03/01/2022
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ
মূলনীতিঃ শিক্ষা,শান্তি,প্রগতি
বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ইতিহাস 1948 থেকে 2022সাল।
১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি সময়ের প্রয়োজনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাত ধরে গঠিত হয় ছাত্রলীগ❤আন্দোলন ও সংগ্রামের ইতিহাসের প্রতিটি পাতায় ছাত্রলীগ।
১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে অবস্থান ধর্মঘট করে ছাত্রলীগ,গ্রেফতার হন অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার সহযোগীরা,রাষ্ট্রভাষা বাংলার জন্য প্রথম ১০ দফা দাবি প্রনয়ন করে ছাত্রলীগ।১৯৫২ সালের ২১ ফ্রেবুয়ারি ১৪৪ ধারা ছাত্রলীগের ভূমিকা অবিস্মরণীয়।
১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে জয়লাভ করার মূল ভূমিকা রাখে ছাত্রলীগ❤
১৯৭০ এর ৬ দফা আন্দোলনে রাজপথে প্রথম সারিতে ছিলো ছাত্রলীগ।৭০ এর নির্বাচনে বাঙালির মুক্তির সনদ ৬ দফাকে ১ দফা গণভোটে রুপান্তরিত করে ছাত্রলীগ।১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে ছাত্রলীগ।
১৯৭২-১৯৭৫ সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের অবকাঠামোগত উন্নয়নে জোরালো ভূমিকা রাখে ছাত্রলীগ।১৯৮০ এর দশকে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে ছাত্রলীগ ছিলো অগ্রভাগে। ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিজয় নিশ্চিত করতে ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিতের লক্ষ্যে ছাত্রলীগ দেশব্যাপী অসহযোগ আন্দোলন গড়ে তোলে।১৯৯৮ সালের বন্যায় মানবিক বিপর্যয় রুখতে ছাত্রলীগ অক্লান্ত পরিশ্রম করে।২০০২ সালে জামায়াত-বিএনপি সরকার কর্তৃক দেশব্যাপী সংখ্যালঘু নির্যাতনে ছাত্রলীগ দেশব্যাপী প্রতিবাদের ঝড় তুলে ও রাজপথে সক্রিয় থাকে।২০০৪ সালে ২১ আগষ্ট দেশরত্ন শেখ হাসিনার উপর গ্রেনেড হামলায় প্রথম প্রতিবাদ করে ছাত্রলীগ।২০০৭ সালের ১৬ জুলাই দেশরত্ন শেখ হাসিনাকে গ্রেফতারের তীব্র প্রতিবাদ জানায় ও আন্দোলন গড়ে তোলে ছাত্রলীগ।
২০০৮ সালের ২৮ ডিসেম্বর নির্বাচনে আওয়ামী লীগের জয়ের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে ছাত্রলীগ।দেশের জন্য সংগ্রাম ও আন্তত্যাগে ছাত্রলীগ কখনোই পেছনে ফেরেনি।ছাত্রলীগের জন্মের পর থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ২০০০০ সক্রিয় নেতা-কর্মী দেশের জন্য প্রান দিয়েছেন।এইরকম আত্নত্যাগ পৃথিবীর অন্য কোনো ছাত্র সংগঠনের নাই।এখন ২০২০ সালে এসে এই মহামারী করোনা পরিস্থিতিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ,অক্লান্ত পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে ছাত্রলীগ মানুষের পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছে ও যাবে,মহামারী করোনায় ছাত্রলীগের পরিশ্রম সীমাহীন,মানুষের উপকারে বিপদে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা সবসময়ই দেশে পাশে থাকবে।মহান মুক্তিযুদ্ধেও শহীদ হয়েছেন ছাত্রলীগের প্রায় ১৮০০০ নেতা-কর্মী।দেশ স্বাধীনের পর থেকে আজ পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নির্মম হামলায় প্রান হারায় ছাত্রলীগের অসংখ্য নেতা-কর্মীরা।জেল-জুলুম,অন্যায় অত্যাচার বাধা উপেক্ষা করে ছাত্রলীগ দেশে ক্রান্তিলগ্নে সবসময়ই রাজপথে সক্রিয়।সংগ্রাম ও ছাত্রলীগ একই সুগোয় গাথা।বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও চেতনায় সদা জাগ্রত ছাত্রলীগ। Love you so Bangladesh chhatra League always love for
ever and ever. I must love, I must love ,again and again to (Bangladesh chhatra League)you. I love you