রাজবাড়ী শহর - Rajbari Town

রাজবাড়ী শহর - Rajbari Town আমাদের উদ্দেশ্য রাজবাড়ী জেলার সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্য তুলে ধরা।

Focusing on Rajbari town's Tradition & Culture.

রাজবাড়ী জেলা বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলের ঢাকা বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল।

রাজবাড়ী জেলার উত্তরে পদ্মা নদী, পশ্চিম থেকে পূর্বে পদ্মা ও যমুনার সঙ্গমস্থল দৌলতদিয়ার সামান্য উত্তরে আরিচা ঘাট। পদ্মার অপর পারে পাবনা ও মানিকগঞ্জ। দক্ষিণে পদ্মার শাখা নদী গড়াই নদী, গড়াই-এর ওপারে ঝিনাইদহ ও মাগুরা জেলা। পূর্বে ফরিদপুর ও পশ্চিমে কুষ্টিয়া। রাজবাড়ীকে ঘিরে পদ্মা, চন্দনা, গড়াই নদী ও হড়াই নদী ।

পূর্ব থেকে বর্তমান
20/08/2026

পূর্ব থেকে বর্তমান

এই ছবিতে দেখানো প্রতিটা বিষয় কীভাবে আমাদের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে, তার বিস্তারিত বিবরণ নিচে দেওয়া হলো:১. ২য় পদ্ম...
11/08/2026

এই ছবিতে দেখানো প্রতিটা বিষয় কীভাবে আমাদের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে, তার বিস্তারিত বিবরণ নিচে দেওয়া হলো:

১. ২য় পদ্মা সেতু (Second Padma Bridge)যোগাযোগের বিপ্লব: এটি উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণ-পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে সরাসরি এবং দ্রুততম সংযোগ স্থাপন করবে। যাতায়াতের সময় ও খরচ ব্যাপক হারে কমে যাবে।ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার: রাজধানী ঢাকা এবং অন্যান্য প্রধান শিল্পাঞ্চলের সাথে দুই অঞ্চলের সরাসরি সংযোগ তৈরি হওয়ায় পণ্য পরিবহন সহজ হবে, যা দেশীয় বাজারের পরিধি বাড়াবে।

২. আধুনিক মালবাহী ও যাত্রীবাহী ট্রেন (Cargo & Passenger Train)সাশ্রয়ী পণ্য পরিবহন: সড়কপথের তুলনায় রেলপথে একসাথে বিপুল পরিমাণ পণ্য অনেক কম খরচে পরিবহন করা যায়। এতে পণ্যের উৎপাদন ও পরিবহন খরচ কমবে।যানজট ও কার্বন নির্গমন হ্রাস: মহাসড়কগুলোর ওপর থেকে ট্রাকের চাপ কমবে, ফলে যানজট কমবে এবং পরিবেশ দূষণ হ্রাস পাবে।

৩. উত্তরবঙ্গের কৃষিপণ্য (Rice & Fruit Cargo)কৃষকের ন্যায্য মূল্য: উত্তরবঙ্গের উদ্বৃত্ত ধান, আম, লিচুসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য দ্রুত নষ্ট না হয়ে দক্ষিণবঙ্গের বড় বড় বাজার ও বন্দরে পৌঁছাবে। ফলে কৃষকরা সঠিক দাম পাবেন।খাদ্য নিরাপত্তা: দেশের এক প্রান্তের খাদ্যশস্য অন্য প্রান্তে দ্রুত পৌঁছানোর মাধ্যমে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে এবং বাজারমূল্য স্থিতিশীল থাকবে।

৪. দক্ষিণবঙ্গের শিল্প ও বন্দর (Southwest Ports & Trade Hub)মোংলা ও পায়রা বন্দরের সচলতা: উত্তরবঙ্গের কাঁচামাল ও কৃষিপণ্য সরাসরি মোংলা বা পায়রা বন্দরে গিয়ে পৌঁছাবে, যা এই বন্দরগুলোর কার্যক্ষমতা এবং সরকারের রাজস্ব আয় বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে।রপ্তানি বৃদ্ধি: দক্ষিণবঙ্গের বিখ্যাত হিমায়িত চিংড়ি, পাট ও পাটজাত পণ্য এই আধুনিক রেললাইনের মাধ্যমে দ্রুত দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে পাঠানোর জন্য বন্দরে সরবরাহ করা যাবে।

৫. নতুন শিল্পাঞ্চল ও কর্মসংস্থান (Industrialization & Employment) অর্থনৈতিক করিডোর: রেললাইনের দুই পাশে নতুন নতুন ইকোনমিক জোন বা শিল্পাঞ্চল গড়ে উঠবে। বেকারত্ব দূরীকরণ: নতুন কারখানা, কোল্ড স্টোরেজ এবং লজিস্টিক হাব তৈরির ফলে লাখ লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা সামগ্রিকভাবে আমাদের জিডিপি (GDP) বৃদ্ধিতে বড় অবদান রাখবে।

26/07/2026

রাজবাড়ী পোস্ট অফিসের গ্রাহকদের টাকা আত্মসাতের দাবি।

অবহেলিত শ্রীপুর বাস টার্মিনাল: রাজবাড়ীবাসীর দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি ও আকুল আবেদন 🚌⚠️ছবি দুটি দেখলেই স্পষ্ট বোঝা যায়—একদ...
26/07/2026

অবহেলিত শ্রীপুর বাস টার্মিনাল: রাজবাড়ীবাসীর দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি ও আকুল আবেদন 🚌⚠️

ছবি দুটি দেখলেই স্পষ্ট বোঝা যায়—একদিকে বর্তমানের চরম অবহেলা ও দুর্ভোগের চিত্র, আর অন্যদিকে আমাদের স্বপ্নের একটি পরিচ্ছন্ন ও পরিকল্পিত শ্রীপুর।

রাজবাড়ী জেলা সদরের গুরুত্বপূর্ণ এই শ্রীপুর বাস টার্মিনালটি দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ ও অযত্নে পড়ে থাকায় আজ ময়লা-আবর্জনা এবং বিষাক্ত জলজটের আঁতুড়ঘরে পরিণত হয়েছে। যে টার্মিনালটি হওয়ার কথা ছিল হাজারো মানুষের স্বাচ্ছন্দ্যময় যোগাযোগের অন্যতম মূল কেন্দ্র, সেটি আজ রাজবাড়ীবাসীর জন্য শুধুই একটি আফসোসের নাম।

রাজবাড়ীবাসীর স্পষ্ট দাবি:
১. অবকাঠামোগত সংস্কার: কাদা, জমে থাকা পানি ও ময়লা-আবর্জনা দূর করে অবিলম্বে আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও টার্মিনাল শেড নির্মাণ করতে হবে।

২. দ্রুত চালুকরণ: দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা এই টার্মিনালটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করে দূরপাল্লার ও স্থানীয় বাসগুলোর যাতায়াত সুসংগঠিত করতে হবে।

৩. যাত্রীসেবা নিশ্চিতকরণ: নিরাপদ পানীয় জল, পরিষ্কার শৌচাগার, পর্যাপ্ত আলো ও যাত্রীদের বসার আধুনিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।

শহরের যানজট নিরসন এবং একটি তিলোত্তমা রাজবাড়ী গড়ে তোলার জন্য শ্রীপুর বাস টার্মিনালের আধুনিকায়নের কোনো বিকল্প নেই। রাজবাড়ীবাসীর এই ন্যায্য দাবি বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

আপনার এলাকার উন্নয়ন আপনার হাতেই! রাজবাড়ীর সাধারণ মানুষের এই দাবিকে কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছাতে পোস্টটি বেশি বেশি শেয়ার করুন এবং কমেন্টে আপনার মতামত জানান। ✍️👇

রেলওয়ে স্টেশন ও কলোনী: শুধুই কি অতীত, নাকি নতুন স্বপ্নের সূচনা? 🚂🌿✨ট্রেন আমাদের জীবনের সাথে গভীরভাবে জড়িয়ে আছে। প্রতিদি...
26/07/2026

রেলওয়ে স্টেশন ও কলোনী: শুধুই কি অতীত, নাকি নতুন স্বপ্নের সূচনা? 🚂🌿✨

ট্রেন আমাদের জীবনের সাথে গভীরভাবে জড়িয়ে আছে। প্রতিদিন হাজারো মানুষের যাতায়াত, স্মৃতির আনাগোনা আর কতশত গল্পের নীরব সাক্ষী আমাদের এই রেলওয়ে স্টেশন ও স্টেশন সংলগ্ন কলোনীগুলো।

কিন্তু কখনো কি ভেবে দেখেছেন—এগুলোকে যদি আধুনিক ও দৃষ্টিনন্দনভাবে সাজিয়ে তোলা হতো, তবে কেমন হতো?

আজকের দিনে এটি আর শুধুই কোনো সাধারণ দাবি নয়, বরং ভবিষ্যতের একটি সুন্দর স্বপ্ন ও পরিকল্পনা হওয়া উচিত:

🔹 স্টেশনে আধুনিকতার ছোঁয়া: পরিচ্ছন্ন প্লাটফর্ম, পর্যাপ্ত আসন, আধুনিক যাত্রীছাউনি, ডিজিটাল ডিসপ্লে বোর্ডের সাথে নিরাপদ সুপেয় পানির ব্যবস্থা।
🔹 সবুজ ও সুশৃঙ্খল কলোনী: পর্যাপ্ত আলো-বাতাস, খেলার মাঠ, পরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং গাছপালায় ঘেরা একটি শান্ত, পরিবেশবান্ধব আবাহন।
🔹 নান্দনিক স্থাপত্য: গ্রাফিতি, স্থানীয় সংস্কৃতি ও ইতিহাসকে ফুটিয়ে তুলে স্টেশনগুলোকে আকর্ষণীয় করে তোলা, যা ভ্রমণকারীদের এক অন্যরকম অনুভূতি দেবে।

একটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন, আধুনিক এবং সুন্দর রেলওয়ে স্টেশন ও কলোনী কেবল যাত্রী ও বাসিন্দাদের স্বাচ্ছন্দ্যই বাড়ায় না, বরং পুরো এলাকার সৌন্দর্য ও ভাবমূর্তি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।

আসুন, আমরা সবাই স্বপ্ন দেখি একটি নতুন, পরিচ্ছন্ন ও আধুনিক রেলওয়ে ব্যবস্থার—যেখানে স্টেশন ও কলোনী হবে আমাদের গর্ভের প্রতীক। ❤️

আপনার কী মনে হয়? ভবিষ্যতের এই সুন্দর স্বপ্নের সাথে আপনি কি একমত? আপনার মতামত কমেন্টে জানান! 👇

রাজবাড়ী জেলার ইতিহাস, সাহিত্য, শিক্ষা ও সংস্কৃতিতে অবদান রাখা কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তির অবদান।মীর মোশাররফ হোসেন (১৮৪৭–১৯...
26/07/2026

রাজবাড়ী জেলার ইতিহাস, সাহিত্য, শিক্ষা ও সংস্কৃতিতে অবদান রাখা কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তির অবদান।

মীর মোশাররফ হোসেন (১৮৪৭–১৯১২):

অবদান: বাংলা সাহিত্যের প্রথম আধুনিক মুসলিম ঔপন্যাসিক ও কালজয়ী মহাকাব্যিক উপন্যাস 'বিষাদ সিন্ধু'-র রচয়িতা। রাজবাড়ীর পদমদীতে তাঁর স্মৃতিপটুত্ব ও সাহিত্য সাধনা বাংলা সাহিত্যকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সমৃদ্ধ করেছে।

ড. কাজী মোতাহার হোসেন (১৮৯৭–১৯৮১):

অবদান: প্রখ্যাত বিজ্ঞানী, বিশিষ্ট পরিসংখ্যানবিদ, চিন্তাবিদ ও সাহিত্যিক। তৎকালীন রাজবাড়ী থেকে উঠে এসে বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান চর্চা প্রসার এবং শিক্ষা ও মুক্তবুদ্ধির আন্দোলনে অসামান্য অবদান রাখেন।

কাজী আব্দুল ওদুদ (১৮৯৬–১৯৭০):

অবদান: বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক, সাহিত্যিক, সমালোচক ও 'বুদ্ধির মুক্তি' আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ। রাজবাড়ীর গর্ব এই মননশীল ব্যক্তিত্ব যুক্তিবাদী ও অসাম্প্রদায়িক সমাজ গড়তে গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্য রচনা করেছেন।

রোকনুজ্জামান খান 'দাদা ভাই' (১৯২৫–১৯৯৯):

অবদান: প্রখ্যাত শিশুসংগঠক ও 'কচি-কাঁচার মেলা'-র প্রতিষ্ঠাতা। শিশু সাহিত্য ও শিশু-কিশোর সংগঠনে তাঁর অসামান্য অবদান দেশের সাংস্কৃতিক বিকাশ ও রাজবাড়ীর নাম উজ্জ্বল করতে বড় ভূমিকা রেখেছে।

চিত্রশিল্পী রশিদ চৌধুরী (১৯৩২–১৯৮৬):

অবদান: আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ভাস্কর ও তাপসী চিত্রশিল্পী (Tapestry Artist)। বাংলাদেশে আধুনিক শিল্পের বিকাশ ও শিল্প শিক্ষায় তাঁর অবদান অতুলনীয়।

25/07/2026

সোনালী আঁশের জহরী গল্প।

ইতিহাসের আলোয় নতুন সূর্য: মেসির চোখে লামিন"সময় যেন একটা বৃত্তের মতো ঘুরে আসে। ক্যাম্প ন্যু-এর যে ঘাসে আমি আমার শৈশব বুনে...
19/07/2026

ইতিহাসের আলোয় নতুন সূর্য: মেসির চোখে লামিন

"সময় যেন একটা বৃত্তের মতো ঘুরে আসে। ক্যাম্প ন্যু-এর যে ঘাসে আমি আমার শৈশব বুনেছিলাম, আজ সেখানে অন্য একটা ছেলেকে বল পায়ে ঝড় তুলতে দেখলে বুকের ভেতর কেমন একটা চেনা অনুভূতির জোয়ার আসে।"

মেসি যেন সেই দিনগুলোর কথা মনে করছিলেন, যখন ২০০৭ সালে বার্সেলোনার একটি চ্যারিটি ক্যালেন্ডারের জন্য মাত্র কয়েক মাস বয়সী এক শিশুর গায়ে হাত দিয়ে পোজ দিয়েছিলেন তিনি। কে জানতো, পরম মমতায় স্নান করানো সেই ছোট্ট ব্যবিলনটিই একদিন স্পেনের ফুটবলে বিপ্লব ঘটাবে!

মেসির ভাষায়:
"আমি যখন লামিনের সাথে সেই ছবিটা তুলেছিলাম, তখন তো জানতাম না যে নিয়তি আমাদের এভাবে এক সুতোয় বেঁধে রেখেছে। আজ ওকে মাঠে খেলতে দেখলে মনে হয়, বার্সার সেই পুরনো ঐতিহ্য আর জাদু হারিয়ে যায়নি। ও এমন এক প্রতিভাকে ধারণ করে, যা সচরাচর দেখা যায় না।"

"লামিন শুধু একজন ভালো খেলোয়াড় নয়, ও ফুটবলের ভবিষ্যৎ। ও যেভাবে এই অল্প বয়সে এত বড় মঞ্চে নিজেকে মেলে ধরেছে, তা সত্যিই অবিশ্বাস্য। ওর ফুটবল খেলার ধরণ, ওর পরিপক্বতা আর সাহসের দিকে তাকালে আমি নিজের তরুণ বয়সের সেই অদম্য রূপটাকেই যেন দেখতে পাই।"

"রেকর্ড ভাঙা-গড়ার খেলা চলতেই থাকবে, কিন্তু ফুটবলের আসল সৌন্দর্য হলো এই ব্যাটন বদলে। আমি আনন্দিত যে বার্সেলোনা এবং বিশ্ব ফুটবল এমন একজন জাদুকরকে পেয়েছে, যে আগামী এক দশক ফুটবলপ্রেমীদের মন্ত্রমুগ্ধ করে রাখবে। ওর জন্য আমার শুভকামনা সবসময় থাকবে।"

মেসির এই কথাগুলো শুধু প্রশংসা নয়, যেন এক রাজার তরফ থেকে তাঁর যোগ্য যুবরাজকে রাজমুকুট সঁপে দেওয়ার আগাম বার্তা। ইতিহাসের সেই স্পর্শ আজ যেন লামিন ইয়ামালের পায়ে চিতা বাঘের গতি আর জাদুর ছোঁয়া হয়ে ফিরে এসেছে।

“আমাদের হাসপাতাল, আমাদের দায়িত্ব”রাজবাড়ীবাসীর প্রতি আকুল আহ্বানপ্রিয় রাজবাড়ীবাসী,রাজবাড়ী সদর হাসপাতালটি আমাদের সম্পদ, আম...
16/07/2026

“আমাদের হাসপাতাল, আমাদের দায়িত্ব”

রাজবাড়ীবাসীর প্রতি আকুল আহ্বান

প্রিয় রাজবাড়ীবাসী,

রাজবাড়ী সদর হাসপাতালটি আমাদের সম্পদ, আমাদের অধিকার এবং আমাদের চিকিৎসার শেষ ভরসাস্থল। এটি কোনো বাইরের লোকের নয়, এই হাসপাতালটি সম্পূর্ণভাবে আপনার, আমার এবং আমাদের পরিবারের।

এখানে এসে আপনার মা, বাবা, সন্তান কিংবা আত্মীয়রা যেন নির্ভয়ে এবং মর্যাদার সাথে উন্নত চিকিৎসা সেবা পেতে পারেন—তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব অন্য কারও নয়, একমাত্র আমাদেরই!

🎯 আমাদের যা করতে হবে:
দালালদের ‘না’ বলুন: হাসপাতালের ভেতরে বা বাইরে কোনো দালালের খপ্পরে পড়বেন না। নিজের সমস্যার কথা সরাসরি ডাক্তার, নার্স বা কাউন্টারে বলুন।

সরাসরি সেবা নিন: কোনো মধ্যসত্ত্বভোগী বা দালালের মাধ্যমে নয়, হাসপাতালের নির্ধারিত বুথ থেকে সরাসরি টিকিট ও ওষুধ সংগ্রহ করুন।

সচেতন হোন, রুখে দাঁড়ান: যদি কোনো দালাল আপনাকে প্রলোভন দেখানোর চেষ্টা করে, তবে সাথে সাথে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বা দায়িত্বরত নিরাপত্তা বাহিনীকে জানান।

মনে রাখবেন:
রাজবাড়ী হাসপাতালকে দালালমুক্ত ও সুচিকিৎসা নিশ্চিতের আদর্শ স্থান হিসেবে গড়ে তুলতে হলে আমাদেরই সবার আগে এগিয়ে আসতে হবে। আমরা যদি সচেতন হই, তবে কোনো দালানের সাহস নেই আমাদের হাসপাতালে এসে সাধারণ মানুষকে ঠকায়।

আসুন, দলমত নির্বিশেষে আমরা সবাই মিলে প্রতিজ্ঞা করি—"আমাদের রাজবাড়ী হাসপাতালকে আমরাই রাখব দালালমুক্ত, আমরাই নিশ্চিত করব সবার জন্য উন্নত চিকিৎসা!"

আপনার সচেতনতাই পারে একটি সুস্থ ও সুন্দর রাজবাড়ী গড়ে তুলতে।

অনুরোধে:

রাজবাড়ীর সর্বস্তরের সচেতন জনসাধারণ।

রাজবাড়ী বাসীর জন্য সুখবর 💥💥১৫৫ বছরের পুরানো রেলওয়ে স্টেশন অবশেষে পুনঃনির্মাণ হতে চলছে। ২০২২ বা ২০২৩ সালে টেন্ডার হয়েছিলো...
15/07/2026

রাজবাড়ী বাসীর জন্য সুখবর 💥💥
১৫৫ বছরের পুরানো রেলওয়ে স্টেশন অবশেষে পুনঃনির্মাণ হতে চলছে।

২০২২ বা ২০২৩ সালে টেন্ডার হয়েছিলো রাজবাড়ী জেলা রেলওয়ে স্টেশন এর পুননির্মাণ ও ২ তলা বিশিষ্ট স্টেশন ভাবন এর নির্মাণ কাজ এর জন্য ডিজাইন ও কনসালটেন্সি কাজ।তারই ধারাবাহিকতায় স্টেশন বিল্ডিং এর ডিজাইন কাজটি ইতিমধ্যে সমাপ্ত হয়েছে।

এখন অপেক্ষা শুধু বাজেট ও টেন্ডার প্রক্রিয়ার। আশা করা যায় খুব শীগ্রই কাজটি বাস্তবায়ন হবে।

Address

Dhaka
7730

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+8801732939451

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when রাজবাড়ী শহর - Rajbari Town posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category