাম, জামাল, রাসেল ও আলামিন গজারিয়ার হামর্দদ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে ভিকটিম হালিমা আক্তারকে মারার পরিকল্পনা করেন। উক্ত পরিকল্পনা মোতাবেক গত ২৬/০৫/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ সন্ধ্যার পর কৌশলে আসামীরা ডিসিস্ট হালিমা আক্তারকে ডেকে বড় ভাটেরচর নদীর পাশে ডেকে নিয়ে আসেন এবং একটি নৌকায় করে নদীর ওপারে চকের ভিতরে ভুট্টা ক্ষেতের মাঝখানে নিয়ে সবাই মিলে জোরপূর্বক পালাক্রমে ধর্ষণ করে গলায় ডিসিস্টের পরিহিত প্যান্ট/টাইস দিয়ে গলায় পেঁচিয়ে ফাস লাগিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে লাশ গোপন করার উদ্দেশ্যে নদীতে ফেলে দেয়।

মামলার তদন্ত অব্যহত রয়েছে।

পিবিআই কর্তৃক নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে আলোচিত মস্তকবিহীন আব্রাহাম হত্যা মামলার মূল পরিকল্পনাকারীকে ইন্টারপোলের সহযোগিতায় ...
27/05/2026

পিবিআই কর্তৃক নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে আলোচিত মস্তকবিহীন আব্রাহাম হত্যা মামলার মূল পরিকল্পনাকারীকে ইন্টারপোলের সহযোগিতায় কাতার থেকে গ্রেফতার; দেশে আনার পর আদালতে সোপর্দ, ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি

গত ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫ সকালে আড়াইহাজার উপজেলার শ্রীনিবাসদী এলাকার একটি বালুর মাঠ সংলগ্ন রাস্তার পাশে মস্তকবিহীন এক যুবকের লাশ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। পরে পিবিআই নারায়ণগঞ্জের ক্রাইমসিন টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংগ্রহের মাধ্যমে নিহতের পরিচয় শনাক্ত করে। নিহত ব্যক্তি রাজবাড়ী জেলার পাংশা থানার বাসিন্দা আব্রাহাম খান প্রকাশ আলিম খান (২৭)। এই ঘটনায় আড়াইহাজার থানার মামলা নং-১৪, তারিখ ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ধারা ৩০২/২০১/৩৪ পেনাল কোড রুজু হয়। পিবিআই এর সিডিউলভুক্ত মামলা হওয়ায় পিবিআই স্ব-উদ্যোগে মামলার তদন্তভার গ্রহণ করে এবং এসআই (নিঃ) মোঃ জাহিদ হোসেন রায়হান তদন্ত করছেন।

পিবিআই এর তদন্তে জানা যায় যে, নিহত আব্রাহাম খানের সঙ্গে গ্রেফতারকৃত আসামি রাব্বির খালার পরকীয়ার সম্পর্ক ছিল। বিষয়টি জানাজানি হলে আব্রাহাম তাকে ব্ল্যাকমেইল করতে শুরু করেন। এর জের ধরে রাব্বি, তার খালা এবং অন্যান্য সহযোগীরা মিলে হত্যার পরিকল্পনা করে। ঘটনার একদিন আগে বিদেশ থেকে গোপনে দেশে আসেন মূল পরিকল্পনাকারী মোবারক মন্ডল। পরে ১৫ ডিসেম্বর পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী আব্রাহামকে আড়াইহাজারে ডেকে এনে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। হত্যার পর মরদেহ থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করে তা গোপন করার চেষ্টা করা হয়, যাতে নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা না যায়। ঘটনার পর মোবারক মন্ডল পুনরায় বিদেশে পালিয়ে যান।

পিবিআই এর তদন্তকারী কর্মকর্তা আন্তর্জাতিক আইনি প্রক্রিয়া ও ইন্টারপোলের সহায়তায় কাতারে তার অবস্থান শনাক্ত করতে সক্ষম হয় এবং ইন্টারপোলের সহযোগিতায় অজ ২৭/০৫/২০২৬ ইং তারিখে
তাকে গ্রেফতার করে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হয়।

মামলার অন্যান্য অজ্ঞাতনামা আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মামলার তদন্ত কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।

পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)এর পবিত্র ঈদ-উল-আয্হা উপলক্ষে দেশ ও বিদেশে অবস্থানরত সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মো...
27/05/2026

পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)
এর পবিত্র ঈদ-উল-আয্হা উপলক্ষে দেশ ও বিদেশে অবস্থানরত সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক।
ত্যাগ, সহমর্মিতা ও মানবিক মূল্যবোধের মহান শিক্ষা আমাদের ব্যক্তিগত, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবনে শান্তি, সম্প্রীতি ও কল্যাণ বয়ে আনুক—এই কামনা রইলো।
সবার ঈদ হোক আনন্দময়, নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ।

ঈদ মোবারক।

ইতালিতে পাঠানোর কথা বলে লিবিয়ায় অমানবিক নির্যাতনের মাধ্যমে মোট ৬৩ লাখ টাকা আদায়,  ভিকটিম উদ্ধার, গ্রেফতার-৩, ব্যাংক একাউ...
26/05/2026

ইতালিতে পাঠানোর কথা বলে লিবিয়ায় অমানবিক নির্যাতনের মাধ্যমে মোট ৬৩ লাখ টাকা আদায়, ভিকটিম উদ্ধার, গ্রেফতার-৩, ব্যাংক একাউন্ট ফ্রিজ, স্বীকারোক্তি

প্রতিবেশি রিয়াজুলের সাথে চুক্তির মাধ্যমে একটি চক্র ভিকটিম সোহেলকে ইতালি পাঠানোর কথা বলে মোট ২৩ লাখ টাকা নিয়ে ভিকটিমকে লিবিয়ার ত্রিপলী শহরে নিয়ে গিয়ে অপহরণকারীদের নিকট বিক্রি করে দেয়। সেখানে তাকে জিম্মি করে পরিবারের সদস্যদের নিকট থেকে মুক্তিপণ দাবি করা হয়।

অপহরণকারীরা বিভিন্ন অজুহাতে ভিকটিমের পরিবারের কাছ থেকে প্রায় ৬৩ লক্ষ টাকা আদায় করা হয়।

পরবর্তীতে ভিকটিমের স্ত্রী উর্মি বেগম বাদী হয়ে রিয়াজুলসহ এজাহারনামীয় ১১ জন এবং ৫-৬ জন অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে তুরাগ থানায় মামলা নং-০৭, তারিখ ০৬/০৪/২০২৬, মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০২৬ এর ৬/৭/২২/২৩ ধারায় মামলা দায়ের করেন।

মামলাটি পিবিআই, ঢাকা মেট্রো (উত্তর) গত ০৬/০৪/২৬ খ্রি. তারিখে স্ব-উদ্যোগে তদন্তের দায়িত্ব গ্রহণ করে। পিবিআই কর্তৃক গত ২১ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে মামলার এজাহারনামীয় আসামী টিটু মীর ও রহিমা বেগমকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন জব্দ করে ইমো ও হোয়াটসঅ্যাপের বিভিন্ন বার্তা, ভয়েস কল ও লেনদেন সংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়। এতে বাদীর নিকট মুক্তিপণের টাকা দাবি, বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব নম্বর প্রদান, বিদেশে অবস্থানরত রিয়াজুলের নির্দেশনা এবং আলাউদ্দিন ও হিমেলের সঙ্গে যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়। এছাড়াও গোয়েন্দা তথ্য ও আর্থিক লেনদেন বিশ্লেষণ করে কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া থানা এলাকা হতে আসামী ইসমাইল দেওয়ানকে আটক করা হয়।

তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে মানব পাচার চক্রের ব্যবহৃত একাধিক ব্যাংক হিসাব বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)-এর সহায়তায় ফ্রিজ করা হয়েছে। পিবিআই’র ধারাবাহিক অভিযান ও তদন্ত কার্যক্রমের ফলে চক্রটির সদস্যরা চাপে পড়ে লিবিয়ায় অবস্থানরত ভিকটিম সোহেলকে ত্রিপলীর একটি অজ্ঞাত স্থানে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় প্রবাসী বাংলাদেশীদের সহায়তায় তিনি নিরাপদ আশ্রয় গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে পিবিআই, ইউএনওডিসি, লিবিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা আইওএম (ইউএন মাইগ্রেশন)-এর সমন্বয়ে ভিকটিমকে নিরাপদ হেফাজতে নেওয়া হয়। গত ০৩ মে ২০২৬ তারিখে তাকে লিবিয়ার ত্রিপলীতে আইওএম-এর নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে স্থানান্তর করা হয়।

সর্বশেষ গত ২৫ মে ২০২৬ তারিখে ভিকটিম সোহেলকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে পিবিআই হেফাজতে গ্রহণ করে। তিনি ইতোমধ্যে বিজ্ঞ আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি প্রদান করেছেন।

আসামী রহিমা বেগম বিজ্ঞ আদালতে 164 ধারা মোতাবেক জবানবন্দি প্রদান করেছে। মানব পাচারকারী আন্তর্জাতিক চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যান্য পলাতক আসামীদের গ্রেফতার এবং অর্থপাচারের নেটওয়ার্ক উদঘাটনের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

মামলাটির তদন্ত চলমান।

যশোরে ইউনুস আলী (৪৭) হত্যাকান্ডের অন্যতম প্রধান আসামী সোহেল রানা গ্রেফতার, গামছা উদ্ধার ও ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবা...
26/05/2026

যশোরে ইউনুস আলী (৪৭) হত্যাকান্ডের অন্যতম প্রধান আসামী সোহেল রানা গ্রেফতার, গামছা উদ্ধার ও ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান।

অত্র মামলার ভিকটিম ইউনুস আলী (৪৭) বেনাপোল পোর্ট থানাধীন গাতিপাড়া গ্রামস্থ তার শ্বশুর বাড়িতে তার মা এবং স্ত্রী তাসলীমা খাতুনের সাথে বসবাস করতো। এই মামলার ঘটনার তিনদিন পূর্বে তাসলীমা খাতুন তার মেয়েকে সাথে নিয়ে খুলনাস্থ মেয়ের বাড়িতে বেড়াতে যায়। গত ২২/০৪/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ ইউনুস আলী এবং তার মা বাড়িতে থাকা অবস্থায় ঐদিনই দুপুর অনুমান ১৫:০০ ঘটিকার সময় ধৃত আসামী তরিকুল ইসলাম ইউনুস আলীকে তার বাড়ি হতে কাজের উদ্দেশ্যে ডেকে নিয়ে রহমতপুর সাকিনস্থ অত্র মামলার তদন্তে প্রাপ্ত পলাতক আসামী রানা এর বাড়িতে নিয়ে যায়। তথায় অত্র হত্যাকান্ডের মূল আসামী আনোয়ার হোসেন এবং তার সাথে থাকা রানা ইউনুস আলীকে পেয়ে ধাক্কাতে ধাক্কাতে রুমের ভিতরে নিয়ে যায় এবং সেখানেই ইউনুস আলীকে মারপিট এবং শারীরিক নির্যাতনসহ শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করে। পরবর্তীতে ভিকটিমের মৃতদেহ অপর ধৃত আসামী সবুজের মোটর সাইকেল যোগে অত্র মামলার ঘটনাস্থল বেনাপোল পোর্ট থানাধীন বেনাপোল টু পুটখালী রোডস্থ চারা বটতলা নামক স্থানে ফেলে আসে। বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশ মৃতদেহের সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করতঃ মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ণয়ের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল, যশোর মর্গে প্রেরণ করেন। উক্ত ঘটনা সংক্রান্তে ভিকটিমের ভাই ইউসুফ আলী বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করলে যশোর জেলার বেনাপোল পোর্ট থানার মামলা নং-১৫, তারিখ-২৩/০৪/২০২৬ খ্রিঃ, ধারা-৩০২/২০১/৩৪ পেনাল কোড রুজু হয়।

উক্ত মামলাটি পিবিআই যশোর জেলা স্বউদ্যোগে গ্রহণ করে মামলার তদন্তভার এসআই (নিঃ) রতন মিয়া এর উপর অর্পণ করে। তদন্তকালে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হত্যাকান্ডে জড়িত আসামী ০১। মোঃ তরিকুল ইসলাম (৪০) ও ০২। মোঃ সবুজ হোসেন (২১) দ্বয়কে গত ২৭/০৪/২০২৬ খ্রিঃ গ্রেফতারপূর্বক বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করলে, আসামী তরিকুল ইসলাম বিজ্ঞ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে। অত্র মামলার ঘটনার পরপরই হত্যাকান্ডের অন্যতম আসামীসহ ঘটনায় জড়িত অন্যান্য আসামীরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে চয়ে যায়।

তদন্ত ও তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে পুলিশ পরিদর্শক রিপন কুমার সরকার, পিবিআই, যশোর জেলার নেতৃত্বে আভিজানিক দল কর্তৃক গত ২৪/০৫/২০২৬ তারিখ রাত অনুমান ১১.১৫ ঘটিকার সময় আসামী ০১। মোঃ সোহেল রানা(২৬), পিতা-মোঃ কুদ্দুস সিকদার, মাতা-মৃত রিজিয়া পারভীন, সাং-রহমতপুর, ডাকঘর-বালুন্ডা, থানা-বেনাপোল পোর্ট, জেলা-যশোরকে যশোর জেলার শার্শা থানাধীন গোগা এলাকা হতে গ্রেফতার করা হয়। ধৃত আসামী সোহেল রানা এর স্বীকারোক্তি এবং দেখানো মতে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত গামছা তদন্তেপ্রাপ্ত পলাতক আসামী আনোয়ার হোসেনের বসত ঘর থেকে সাক্ষীদের সম্মুখে উদ্ধারপূর্বক জব্দ তালিকা মূলে জব্দ করা হয়।

তদন্তে জানা যায়, ধৃত আসামী সোহেল রানা, তদন্তেপ্রাপ্ত পলাতক আসামী আনোয়ার হোসেন ও পূর্বে গ্রেফতারকৃত আসামী তরিকুল ইসলামগণ মিলে গত ২২/০৪/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ অত্র মামলার ভিকটিম ইউনুস আলীকে ধৃত আসামী রানা এর বসত ঘরের ভিতর গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে এবং ঘটনার দিন রাতেই লাশ গোপন করার উদ্দেশ্যে তদন্তেপ্রাপ্ত আসামী সবুজ হোসেনের মোটরসাইকেলযোগে মৃতদেহ অত্র মামলার ঘটনাস্থলে ফেলে রেখে আসে মর্মে স্বীকার করে।

গ্রেফতারকৃত আসামী ০১। মোঃ সোহেল রানা (২৬) কে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করলে আসামী ফৌঃ কাঃ বিঃ ১৬৪ ধারা মোতাবেক বিজ্ঞ আদালতে হত্যাকান্ডে জড়িত মর্মে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।

পবিত্র ওমরাহ হজে পাঠানোর কথা বলে ২০ লাখ টাকা আত্মসাৎ: পিবিআই বগুড়ার অভিযানে প্রতারক চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার,  স্বীকারোক্...
20/05/2026

পবিত্র ওমরাহ হজে পাঠানোর কথা বলে ২০ লাখ টাকা আত্মসাৎ: পিবিআই বগুড়ার অভিযানে প্রতারক চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার, স্বীকারোক্তি

বগুড়ার “ব্রাদার্স ট্রাভেলস এন্ড ট্যুরস্ হজ এজেন্সি” নামীয় প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী মোঃ আবু তালেব কাজল মামলার বাদীসহ মোট ১৫ জন ব্যক্তির নিকট থেকে পবিত্র ওমরাহ হজ পালনের জন্য সৌদি আরবে পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে সর্বমোট ২০,০০,০০০/- (বিশ লাখ) টাকা গ্রহণ করে। কিন্তু পরবর্তীতে বাদীসহ ওমরাহ পালনেচ্ছু ব্যক্তিদের সৌদি আরবে না পাঠিয়ে বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকে। একপর্যায়ে প্রতারক চক্রটি ভুক্তভোগীদের মোবাইল ফোনে ভুয়া ভিসা ও বিমানের টিকিট পাঠিয়ে তাদের প্রতারণার ফাঁদে আটকে রাখে। পরবর্তীতে বাদীসহ অন্যান্য ভুক্তভোগী ওমরাহ হজে যেতে ব্যর্থ হয়ে তাদের প্রদানকৃত টাকা ফেরত চাইলে আসামি মোঃ আবু তালেব কাজল টাকা ফেরত না দিয়ে বগুড়াস্থ অফিস বন্ধ করে আত্মগোপনে চলে যায়। এ ঘটনায় ভিকটিম মোঃ দেলোয়ার হোসেন পশারী হিরুর অভিযোগের প্রেক্ষিতে মোঃ আবু তালেব কাজলসহ ০৩ জন আসামির বিরুদ্ধে বগুড়া সদর থানায় মামলা নং–৬১, তারিখ–২৩/০১/২০২৬ খ্রিঃ, ধারা–৪০৬/৪২০ পেনাল কোডে একটি প্রতারণা মামলা রুজু হয়।

মামলাটি তদন্তাধীন অবস্থায় পিবিআই-এর সিডিউলভুক্ত হওয়ায় পিবিআই বগুড়া জেলা স্ব-উদ্যোগে তদন্তভার গ্রহণ করে এবং এসআই (নিরস্ত্র) মোঃ আকতারুল ইসলামকে তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ করা হয়। পিবিআই-এর তদন্তকারী দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গত ১৮/০৫/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ দুপুর আনুমানিক ১৩:৩০ ঘটিকায় প্রতারক চক্রের মূলহোতা মোঃ আবু তালেব কাজল (৪০)-কে ডিএমপি ঢাকার ভাটারা থানাধীন প্রগতি স্মরণী এলাকা থেকে গ্রেফতার করে। পিবিআই-এর জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামি ২০ লাখ টাকা আত্মসাতের বিষয়টি স্বীকার করে। পরবর্তীতে তাকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হলে সে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় নিজের দোষ স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে। ঘটনাটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর হওয়ায় এবং পিবিআই বগুড়া স্বল্পসময়ের মধ্যে মূল আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হওয়ায় এলাকায় পিবিআই তথা বাংলাদেশ পুলিশের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল হয়েছে।

এ ঘটনার পর একই প্রতারক চক্রের মাধ্যমে প্রতারিত আরও কয়েকজন হজ পালনেচ্ছু ব্যক্তি পিবিআই বগুড়া জেলার সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাদের সংশ্লিষ্ট থানায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে।

মাদক-জুয়ায় আসক্ত বাবার হাতেই নিজের সন্তান অপহরণপূর্বক পাচার; পিবিআই কর্তৃক ২৮ দিন পর ঘটনার রহস্য উদঘাটনসহ শিশু উদ্ধার, শ...
20/05/2026

মাদক-জুয়ায় আসক্ত বাবার হাতেই নিজের সন্তান অপহরণপূর্বক পাচার; পিবিআই কর্তৃক ২৮ দিন পর ঘটনার রহস্য উদঘাটনসহ শিশু উদ্ধার, শিশুর পিতাসহ গ্রেপ্তার-০৩, ০১ জনের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি,

গত ২১ এপ্রিল ২০২৬ খ্রি. তারিখে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি বুকস গার্ডেন এলাকা থেকে পাঁচ বছর বয়সী শিশু আরিয়ান ও ২৮ দিন বয়সী শিশু আব্দুর রহমান জুবায়েতকে পরিকল্পিতভাবে অপহরণ করা হয়। এ ঘটনায় শিশুদের মাতা ঝর্না আক্তা বাদী হয়ে তার স্বামী মোঃ মেজবাহ উদ্দিন ও এমদাদুল হক রব্বানীসহ অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার মামলা নং-৩১, তারিখ ১৩/০৫/২৬ খ্রি., ধারাঃ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন ২০১২ এর ৬/৭/৮/১০ ধারায় মামলা দায়ের করেন। পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের নির্দেশে পিবিআই নারায়ণগঞ্জ জেলা মামলাটির তদন্তভার গ্রহণ করে। বর্তমানে পিবিআই নারায়ণগঞ্জের এসআই (নিঃ)মোঃ ফরহাদ বিন করিম মামলাটি তদন্ত করছেন।

পিবিআই গত ১৮/০৫/২০২৬ ইং তারিখে ডিএমপি ঢাকার বনানী কড়াইল বস্তির টিএনটি গেইট এলাকা থেকে মূল আসামী এমদাদুল হক রাব্বানীকে গ্রেফতার করে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সাভারের আড়াপাড়া নিঝুমনিবাস এলাকা থেকে অপর শিশু আরিয়ানকে উদ্ধারসহ মেজবাহ উদ্দিনকে গ্রেফতার করা হয় এবং পল্লবী থানার একটি বাসা থেকে নূর-ই-নাসরিনকে গ্রেফতার এবং তার হেফাজত হতে ২৮ দিন বয়সী শিশু আব্দুর রহমান জুবায়েতকে উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামীদের মধ্যে শিশুদের পিতা মেজবাহ উদ্দিন বিজ্ঞ আদালতে ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।

পিবিআই এর তদন্তে জানা যায় যে, গ্রেফতারকৃত ২ নং আসামী এমদাদুল হক রাব্বানী একটি সংঘবদ্ধ মানব পাচার চক্রের সক্রিয় সদস্য। সে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে সহযোগীদের সহায়তায় দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন এলাকার দরিদ্র ও অসচ্ছল পরিবারকে টার্গেট করে অর্থের প্রলোভন ও কৌশলে শিশু সংগ্রহ করে পাচার করত। তদন্তে তার বিরুদ্ধে পূর্বেও একাধিক শিশু পাচারের তথ্য পাওয়া গেছে। এছাড়া ১ নং আসামী মেজবাহ উদ্দিন মাদক ও অনলাইন জুয়ার সাথে জড়িত। এসব কারণে তার আর্থিক সংকট সৃষ্টি হলে অর্থের প্রয়োজন মেটাতে এবং দ্রুত টাকা লাভের উদ্দেশ্যে সে নিজের দুই শিশুসন্তানকে মানব পাচার চক্রের সদস্যদের কাছে ২ লক্ষ ৭০ হাজার টাকায় বিক্রি করেন।

বিজ্ঞ আদালতে ২২ ধারায় শিশু শিশু আরিয়ানের জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে। চক্রের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে।

মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

কম্বোডিয়ায় বাংলাদেশি নাগরিককে আটকে রেখে  নির্যাতন ও মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনায় পিবিআই কুষ্টিয়া কর্তৃক মানব পাচার চক্রের ...
20/05/2026

কম্বোডিয়ায় বাংলাদেশি নাগরিককে আটকে রেখে নির্যাতন ও মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনায় পিবিআই কুষ্টিয়া কর্তৃক মানব পাচার চক্রের মূল আসামি গ্রেফতার

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের বাসিন্দা মোঃ রাজু আহমেদকে (২৯) প্রতারণার মাধ্যমে কম্বোডিয়ায় পাচার করে মোট ৬,৯০,৩৩০/- টাকা আদায় এবং শারীরিক নির্যাতনের ঘটনায় পিবিআই কুষ্টিয়া জেলা তদন্ত পরিচালনা করে। তদন্তে এজাহারনামীয় ১নং আসামিসহ মোট ১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং ভিকটিম পালিয়ে দেশে ফিরে আসেন। গ্রেফতারকৃত আসামি মোঃ ফিরোজ হোসেন বিজ্ঞ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন।

কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর থানাধীন খলিসাকুন্ডি গ্রামের বাসিন্দা ভিকটিম মোঃ রাজু আহমেদকে ঝিনাইদহের শৈলকুপার আসামি মোঃ ফিরোজ হোসেন এবং মোঃ সুমন হোসেন @ কামাল বিদেশে ভালো কাজের প্রলোভন দিয়ে ৪,৫০,০০০/- টাকা হাতিয়ে নেন এবং পরিকল্পিতভাবে কম্বোডিয়ায় পাচার করেন। কম্বোডিয়ায় পৌঁছানোর পর ভিকটিমকে আটক রেখে ইলেকট্রিক শক, চড়, কিল ও ঘুষি দিয়ে নির্যাতন করা হয় এবং পরিবারের কাছ থেকে ৫,০০০ মার্কিন ডলার মুক্তিপণ দাবি করা হয়। ভিকটিমের পরিবারের নিকট থেকে ডাচ-বাংলা ব্যাংক পিএলসি, কুষ্টিয়া শাখার অ্যাকাউন্ট, ডাচ-বাংলা ব্যাংক রকেট অ্যাকাউন্ট এবং ইস্যুকৃত ডুয়েল কারেন্সি মাল্টি ন্যাশনাল ভিসা কার্ডের মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে মুক্তিপণ বাবদ ২,৪০,৩৩০/- টাকাসহ সর্বমোট ৬,৯০,৩৩০/- টাকা আদায় করে।

ভিকটিম ০৯/০২/২০২৬ তারিখে আসামিদের কবল থেকে পালিয়ে দেশে ফিরে দৌলতপুর থানায় এজাহার দায়ের করেন। এজাহারের ভিত্তিতে দৌলতপুর থানার মামলা নং-৩২, তারিখ ১১/০৫/২০২৬, মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন অধ্যাদেশ ২০২৬-এর ৬(২), ৭, ১০(২), ২২ এবং পেনাল কোডের ৩২৩ ধারায় মামলা রুজু হয়। মামলাটি পিবিআই-এর সিডিউলভুক্ত হওয়ায় পিবিআই কুষ্টিয়া জেলা স্ব-উদ্যোগে তদন্তভার গ্রহণ করে।

এসআই (নিঃ) মোঃ মাহাবুর রহমান মামলার তদন্তভার গ্রহণ করেন। তদন্তকালে গত ১৭/০৫/২০২৬ তারিখে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অনুসন্ধান কুষ্টিয়া জেলার কুষ্টিয়া শহরের চৌড়হাস এলাকায় অভিযান চালিয়ে উক্ত মামলার এজাহারনামীয় গুরুত্বপূর্ণ ১নং আসামি মোঃ ফিরোজ হোসেন (৪৪), পিতা: সাহেব আলী, মাতা: জামেলা খাতুন, সাং-দুর্বাচারা, থানা-শৈলকুপা, জেলা-ঝিনাইদহ কে গ্রেফতার করা হয়।

আসামি মোঃ ফিরোজ হোসেন জানান, তিনি ও অপর আসামি মোঃ সুমন হোসেন @ কামাল পরস্পর পরিকল্পিতভাবে ভিকটিমকে বিদেশে ভালো কাজের সুযোগ দেওয়ার মিথ্যা প্রলোভন দিয়ে অর্থ আদায় করেন এবং কম্বোডিয়ায় পাচার করেন। সেখানে আসামি সুমন ও স্থানীয় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা ভিকটিমকে আটকে রেখে শারীরিক নির্যাতন করে পরিবারের কাছ থেকে মুক্তিপণ আদায় করেন। পরবর্তীতে ১৮/০৫/২০২৬ তারিখে গ্রেফতারকৃত আসামি বিজ্ঞ আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। মামলায় জড়িত অন্যান্য পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে পিবিআই-এর অভিযান ও তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

২৪ ঘন্টার মধ্যে প্রেমেরে জেদ থেকে ঘটা হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন, মূল আসামীদের গ্রেফতার, আলামত জব্দ ও স্বীকারোক্তিমূলক জব...
20/05/2026

২৪ ঘন্টার মধ্যে প্রেমেরে জেদ থেকে ঘটা হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন, মূল আসামীদের গ্রেফতার, আলামত জব্দ ও স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি
গত ১৮/০৫/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ বিকাল অনুমান ১৬.৩০ ঘটিকায় শেরপুর সদর থানা পুলিশ কর্তৃক সংবাদ পাওয়া যায় শেরপুর সদর থানাধীন চরপক্ষীমারী ইউনিয়নের নতুন বাগলগড় গ্রামের জনৈক মানিক মাস্টারের বাড়ীর ১৫০ গজ উত্তর দিকে সোহেল মিয়ার নেপিয়ার ঘাসের ক্ষেতে দেহ থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন অর্ধগলিত একজন অজ্ঞাতনামা পুরুষের লাশ পাওয়া গিয়েছে। মৃতের পিতা ঘটনাস্থলে গিয়ে মৃতদেহের পরিহিত ট্রাউজার এবং জুতা দেখে মৃতদেহটি তার ছেলে আলামিনের বলে শনাক্ত করে এবং নিজে বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে শেরপুর সদর থানার মামলা নং-৩৯, তারিখ-১৯/০৫/২০২৬ খ্রিঃ, ধারা-৩০২/২০১/৩৪ পেনাল কোড মামলা দায়ের করেন। মামলাটি পিবিআই, হেডকোয়ার্টার্স এর মাধ্যমে পিবিআই, জামালপুর জেলা স্ব-উদ্যোগে গ্রহণ করে মামলার তদন্তভার এসআই (নিঃ)/ফয়জুর রহমান এর উপর অর্পণ করা হয়।
জনাব মোঃ মোস্তফা কামাল, অ্যাডিশনাল আইজিপি, পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকা এর সঠিক তত্ত্বাবধান ও দিক নির্দেশনায় পিবিআই, জামালপুর ইউনিট ইনচার্জ পুলিশ সুপার জনাব পংকজ দত্ত, পিপিএম এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে মৃতদেহটি পাওয়ার পর হতেই পিবিআই, জামালপুর ইউনিট মামলার রহস্য উদঘাটনের লক্ষ্যে ছায়াতদন্ত শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় তথ্য প্রযুক্তি সহায়তায় অত্র মামলার আসামী শুভ (১৯), পিতা-মোঃ উজ্জল, মাতা-হামিদা বেগম, সাং-পাথালিয়া সন্ধিক্লাব, থানা ও জেলা-জামালপুরকে ১৯/০৫/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ, বিকাল ১৭.৩০ ঘটিকার সময় শেরপুর জেলার বাগলগড় গুচ্ছগ্রাম এলাকা হতে গ্রেফতার করা হয়।

মামলার এজাহার পর্যালোচনা, তদন্ত ও আসামীসহ সাক্ষীর ফৌঃ কাঃ বিঃ ১৬৪ ধারায় প্রদত্ত জবানবন্দি পর্যালোচনায় জানা যায় যে, আল আমিরে বিধবা বোনের সাথে প্রেম করে তার খালাতো ভাই শুভ । আল আমিনও শুভর বোনের সাথে প্রেম করার প্রস্তাব দেয় শুভর কাছে, যাতে শুভ তার বোনের সাথে সম্পর্ক না রাখে। শুভ মোটরসাইকেলের গ্যারেজ প্রতিষ্ঠার জন্য আল আমিনের কাছে ১ লাখ টাকা চায়। আল আমিন বিনিময়ে শুভর বোনকে কাছে পেতে প্রস্তাব দিলে শুভ অপমানের বদলা নিতে পরিকল্পনা করে। পরিকল্পনানুযায়ী আসামী শুভ তার সহযোগী আসামী সম্রাটকে ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে একটি কাজ করে দেওয়ার প্রস্তাব দেয় তাতে আসামী সম্রাট রাজী হয়। অতঃপর আসামী শুভ তার পরিকল্পনা মোতাবেক গত ১৩/০৫/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ দুপুর অনুমান ১২.২০ ঘটিকার দিকে কৌশলে ডিসিস্ট আলামিনকে তার বন্ধু শান্ত’র মটর সাইকেল যোগে ঘটনাস্থলের দিকে নিয়ে যায় এবং আসামী শুভ ঘটনাস্থলে যাওয়ার পূর্বে তার বাড়ী হতে একটি ধারালো চাকু নিয়ে যায়। উক্ত সময়ে কৌশলে আসামী শুভ আসামী সম্রাটকে ঘটনাস্থলের দিকে যেতে বলে। ঘটনাস্থলে তারা ০৩ জন পৌছার পর ডিসিস্ট আলামিন অমনোযোগী হয়ে মোবাইল চালাতে থাকায় সেই সুযোগে আসামী শুভ ঘটনাস্থলের পাশে থাকা লাইলনের চিকন দড়ি দিয়ে পিছন থেকে ডিসিস্ট আলামিকে গলায় পেঁচিয়ে ধরে। এতে ডিসিস্ট আলামিন নিস্তেজ হয়ে পড়লে আসামী সম্রাট ডিসিস্টের মাথা ধরে রাখে। তখন আসামী শুভ তার প্যান্টের পকেটে থাকা চাকু দিয়ে ডিসিস্ট আলামিনের গলা কেটে মৃত্যু নিশ্চিত করে ঘটনাস্থল হতে পালিয়ে যায়। আসামী শুভর তথ্য মতে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল এবং তার দেখানোমতে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত রশি জব্দ করা হয়েছে।
আসামী শুভকে মামলার ঘটনার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি অত্র মামলার ঘটনার সাথে জড়িত আছে মর্মে প্রাথমিকভাবে স্বীকার করে এবং মামলার ঘটনার সহযোগী আসামী মোঃ সম্রাট (১৯)এর নাম প্রকাশ করে। আসামী শুভ এর দেওয়ার তথ্য মোতাবেক অপর আসামী সম্রাট (২০)কে তার নিজ বাড়ী জামালপুর সদর থানাধীন পাথালিয়া সন্ধিক্লাব হতে একইদিনে ১৮.১০ ঘটিকায় গ্রেফতার করা হয়। অতঃপর আসামী শুভকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করলে আসামী শুভ স্বেচ্ছায় ফৌজদারী কার্যবিধি ১৬৪ ধারা মোতাবেক দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে। এছাড়াও অত্র গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী মোটরসাইকেল মালিক মোঃ সাঈদ আহাম্মেদ ৥ শান্ত (১৮), পিতা-রাজু আহাম্মেদ, সাং-পাথালিয়া, থানা ও জেলা-জামালপুরও ফৌজদারী কার্যবিধি ১৬৪ ধারা মোতাবেক সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি প্রদান করে।
এই বিষয়ে পিবিআই, জামালপুর জেলার পুলিশ সুপার জানান যে, “অত্র ঘটনার সংবাদ প্রাপ্তির পরপরই দ্রুত ঘটনাস্থলে টিম প্রেরণ করি এবং মামলার রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা অব্যাহত রাখি। এরই ধারাবাহিকতায় অত্র ইউনিটের সদস্যদের আলাদা আলাদা দায়িত্ব প্রদান করে সার্বক্ষণিকভাবে তাদের কার্যক্রম তদারকি করি। সর্বপরি অত্র ইউনিটের আভিযানিক দলের কঠোর পরিশ্রমের অংশ হিসেবে অত্র মামলার মূল রহস্য এত দ্রুত সময়ে উদঘাটন করা সম্ভব হয়”।
মামলাটির তদন্ত চলমান আছে।

Address

House#16 , Road# 04 , Dhanmondi R/A
Dhaka
1206

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Police Bureau of Investigation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Police Bureau of Investigation:

Share

Category