01/04/2026
ত্যাগীদের ভুলে গেলে অস্তিত্ব হারাবেন! -মতিউর রহমান লিটু
বিগত সতেরো বছর, নেতা তারেক রহমানের নির্দেশে আমরা প্রচার করতাম-
“ যারা হাসিনা বিরোধী আন্দোলনে ক্ষতিগ্রস্ত হবে বিএনপি ক্ষমতায় যেতে পারলে তাদের মূল্যায়ন করা হবে।”
১৭বছরে ক্ষতিগ্রস্ত ৬০লক্ষ নেতাকর্মীদের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব না হলেও অন্তত যারা মারা গেছেন তাদের জন্য কিছু একটা করুন!
জুলাই আন্দোলনে যারা মারা গেছেন, ড: মোহাম্মদ ইউনুস তাদের জন্য অনেক কিছু করে গেছেন কিন্তু আগে পিছে যে সকল বিএনপি নেতাকর্মীকে আওয়ামীলীগ হত্যা করেছে তাদের কি কোন খোঁজ খবর আপনারা নিয়েছিলেন?
নাকি দরকার নাই? আগে বলুন বিএনপি করা ওই সকল টগবগে যুবকদের এমন কি অপরাধ ছিল?
জুলাই আন্দোলন একদিনে হয়নি- ১৭ বছর ধরে আস্তে আস্তে তৈরী হয়েছে। এই সতেরো বছরে কতজন বিএনপি নেতাকর্মীকে আওয়ামীলীগ হত্যা করেছে সেটা সরকারিভাবে, গেজেট আকারে প্রকাশ করুন। তাদের পরিবারকে সহযোগিতা করার ব্যবস্থা করুন। জাতির কাছে পরিষ্কার করুন যে ক্ষমতায় গিয়ে আপনারা তাদের ভুলে যাননি!
সংসদে লম্বা লম্বা বক্তৃতা দিয়ে বিজয়ী হওয়া আসল রাজনীতি নয়, ওয়াদা পূরণ করার নাম রাজার নীতি!
২০১২ সালের ৮ই মার্চ সকাল ১০টার সময় নিজ বাড়ির সামনে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছিল আমার চাচা মজিবুর রহমান হাওলাদারকে। তার অপরাধ ছিল- তরুণ বয়সে তিনি পটুয়াখালী জেলার, মির্জাগঞ্জ উপজেলার, আমড়াগাছিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি ছিলেন আমার চেয়ে মাত্র কয়েক বছরের বড়।
বিএনপি ছাড়া তিনি আর কিছু বুঝতোনা। প্রচন্ড শক্তিশালী মজিবুর চাচাকে দমন করারও কোনো রাস্তা ছিলোনা! বিএনপিকে দুর্বল করতেই তাকে হত্যা করেছিল স্থানীয় আওয়ামীলীগ।
পুরানো এই হত্যাকাণ্ডের বিষয়টা খতিয়ে দেখার আহবান রইলো।