Ministry of Commerce

Ministry of Commerce Ministry of commerce, Bangladesh.

ইইউ’র ৬১ বাণিজ্য বাধার মধ্যে ৪৮টির সমাধান: বাংলাদেশ-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির পথে নতুন অগ্রগতিঢাকা, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬বাং...
06/09/2026

ইইউ’র ৬১ বাণিজ্য বাধার মধ্যে ৪৮টির সমাধান: বাংলাদেশ-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির পথে নতুন অগ্রগতি

ঢাকা, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মধ্যকার বাণিজ্য সম্পর্ক আরও শক্তিশালী ও সহজীকরণের লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। ইইউ কর্তৃক চিহ্নিত ৬১টি শুল্কবহির্ভূত বাণিজ্য বাধার (Non-Tariff Barriers) মধ্যে ৪৮টিরই সমাধান করেছে বাংলাদেশ। অবশিষ্ট বিষয়গুলোও দ্রুত নিষ্পত্তির প্রক্রিয়ায় রয়েছে।

একই সঙ্গে বাংলাদেশের বৃহত্তম রপ্তানি বাজার ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (Free Trade Agreement-FTA) এবং বিনিয়োগ সুরক্ষা চুক্তি (Investment Protection Agreement) নিয়ে প্রস্তুতিমূলক আলোচনা শুরু হতে যাচ্ছে।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক যৌথ প্রেস ব্রিফিংয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এসব তথ্য জানান। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত ও হেড অব ডেলিগেশন মাইকেল মিলার, অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকিসহ বাণিজ্য ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর গত মার্চ মাসে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য পরিচালনায় বিদ্যমান কিছু নির্দিষ্ট প্রতিবন্ধকতার বিষয় তুলে ধরে। এরপর জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সমন্বিত উদ্যোগে দ্রুততম সময়ে এসব সমস্যার বড় অংশের সমাধান করা হয়েছে।

সমাধান হওয়া গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর মধ্যে অন্যতম
* শতভাগ বিদেশি মালিকানাধীন লজিস্টিক কোম্পানির লাইসেন্স নবায়ন সংক্রান্ত জটিলতা নিরসন।
* বাণিজ্যিক স্যাম্পল আমদানির বার্ষিক সীমা ১০ হাজার মার্কিন ডলার থেকে বৃদ্ধি করে ২০ হাজার মার্কিন ডলারে উন্নীতকরণ।
* রপ্তানি পণ্যের ট্রেসিবিলিটি নিশ্চিত করতে ব্যবহৃত স্ক্যানিং স্মার্ট কার্ডের শুল্কায়ন জটিলতা দূরীকরণ এবং যৌক্তিক মূল্য নির্ধারণ।

এলডিসি উত্তরণে ইইউ’র সহযোগিতা প্রত্যাশা

বাংলাদেশের এলডিসি (Least Developed Country) গ্র্যাজুয়েশন বা স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণের সময়সীমা তিন বছর পিছিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ সম্পর্কে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, জাতিসংঘের উন্নয়ন নীতি কমিটি (CDP) ও অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ (ECOSOC)-এর সুপারিশ ইতিবাচকভাবে এসেছে। আগামী জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে বিষয়টি চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য উপস্থাপন করা হবে। এ ক্ষেত্রে ইউরোপীয় ইউনিয়নের শক্তিশালী সমর্থন বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এফটিএ আলোচনায় ইতিবাচক সাড়া ইইউ’র

ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার বলেন, বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি ও বিনিয়োগ সুরক্ষা চুক্তির আনুষ্ঠানিক প্রস্তাবের পর ইউরোপীয় কমিশন ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশগুলোর প্রয়োজনীয় অনুমোদন সম্পন্ন হলে চলতি সপ্তাহ থেকেই এ বিষয়ে যৌথ কারিগরি আলোচনা শুরু হতে পারে।

তিনি বলেন, উভয় পক্ষের অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও গভীর করতে হলে একটি স্বচ্ছ, স্থিতিশীল ও প্রতিযোগিতামূলক ব্যবসায়িক পরিবেশ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। সরকারি ক্রয় প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও ন্যায্য প্রতিযোগিতা বজায় থাকলে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন উভয়ই লাভবান হবে।

এ সময় তিনি বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে বিমান চলাচল ও বাণিজ্য সহযোগিতা বৃদ্ধির অংশ হিসেবে এয়ারবাস ক্রয় সংক্রান্ত আলোচনা দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার বিষয়েও আশাবাদ প্রকাশ করেন।

জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে আমদানি সিদ্ধান্ত

যুক্তরাষ্ট্র থেকে পণ্য আমদানির বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সবসময় জাতীয় স্বার্থ, অর্থনৈতিক যৌক্তিকতা এবং জনগণের প্রয়োজন বিবেচনায় নিয়ে আমদানি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। জ্বালানি (এলএনজি) ও খাদ্যশস্য আমদানির ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতামূলক মূল্য, পণ্যের গুণগত মান এবং অপচয়ের হার বিশ্লেষণ করেই সরকারি ক্রয় কমিটি সিদ্ধান্ত অনুমোদন করে থাকে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের বাণিজ্যনীতি কোনো নির্দিষ্ট দেশের প্রভাব দ্বারা পরিচালিত নয়; বরং দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থ ও জনগণের কল্যাণই সব সিদ্ধান্তের মূল ভিত্তি।

বাংলাদেশ-ইইউ অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বের নতুন দিগন্ত

বিশ্লেষকদের মতে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির আলোচনা শুরু হওয়া বাংলাদেশের রপ্তানি খাত, বিশেষ করে তৈরি পোশাক, কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্য, ওষুধ ও অন্যান্য সম্ভাবনাময় শিল্পের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে। একই সঙ্গে বাণিজ্য বাধাগুলো দূর হওয়ায় দ্বিপাক্ষিক বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতাও আরও সম্প্রসারিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের দীর্ঘদিনের বাণিজ্যিক সম্পর্ককে আরও টেকসই ও পারস্পরিক লাভজনক অংশীদারিত্বে রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে আজকের অগ্রগতি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

টিসিবি’র ভর্তুকিমূল্যে পণ্য বিক্রি বাজারে দাম স্থিতিশীল রাখছে: বাণিজ্যমন্ত্রীট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) মাধ...
03/09/2026

টিসিবি’র ভর্তুকিমূল্যে পণ্য বিক্রি বাজারে দাম স্থিতিশীল রাখছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) মাধ্যমে ভর্তুকিমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিতরণ বাজারে মূল্যচাপ কমানোর পাশাপাশি সার্বিকভাবে পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে সংসদ সদস্য রোকেয়া বেগমের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি, অবৈধ মজুতদারি, অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি ও অন্যান্য অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে আমদানি প্রক্রিয়া সহজীকরণ, প্রয়োজনীয় শুল্ক ও কর সমন্বয় এবং ব্যবসায়ী ও আমদানিকারকদের সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, ভোজ্যতেল, চিনি, আটা, ডাল ও মসলাসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সব পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকার সাপ্লাই চেইন স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা করছে। এ লক্ষ্যে উৎপাদক, আমদানিকারক, পাইকারি ও খুচরা—প্রতিটি পর্যায়ে পণ্যের মজুত ও দামের ওপর নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনো ধরনের ব্যাঘাত দেখা দিলে তা দ্রুত দূর করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও সংসদে জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।

আন্তর্জাতিক বাজার ও উৎপাদন খরচের ভিত্তিতেই সয়াবিনের দাম সমন্বয় করা হবে: বাণিজ্যমন্ত্রীঢাকা : ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব...
03/09/2026

আন্তর্জাতিক বাজার ও উৎপাদন খরচের ভিত্তিতেই সয়াবিনের দাম সমন্বয় করা হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

ঢাকা : ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এবং অভ্যন্তরীণ উৎপাদন ও প্রক্রিয়াকরণ ব্যয় হিসাব করেই ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ করা হয় বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

আজ মহাখালীতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, সয়াবিন তেল পুরোপুরি আমদানি-নির্ভর পণ্য। আন্তর্জাতিক বাজারে কোনো পণ্যের মূল্য উঠানামা করলে স্থানীয় বাজারেও তার সরাসরি প্রভাব পড়ে। আমদানিকৃত তেলের মূল্য নির্ধারণে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের একটি নির্দিষ্ট হিসাব পদ্ধতি (ফর্মুলা) রয়েছে। এফওবি (FOB) মূল্যের সঙ্গে জাহাজ ভাড়া, খালাস ব্যয়, বিমা, রিফাইনারির প্রক্রিয়াকরণ খরচ ও পরিবহনকালীন অপচয় (ওয়েস্টেজ) যুক্ত করে চূড়ান্ত দর নির্ধারিত হয়। সাধারণ মানুষ বা গণমাধ্যমকর্মীরাও আন্তর্জাতিক ইনডেক্স দেখে সহজেই এই হিসাব মিলিয়ে নিতে পারেন।
ব্যবসায়ীদের লোকসানের ঝুঁকি প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, দেশে ভোজ্যতেলের ব্যবসা মূলত বেসরকারি খাতের ওপর নির্ভরশীল। আমদানিকারকরা টানা লোকসানে পড়লে বাজার সরবরাহ সংকটে পড়তে পারে। তাই বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং উদ্যোক্তারা যাতে লোকসানের মুখে ব্যবসা গুটিয়ে না নেন, সেজন্য একটি যৌক্তিক ভারসাম্য বজায় রাখা প্রয়োজন।
বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)-এর মাধ্যমে মাসে প্রায় ৭৮ লাখ পরিবারকে ভর্তুকি মূল্যে নিত্যপণ্য দেয়া হচ্ছে। এছাড়া দুই ঈদে খোলা ট্রাকে পণ্য বিক্রির পাশাপাশি খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে নিয়মিত ওএমএস কার্যক্রম চালু রয়েছে। একই সঙ্গে বাজারে যেন কোনো কৃত্রিম সংকট তৈরি না হয়, সেজন্য ব্যবসায়ীদের ঋণপত্র (এলসি) খোলা ও আমদানির সরবরাহ পাইপলাইন সার্বক্ষণিক তদারকি করা হচ্ছে।
চিনির বাজার পরিস্থিতি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের শীর্ষস্থানীয় রিফাইনারি মেঘনা গ্রুপের কাছে পর্যাপ্ত অপরিশোধিত চিনি রয়েছে। ইউটিলিটি সংক্রান্ত বিভ্রাটের কারণে সাময়িকভাবে তাদের উৎপাদনে বিঘ্ন ঘটলেও দ্রুতই সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে।
সরকারি কর্মচারীদের পে-স্কেল প্রসঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন, বিগত ১১ বছর তাদের বেতন সমন্বয় করা হয়নি। মূল্যস্ফীতির বাস্তবতায় এটি একটি যৌক্তিক সিদ্ধান্ত। তাছাড়া পে-স্কেল একবারে নয়, আগামী বছরের জুলাই পর্যন্ত ধাপে ধাপে কার্যকর হবে। ফলে বাজারে বৈষম্য বা আকস্মিক মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কা নেই।
এছাড়া সুগন্ধি চাল রপ্তানি বিষয়ে মন্ত্রী জানান, অনুমোদনের বিপরীতে এ পর্যন্ত মাত্র আড়াই হাজার টন চাল রপ্তানি হয়েছে। তবে যারা নির্ধারিত সময়ে চাল রপ্তানি করতে পারেননি, তাদের অনুমোদন উল্লেখযোগ্য হারে বাতিল বা কমানো হবে।

বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম সমন্বয়, নতুন মূল্য ২০৪ টাকাঢাকা : ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি ও আ...
02/09/2026

বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম সমন্বয়, নতুন মূল্য ২০৪ টাকা

ঢাকা : ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি ও আমদানি ব্যয় বিবেচনায় বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম সমন্বয় করেছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২০৪ টাকা, যা আগে ছিল ১৯৯ টাকা। অর্থাৎ প্রতি লিটারে ৫ টাকা সমন্বয় করা হয়েছে।

তবে ভোক্তাদের স্বস্তির বিষয় হিসেবে খোলা সয়াবিন তেল ও পাম তেলের বিদ্যমান দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে ভোজ্যতেল ব্যবসায়ীদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বাণিজ্য সচিব মো. আতাউর রহমান খান বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে ভোজ্যতেলের মূল্য বৃদ্ধি এবং পরিবহন ব্যয় বাড়ার কারণে আমদানিকারকরা দাম সমন্বয়ের আবেদন জানিয়েছিলেন। বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে সরকার সীমিত পরিসরে দাম সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

তিনি বলেন, “বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ১৯৯ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০৪ টাকা করা হয়েছে। তবে খোলা সয়াবিন ও পাম তেলের দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।”

বাণিজ্য সচিব জানান, ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে আরও বেশি মূল্য বৃদ্ধির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। অন্যদিকে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন (বিটিটিসি) প্রতি লিটারে ১০ টাকা বাড়ানোর সুপারিশ করেছিল। তবে ভোক্তা স্বার্থ ও সামগ্রিক বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকার তুলনামূলক কম হারে দাম সমন্বয় করেছে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে দেশের বাজারে ভোজ্যতেলের পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে এবং কোনো সংকট নেই। বাজার স্থিতিশীল রাখতে সরকার নিয়মিত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।

রমজানের আগে আবারও ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানো হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্য সচিব বলেন, তা নির্ভর করবে সে সময়ের আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি, আমদানি ব্যয় ও সামগ্রিক সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর।

সম্প্রতি নতুন বেতন কাঠামো অনুমোদন ও চিনির দাম বাড়ার পর ভোজ্যতেলের মূল্য পরিবর্তনের ফলে মূল্যস্ফীতিতে প্রভাব পড়তে পারে কি না—জানতে চাইলে তিনি বলেন, “এ পর্যন্ত সরকার মূল্যস্ফীতির কোন কারণ দেখেছেনা,সার্বিক মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সরকার বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করছে।”

আন্তর্জাতিক বাজারের চাপ ও আমদানি ব্যয়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সীমিত পরিসরে এ মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। একই সঙ্গে খোলা তেল ও পাম তেলের দাম অপরিবর্তিত রাখার ফলে বাজারে বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি হবে না বলে আশা করা হচ্ছে।

কয়েক ঘণ্টায় কোম্পানি নিবন্ধনের লক্ষ্য, সিঙ্গাপুরের আদলে বদলাচ্ছে আরজেএসসিঢাকা : ৩১ আগস্ট ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ কোম্পানি নিবন্...
31/08/2026

কয়েক ঘণ্টায় কোম্পানি নিবন্ধনের লক্ষ্য, সিঙ্গাপুরের আদলে বদলাচ্ছে আরজেএসসি

ঢাকা : ৩১ আগস্ট ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

কোম্পানি নিবন্ধনে দীর্ঘসূত্রতা ও দাপ্তরিক নির্ভরতা কমিয়ে পুরো প্রক্রিয়া অনলাইনভিত্তিক করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সিঙ্গাপুরের দ্রুত ও কার্যকর ব্যবসা নিবন্ধন ব্যবস্থার আদলে যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর (আরজেএসসি) চালু করতে যাচ্ছে ‘ইলেকট্রনিক বিজনেস রেজিস্ট্রেশন সিস্টেম’ (eBRS)। নতুন ব্যবস্থা পুরোপুরি কার্যকর হলে উদ্যোক্তারা ঘরে বসেই কোম্পানির নাম ছাড়পত্র থেকে চূড়ান্ত নিবন্ধন পর্যন্ত সব কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারবেন। প্রাথমিক পর্যায়ে কর্মকর্তাদের দ্রুত যাচাই সাপেক্ষে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই নতুন কোম্পানি নিবন্ধন সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

সোমবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আরজেএসসির কার্যক্রম আধুনিকায়নসংক্রান্ত এক সভায় নতুন ব্যবস্থার অগ্রগতি তুলে ধরা হয়। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আতাউর রহমান খানের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, কোম্পানি নিবন্ধনের জন্য গ্রাহককে আর আরজেএসসি কার্যালয়ে যেতে হবে না। ঘরে বসেই স্বল্প সময়ে নিবন্ধন সম্পন্ন করার সুযোগ দিতে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম পুরোপুরি অটোমেটেড করা হবে।

নতুন eBRS ব্যবস্থায় উদ্যোক্তারা যেকোনো সময় অনলাইনে কোম্পানি নিবন্ধনের আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের তথ্যের নির্ভুলতা নিশ্চিত ও জালিয়াতি প্রতিরোধে জাতীয় পরিচয়পত্র (NID), ই-টিন (eTIN) এবং মোবাইল নম্বর রিয়েল-টাইমে প্রাক-যাচাইয়ের (Pre-verification) ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। ফলে আবেদনে ভুল বা অসংগত তথ্য দ্রুত শনাক্ত করা সম্ভব হবে।

কোম্পানি গঠনের আইনি প্রক্রিয়াও সহজ করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। সংঘস্মারক (MOA) ও সংঘবিধির (AOA) ক্ষেত্রে উদ্যোক্তাদের জন্য তিনটি বিকল্প রাখা হচ্ছে। এগুলো হলো—স্ট্যান্ডার্ড ‘মডেল MOA ও AOA’, ব্যবসার প্রয়োজন অনুযায়ী নিজস্ব ধারা সংযোজনের সুযোগসহ ‘কাস্টমাইজড MOA ও AOA’ এবং পূর্বানুমোদিত মানসম্মত ‘প্রি-অ্যাপ্রুভড MOA ও AOA’। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, বিশেষ করে মডেল ও প্রি-অ্যাপ্রুভড ডকুমেন্ট ব্যবহারের মাধ্যমে যাচাই ও অনুমোদনের সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব হবে।

eBRS-এর কারিগরি নিরাপত্তা, নির্ভরযোগ্যতা ও মান নিশ্চিতে পরামর্শক হিসেবে যুক্ত রয়েছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ। বুয়েটের বিশেষজ্ঞ দল সফটওয়্যার উন্নয়নের বিভিন্ন পর্যায় পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় কারিগরি দিকনির্দেশনা দিচ্ছে।

ইতোমধ্যে সফটওয়্যারটির নিবন্ধন মডিউলের ইউজার অ্যাকসেপ্টেন্স টেস্ট (UAT) সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে পাওয়া মতামতের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পরিমার্জনের কাজও শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

সরকারি ডাটাবেজের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ

পুরো প্রক্রিয়া স্বয়ংক্রিয় করতে জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের ডাটাবেজের সঙ্গে eBRS-এর ইন্টিগ্রেশন করা হচ্ছে। ভোটার ও এনআইডি তথ্য যাচাইয়ে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন (EC), উদ্যোক্তার মোবাইল সিম যাচাইয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (BTRC) এবং তথ্যের ক্লাউড নিরাপত্তা ও নিরবচ্ছিন্ন সেবা নিশ্চিতে বাংলাদেশ ডাটা সেন্টার কোম্পানি লিমিটেডের (BDCCL) সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক অনুমোদন অনুযায়ী সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ডাইনামিক সলিউশন লিমিটেড (DSI) আগামী ১৫ জানুয়ারি ২০২৭-এর মধ্যে সফটওয়্যারটির চূড়ান্ত রূপান্তর ও হস্তান্তর সম্পন্ন করবে।

প্রথম ছয় মাস কয়েক ঘণ্টায় নিবন্ধনের লক্ষ্য

শতভাগ স্বয়ংক্রিয় নাম ছাড়পত্র বা ‘অটো নেম ক্লিয়ারেন্স’ ব্যবস্থা আরো নির্ভুল করতে ব্যাক-এন্ড অ্যালগরিদম উন্নয়নের কাজ চলছে। এ কারণে পুরো অটোমেশন চালুর অপেক্ষায় উদ্যোক্তাদের সেবা যেন আটকে না থাকে, সেজন্য অন্তর্বর্তী কৌশল নিয়েছে আরজেএসসি।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রাথমিক ছয় মাস আবেদন জমা পড়ার পর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তাৎক্ষণিকভাবে নাম ছাড়পত্র পুনঃযাচাই করবেন। প্রয়োজনীয় তথ্য ও কাগজপত্র সঠিক থাকলে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই নিবন্ধন প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করার লক্ষ্য রয়েছে। পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের মধ্যে মডেল MOA ও AOA ব্যবহারে উৎসাহ সৃষ্টি এবং অটো নেম ক্লিয়ারেন্স ব্যবস্থা আরো কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় আপডেট চলবে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, উদ্যোগটি পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে কোম্পানি গঠনে উদ্যোক্তাদের সময় ও ব্যয় দুটোই কমবে। সরকারি দপ্তরে সরাসরি উপস্থিতির প্রয়োজন কমার পাশাপাশি আবেদনের বিভিন্ন তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে যাচাই হওয়ায় সেবায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতাও বাড়বে।

বিশেষ করে নতুন উদ্যোক্তা, স্টার্টআপ এবং দেশী-বিদেশী বিনিয়োগকারীদের জন্য দ্রুত ব্যবসা শুরু করার সুযোগ তৈরি হবে। সরকার মনে করছে, আরজেএসসির এ ডিজিটাল রূপান্তর ব্যবসা শুরুর প্রক্রিয়া সহজ করার পাশাপাশি দেশে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি ও ব্যবসার সামগ্রিক ব্যয় কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সভায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (আইআইটি) ও
যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর (আরজেএসসি) এর নিবন্ধক (অতিরিক্ত দায়িত্ব ) শিবির বিচিত্র বড়ুয়াসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশে বিনিয়োগ আকর্ষণ, ব্যবসা-বাণিজ্য সহজীকরণ, লজিস্টিকস ব্যয় হ্রাস এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের (এমএসএমই) সক্ষম...
30/08/2026

বাংলাদেশে বিনিয়োগ আকর্ষণ, ব্যবসা-বাণিজ্য সহজীকরণ, লজিস্টিকস ব্যয় হ্রাস এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের (এমএসএমই) সক্ষমতা বাড়াতে সহযোগিতা জোরদারের আগ্রহ জানিয়েছে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)। একই সঙ্গে রফতানি সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য আলোচনায় বাংলাদেশের দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করার কথাও জানিয়েছে সংস্থাটি।

রোববার (৩০ আগস্ট) সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে ইউএনডিপি বাংলাদেশের রেসিডেন্ট রিপ্রেজেন্টেটিভ স্টিফেন রড্রিকসের বৈঠকে এসব বিষয় উঠে আসে।

দেশের বিমানবন্দরগুলোতে কার্গো হ্যান্ডলিং কার্যক্রমে বিদ্যমান সমস্যা নিরসন এবং প্রয়োজনীয় আধুনিক অবকাঠামো গড়ে তোলার লক্ষ্য...
27/08/2026

দেশের বিমানবন্দরগুলোতে কার্গো হ্যান্ডলিং কার্যক্রমে বিদ্যমান সমস্যা নিরসন এবং প্রয়োজনীয় আধুনিক অবকাঠামো গড়ে তোলার লক্ষ্যে আজ জাতীয় সংসদ ভবনে এক গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সংসদ ভবনে নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। সভায় উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন বিষয়ক মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: আতাউর রহমান খান , বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহমিদা আখতার, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাইজার সোহেল আহমেদ এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক।

সভায় দেশের বিমানবন্দরগুলোতে কার্গো হ্যান্ডলিং ব্যবস্থার বিদ্যমান সমস্যা ও সীমাবদ্ধতা নিয়ে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি এসব সমস্যা নিরসনে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করা হয়।

আজ বৃহস্পতিবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আগস্ট ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ এর মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।সভায় সভাপতিত্ব ...
27/08/2026

আজ বৃহস্পতিবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আগস্ট ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ এর মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।সভায় সভাপতিত্ব করেন বাণিজ্য সচিব মো: আতাউর রহমান খান। এসময় মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ ও বিভিন্ন দপ্তর সংস্থার প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ ও ভারতের বাণিজ্য সম্পর্ক নিয়ে বৈঠক করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির ও ভারতের হাই কমিশনার দীনেশ ত্...
24/08/2026

বাংলাদেশ ও ভারতের বাণিজ্য সম্পর্ক নিয়ে বৈঠক করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির ও ভারতের হাই কমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।

বৈঠকে বন্ধ থাকা সীমান্ত হাট পুনরায় চালু, স্থলবন্দরগুলোকে পূর্ণ সক্ষমতায় কার্যকর করা এবং স্থলপথে সুতা আমদানির ওপর বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

সচিবালয়ে সোমবার বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে ত্রিবেদীর বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও ব্যবসায়িক প্রতিবন্ধকতা দূর করার বিভিন্ন বিষয় উঠে আসে।

ভৌগোলিক নৈকট্যকে অর্থনৈতিক সুবিধায় রূপান্তর করে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও শিল্প সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গু...
18/08/2026

ভৌগোলিক নৈকট্যকে অর্থনৈতিক সুবিধায় রূপান্তর করে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও শিল্প সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা কাজে লাগাতে হলে বাণিজ্যিক প্রতিবন্ধকতা দূর করে স্বাভাবিক বাণিজ্য পরিবেশ ফিরিয়ে আনা, ভিসা সহজ করা এবং বেসরকারি খাতকে সম্পৃক্ত করে দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে হবে।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রির (সিআইআই) প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। বৈঠকে দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক, বিদ্যমান সমস্যা এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রির (সিআইআই) প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন প্রতিষ্ঠানের ডিরেক্টর জেনারেল চন্দ্রজিৎ ব্যানার্জি।

Address

Building # 03, Bangladesh Secretariat
Dhaka
1000

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+88029545006

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ministry of Commerce posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Ministry of Commerce:

Shortcuts

Share