Anti-Corruption Commission - Bangladesh

Anti-Corruption Commission - Bangladesh The Official Page of Anti-Corruption Commission The first Act against corruption was made in 1947 under the title of the Prevention of Corruption Act.
(1294)

The formal institutional practice to curbing corruption was initiated in Bangladesh thorough a long evolution of system. Formation of Enforcement Branch of Anti-Corruption was officially recognized many years before the country’s independence in 1971. During the British rule, corrupt practices were detected in the Food Department and as such, in 1944, the Enforcement Branch was formed in the Police Department to fight such corruption. As there was no investigating agency other than the police, under the Act, certain offences were declared as offences of corruption and those were made cognizable for the police to investigate. The Police Department was entrusted to investigate such corruption cases until the establishment of the Bureau of Anti-Corruption in 1957. As the Police Department failed to handle corruption properly, the then Government felt the need to establish a separate agency to fight corruption. For that purpose the Anti-Corruption Act was passed in 1957 and the Bureau of Anti-Corruption was established under the Act. The Bureau continued to function even after 32 years of independence of Bangladesh. Despite the continuous existence of the Bureau, corrupt practices were never under control, rather, widespread corruption turned into the single biggest roadblock towards economic development. The failure of the Bureau is the ultimate result of a lack of commitment to fight corruption. In addition to that, the Bureau used to follow a primitive approach in its fight against corruption. The Agency did not have modern facilities. Practically, there was no facility for the training of investigators. To start an enquiry or a case they had to get prior approval from the Government. Thus the Government had total control over the functioning of the Bureau.The investigators could investigate only those cases that the government authority desired. According to election pledge the government established the present independent Anti-Corruption Commission under the Anti-Corruption Commission Act 2004. The Anti -Corruption Commission Bangladesh consists of three Commissioners from whom the President appoints a Chairman for a period of five years from joining date. There are one Secretary, six Director General,12 Directors and some other officers as investigators and prosecutors. The total number of stuff is now 1073. The Commission is independent in executing its duties and responsibilities.Anti-Corruption Commission Bangladeshwas formed through the act promulgated on 23 February 2004 that into force on 9 May 2004. Although initially, it could not make the desired impact, but immediately following its reconstitution in February 2007, the ACC began working with renewed dynamism.

👉দুদক চেয়ারম্যান-কমিশনারগণের যোগদানদুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান হিসেবে বিচারপতি এ. কে. এম. আসাদুজ্জামান এবং কম...
19/08/2026

👉দুদক চেয়ারম্যান-কমিশনারগণের যোগদান

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান হিসেবে বিচারপতি এ. কে. এম. আসাদুজ্জামান এবং কমিশনার হিসেবে ড. জাহাঙ্গীর আলম খান ও ড. মোঃ সাজ্জাদ হোসেন ভূইয়া আজ যোগদান করেছেন।

গত ১৭ আগস্ট মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ৭-এর উপধারা (১)-এর বিধান অনুযায়ী বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ. কে. এম. আসাদুজ্জামানকে দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান এবং সাবেক সচিব ড. জাহাঙ্গীর আলম খান এবং ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিলের (এফআরসি) সাবেক চেয়ারম্যান ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়াকে কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। বিচারপতি এ. কে. এম. আসাদুজ্জামান বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ থেকে এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে অবসর গ্রহণ করেন। এর আগে তিনি দীর্ঘকাল হাইকোর্ট বিভাগে বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

বিচারপতি এ. কে. এম. আসাদুজ্জামান ১৯৫৯ সালের ১ মার্চ নওগাঁ জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৮৩ সালে তিনি জেলা আদালতের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। ১৯৮৫ সালে হাইকোর্ট বিভাগের এবং ২০০১ সালে আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন তিনি।

এছাড়া কমিশনার ড. জাহাঙ্গীর আলম খান অবসরপ্রাপ্ত সাবেক সচিব। তিনি বিসিএস (প্রশাসন) ১৯৮৫ ব্যাচের কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি ১৯৬৩ সালের ৬ জুলাই মানিকগঞ্জ জেলায় জন্ম গ্রহণ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিভাগে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনেপিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। । ১৯৮৮ চাকুরীতে যোগদান করে ম্যাজিস্ট্রেট ও পরবর্তীতে জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সরকারি চাকরির পাশাপাশি তিনি ২০১০ সাল থেকে বাংলাদেশের কয়েকটি স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে আইনের খণ্ডকালীন অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। দুর্নীতি দমন কমিশনে যোগদানের অব্যবহিত পূর্বে ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ-এ আইনের অধ্যাপক, আইন মন্ত্রণালয়াধীন বিভিন্ন প্রকল্পে লিগাল ইক্সপার্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

অপর কমিশনার ড. মোঃ সাজ্জাদ হোসেন ভূইয়া জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক সদস্য ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধিভুক্ত ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিলের (এফআরসি) চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ১৫ অক্টোবর ১৯৬৩ সালে কুমিল্লা জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফিন্যান্স বিভাগে বি.কম(সম্মান) এবং এম.কম ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ, এবি ব্যাংকের প্রবেশনারী অফিসার ছিলেন। এছাড়াও তিনি ১৯৮৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগে প্রভাষক ছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগ, ব্যাংকিং বিভাগ, আন্তর্জাতিক ব্যবসা বিভাগ এবং আইবিএ এর খন্ডকালীন শিক্ষক ছিলেন। তিনি ফিন্যান্স, বাণিজ্য, ক্যাশ ফ্লো, মার্জার এন্ড একুইজিশন, সম্পদ ও দায় মূল্যায়ন, ট্রান্সফার প্রাইসিং, মানিলন্ডারিং, রাজস্ব ব্যবস্থাপনা এবং ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং বিষয়ে অভিজ্ঞ। তার সহধর্মিণী মিসেস শারমিন আফরোজা ঢাকার ধানমন্ডিতে অবস্থিত ইউনিভার্সিটি উইমেন্স ফেডারেশন কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে কর্মরত আছেন।

্ট_২০২৬
#দুদক

26/02/2026

👉 এক লক্ষ টাকা ঘুষসহ আটক PIO (প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা) ও তার সহযোগী: দুদক নোয়াখালীর ফাঁদ অভিযান

ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ০৫টি প্রকল্পের কাজের বিল প্রদানের শর্ত হিসেবে ঠিকাদারের নিকট ১২,০০,০০০/- (বারো লক্ষ) টাকা ঘুষ দাবি করেন।
তৎপ্রেক্ষিতে কমিশনের অনুমোদনক্রমে পরিচালিত ফাঁদ অভিযানে আজ (২৬-০২-২০২৬ খ্রি.) নগদ ১,০০,০০০/- (এক লক্ষ) টাকা ঘুষ গ্রহণকালে দুদকের ট্র্যাপ টিম মোঃ আল-সাঈদ, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা, সোনাগাজী উপজেলা এবং তার এক সহযোগী, কার্যসহকারী আবু নাসের-কে হাতেনাতে আটক করে।
দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত জেলা কার্যালয়, নোয়াখালী'র উপসহকারী পরিচালক চিন্ময় চক্রবর্তী বাদী হয়ে ওই আটককৃত দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন।

দুদক এনফোর্সমেন্ট ইউনিট হতে আজ (২২-০২-২০২৬ খ্রি.) ২টি অভিযোগের বিষয়ে এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়।👉 অভিযান ০১:বাগ...
22/02/2026

দুদক এনফোর্সমেন্ট ইউনিট হতে আজ (২২-০২-২০২৬ খ্রি.) ২টি অভিযোগের বিষয়ে এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়।

👉 অভিযান ০১:
বাগেরহাট জেলার শরণখোলা উপজেলায় ভুয়া ডিগ্রী ব্যবহার করে অবৈধভাবে চিকিৎসা সেবা প্রদানের অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশন, জেলা কার্যালয়, বাগেরহাট হতে আজ একটি এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানকালে এনফোর্সমেন্ট টিম অভিযোগ সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক জনাব মাহমুদুল হাসান -এর সংশ্লিষ্ট চেম্বারে (বাদল মার্কেট, পাঁচ রাস্তার মোড়, শরণখোলা, বাগেরহাট) চিকিৎসাসেবা নিতে আগত রোগীদের নিকট হতে প্রদত্ত কিছু প্রেসক্রিপশন সংগ্রহ করে। উক্ত প্রেসক্রিপশনসমূহে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি কর্তৃক রোগীদের বিভিন্ন ঔষধপত্র লিখন ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার সুপারিশ থাকার বিষয়টি পরিলক্ষিত হয়। এ বিষয়ে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট জনাব মাহমুদুল হাসান -এর বক্তব্য গ্রহণকালে তিনি তার উল্লেখকৃত এমবিবিএস ডিগ্রীর সনদের সঠিকতার বিষয়ে কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি জানান, উক্ত চিকিৎসকের শুধু প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা (জ্বর, সর্দি, কাশি, মাথা ব্যথা ইত্যাদি) দেওয়ার এখতিয়ার রয়েছে। তিনি প্রেসক্রিপশনে রোগীদের পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুপারিশ করে তার এখতিয়ার বহির্ভূত কাজ করেছেন। অতঃপর টিন সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের ভুয়া সনদসহ আনুষঙ্গিক রেকর্ডপত্র সংগ্রহ করে। অভিযানকালে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা প্রাপ্তির প্রেক্ষিতে এনফোর্সমেন্ট টিম পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশপূর্বক কমিশন বরাবর পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দাখিল করবে।

👉 অভিযান ০২:
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ), ঢাকা মেট্রো-১ সার্কেল, মিরপুর এ ভুয়া সনদে চাকরি গ্রহণসহ নানাবিধ অনিয়মের অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশন, প্রধান কার্যালয়, ঢাকা হতে অপর একটি এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে টিম কর্তৃক পরিদর্শনকালে বিআরটিএ, ঢাকা বিভাগ হতে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য গ্রহণ করা হয়। এছাড়াও বিআরটিএ, ঢাকার প্রধান কার্যালয় হতে অভিযোগ সংশ্লিষ্টের নিয়োগ সংক্রান্ত রেকর্ডপত্র সংগ্রহ করা হয়। প্রাপ্ত রেকর্ডপত্র পর্যালোচনাপূর্বক এনফোর্সমেন্ট টিম কর্তৃক কমিশন বরাবর পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

#এনফোর্সমেন্ট_টিম_অভিযান

👉ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য দুদকের কার্যক্রম👉আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ...
01/02/2026

👉ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য দুদকের কার্যক্রম

👉আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সুশাসন, ন্যায়বিচার, টেকসই উন্নয়ন ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ বিনির্মাণে সৎ ও যোগ্য প্রার্থী নির্বাচন করা অপরিহার্য। সচেতন ও দায়িত্বশীল ভোটারই পারে একটি দুর্নীতিমুক্ত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সৎ ও যোগ্য প্রার্থী নির্বাচন করতে জনসচেনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে জনস্বার্থে TVC এবং টিভিস্ক্রলে নিম্নোক্ত ০৩টি স্লোগান প্রচারের জন্য কমিশন কর্তৃক সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

১। দেশকে ভালোবাসুন, নির্বাচনে দুর্নীতিবাজদের বয়কট করুন।

২। দুর্নীতির বিরুদ্ধে হোক তারুণ্যের প্রথম ভোট।

৩। সৎ ও যোগ্য প্রার্থী নির্বাচিত করি, সুরক্ষিত ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ি।

এছাড়া প্রত্যেক জেলায় বিলবোর্ডে এ সকল স্লোগান প্রচারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন।

#দুদক_প্রেস_বিজ্ঞপ্তি

দুদক এনফোর্সমেন্ট ইউনিট হতে আজ (২৯-০১-২০২৬ খ্রি.) ৩টি অভিযোগের বিষয়ে এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়।👉 অভিযান ০১:নওগ...
29/01/2026

দুদক এনফোর্সমেন্ট ইউনিট হতে আজ (২৯-০১-২০২৬ খ্রি.) ৩টি অভিযোগের বিষয়ে এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়।

👉 অভিযান ০১:
নওগাঁ জেলার ধামইরহাট উপজেলায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের আওতায় গাইডওয়াল নির্মাণে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত জেলা কার্যালয়, নওগাঁ হতে একটি এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়। সরেজমিনে পরিদর্শনকালে ধামইরহাট উপজেলার ভেড়োম মৌজায় অবস্থিত আনুমানিক ১৫.৫৬ একর আয়তনের সামাজিক বন বিভাগের আওতাধীন ‘সোনা দিঘী’ পুকুরের চারপাশে গাইড ওয়াল ও গাইড ওয়াল সংযুক্ত ইটের গাঁথুনিযুক্ত রাস্তা নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা হয়। সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের আওতায় সামাজিক বন বিভাগের কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধানে নির্মিত উক্ত গাইড ওয়াল ও রাস্তার কাজ নির্মাণের এক বছরের মধ্যে বৃষ্টির পানিতে আংশিক ধসে পুকুরে নিমজ্জিত হতে দেখা যায় এবং কয়েকটি স্থানে গাইড ওয়ালের টিন খুলে পড়ার আলামত পাওয়া যায়, যার ফলে স্থানীয় বাসিন্দাদের চলাচলে অত্যধিক ভোগান্তির সৃষ্টি হয়েছে। অভিযানকালে স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য গ্রহণ, একজন বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলীসহ গাইড ওয়াল পরিদর্শন এবং সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্র সংগ্রহ করা হয়। সংগৃহীত তথ্য ও নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে টিম কর্তৃক কমিশন বরাবর বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

👉 অভিযান ০২:
এসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড (EDCL) -এর ব্যবস্থাপনা পরিচালকের বিরুদ্ধে ভুয়া বিল–ভাউচারের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ, কাঁচামাল ও অন্যান্য ক্রয় কার্যক্রমে গুরুতর অনিয়ম, নিয়োগ বাণিজ্য, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং সরকারি অর্থ লোপাটের অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রধান কার্যালয় হতে অদ্য এসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড (EDCL)-এ একটি এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে ডেসোগেস্টরল ইউএসপি কাঁচামাল প্রকিউরমেন্ট সংক্রান্ত দরপত্র, বিল-ভাউচার, অনুমোদনপত্র ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক রেকর্ডপত্র সংগ্রহ করে তা সরেজমিনে পর্যালোচনা করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের স্বচ্ছতা ও বিধিবিধান পরিপালনের বিষয় যাচাই করা হয়। প্রাপ্ত তথ্য ও সংগৃহীত নথিপত্রের যাচাইয়ের ভিত্তিতে টিম কর্তৃক কমিশন বরাবর বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

👉 অভিযান ০৩:
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, পাংশা, রাজবাড়ীতে চিকিৎসাসেবা প্রদানে হয়রানি ও নানাবিধ অনিয়মের অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ফরিদপুর হতে অপর একটি এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানকালে এনফোর্সমেন্ট টিম প্রথমে ছদ্মবেশে হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নিতে আগত রোগীদের সঙ্গে কথা বলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ও নার্সদের সেবার মান, সরবরাহকৃত ওষুধের প্রাপ্যতা এবং রোগীদের জন্য সরবরাহকৃত খাবারের মান সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করে। পরবর্তীতে টিম হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড, প্যাথলজি বিভাগ, স্টোররুম, ওষুধ বিতরণ ব্যবস্থা এবং রান্নাঘর সরেজমিনে পরিদর্শন করে। উপস্থিত রোগী ও রোগীদের অ্যাটেনডেন্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায় যে, প্রেসক্রিপশনে উল্লেখিত সকল ওষুধ তারা পাচ্ছেন না। এ সময় হাসপাতালের ওষুধের স্টক ও বিতরণ সংক্রান্ত রেজিস্টার সংগ্রহ করা হয়, যেখানে নানা অনিয়ম পরিলক্ষিত হয়। পরিদর্শনকালে হাসপাতালের হিসাব ক্লার্ক কর্তৃক সরকার নির্ধারিত হারের চেয়ে অতিরিক্ত ইউজার ফি গ্রহণের সত্যতা পাওয়া যায়। এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা কোনো সন্তোষজনক সদুত্তর প্রদান করতে পারেননি। অভিযানকালে প্রাপ্ত তথ্যাবলির প্রেক্ষিতে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্ত টিম কমিশন বরাবর পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দাখিল করবে।

#এনফোর্সমেন্ট_টিম_অভিযান

দুদক এনফোর্সমেন্ট ইউনিট হতে গতকাল (২৫- ০১-২০২৬ খ্রি.) ৪টি অভিযোগের বিষয়ে এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়।👉 অভিযান ০১...
25/01/2026

দুদক এনফোর্সমেন্ট ইউনিট হতে গতকাল (২৫- ০১-২০২৬ খ্রি.) ৪টি অভিযোগের বিষয়ে এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়।

👉 অভিযান ০১:
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-তে ‘কাজ না করেই বিল উত্তোলনের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ এবং ঘুস বাণিজ্যের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ’-এর প্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশন, প্রধান কার্যালয় হতে গতকাল একটি এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান পরিচালনাকালে অভিযোগের বিশয়ে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য গ্রহণ করা হয়। অতঃপর অভিযোগ সংশ্লিষ্ট অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী, এলজিইডি—এর কর্মকালীন সময়ে সার্ভেয়ার পদ হতে উপসহকারী প্রকৌশলী পদে পদোন্নতি প্রদান এবং বিভিন্ন প্রকল্পে ১,১২৫ জন আউটসোর্সিং জনবল নিয়োগ সংক্রান্ত রেকর্ডপত্র সংগ্রহ করা হয়। সংগৃহীত রেকর্ডপত্র পর্যালোচনা করে টিম কর্তৃক কমিশন বরাবর বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

👉 অভিযান ০২:
ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ক্রুড অয়েল খালাসের সময় প্রায় পৌনে ১৪ কোটি টাকার তেল গায়েব হওয়ার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশন, জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম-১ -এর এনফোর্সমেন্ট টিম কর্তৃক (ক) বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন এবং (খ) ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসিতে অপর একটি অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে এনফোর্সমেন্ট টিম প্রথমে বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন, সল্টগোলা রোড, চট্টগ্রাম কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে কর্তৃপক্ষের নিকট থেকে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট প্রয়োজনীয় রেকর্ডপত্র সংগ্রহ করে। পরবর্তীতে টিম ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি, পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে কর্তৃপক্ষের নিকট থেকে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য রেকর্ডপত্র সংগ্রহ করে। সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে আগত ‘নরডিক স্কিয়ার’ ও ‘নরডিক ফ্রিডম’ নামক দুটি জাহাজ থেকে ক্রুড অয়েল খালাসকালে স্বাভাবিক ওশান লস (Ocean Loss) বাদ দিয়ে নেট শর্ট লেন্ডিং সংক্রান্ত বিষয়ে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য গ্রহণ করা হলে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য পাওয়া যায়।
টিম কর্তৃক পতেঙ্গা ডলফিন জেটি থেকে ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসির শোর ট্যাঙ্কে (Shore Tank) তেল স্থানান্তরের সময় শর্ট লেন্ডিং (তেল কমে যাওয়া) সংক্রান্ত ঘটনাটি যাচাই-বাছাইয়ের লক্ষ্যে তেলের পরিমাপ (Quantification), যৌথ সার্ভে প্রতিবেদনসহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য রেকর্ডপত্র চাওয়া হয়েছে। সংগৃহীত রেকর্ডপত্র পর্যালোচনা ও যাচাই শেষে অভিযোগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশপূর্বক কমিশন বরাবর পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

👉 অভিযান ০৩:
মৌলভীবাজার জেলার রাজনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে (৩১ শয্যা) চিকিৎসাসেবা প্রদানে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত জেলা কার্যালয়, হবিগঞ্জ হতে একটি এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়। সরেজমিন পরিদর্শনকালে জানা যায় যে, রাজনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি ৩১ শয্যার হলেও বর্তমানে মাত্র ১৯ শয্যায় কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। অভিযানকালে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ০৩ জন ডাক্তার দীর্ঘদিন যাবৎ অনুমোদিতভাবে কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন মর্মে দুদক টিম তথ্য পায়। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা দুদক টিমকে জানান যে, উক্ত ডাক্তারদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর পত্র প্রেরণ করা হয়েছে। তাৎক্ষণিক অভিযানের সময় হাসপাতালের খাবার ব্যবস্থাপনা পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায় যে, রবিবারের খাবারের চার্ট অনুযায়ী রোগীদের জন্য মাংস পরিবেশনের কথা থাকলেও বাস্তবে দুপুরের খাবারে মাছ পরিবেশন করা হয়, যা নিম্নমানের মর্মে প্রতীয়মান হয়। হাসপাতালের খাবার সরবরাহকারী ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের এ ধরনের অনিয়মের প্রেক্ষিতে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাকে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন মর্মে দুদক টিমকে আশ্বস্ত করেন।

👉 অভিযান ০৪:
শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর, চাঁদপুর কর্তৃক চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর উপজেলাধীন ইমামপুর পল্লী মঙ্গল হাই স্কুলে নতুন ভবন নির্মাণকাজে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত জেলা কার্যালয়, চাঁদপুর হতে অপর একটি এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে টিম শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর, চাঁদপুর -এর প্রকল্প সংশ্লিষ্ট দুইজন প্রকৌশলী, সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং স্থানীয় জনসাধারণের উপস্থিতিতে বিদ্যালয়ের নির্মাণাধীন ভবনটি সরেজমিনে পরিদর্শন করে। এ সময় উপস্থিত স্থানীয় জনসাধারণ ভবন নির্মাণে ব্যবহৃত ইটের মান নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। পরিদর্শনকালে টিম উক্ত নির্মাণাধীন ভবনে ব্যবহৃত বিভিন্ন নির্মাণসামগ্রীর নমুনা সংগ্রহ করে। সংগৃহীত নমুনা ও সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্র পর্যালোচনা শেষে টিম কমিশন বরাবর বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করবে।

#এনফোর্সমেন্ট_টিম_অভিযান

দুদক এনফোর্সমেন্ট ইউনিট হতে গতকাল (২২-০১-২০২৬ খ্রি.) ৩টি অভিযোগের বিষয়ে এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়।👉 অভিযান ০১:...
22/01/2026

দুদক এনফোর্সমেন্ট ইউনিট হতে গতকাল (২২-০১-২০২৬ খ্রি.) ৩টি অভিযোগের বিষয়ে এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়।

👉 অভিযান ০১:
নেত্রকোণা জেলার দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাসেবা প্রদানে হয়রানি এবং বিভিন্ন খাতে ভুয়া বিল-ভাউচার প্রস্তুতের মাধ্যমে বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মসাতসহ নানাবিধ অনিয়মের অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ময়মনসিংহ হতে গতকাল একটি এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে এনফোর্সমেন্ট টিম বর্ণিত স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সেবা প্রদানের সার্বিক বিষয় পর্যবেক্ষণ করে। পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, রোগীদের জন্য প্রদত্ত পথ্যে নির্ধারিত ডায়েট চার্টে উল্লেখিত পরিমাণের তুলনায় কম খাদ্য সরবরাহ করা হচ্ছে। এছাড়াও, অভিযানকালে বিভিন্ন খাতে বিল-ভাউচার সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হয়। সংগৃহীত তথ্যাদি পর্যালোচনাপূর্বক টিম কমিশন বরাবর বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করবে।

👉 অভিযান ০২:
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের মাধ্যমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতি সনাক্তকরণ কার্যক্রমে স্থবিরতার অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশন, প্রধান কার্যালয় হতে অপর একটি এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান পরিচালনাকালে টিম পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের চলমান কার্যক্রম সম্পর্কে প্রাসঙ্গিক তথ্য সংগ্রহ করে। এ সময় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের আওতাধীন শিক্ষক নিবন্ধন সনদ ও কম্পিউটার প্রশিক্ষণ সনদে বিপুল পরিমাণে জালিয়াতি সংক্রান্ত অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া যায়। প্রাপ্ত তথ্য ও নথিপত্র বিশ্লেষণপূর্বক পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্ত টিম কমিশন বরাবর বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করবে।

👉 অভিযান ০৩:
রাজা গিরিশচন্দ্র মাধ্যমিক স্কুল ও কলেজ, সিলেট -এ নানাবিধ দুর্নীতি ও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত জেলা কার্যালয়, সিলেট হতে গতকাল একটি এনফোর্সমেন্ট টিম কর্তৃক একটি অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ মোট ১৬ জন শিক্ষক এবং ৫ জন কর্মচারীর বেতন বিবরণী পর্যালোচনা করা হয়। বেতন বিবরণী পর্যালোচনাকালে দেখা যায় যে, এমপিও অনুযায়ী প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আব্দুল মুমিতের মূল (বেসিক) বেতন ৪২,৮৯০/- টাকা। সরকার কর্তৃক বাড়িভাড়া বাবদ ১,০০০/- টাকা প্রদান করা হলেও বিদ্যালয়ের রেজুলেশন অনুযায়ী বিদ্যালয় হতে মূল বেসিকের সর্বোচ্চ ৪৫% হারে বাড়িভাড়া প্রদানযোগ্য। অথচ প্রধান শিক্ষক সরকার প্রদত্ত বাড়িভাড়াসহ মূল বেসিকের ৪৫% অর্থকে একত্রিত করে নতুনভাবে বেসিক ৬১,৯৭০/- টাকা নির্ধারণ করে উক্ত টাকার ভিত্তিতে বেতন ও অন্যান্য ভাতাদি উত্তোলন করেছেন। একইভাবে প্রধান শিক্ষকসহ অন্যান্য শিক্ষকদের ক্ষেত্রেও বিদ্যালয় প্রদত্ত সম্মানী ভাতাকে এমপিওভুক্ত মূল বেসিকের সাথে সংযুক্ত করে নতুন বেসিক নির্ধারণপূর্বক বেতন ও ভাতাদি উত্তোলন করা হয়েছে। যা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আর্থিক শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিধি-বিধানের পরিপন্থি মর্মে প্রতীয়মান হয়। অভিযানকালে প্রাপ্ত ব্যাপক আর্থিক অনিয়মের তথ্য-প্রমাণের প্রেক্ষিতে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের টিম কর্তৃক কমিশন বরাবর পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

#এনফোর্সমেন্ট_টিম_অভিযান

দুদক এনফোর্সমেন্ট ইউনিট হতে আজ (২১-০১-২০২৬ খ্রি.) ৩টি অভিযোগের বিষয়ে এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়।👉 অভিযান ০১:ব্র...
21/01/2026

দুদক এনফোর্সমেন্ট ইউনিট হতে আজ (২১-০১-২০২৬ খ্রি.) ৩টি অভিযোগের বিষয়ে এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়।

👉 অভিযান ০১:
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলায় সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারসহ নানাবিধ অনিয়মের অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত জেলা কার্যালয়, কুমিল্লা হতে আজ একটি এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে টিম সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দুইজন নিরপেক্ষ প্রকৌশলী; স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার প্রকল্প সংশ্লিষ্ট দুইজন প্রকৌশলী, সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং স্থানীয় জনসাধারণের উপস্থিতিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলার শাহবাজপুর হতে শাহজাদা পুর রোডের মলয় সীমানা হতে শাহজাদাপুর চকবাজার অংশ পর্যন্ত সড়ক সরেজমিনে পরিদর্শন করে। এ সময় উপস্থিত জনসাধারণ সড়কের মান নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পরিদর্শনকালে টিম উক্ত সড়কের ভিন্ন ভিন্ন ৩টি জায়গা হতে নির্মাণসামগ্রীর নমুনা সংগ্রহ করেন। সংগৃহীত নমুনা সংক্রান্ত বিশেষজ্ঞ প্রতিবেদন পর্যালোচনা শেষে টিম কর্তৃক কমিশন বরাবর বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

👉 অভিযান ০২:
সিরাজগঞ্জ জেলার কামারখন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাসেবা প্রদানে হয়রানি ও নানাবিধ অনিয়মের অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত জেলা কার্যালয়, পাবনা হতে কামারখন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আজ অপর একটি এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে এনফোর্সমেন্ট টিম প্রথমে ছদ্মবেশে আগত রোগীদের সাথে কথা বলে এবং হাসপাতালে দায়িত্বরত চিকিৎসক ও অন্যান্য স্টাফদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করে। অভিযানকালে প্রাপ্ত তথ্য ও উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার বক্তব্য পর্যালোচনায় দেখা যায় যে, বিধি-বহির্ভূতভাবে উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার (সেকমো) ও সিনিয়র স্টাফ নার্স কর্তৃক হাসপাতালের জরুরী ও বহির্বিভাগে আগত রোগীদের ব্যবস্থাপত্র দেয়া হয়। উপস্থিত সেবাপ্রার্থীরা অভিযোগ জানান যে, হাসপাতালের প্রদত্ত ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী সকল ওষুধ তাদেরকে প্রদান করা হয় না এবং সিংহভাগ ওষুধই বাহির থেকে ক্রয়ের পরামর্শ দেওয়া হয়। এছাড়া হাসপাতালের প্যাথোলজিক্যাল ইউনিট, ওয়ার্ডের পরিবেশ নোংরা দেখা যায়। সার্বিক বিবেচনায় উক্ত স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসাসেবা প্রদান ওষুধ বিতরণে ব্যাপক অব্যবস্থাপনা রয়েছে মর্মে এনফোর্সমেন্ট টিমের নিকট প্রতীয়মান হয়। এনফোর্সমেন্ট টিম কর্তৃক অভিযানকালে প্রাপ্ত তথ্যাদির প্রেক্ষিতে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্ত কমিশন বরাবর বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

👉 অভিযান ০৩:
ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ে টি.আর ও কাবিখা প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ করার অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঠাকুরগাঁও থেকে অপর একটি এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে এনফোর্সমেন্ট টিম পীরগঞ্জ উপজেলার ২০২২-২৩ অর্থবছরের টি.আর ও কাবিখা প্রকল্পের রাস্তাসমূহ পরিদর্শন করে। এ সময় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এবং স্হানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয় জনগণের সাথে এ বিষয়ে আলোচনা করা হয় এবং তথ্য সংগ্রহ করা হয়। প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সংগৃহীত রেকর্ডপত্র পর্যালোচনাপূর্বক টিম কর্তৃক কমিশন বরাবর পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

#এনফোর্সমেন্ট_টিম_অভিযান

দুদক এনফোর্সমেন্ট ইউনিট হতে আজ (২০-০১-২০২৬ খ্রি.) ৩টি অভিযোগের বিষয়ে এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়।👉 অভিযান ০১:টাঙ...
20/01/2026

দুদক এনফোর্সমেন্ট ইউনিট হতে আজ (২০-০১-২০২৬ খ্রি.) ৩টি অভিযোগের বিষয়ে এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়।

👉 অভিযান ০১:
টাঙ্গাইল জেলার মধুপুর পৌরসভার অসাধু কর্মচারীগণ কর্তৃক পৌরসভার তহবিল এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ করার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশন, জেলা কার্যালয়, টাঙ্গাইল হতে আজ একটি এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালিত হয়। টিম অভিযানকালে মধুপুর পৌরসভা হতে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্র সংগ্রহ করে। সংগৃহীত রেকর্ডপত্র পর্যালোচনায় দেখা যায় যে, অভিযোগ সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষক মিজানুর রহমান আছাদ কর্তৃক মধুপুর পৌরসভার ভবিষ্যৎ তহবিল, আনুতোষিক তহবিল, বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের ঠিকাদারদের জামানত এবং সরকারি কোষাগারের ভ্যাট ও আয়করসহ মোট ৭৮,৪৭,৭৪৮/- টাকা আত্মসাৎ এবং তিনি হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত থাকাকালীন নিজ বেতন অতিরিক্ত নির্ধারণপূর্বক প্রকৃত প্রাপ্য বেতন ভাতার অতিরিক্ত ৬,৪৬,৩১৮/- টাকা উত্তোলনপূর্বক আত্মসাৎ করার বিষয়টি এ সংক্রান্ত বিভাগীয় তদন্তে প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে। অভিযান পরিচালনাকালে উপস্থিত কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ জানান যে, বর্ণিত কর্মচারী অর্থ আত্মসাত সংক্রান্ত অপরাধের দায় স্বীকারও করেছেন। অভিযানকালে আরও জানা যায়, পৌরসভার সচিব মনিরুজ্জামান প্রশাসনিক কর্মকর্তা আনোয়ারুল কায়সার -এর সাথে যোগসাজশ করে মধুপুর পৌরসভার ১২,১০,০০০/- টাকার এফডিআর আত্মসাৎ করেন; এছাড়া নরসিংদী জেলার মাধবদী পৌরসভা হতে ১৪,২৫,০০০/- টাকা , জামালপুর জেলার মেলান্দহ পৌরসভায় ১৪,২৫,০০০/- টাকা আত্মসাত করার অভিযোগে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় হতে মনিরুজ্জামানকে আত্মসাতকৃত টাকা পৌরসভার কোষাগারে জমা প্রদানের জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে মর্মে তথ্য পায় দুদক টিম। অভিযানকালে সার্বিক পর্যালোচনায় বর্ণিত অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ৩ জন কর্মচারী কর্তৃক মধুপুর পৌরসভা, মেলান্দহ ও মাধবদী পৌরসভায় সর্বমোট ১,২৫,৫৪,০৬৬/- (এক কোটি পঁচিশ লক্ষ চুয়ান্ন হাজার ছাব্বিশ) টাকা আত্মসাতের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া যায়। অভিযানকালে সংগৃহীত রেকর্ডপত্র পর্যালোচনাপূর্বক টিম পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্ত কমিশন বরাবর বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করবে।

👉 অভিযান ০২:
জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, পটুয়াখালী জেলা কার্যালয়ে ওভারহেড ট্যাংকের কাজের কার্যাদেশ প্রদানে ঘুস লেনদেনসহ নানাবিধ অনিয়মের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত জেলা কার্যালয়, পটুয়াখালী থেকে অপর একটি এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান পরিচালনাকালে টিম কর্তৃক প্রথমে অভিযোগস্থল পরিদর্শন করা হয় এবং এলাকাবাসীর বক্তব্য গ্রহণ করা হয়। অতঃপর এনফোর্সমেন্ট টিম কর্তৃক অভিযোগ সংশ্লিষ্ট টেন্ডার প্রক্রিয়া সংক্রান্ত যাবতীয় রেকর্ডপত্র সরবরাহের জন্য জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলীর নিকট অনুরোধ করা হয়। রেকর্ডপত্রসমূহ পর্যালোচনান্তে টিম কমিশন বরাবর বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করবে।

👉 অভিযান ০৩:
মাগুরা জেলার কৃষি বিপণন অধিদপ্তর কর্তৃক পরিচালিত পার্টনার-ডিএএম প্রকল্পের 'অন দ্য জব' প্রশিক্ষণে প্রশিক্ষণার্থীদের নিকট হতে অর্থ আদায়, নিম্নমানের খাবার প্রদান এবং নির্ধারিত প্রশিক্ষকের অনুপস্থিতিতে ক্লাস পরিচালনাসহ নানাবিধ অনিয়মের অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঝিনাইদহ হতে অপর একটি এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে টিম জানতে পারে যে, বিশ্বব্যাংক ও সরকারের যৌথ অর্থায়নে চালু হওয়া পার্টনার-ডিএএম প্রকল্পের আওতায় কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিপণন অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে দেশের ৬৪টি জেলার নির্বাচিত উপজেলায় ২০,০০০ প্রশিক্ষণার্থীকে বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। অদ্যাবধি উক্ত প্রকল্পের অধীনে খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ (মাশরুম) বিষয়ক প্রশিক্ষণে মোট ১২টি পার্টনার প্রোগ্রাম সম্পন্ন হয়েছে মর্মে জানতে পারে দুদক টিম। টিম অভিযানকালে প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের সাথে কথা বলে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা রয়েছে মর্মে তথ্য পায়। এছাড়াও অভিযানকালে উল্লিখিত প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত যাবতীয় রেকর্ডপত্র সংগ্রহ করে দুদক টিম। সংগৃহীত রেকর্ডপত্র পর্যালোচনা করে টিম কর্তৃক কমিশন বরাবর বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

#এনফোর্সমেন্ট_টিম_অভিযান

Address

1 Segunbagicha
Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Anti-Corruption Commission - Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Anti-Corruption Commission - Bangladesh:

Shortcuts

Share