কানাই কবিরাজ

কানাই কবিরাজ Bangladesh Awami League, This is the successful biggest political party in Bangladesh.

হাসিনার ১৬ বছরের স্বৈরশাসনে যারা ইঁদুরের মতো দৌড়ের ওপর ছিল, আজ ছাত্র-জনতার তাজা রক্তের ওপর ভর করে সেই অকৃতজ্ঞ ‘খাম্বার দ...
26/02/2026

হাসিনার ১৬ বছরের স্বৈরশাসনে যারা ইঁদুরের মতো দৌড়ের ওপর ছিল, আজ ছাত্র-জনতার তাজা রক্তের ওপর ভর করে সেই অকৃতজ্ঞ ‘খাম্বার দল’ ধরাকে সরা জ্ঞান করতে শুরু করেছে।

তাদের এখন রীতিমতো ‘আওয়ামী ব্যারামে’ ধরেছে—বড় গলায় হুমকি দেয়,
"সাহস থাকলে দেশে এসে কথা বল!"

আরে অর্বাচীনের দল!
আমরা প্রবাসে বসে আঙুল চুষিনি।

এই বিদেশ থেকেই দীর্ঘ ১৬টা বছর হাসিনার ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আন্দোলনের আগুন আমরাই জ্বালিয়ে রেখেছিলাম। দেশে পাঠিয়েছি নিজের ঘাম ঝরানো হাজার হাজার ডলার।

শুধু আমি একা নই, আমার মতো প্রায় এক কোটি প্রবাসী নিজেদের রক্তপানি করা রেমিট্যান্স দিয়ে দেশের ডুবতে বসা অর্থনীতিকে সচল রেখেছে।

আজ এক খাম্বাকে চোখে চোখ রেখে প্রশ্ন করেছিলাম—
"তোর ওই নেতা ১৭ বছর ধরে লন্ডনে বসে দেশের জন্য ১৭টা পয়সাও কি রেমিট্যান্স পাঠিয়েছে? দেশের জন্য তোদের নিজেদের ব্যক্তিগত অবদানটা কী?"

আজ ছাত্র-জনতার লাশের ওপর পাড়া দিয়ে ক্ষমতায় এসে তোরা করছিসটা কী?
সেই তো পুরনো চেহারায় চাঁদাবাজি আর গুন্ডামি!

বড় বড় কথা বলার আগে নিজেদের অতীতটা মনে করিস।

খালেদা জিয়ার বাসার সামনে দিনের পর দিন একটা বালুর ট্রাক ব্যারিকেড দিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল—তখন তোদের হিম্মত কোথায় ছিল?

একটা বালুকণাও তো ছিঁড়তে পারিসনি!
মইনুল হক
ডেট্রয়েট, মিশিগান।

Collected

অবিশ্বাস্য উদ্ধার অভিযানে সফল ডিসি মাসুদ! ১. কিডন্যাপ হয় সচিবালয়ের কার্মচারীর সন্তান। ২. কর্মচারী প্রধানমন্ত্রীকে সচিবা...
25/02/2026

অবিশ্বাস্য উদ্ধার অভিযানে সফল ডিসি মাসুদ!
১. কিডন্যাপ হয় সচিবালয়ের কার্মচারীর সন্তান।
২. কর্মচারী প্রধানমন্ত্রীকে সচিবালয়ে পেয়ে যান।
৩. প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল ভেঙ্গে তাকে ঘটনা বলেন।
৪. প্রধানমন্ত্রী সরাসরি ডিসি মাসুদকে ফোন লাগান।
৫. রমনা জোনের মাসুদ খিলগাঁও থেকে ১ ঘন্টার মাঝে কর্মচারীর সন্তানকে উদ্ধার করেন।
৬. কোনো কিডন্যাপকারী গ্রেফতার হয়নি। তারা পুলিশের উপস্থিতি বুঝে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

ওরে তারেক রহমান…ওরে নেতা রে…রানা প্লাজার রেশমার নাটক ফেইল 😁

26/11/2025
26/10/2025

"দুইদিন আগেই ড্রাগ ডিলারের সাদা বউ দেখে লাইফলাফি করলো এখন আবার সালমান শাহ এর প্রাক্তন বউয়ের ছবি শেয়ার দিয়ে বলতেছে “Don’t marry for Beauty”. Hypocrisy it’s on peak'

চিঠিতে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনা ও তার ছেলে বিদেশে পালিয়ে গেছেন। ন্যায় বিচারের স্বার্থে...আমি তাইলে আমনের কথায় একমত পোষণ...
04/09/2025

চিঠিতে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনা ও তার ছেলে বিদেশে পালিয়ে গেছেন। ন্যায় বিচারের স্বার্থে...

আমি তাইলে আমনের কথায় একমত পোষণ করলাম।

জবানবন্দিতে আবু সাঈদের বাবাআবু সাঈদের মাথার পেছনে গুলি ছিল, সারা বুক দিয়ে রক্ত ঝরছিল!আবু সাঈদের বাবা মকবুল হোসেন, জবানবন...
29/08/2025

জবানবন্দিতে আবু সাঈদের বাবা
আবু সাঈদের মাথার পেছনে গুলি ছিল, সারা বুক দিয়ে রক্ত ঝরছিল!
আবু সাঈদের বাবা মকবুল হোসেন, জবানবন্দিতে বলেন, দাফনের জন্য গোসল করানোর সময় তিনি আবু সাঈদকে নিজে দেখেছেন। তখন দেখতে পান, আবু সাঈদের মাথার পেছনে গুলির জায়গা থেকে রক্ত ঝরছে।
এখন প্রশ্ন হলো পুলিশ তো রাবার বুলেট মারলো সামনে থেকে!
তাহলে পিছন থেকে গুলি টা করলো কে?
সবই তাহলে মহাজনের মেটিকুলাস ডিজাইনের অংশ
সত্যি বের হয়ে আসবে।

বিস্তারিত পড়ুন কমেন্টে......

হতভাগিনী ইয়াসমিন :বেঁচে থাকলে তাঁর বয়স হতো চল্লিশ, হয়তো 'নুন ও পান্তা'র আয়োজনেই সন্তুষ্ট থাকতেন সন্তানদের নিয়ে। কিন্তু ত...
29/08/2025

হতভাগিনী ইয়াসমিন :
বেঁচে থাকলে তাঁর বয়স হতো চল্লিশ, হয়তো 'নুন ও পান্তা'র আয়োজনেই সন্তুষ্ট থাকতেন সন্তানদের নিয়ে। কিন্তু তিনি থেমে গেলেন মাত্র ১৪ বছর বয়সেই। বাংলাদেশ, আরও অনেকের মতো বুকে টেনে নিয়েছে, 'ইয়াসমিন আক্তার' নামের মানুষটিকে ঠিক ছাব্বিশ বছর আগে।

মরহুম এমাজ উদ্দিন ও শরিফা বেগমের একমাত্র সন্তান ছিলেন ইয়াসমিন আক্তার। দিনাজপুর শহরের লালবাগ কোহিনূর স্কুলের পঞ্চম শ্রেণিতে পড়তেন ইয়াসমিন। তাঁর রিকশাচালক বাবা মারা যাওয়ার পর লেখাপড়া বন্ধ হয়ে যায় ইয়াসমিনের। সংসারে অভাবের তাড়নায় মাত্র ১২ বছর বয়সে ১৯৯২ সালে গৃহপরিচারিকার কাজ করতে ঢাকায় এসেছিলেন, জনৈক আবুল আহসান আহমদ আলীর ধানমন্ডি ** নম্বর রোডের ১৩ নম্বর বাসায়।

আবুল আহসান আহমদ আলীর গ্রামের বাড়িও দিনাজপুর। টানা তিন বছরে একবারও দিনাজপুরে মায়ের কাছে আসা হয়নি ইয়াসমিনের। তাই বাড়িতে আসার জন্য বিশেষ করে মাকে দেখার জন্য ভীষণ উতলা ছিলেন। আবুল আহসান তাঁকে দুর্গাপূজার ছুটিতে যাওয়ার কথা বলেন। কিন্ত ১৯৯৫ সালের ২৩ আগস্ট আবুল আহসানের ছেলেকে স্কুলে পৌঁছে দিয়ে কাউকে কিছু না জানিয়ে একাই দিনাজপুরের উদ্দেশে রওয়ানা হয়ে যান। গাবতলি থেকে উঠে পড়েন দিনাজপুর-ঠাকুরগাঁওগামী নৈশ কোচ হাসনা এন্টারপ্রাইজে।

২৪ আগস্ট ১৯৯৫ সাল। রাত ৩টার আগে বা পরে ইয়াসমিন দিনাজপুরের দশমাইল মোড়ে নামেন। কোচের সুপারভাইজার দশমাইল মোড়ের পান দোকানদার জাবেদ আলী, ওসমান গনি, রহিমসহ স্থানীয়দের কাছে কিশোরী ইয়াসমিনকে দিয়ে সকাল হলে মেয়েটিকে দিনাজপুর শহরগামী যেকোনো গাড়িতে তুলে দেওয়ার অনুরোধ জানান।

ভোর ৪টায় ফজরের নামাজ পড়তে বের হওয়া স্থানীয় মুসল্লিরা নিরাপদে যেতে তাকে তুলে দিলেন একটি পুলিশ ভ্যানে। তারা কোতোয়ালি পুলিশকে অনুরোধ করলেন দিনাজপুরে পৌঁছে দিতে। কিন্তু ইয়াসমিনকে বিদায় নিতে হয় পৃথিবী থেকে।

দশ মাইল থেকে দিনাজপুর শহরে আসার পথে ব্র্যাক স্কুলের সামনে ভোরের দিকে পুলিশ ভ্যানে উপস্থিত ৩ সদস্য এএসআই মইনুল, কনস্টেবল সাত্তার ও গাড়িচালক অমৃতলাল কল্পনার অতীত নৃশংসতার নজীর স্থাপন করে। এই অমানুষদের নির্যাতন থেকে বাঁচতে শিশু ইয়াসমিন চলন্ত পিকআপ থেকে ঝাঁপ দিয়েছিল এবং আহত অবস্থায় তাঁকে পুনরায় পিকআপে তুলে নির্যাতন করা হয়। কিছু পরে, উল্লেখিত তিন অমানুষ যৌন নির্যাতন শেষে শিশু ইয়াসমিন আক্তার'কে চলন্ত পিকআপ ভ্যান থেকে ছুঁড়ে ফেলে হত্যা করে তাঁকে।

এর একদিন পর ১৯৯৫ সালের ২৫ আগস্ট, স্থানীয় সংসদ সদস্য মনোরঞ্জন শীল গোপাল (দিনাজপুর-১ আসন হতে আওয়ামীলীগ মনোনীত), দৈনিক উত্তরবাংলা পত্রিকার সম্পাদক মতিউর রহমানকে জানান, 'পুলিশ সদস্যরা একটি মেয়েকে ধর্ষণের পর হত্যা করেছে'। মতিউর রহমান ২৬ আগস্ট নিহত মেয়েটির পরিচয় জানতে পারেন এবং এই বর্বরতা সম্পর্কে পত্রিকায় প্রতিবেদন ছাপাতে চান। কিন্তু পুলিশ কর্তৃপক্ষ তাঁকে নিষেধ করে। সে রাতে পুলিশ সদস্যরা মতিউর রহমানের পত্রিকার কার্যালয়ের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছিল।মতিউর রহমান তাঁর প্রতিবেশীর বাসা থেকে বিদ্যুৎ ধার করে সংবাদটি প্রকাশ করেন।

মূলত, তাঁর সংবাদটি দৈনিক উত্তরবাংলায় প্রকাশিত হবার পর দিনাজপুরে তীব্র প্রতিবাদ শুরু হয় এবং সমগ্র দেশ জানতে পারে 'রক্ষকদের ভক্ষক' হিসেবে আবির্ভূত হবার ঘটনা।

নজিরবিহীন বর্বর ঘটনাটি ধামাচাপা দেবার উদ্দেশ্যে দিনাজপুর কোতোয়ালি পুলিশ ‘একজন অজ্ঞাত পরিচয় যুবতীর লাশ উদ্ধার’ মর্মে থানায় একটি ইউডি (Unnatural Death) মামলা রুজু করে। বিনা গোসল ও জানাজায় তড়িঘড়ি ময়নাতদন্ত শেষে আনজুমানে মুফিদুল ইসলামের মাধ্যমে বালুবাড়ি শেখ জাহাঙ্গীর গোরস্থানে দাফন করা হয়। এখানে উল্লেখ্য যে, উত্তর গোবিন্দপুর এলাকায় পড়ে থাকা ইয়াসমিনের লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরির উদ্দেশ্যে কোতোয়ালি থানার এসআই স্বপন কুমার প্রকাশ্যে জনতার সামনেই লাশের পোশাক সম্পূর্ণ খুলে ফেলেছিল। সেখানে উপস্থিত উতসুক মানুষের মাঝে এ ঘটনাটি তাৎক্ষনিক ক্ষোভের সঞ্চার করেছিল।

পরদিন ২৬ আগস্ট ১৯৯৫, দিনাজপুরে বিক্ষোভ মিছিল হয়। পুলিশ ও প্রশাসনের রহস্যময় আচরণ মানুষকে বিক্ষুব্ধ করে তোলে।স্থানীয় জনগণ রামনগর মোড়ে বিক্ষোভ আহবান করে প্রচার চালানোর সময় কোতোয়ালি থানা এলাকায় পুলিশ মাইক ভেঙে দেয়। এ ঘটনার পর আশপাশের এলাকার মানুষ আরও সংগঠিত হয়। সেদিন সন্ধ্যার পরে রামনগর মোড়ে ইয়াসমিন আক্তারের গায়েবানা জানাজা শেষে রাত ১০টার দিকে প্রতিবাদে মুখর ক্ষুব্ধ মানুষ বিক্ষোভ মিছিল সহকারে কোতোয়ালি থানা ঘেরাও করে থানার সীমানাপ্রাচীর ভেঙে ফেলে এবং সারা রাত থানা অবরোধ করে রাখে। এ সময় পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ ও ফাঁকা গুলি বর্ষণ করে।

২৭ আগস্ট ১৯৯৫ সাল, বিচারের দাবীতে উচ্চকিত হাজার মানুষ বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে স্মারকলিপি দিতে জেলা প্রশাসকের নিকট যায়। ন্যায়বিচারের দাবীর সে মিছিলে পুলিশ বিনা উস্কানিতে গুলি চালিয়ে সামু, কাদের ও সিরাজ সহ সাতজনকে হত্যা করে (বাকী ৪ জনের নাম আমরা জানতে পারিনি, জানা মাত্র সংযুক্ত করবো)। নির্বিচার গুলিবর্ষণে আহত হয়েছিলেন আরও শতাধিক মানুষ।

এরপর গোটা দিনাজপুর শহরের আইন শৃঙ্খলা ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে শহরে প্রথমে ১৪৪ ধারা ও পরে কারফিউ জারী করা হয়। শহরে নামানো হয় বিডিআর (বর্তমান বিজিবি) সদস্যদের। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে সে রাতেই জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার প্রত্যাহার করা হয়েছিল।

পরবর্তীতে ক্ষমতার সবটুকু অপব্যবহার সত্ত্বেও ইয়াসমিন ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনায় দায়ের করা মামলাটি তিনটি আদালতে ১২৩ দিন বিচার কাজ শেষে ১৯৯৭ সালের ৩১ আগস্ট রংপুরের জেলা ও দায়রা জজ আবদুল মতিন মামলার রায় ঘোষণা করেন। স্মর্তব্য, নিরাপত্তা জনিত কারণে এই মামলাটি দিনাজপুর থেকে রংপুরে স্থানান্তরিত করা হয়েছিল।

ইয়াসমিন হত্যা মামলার ন্যায় বিচারের জন্য যে মানুষটি সোচ্চার ছিলেন, তিনি হচ্ছেন দিনাজপুর সদর (দিনাজপুর ৩) আসনের সে সময়ের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মরহুম এম আব্দুর রহিম। তিনিই ছিলেন ইয়াসমিন হত্যাকাণ্ডে ন্যায় বিচার নিশ্চিতে সবচেয়ে ভরসার মানুষ। শ্রদ্ধেয় এ মানুষটি ইয়াসমিনের মা শরীফা বেগমের পক্ষে মামলায় লড়াই করেছেন বিনে পয়সায়। মামলার প্রতিটি তারিখে নিজ খরচে তিনি শরীফা বেগমকে রংপুর ও ঢাকায় আদালতে সাক্ষী দেওয়ার জন্য নিয়ে গিয়েছেন।

দেশ তোলপাড় করা এই মামলার রায়ে আসামি পুলিশের এএসআই মঈনুল, কনস্টেবল আব্দুস সাত্তার ও পুলিশের পিকআপ ভ্যান চালক অমৃত লাল বর্মণের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ বিধান ‘৯৫-এর ৬ (৪) ধারায় ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদের ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুর আদেশ দেন।

আলামত নষ্ট, সত্য গোপন ও অসহযোগিতার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় এএসআই মঈনুলকে আরও ৫ বছরের সশ্রম কারাদন্ড দেওয়া হয়। অপরদিকে, দণ্ডবিধির ২০১/৩৪ ধারায় আলামত নষ্ট, সত্য গোপন, অসহযোগিতার অভিযোগে অভিযুক্ত আসামি দিনাজপুরের তৎকালীন পুলিশ সুপার আবদুল মোতালেব, ডা. মহসীন, এসআই মাহতাব, এসআই স্বপন চক্রবর্তী, এএসআই মতিয়ার, এসআই জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত তাদের খালাস দেন।

চাঞ্চল্যকর ইয়াসমিন ধর্ষণ ও হত্যা মামলার দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের ফাঁসির রায় কার্যকর করা হয় আট বছর পর, ২০০৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে।

মামলার আসামী এএসআই মইনুল হক, পিতা-জসিমউদ্দীন, গ্রাম-বিশ্রামপাড়া, উপজেলা-পলাশবাড়ী, জেলা-গাইবান্ধা ও কনস্টেবল আব্দুস সাত্তার, পিতা-এসএম খতিবুর রহমান, গ্রাম-চন্দনখানা, উপজেলা-ডোমার, জেলা-নীলফামারীকে রংপুর জেলা কারাগারের অভ্যন্তরে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে ২০০৪ সালের ১ সেপ্টেম্বর মধ্যরাত ১২টা ১ মিনিটে মৃত্যু দণ্ড- কার্যকর করা হয়।

অপর আসামি পিকআপ ভ্যানচালক অমৃত লাল বর্মণ, পিতা-লক্ষীকান্ত বর্মণ, গ্রাম-রাজপুর, উপজেলা-সদর, জেলা-নীলফামারীকে রংপুর জেলা কারাগারে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডাদেশ কার্যকর করা হয় একই বছরের ২৯ সেপ্টেম্বর মধ্যরাত ১২টা ১ মিনিটে।

বাংলাদেশ তো বটেই ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসে অপরাধের দায়ে পুলিশ সদস্যদের ফাঁসিতে মৃত্যু কার্যকরের এটিই প্রথম ঘটনা।

২৬ বছর আগের এ ঘটনাটি আমাদের ভাবনার জগতে আজ আলোড়ন তুলবে কিনা জানা নেই। ইয়াসমিন আক্তারের নৃশংস হত্যাকাণ্ড আমাদের বিবেক জাগায়নি। গত দুই যুগে এমন আরও বহু বহু বর্বর অমানবিক নির্যাতন ও হত্যাকাণ্ড আমরা দেখেছি। বহু হত্যাকাণ্ডের কোন কূল-কিনারা আজ অবধি হয়নি।

ইয়াসমিন আক্তারের চিরশান্তি প্রার্থনা করি পরম করুনাময়ের কাছে। দাবী করি সকল যৌন নির্যাতন ও হত্যাকাণ্ডের ন্যায় বিচার।

স্বপ্ন দেখি একটি মানবিক, বিবেকবোধ সম্পন্ন, ন্যায় বিচারের বাংলাদেশ।

আহ্ ইয়াসমিন...........।
Copied

গত ১৫ বছরে আপনাকে কিছু বলেনি সেজন্য আপনি কত দিছেন?আসল কথা বললেই বলবেন ছূদির (কানাই কবিরাজ)  ভাই।
27/08/2025

গত ১৫ বছরে আপনাকে কিছু বলেনি সেজন্য আপনি কত দিছেন?

আসল কথা বললেই বলবেন ছূদির (কানাই কবিরাজ) ভাই।

19/08/2025

বাবারা নির্বাচন নিয়ে এতো
মাতামাতি করিও না।
জানো না!
পাখা গজায়.... তরে😜

সমন্বয়করা এই মেয়েটিকে কুকুরের মতো কামড় দিয়ে তাদের বাসনা মিটিয়েছে🥲নিন্দা জানানোর ভাষা নেই।মেয়েটি আসছিল একটা পদের জন্য অথচ...
27/02/2025

সমন্বয়করা এই মেয়েটিকে কুকুরের মতো কামড় দিয়ে তাদের বাসনা মিটিয়েছে🥲
নিন্দা জানানোর ভাষা নেই।মেয়েটি আসছিল একটা পদের জন্য অথচ সমন্বয়করা তাকে এভাবে হাতিয়ে দিয়েছে!

তোমরা তো কেবল পদ নিয়ে তাড়াতাড়ি করতেছো, ওদের আগেই ওসব নিয়ে কাড়াকাড়ি করা উচিত হইছে?

অবশ্যই! উচিত জবাব পাওয়ার অপেক্ষা কর।

Address

Bangobondhu Avenue, Gulisthan
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when কানাই কবিরাজ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share