15/09/2026
কেউ যদি আমাদের সামনে হাত পাতে, তখন সবার প্রথমে আমাদের মাথায় কী আসে?
নিশ্চয়ই পকেটে কত টাকা আছে।
অর্থাৎ দান করার আগেই আমরা হিসাব করি। কতটা দিলে আমার সমস্যা হবে না, কতটা দিলে মাসটা চালাতে পারব, কতটা দিলে আমার সঞ্চয়ে টান পড়বে না।
আমাদের মস্তিষ্কে যেন একটা ধারণা বদ্ধমূল হয়ে গিয়েছে, দান করলে সম্পদ কমে যায়।
কিন্তু সাহাবিদের জীবনটা একটু দেখুন।
তাবুক অভিযানের প্রস্তুতির সময় রাসুলুল্লাহ ﷺ সাহাবিদের আল্লাহর পথে দান করতে উৎসাহিত করলেন।
উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু তার সম্পদের অর্ধেক নিয়ে এলেন। আর আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু নিয়ে এলেন তার সমস্ত সম্পদ।
রাসুলুল্লাহ ﷺ আবু বকর রাদিআল্লাহুকে জিজ্ঞেস করলেন,
“তোমার পরিবারের জন্য কী রেখে এসেছ?”
তিনি বললেন, “তাদের জন্য আল্লাহ ও তাঁর রাসুলকে রেখে এসেছি।”
কী অসাধারণ ঈমান!
আমরা যেখানে দান করার আগে ভাবি, “আমার কতটা কমে যাবে?” তারা সেখানে ভাবতেন, “আল্লাহর পথে কতটা দিতে পারলাম?”
আমরা সম্পদকে নিরাপত্তা মনে করি।
তারা আল্লাহকে নিরাপত্তা মনে করতেন।
আর এখানেই আমাদের সাথে তাদের পার্থক্য।
দান করলে সম্পদ কমে যায়, নাকি বরকত বাড়ে?
আল্লাহ বলেন, “তোমরা যা কিছু ব্যয় করো, তিনি তার প্রতিদান দেবেন।”
(সুরা সাবা: ৩৯)
তাই দান করার সময় শুধু পকেটের দিকে তাকাবেন না। আকাশের দিকে তাকান।
আপনি যা দিচ্ছেন, তা হারিয়ে যাচ্ছে না।
আল্লাহর কাছে জমা হচ্ছে।
আর এই দানের অভ্যাসটা যদি নিয়মিত করতে চান, সিরাতুল মুস্তাকিম ফাউন্ডেশনে মাসিক অনুদানের মাধ্যমে আপনিও চলমান সাদাকায়ে জারিয়ার অংশীদার হতে পারেন।
আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী প্রতিমাসে নিয়মিত দিন। হয়তো আপনার দেওয়া ছোট্ট একটি অংশ দিয়েই কারও জীবনে এমন একটি উপকার পৌঁছে যাবে, যার সওয়াব আপনার আমলনামায় চলতেই থাকবে, ইনশাআল্লাহ।
কমেন্টের ফর্মটি পূরণ করে সিরাতুল মুস্তাকিম ফাউন্ডেশনের ডোনার মেম্বার হোন।