"ইবাদাত হোক বিদআত মুক্ত - বিশ্বাস ও জ্ঞান হোক সত্য নির্ভর"

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • "ইবাদাত হোক বিদআত মুক্ত - বিশ্বাস ও জ্ঞান হোক সত্য নির্ভর"

"ইবাদাত হোক বিদআত মুক্ত - বিশ্বাস ও জ্ঞান হোক সত্য নির্ভর" মানুষ যখন কোরআন ও সুন্নাহ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয় তখন স্বীয় প্রবৃত্তির অনুসরণ করে। -:> নোট পড়ুন

15/09/2024
শয়তান আপনাকে হতাশ করবে, আর আপনি যতো বেশি হতাশ হবেন শয়তানের কন্ট্রোলে ততো বেশি চলে যাবেন।
30/12/2023

শয়তান আপনাকে হতাশ করবে, আর আপনি যতো বেশি হতাশ হবেন শয়তানের কন্ট্রোলে ততো বেশি চলে যাবেন।

29/03/2017

আয়াতুল কুরসী পড়া অতি ফযীলতপূর্ণ কিন্তু বুকে ফুঁক দেয়া বিদআত!

ফরয ছালাতের পর ‘আয়াতুল কুরসী’ পড়া অত্যন্ত ফযীলতপূর্ণ।
রাসূল (ছাঃ) বলেন, "যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরয ছালাতের পর আয়াতুল কুরসী পড়বে, তাকে মৃত্যু ব্যতীত কোন কিছু জান্নাতে প্রবেশ করতে বাধা দিতে পারবে না।"

[নাসাঈ, আল-কুবরা হা/৯৯২৮; সিলসিলা ছহীহাহ হা/৯৭২। উল্লেখ্য যে, মিশকাতে যে বর্ণনা এসেছে, তার সনদ যঈফ। আলবানী, মিশকাত হা/৯৭৪, ১/৩০৮ দ্রঃ]

তবে এ সময় বুকে ফুঁক দেয়ার শারঈ কোন ভিত্তি নেই। যদিও আমলটি সমাজে খুবই প্রসিদ্ধ। অতএব এই বিদ‘আতী প্রথা পরিত্যাগ করতে হবে।

02/07/2016

বিদাতের মাধ্যমে শয়তান মুসলিমদের মধ্যে পারস্পরিক শত্রুতা ও বিভাজন সৃষ্টি করছে। শয়তান মানুষের কাছে সুন্নাহকে অপর্যাপ্ত বলে তুলে ধরে। মানুষকে সুন্নাহ্‌র ওপর চলতে ও ধৈর্য্য রাখতে বাধা দেয়। তাই মানুষ বিদাতের সূচনা করে যা মহানবী (সঃ) ও সাহাবীরা কখনোই করতে বলেননি বা করেননি। এই বিদাত অবলম্বনকারী ও অমান্যকারীদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। বিদাত অনুসরণই হয়ে ওঠে মানুষকে পছন্দ-অপছন্দের ভিত্তি। তাই এই ভয়াবহ পরিস্থিতি হতে মুক্তির জন্য আমাদের জীবনের সকলক্ষেত্রে সুন্নাহ অনুসরণ করতে হবে।

আল ইরবাদ ইবনে সারীয়া (রাঃ) হতে বর্ণিত:

“রাসূল (সঃ) আমাদের সামনে এমন কিছু আলোচনা করলেন যার দ্বারা আমাদের অনর্ত ভয়ে পূর্ণ হয়ে গেল এবং আমাদের চোখ বেয়ে পানি পড়তে লাগল। তখন আমরা বললাম ‘এটা আমাদের কাছে আপনার বিদায়ী ভাষণের ন্যায় মনে হচ্ছে। আমাদের কিছু উপদেশ দিন।’ তখন রাসূল (সঃ) বললেন: ‘আমি তোমাদের আল্লাহ্‌কে ভয় করতে নির্দেশ দিচ্ছি আর কোন দাসও যদি তোমাদের নেতা হয় তবুও তাকে তোমরা মান্য করবে। তোমাদের মধ্যে যারা দীর্ঘজীবী হবে তারা অনেক বিরোধপূর্ণ ব্যাপার দেখতে পাবে। তাই তোমরা আমার সুন্নাহ অক্ষত রাখবে এবং সঠিক পথে পরিচালিত খলীফাদের নির্দেশমত চলবে। বিদাত সম্পর্কে সাবধান! (দ্বীনের অংশ হিসেবে) সকল নবউদ্ভাবিত বিষয়ই বিদাত। আর সকল বিদাতই পথভ্রষ্টতা, আর সকল পথভ্রষ্টতার পরিণামই জাহান্নামের আগুন।”

বিদাত এই মুসলিম উম্মাহ্‌-এর জন্য একটি ধ্বংসাত্মক ব্যাপার। তাই একজন প্রকৃত মুমিন হিসেবে ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিক জীবন থেকে বিদাত সমূলে উৎপাটন করতে হবে। এই বিদাত কোন ইবাদত কিংবা বিশ্বাসের ক্ষেত্রেই হোক বা কোন ধারণাতেই হোক যেটাই সুন্নাহর পরিপন্থী তাই ত্যাগ করতে হবে।

29/06/2016

কতক মানুষ এমন আছে দ্বীনের কোন বিষয় স্পষ্ট সুন্নাহ বা ফরজ অথবা উৎসাহিত বিষয় বললে শুনা যায়, “কেন?” মূলক প্রশ্ন! তারা যেন সকল বিধানের জন্যই কারণ জানাটা জরুরী মনে করছেন! বা তাদের এমন ধারণা যে দ্বীনের প্রতিটি বিধানই যেহেতু কল্যানের জন্য তাই প্রতিটা কাজের কল্যানটা কি তা জানতেই হবে!!

অথচ সাহাবী রা. আজমায়ীনগণের বৈশিষ্ট্য তা ছিল না। তারা ইবাদাত বা আহকাম তো দূরের কথা কোন স্পষ্ট অতি সামান্য জাগতিক বিষয়ও কোন প্রশ্ন না তুলেই রাসূল সা এর অনুসরণ করতে ভালবাসতেন!

যাইদ ইবনু আসলাম বলেন, “আমি ইবনু উমার রা. কে দেখলাম জামার বোতাম খুলে সালাত আদায় করছেন। আমি এ বিষয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, ‘আমি রাসূলুল্লাহ সা. -কে এভাবে সালাত আদায় করতে দেখেছি।’” [1]

তাবেয়ী উরওয়া আরেক তাবেয়ী মু’য়াবিয়া ইবনু কুররা থেকে বর্ণনা করেছেন যে তাঁর আব্বা সাহাবী কুররা ইবনু ইয়াস বলেছেন, “যখন আমি রাসূলুল্লাহ সা. এর নিকট এসে বাইয়াত করলাম, তখন তাঁর সা. জামার বোতাম খোলা ছিল।” উরওয়া বলেন, “আমি শীত হোক বা গ্রীষ্ম হোক কখনই এই সাহাবী কুররা বা তাঁর পুত্র মুয়াবিয়াকে জামার বোতাম লাগান অবস্থায় পাইনি। সর্বদাই তাঁরা জামার বোতাম খুলে রাখতেন।” [2]

সুবহানাল্লাহ! অতি সাধারণ জাগতিক বিষয়! এমনকি রাসূলুল্লাহ সা কোনো কারণে বা ইচ্ছে করে বোতাম খুলে রেখেছিলেন না অজান্তে বোতাম খোলা ছিল কি-না তাও বুঝা যায় না। কিন্তু ভালবাসা ও ভক্তি সাহাবীগণকে কিভাবে সর্বাত্মক অনুকরণে উদ্ভুদ্ধ করত তা আমরা এ সব ঘটনায় দেখতে পাচ্ছি। তিনি বোতাম লাগান বর্জন করেছিলেন। কেন করেছিলেন তা সাহাবীর প্রশ্ন নয়। তা বর্জন করা জায়েয অথবা না-জায়েয তা বিবেচ্য নয়। কোন যুক্তি দিয়ে তা করার চেষ্টা নয়। শুধু তাঁর অনুসরণ করার আগ্রহ। তিনি করেননি আমিও করব না। অথচ আমরা রাসূলুল্লাহ যা স্পষ্ট গোমরাহী ও জাহান্নামের পথ বলেছেন সে বিদ’আতগুলোও ছাড়তে পারিনা, নিজেকে কামেল, আলেম, নবীর ওয়ারাসাতুল আম্বীয়া বলে গর্ব করতে থাকি!!!

1. ইবনু খুযাইমা, সহীহ ১/৩৮২
2. ইবনু মাজাহ, লেবাস অধ্যায়: ৩৫৬৮

বইঃ এহ্ইয়াউস সুনান, সুন্নাতের পুনরুজ্জীবন ও বিদআতের বিসর্জন; পৃষ্ঠা ৬৭

05/06/2016

বিদআত দু প্রকার, বিদআতে হাসানাহ ও বিদআতে সাইয়া।
বিদআত মানে নবো-উদ্ভাবিত বিষয়।
বিদআতে হাসানাহ হচ্ছে ভাল বিদআত বা মানুষের উপকারী নব-উদ্ভাবিত বিষয় বা কিছু। যা রাসূল সা এর সময় ছিলনা কিন্তু এখন আছে। এবং ভাল। যেমন মোবাইল, স্যাটেলাইট ইত্যাদি নব আবিষ্কৃত নানা বিষয়। যেসকল বিষয় বা জিনিস মানুষ ইবাদাত হিসেবে করে না। বা সাওয়াবের নিয়ত রেখে করে না।

বিদআতে সাইয়া হচ্ছে খারাপ বিদআত। তা হচ্ছে দ্বীনের নামে নতুন উৎভাবিত বিষয়াদী যা মানুষ সাওয়াবের আশায় করে থাকে কিন্তু রাসূল সা আমাদের শেখাননি...
প্রমাণঃ “তোমরা (দ্বীনের) নব প্রচলিত বিষয়সমূহ থেকে সতর্ক থাক । কেননা প্রত্যেক নতুন বিষয় বিদআ‘ত এবং প্রত্যেক বিদআত ভ্রষ্টতা ।”

[সুনান আবু দাউদ, হাদীস নং ৩৯৯১ ও সুনান আত-তিরমিযী, হাদীস নং ২৬৭৬, তিরমিযী হাদীসটিকে হাসান ও সহীহ বলেছেন ।]

বিঃদ্রঃ এক শ্রেনীর জ্ঞানপাপী নামে আলেম রাসূল সা এর কথাকে উপক্ষা করে তাদের পেটের ব্যবসা চালু রাখার জন্য দ্বীনের নামে চলা কিছু নতুন কাজকে ইবাদাত ও ভাল বিদআত বলতে চায় অথচ রাসূল সা বাতিল করেছেন। মূলত তারা যা খারাপ বিদআত হিসেবে বলেন তা মূলত দ্বীনে হারাম বা মাখরু বিষয়। যেমন কবর বাধাই করা, কবরবাসীর নামে মানত করা, সিজদা করা, গান-বাজনা করে বাউলদের মত নবী রাসূলগণের নামে গান করা ইত্যাদি। এগুলো হারাম কাজ একে বিদআতে সাইয়া বলা যায় না। মিলাদ পড়া, মিলাদুন্নিবী উদযাপন, শবে মিরাজ পালন ইত্যাদি ভাল বিদআত নয় কারণ এগুলো দ্বীনের ভেতর নব প্রচলিত বিষয় যা রাসূল আমাদের নিষেধ করেছেন।

01/01/2016

কোন দিনকে নিদিষ্ট করে সকলের জন্য দোয়া করাটা কি বিদআত নয়? স্বীকার করুন আর নাই করুন নতুন বছরের প্রথম দিনে সকলে সকলের জন্য বলা যায় দুআ-ই তো করছে।

Happy New Year -এটা কি? Yes wish! তো!!!

তাহলে এই নিদিষ্ট দিনটি কি দুআ করা যাবে। দুআ একটি ইবাদাত। তাই নতুন বছর উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানানো স্পষ্ট্ বিদআত। এটি কাদের কালচার সেই প্রশ্ন নাই তুললাম।

23/12/2015

আম্নের সামনে যদি কোন সুন্নত পাবন্দর দাবীদাররে ইউরিন ছাড়নের পর ধরইয়া হাডা-হাডি করতে দেহেন! জিগাইবেন!!
“মিয়া! এইডা কি সুন্নাতে মুয়াক্কাদাহ, নাকি গাইরে মুয়াক্কাদাহ। আর এই সুন্নাতটা কার?”
“রাসূল সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ওনার ২৩ বছরের রিসালাতের জিন্দেগিতে এক বারও এরুম করছেনি?”

চিরন্তন ধর্ম চিরন্তনই থাকে। শুধু ধর্মের নামে অধর্ম এক শ্রেণির স্বার্থ লোভীরা ধর্মের নামে চালিয়ে দেয়।চিরন্তন ধর্ম চিরন্তন...
08/03/2015

চিরন্তন ধর্ম চিরন্তনই থাকে। শুধু ধর্মের নামে অধর্ম এক শ্রেণির স্বার্থ লোভীরা ধর্মের নামে চালিয়ে দেয়।
চিরন্তন ধর্ম চিরন্তনই থাকে। শুধু মানুষই ধর্মে নূতন নূতন রসম-নিয়ম-রীতির প্রচলন করে তার প্রকৃত শিক্ষা আদর্শ থেকে বিচ্যুত হয়।
চিরন্তন ধর্ম চিরন্তনই থাকে। শুধুমাত্র তারাই সে ধর্মকে চিনতে পারে যারা স্রষ্টার বাণীতে আঁকড়ে ধরে শক্তভাবে।
চিরন্তন ধর্ম চিরন্তনই থাকে। শুধু মানুষের প্রবৃত্তি তাকে চিরন্তন ধর্ম থেকে দূরে রেখে শুধুমাত্র বাপ-দাদা থেকে চলে আসা রীতি, অধিকাংশের মতের প্রভাব, প্রভাবশালীদের দাপট ইত্যাদির দাস বানিয়ে রাখে....
সনাতন শব্দের অর্থ চিরন্তন।
কিন্তু এ কথাগুলো শুধু সনাতন বলতে আজ যে হিন্দু সম্প্রদায়কে বোঝায় তাদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য নয়, জুইস (ইয়াহুদি), খ্রিষ্টান, ইসলাম সকলের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।
শুনতে খারাপ লাগলেও সত্যকে কেউ লুকিয়ে রাখতে পারবেন না!
আদি অনন্ত কাল থেকে সৃষ্টি জগতের স্রষ্টার দেয়া দ্বীন একটাই ছিল আর তা হলো, একক স্রষ্টার কাছে আত্ম-সমর্পনের ব্যবস্থা। এটাই চিরন্তন, এটাই সনাতন, এটাই ইসলাম।
কিন্তু.... প্রতিটি যুগেই মানুষ তাদের ধর্মে নতুন নতুন বিধান, হুকুম, নিয়ম, ভাল/নেককার মানুষদের নিয়ে অতিরঞ্জন ইত্যাদির অনুপ্রবেশ ঘটিয়ে তাদের স্রষ্টার দেয়া আনুগত্যের বিধানের সত্ত্বাকে ঘোলাটে করে তুলেছে। একক স্রষ্টার আনুগত্যে স্রষ্টারই সৃষ্ট অন্যকোন সত্ত্বাকে তার সাথে অংশিদার করেছে, স্রষ্টার বিধানকে উপেক্ষা করে সৃষ্টির দেয়া বিধানের আনুগত্য করে তাদেরই দাস বনে গেছে... আর ধীরে ধীরে মূল সনাতন, মূল ইসলামের স্থানে তারা বিকৃত ব্যবস্থাকেই সনাতন আর ইসলাম ভেবে স্রষ্টার নাফরমানীতে লিপ্ত হয়েছে....
সত্যং সর্বদাই সু্ন্দরং ছিল..... মানব ইতিহাসে সব সময়ই মানুষ দুটি শ্রেণিতে বিভক্ত ছিল, এক. একক স্রষ্টার দাস আর দুই. নিজের প্রবৃত্তির দাস (বহুত্ববাদী বা অবিশ্বাসী)
চারদিকে অন্তচক্ষু দিয়ে তাকিয়ে দেখুন আপনি উপলব্ধি করতে পারবেন যে, প্রবৃত্তি মানুষকে কতটা নিকৃষ্ট করে তুলেছে।
আর প্রধান ধর্মগুলোর বিকৃত গ্রন্থগুলো উপেক্ষা করে মূল গ্রন্থগুলো নিরীক্ষা করুন দেখবেন স্রষ্টার একত্ত্বের সাক্ষ্য আপনার মন থেকে আপনা আপনিই প্রকাশিত হবে। কেননা মানুষের প্রকৃতিই এ সাক্ষ্য দেয় যে, “একম ইভাদ্বীতিয়ম” বা “কুল! হুআল্লাহু আহাদ, আল্লাহুস সামাদ্”
তিনিইতো অদ্বিতীয় সত্ত্ব, একক, চিরন্তন।

[Chandgya উপনিষদ ৬ঃ২ঃ১, সূরা ইখলাস ১১২ঃ১]

01/04/2014

share the link... Read.Like.Share

মানুষ যখন কোরআন ও সুন্নাহ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয় তখন স্বীয় প্রবৃত্তির অনুসরণ করে। -:> নোট পড়ুন

15/03/2014
05/09/2013

ইসলামের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, তাওহীদ; আর ইবাদাতের হচ্ছে সুন্নাহ। আর ইসলামে গর্হীত হচ্ছে শিরক, আর ইবাদাতে বিদ’আত!

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when "ইবাদাত হোক বিদআত মুক্ত - বিশ্বাস ও জ্ঞান হোক সত্য নির্ভর" posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category