Safe Foundation

Safe Foundation Safe Foundation একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।

"SAFE FOUNDATION" একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। যা মানবিক দায়িত্ববোধে নিবেদিত তারুণ্যের যুথবদ্ধ আয়োজন।

দারিদ্রতার কষাঘাতে যারা শুধু বেঁচে থাকার সংগ্রামকেই জীবন মনে করে, তাদের কাছে অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসা সহ মৌলিক মানবিক অধিকারগুলো সহজলভ্য করাই আমাদের প্রয়াস।

এই দেশ আমাদের, এই দেশের সকল নাগরিক আমাদের সহোদর। তাই এ দেশের কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়নে এবং মানুষের জীবনমানের উৎকর্ষতা সাধনে আমরা আমাদের দায়িত্বানুভূতি থেকে স্বেচ্ছায় সর্বোচ্ছ প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে চাই।

আমরা চাই, মানুষের অর্ন্তনিহিত গুণাবলী বিকাশের মাধ্যমে দারিদ্রতা ও সামাজিক বৈষম্য মুক্ত পৃথিবীতে সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে। চাই দেশ ও সমাজের কার্যকর উন্নয়নে সবাইকে নিয়ে একসাথে এগিয়ে যেতে।

একজন মানুষকে দ্বিতীয়বার হত্যা করতে অস্ত্র লাগে না।শুধু তাকে ভুলে গেলেই যথেষ্ট~~~~~~~~~~~~~~~~মৃত্যুর আগে বুবি শেষবার কোথ...
10/07/2026

একজন মানুষকে দ্বিতীয়বার হত্যা করতে অস্ত্র লাগে না।
শুধু তাকে ভুলে গেলেই যথেষ্ট~~~~~~~~~~~~~~~~

মৃত্যুর আগে বুবি শেষবার কোথায় তাকিয়েছিলেন?
আকাশের দিকে?
নাকি রেললাইনের দিকে, যে রেললাইন তাঁকে পঁচিশ বছর আগে এক অজানা গন্তব্য থেকে মেথিকান্দা স্টেশনে এনে নামিয়ে দিয়েছিল?
কেউ জানে না।
কেউ জানবে না।
কারণ বুবি কোনোদিন কথা বলতে পারেননি।
পৃথিবীতে এমন কিছু মানুষ থাকে, যাদের জন্ম হয়, জীবন কেটে যায়, মৃত্যুও হয়—কিন্তু তাদের গল্প কেউ লেখে না। তাদের জন্য কোনো ইতিহাস তৈরি হয় না। তারা কোনো পরিসংখ্যানে জায়গা পায় না। রাষ্ট্র তাদের নাম জানে না, সমাজ তাদের পরিচয় জানতে চায় না।

বুবি ছিলেন তেমনই একজন মানুষ।
প্রায় সত্তর বছরের এক বাক্‌প্রতিবন্ধী নারী।
তাঁর ঠিকানা ছিল একটি রেলস্টেশন।
বাড়ি ছিল না।
পরিবার ছিল কি না, কেউ জানত না।
জাতীয় পরিচয়পত্র ছিল কি না, কেউ খোঁজ নেয়নি।

তিনি শুধু ছিলেন।
প্রতিদিন ভোরে স্টেশন ঝাড়ু দিতেন।
মানুষের ফেলে যাওয়া প্লাস্টিক, কাগজ, বোতল কুড়িয়ে পরিষ্কার করতেন।
কেউ দয়া করে দু-একটা টাকা দিলে নিতেন।
না দিলে নীরবে সরে যেতেন।
কারও কাছে অভিযোগ করতেন না।
কারণ অভিযোগ করার ভাষাটুকুও তাঁর ছিল না।

---পঁচিশ বছর...একটি মানুষের জীবনের কত দীর্ঘ সময়!
এই দীর্ঘ সময়ে তিনি জমিয়েছিলেন মাত্র চল্লিশ হাজার টাকা।
কী ভয়ংকর হিসাব!
প্রতিদিন গড়ে চার টাকা আটত্রিশ পয়সা।
এক কাপ চায়ের দামও নয়।
কিন্তু সেই চার টাকা ছিল তাঁর না-খাওয়া দুপুরের মূল্য।
ছিল শীতের রাতে না কেনা একটি কম্বলের দাম।
ছিল অসুস্থ শরীর নিয়ে ওষুধ না খাওয়ার সিদ্ধান্ত।
ছিল নিজের সব চাওয়া-পাওয়াকে মেরে ফেলে বেঁচে থাকার এক অসম্ভব ধৈর্যের গল্প।

সেদিন গভীর রাতে কয়েকজন মানুষ এল।
তারা জানত না, কিংবা জানার প্রয়োজনও মনে করেনি—এই বৃদ্ধা কত কষ্টে টাকাগুলো জমিয়েছেন।
তাদের প্রয়োজন ছিল শুধু টাকা।
তারা ঘুম থেকে তুলে তাঁকে মারল।
একজন সত্তর বছরের অসহায় নারীকে।

যিনি আত্মরক্ষা করতে পারেন না।
চিৎকার করতে পারেন না।
সাহায্য চাইতে পারেন না।

ভাবতে কষ্ট হয়...
প্রথম আঘাতটা যখন তাঁর শরীরে পড়েছিল, তখন কি তিনি ভয় পেয়েছিলেন?
নাকি এত বছরের কষ্ট তাঁকে ভয় পাওয়ার ক্ষমতাও কেড়ে নিয়েছিল?
শেষ মুহূর্তে কি তিনি কাউকে মনে করেছিলেন?
মা?
বাবা?
নাকি এমন কাউকে, যার কথা পৃথিবীর কেউ কোনোদিন জানবে না?

মারধরের পর বুবি স্টেশনের একটি বেঞ্চে গিয়ে বসেছিলেন।
রক্তাক্ত মুখ।
নিস্তব্ধ চোখ।
একটি শব্দও নেই।

মনে হচ্ছিল, পৃথিবীর সমস্ত শব্দ যেন তাঁর কাছ থেকে অনেক আগেই বিদায় নিয়েছে।

তারপর...তিনি চলে গেলেন।

এতটাই নীরবে, যতটা নীরবে একদিন এই স্টেশনে এসেছিলেন।

---আমার খুব জানতে ইচ্ছে করে...

বুবি কোথা থেকে এসেছিলেন?
কোন গ্রামের মাটি তাঁর শৈশব চিনত?
কোন মা তাঁকে জন্ম দিয়েছিলেন?
কোন বাবা প্রথম কোলে নিয়েছিলেন?

-- এই স্টেশনে নতুন মানুষ আসবে।
নতুন ট্রেন থামবে।
নতুন ভিক্ষুক বসবে।
নতুন দোকান খুলবে।
সবকিছু আগের মতোই চলবে।
শুধু কেউ হয়তো একদিন বলবে—

"এখানে একটা বোবা বৃদ্ধা থাকত..."

তারপর সেই কথাটুকুও হারিয়ে যাবে।
বুবির জন্য কোনো শোকসভা হবে না।
কোনো মানববন্ধন হবে না।
কোনো রাজনৈতিক বক্তৃতায় তাঁর নাম উচ্চারিত হবে না।
কোনো স্মৃতিফলকে লেখা থাকবে না—"এই মানুষটিও একদিন বেঁচে ছিলেন।"

হয়তো তাঁর কবরেও নাম থাকবে না।

কিন্তু আমরা যদি তাঁকে ভুলে যাই, তাহলে শুধু একজন বুবিকে নয়—আমাদের বিবেককেও কবর দিয়ে ফেলব।

কারণ সভ্য সমাজের পরিচয় বড় বড় ভবনে নয়, বড় বড় বক্তৃতায় নয়।

সভ্যতার পরিচয় লুকিয়ে থাকে সেই সমাজ কীভাবে তার সবচেয়ে অসহায় মানুষটিকে রক্ষা করে।

আমরা বুবিকে রক্ষা করতে পারিনি।
অন্তত তাঁর গল্পটাকে বাঁচিয়ে রাখি।

যেন আগামী প্রজন্ম জানে—একসময় এই দেশে একটি স্টেশনে একজন নীরব নারী ছিলেন, যিনি সারা জীবন কাউকে কষ্ট দেননি; অথচ মানুষই তাঁর শেষ সম্বলটুকু ছিনিয়ে নিয়ে তাঁকে হত্যা করেছিল।

বুবি আর নেই।
কিন্তু তাঁর নীরবতা আমাদের প্রতিদিন প্রশ্ন করে যাবে!
এই হত্যার সাথে আমিও জড়িত!
আপনিও!

Copied

বুবি হত্যার বিচার চাই
10/07/2026

বুবি হত্যার বিচার চাই

সেইফ ফাউন্ডেশনের একটি নিয়মিত কার্যক্রম হলো মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে সুস্থ ও স্বেচ্ছাসেবী মানুষদের রক্তদানে উৎসাহিত করা এবং...
25/04/2026

সেইফ ফাউন্ডেশনের একটি নিয়মিত কার্যক্রম হলো মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে সুস্থ ও স্বেচ্ছাসেবী মানুষদের রক্তদানে উৎসাহিত করা এবং প্রয়োজনের সময় রোগীদের জন্য রক্তের ব্যবস্থা করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা।
এই ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে আজও একজন রোগীর জন্য সফলভাবে রক্তের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
আল্লাহ রক্তগ্রহীতাকে দ্রুত পূর্ণ সুস্থতা দান করুন এবং রক্তদাতাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন। আমীন।
আসুন, জীবন বাঁচাতে আমরা নিজেরা রক্ত দিই এবং অন্যদেরকেও রক্তদানে উদ্বুদ্ধ করি।

সামাজিক কার্যক্রমে সেইফ ফাউন্ডেশনের আরেকটি উদ্যোগসবার জন্য সামাজিক কার্যক্রম বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে যশোর সদ...
19/04/2026

সামাজিক কার্যক্রমে সেইফ ফাউন্ডেশনের আরেকটি উদ্যোগ

সবার জন্য সামাজিক কার্যক্রম বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে যশোর সদর উপজেলার ধোপাখোলায় সফলভাবে আয়োজন করা হয় দুটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি—

1. Sports Materials Distribution
2. Submersible Pump Supply & Installation

এই উদ্যোগের মাধ্যমে এলাকার ক্রীড়াপ্রেমী তরুণদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে প্রয়োজনীয় খেলাধুলার সামগ্রী, যা তাদের সুস্থ বিনোদন ও শারীরিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

পাশাপাশি বিশুদ্ধ পানির সংকট নিরসনে স্থাপন করা হয়েছে সাবমার্সিবল পাম্প, যা স্থানীয় মানুষের দৈনন্দিন জীবনকে আরও সহজ ও স্বাস্থ্যকর করে তুলবে।

ধোপাখোলা স্পোর্টিং ক্লাবের আয়োজনে এবং SAFE Foundation-এর সার্বিক সহযোগিতায় সমগ্র প্রোগ্রামটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়।

এই আয়োজনের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন সেইফ ফাউন্ডেশনের সম্মানিত সেক্রেটারি জেনারেল শেখ রাসেল। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে বিভিন্ন সামগ্রী বিতরণ করেন সংগঠনের কার্যনির্বাহী সদস্য মো: ফরহাদ হোসেন।

এছাড়াও প্রোগ্রাম বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন সহকারী অর্থ সম্পাদক আবুল কাশেম রাজনসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।

সমাজের উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে এমন উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে—এই প্রত্যাশা রইলো।

দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীর পড়াশোনার দায়িত্ব নিলো সেইফ ফাউন্ডেশনদরিদ্র কিন্তু মেধাবী শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা নিশ্চিত করতে...
07/03/2026

দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীর পড়াশোনার দায়িত্ব নিলো সেইফ ফাউন্ডেশন
দরিদ্র কিন্তু মেধাবী শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা নিশ্চিত করতে এগিয়ে এসেছে সামাজিক সংগঠন সেইফ ফাউন্ডেশন। সংগঠনটির উদ্যোগে এক দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীর নার্সিং শিক্ষার সম্পূর্ণ ব্যয়ভার গ্রহণ করা হয়েছে।

এ উপলক্ষে আজ একটি Student Education Sponsorship Agreement স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তির আওতায় নার্সিং কলেজে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী মোছা. সুমাইয়া আক্তার রিয়ার চার বছর মেয়াদি Bachelor of Science in Nursing কোর্সের জন্য মোট ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা বৃত্তি প্রদান করা হবে। এই অর্থ সরাসরি কলেজের ব্যাংক হিসাবে জমা দেয়া হবে।

সেইফ ফাউন্ডেশনের পক্ষে উপস্থিত থেকে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল শেখ রাসেল। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের ভাইস প্রেসিডেন্ট আনোয়ার হোসেন সবুজ, দপ্তর সম্পাদক শিব্বির হোসাইন রিতুন, সমাজসেবা সম্পাদক রিয়াদুল ইসলাম এবং অর্থ সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন।

অন্যদিকে কলেজের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন আমজাদ খান চৌধুরী নার্সিং কলেজের চেয়ারম্যান এবং প্রান-আরএফএল গ্রুপের ফাইন্যান্স ডিরেক্টর উজমা চৌধুরী। এ সময় প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় উজমা চৌধুরী দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সেইফ ফাউন্ডেশনকে ধন্যবাদ জানান এবং এ ধরনের মানবিক উদ্যোগকে সমাজের জন্য ইতিবাচক ও অনুপ্রেরণাদায়ক বলে উল্লেখ করেন।

সেইফ ফাউন্ডেশনের নেতৃবৃন্দ জানান, সমাজের পিছিয়ে পড়া মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের শিক্ষাজীবন এগিয়ে নিতে সংগঠনটি ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ অব্যাহত রাখবে।

দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীর পড়াশোনার দায়িত্ব নিলো সেইফ ফাউন্ডেশনদরিদ্র কিন্তু মেধাবী শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা নিশ্চিত করতে...
07/03/2026

দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীর পড়াশোনার দায়িত্ব নিলো সেইফ ফাউন্ডেশন

দরিদ্র কিন্তু মেধাবী শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা নিশ্চিত করতে এগিয়ে এসেছে সামাজিক সংগঠন সেইফ ফাউন্ডেশন। সংগঠনটির উদ্যোগে এক দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীর নার্সিং শিক্ষার সম্পূর্ণ ব্যয়ভার গ্রহণ করা হয়েছে।

এ উপলক্ষে আজ একটি Student Education Sponsorship Agreement স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তির আওতায় নার্সিং কলেজে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী মোছা. সুমাইয়া আক্তার রিয়ার চার বছর মেয়াদি Bachelor of Science in Nursing কোর্সের জন্য মোট ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা বৃত্তি প্রদান করা হবে। এই অর্থ সরাসরি কলেজের ব্যাংক হিসাবে জমা দেয়া হবে।

সেইফ ফাউন্ডেশনের পক্ষে উপস্থিত থেকে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল শেখ রাসেল। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের ভাইস প্রেসিডেন্ট আনোয়ার হোসেন সবুজ, দপ্তর সম্পাদক শিব্বির হোসাইন রিতুন, সমাজসেবা সম্পাদক রিয়াদুল ইসলাম এবং অর্থ সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন।

অন্যদিকে কলেজের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন আমজাদ খান চৌধুরী নার্সিং কলেজের চেয়ারম্যান এবং প্রান-আরএফএল গ্রুপের ফাইন্যান্স ডিরেক্টর উজমা চৌধুরী। এ সময় প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় উজমা চৌধুরী দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সেইফ ফাউন্ডেশনকে ধন্যবাদ জানান এবং এ ধরনের মানবিক উদ্যোগকে সমাজের জন্য ইতিবাচক ও অনুপ্রেরণাদায়ক বলে উল্লেখ করেন।

সেইফ ফাউন্ডেশনের নেতৃবৃন্দ জানান, সমাজের পিছিয়ে পড়া মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের শিক্ষাজীবন এগিয়ে নিতে সংগঠনটি ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ অব্যাহত রাখবে।

আর কতো নিষ্পাপ প্রাণ গেলে আমরা সত্যি সত্যি সচেতন হবো? ঢাকার খিলগাঁও, রাজশাহীর তানোর—তারপর আজ চট্টগ্রামের রাউজান। ২ বছরের...
28/01/2026

আর কতো নিষ্পাপ প্রাণ গেলে আমরা সত্যি সত্যি সচেতন হবো? ঢাকার খিলগাঁও, রাজশাহীর তানোর—তারপর আজ চট্টগ্রামের রাউজান। ২ বছরের সাজিদ, ৩ বছরের মিসবাহ… নামগুলো শুধু সংখ্যা নয়, এরা আমাদেরই সন্তানের বয়সী।

পরিত্যক্ত নলকূপের গর্তগুলো স্থায়ীভাবে বন্ধ করে রাখা কি সত্যিই এত বড় সমস্যা? একটু অবহেলা, একটু দায়িত্বহীনতা—আর তাতেই নিভে যাচ্ছে ছোট ছোট প্রাণ।
এই মৃত্যুগুলো কি দুর্ঘটনা, নাকি আমাদের সামষ্টিক উদাসীনতার ফল?আর কত লাশের পর আমরা বলবো—“এবার আর না”?

হে আল্লাহ, শিশু মিসবাহর প্রতি তুমি রহম কর।
আমাদের অক্ষমতার মাঝেও তুমি তাকে জীবিত ফিরিয়ে দাও—এই ফরিয়াদই রইল। আর আমাদের বিবেক জাগ্রত করে দাও, যেন আর কোনো শিশুকে এভাবে হারাতে না হয়।

23/01/2026

সবার জন্য সামাজিক কার্যক্রম

তারুণ্যের অদম্য উন্মাদনা আর মানুষের পাশে দাঁড়ানোর দৃঢ় প্রত্যয় থেকেই জন্ম নেয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘সেইফ ফাউন্ডেশন’। সেই ধা...
23/01/2026

তারুণ্যের অদম্য উন্মাদনা আর মানুষের পাশে দাঁড়ানোর দৃঢ় প্রত্যয় থেকেই জন্ম নেয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘সেইফ ফাউন্ডেশন’। সেই ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে যশোরের মনিরামপুর উপজেলার গ্রাম পুলিশদের মাঝে শীতবস্ত্র উপহার প্রদান করা হয়।

এই মানবিক উদ্যোগে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আমাদের অনুপ্রাণিত করেন যশোর জেলা পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, পিপিএম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন সেইফ ফাউন্ডেশনের সেক্রেটারি জেনারেল জনাব শেখ রাসেল।

শীতের কনকনে ঠান্ডায় যারা নিরাপত্তা ও দায়িত্বের ভার কাঁধে নিয়ে নিরলসভাবে কাজ করে যান—তাদের মুখে একটুখানি হাসি ফোটাতে পারাই আমাদের প্রাপ্তি। সেইফ ফাউন্ডেশন বিশ্বাস করে, মানবতার জন্য কাজ করাই তরুণ সমাজের সবচেয়ে বড় শক্তি।

Address

Dhaka

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Friday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+8801771544555

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Safe Foundation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Safe Foundation:

Shortcuts

Share

Category