Doctor Altaf Hossain

Doctor Altaf Hossain Born on 1st February 1953, He Dedicated His whole life for the service towards humanity.

19/08/2025

আস সালামু আলাইকুম।

অত্র এলাকার স্বাস্থ্য সেবায় সমন্বিত ঊদ্যোগ হিসাবে নতুন রুপে আমরা আসছি, আপনাদের দোরগোড়ায়। আগামী ১লা সেপ্টেম্বর 2025 হতে। বর্তমানে ডেকোরেশন এর কাজ চলমান আছে এবং চেম্বার খোলা আছে।

আমাদের লক্ষ্য: চিকিৎসা ক্ষেত্রে গুনগত পরিবর্তন।

যে সকল সার্ভিস পাওয়া যাবে:
১.
মেডিসিন রিলেটেড রোগ পরামর্শ এবং চিকিৎসা
২. ডায়াবেটিস রোগ পরামর্শ এবং চিকিৎসা
৩. চক্ষু রোগ পরামর্শ এবং চিকিৎসা ( প্রেস্ক্রিপশন অনুযায়ী চশমা বানানো হয় )
৪. হেলদি লাইফ স্টাইল পরামর্শ ( কাউন্সিল সার্ভিস )
৫. হোম ভিজিট সার্ভিস
৬. টেলি মেডিসিন সার্ভিস
৭. সাম্পল কালেকশন এবং নার্সিং সার্ভিস
৮. জেরিয়াট্রিক কেয়ার

লোকেশন : ব্লক বি, রাস্তা 05 . হাউজ 29 : নিচতলা।
( পুর্বতন ডাক্তার আলতাফ হোসেন সাহেবের চেম্বার)

Md Mahbub Shahriar
ডাক্তার আলতাফ হোসেন সাহেব এর পুত্র

24/11/2024

Dengue /Fever.
What to do?
what to avoid?

19/09/2024

Alhamdulillah
আলহামদুলিল্লাহ্

14/08/2024

কিছু মানুষ বহু বছরের স্বৈরাচার সহ্য করবে , কিন্তু ভাল পরিবর্তনের জন্য কয়েকটা দিন অপেক্ষা করতে পারবে না ... !!
cp

05/08/2024

হিন্দু সম্প্রদায়ের জান-মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন। যে যেভাবে পারেন, এই কাজটা করুন। আমরা কাউকে জাহান্নামে দেখতে চাই না। সকল অমুসলিমের মাঝে ইসলামের সৌন্দর্য পৌঁছাতে চাই। আল্লাহ চাহেতো তাদের অনেকে হিদায়াতের আলোতে আলোকিত হবে। তাদের সাথে এই অমানবিক আচরণ করে কোন্ মুখে তাদের কাছে দাওয়াত নিয়ে যাবো? তাছাড়া এগুলো আমাদের শরিয়াহ সমর্থন করে না। যারা এই জঘন্য কাজে লিপ্ত আছেন, তারা নিঃসন্দেহে ধরা পড়বেন আল্লাহর আদালতে।
cp
মসজিদের মাইক থেকেই আওয়াজ উঠুক, সব সহিংসতার বিরুদ্ধে।

02/04/2024

রমাদানের শেষ দিনগুলোতে আপনার সর্বোচ্চটা ঢেলে দিন।
বিশ্রাম নেওয়ার সময় আমাদের হাতে নেই।একজন মুমিন হিসাবে আমরা তখনই বিশ্রাম লাভের সুযোগ পাবো,যখন আমাদের দুই পা জান্নাতে প্রবেশ করবে।
হতে পারে রমাদানের শুরুতে আপনার মাঝে কিছুটা ঘাটতি ছিলো,সেটা এখন ভুলে যান।
আপনি রমাদান কিভাবে শেষ করছেন,সেটার উপর সবকিছুই নির্ভর করছে।
তাই আসুন,রমাদানকে বিদায় জানাই নিজের সবচেয়ে ভালোটা দিয়ে।

- শাইখ আহমাদ মুসা জিবরিল হাফিজাহুল্লাহ

05/02/2024

শিবির: জংগি :রাজাকার
শব্দগুলো ব্যবহার করলেই অন্যের উপর জুলুম করা অনুমোদিত হয়ে যায় না।

বাস্তবতা ।
05/02/2024

বাস্তবতা ।

03/02/2024

রজব মাস প্রায় শেষ হয়ে যাচ্ছে। নিচের কমেন্ট এ দেয়া ছোট ভিডিও গুলো (২৮টি ভিডিও ) প্রতিদিন ১টি করে মনযোগ দিয়ে শুনলে ইন শা আল্লাহ রামাদানের সময় গুলো আরো সুন্দর হবে।

28/12/2023

একজন বলে "নারী" হও, একজন বলে "পুরুষ" হও । নিজেদেরকে একটু উদার প্রমান করার জন্য একদল ফলস পালক লাগানো বুদ্ধিজীবি😎 বলেন "মানুষ" হও ।
আর আমি বলি "মানুষ" হয়েই বসে থেকো না

। "মানুষ" এর পরের সর্বশ্রেষ্ঠ ধাপ "মুসলমান" হও ।

সুরা- ইয়াসিন এ আল্লাহ তা'আলা "মানুষ" ও "মুসলমান" এর পার্থক্য বলে দিয়েছেন

। "মুসলমান" না হয়ে আল্লাহ তা'আলা ও তার রাসূল সা. কবরে যেতে নিষেধ করেছেন
। "মানুষ" হওয়া সহজ কিন্তু "মুসলমান" হওয়া খুবই কঠিন ।

নিজেদেরকে "মুসলমান" দাবী করা প্রায় ৫-১০ ভাগ শুধুমাত্র "মানুষ" আর বাকী ৯০-৯২ ভাগ আমরা শুধু নামমাত্র "মানুষ" হতে পেরেছি (অমানুষও এর ভিতরে অন্তর্ভূক্ত) সেখানে "মুসলমান" হওয়া তো দূর কি বাত!!!

একজন "মুসলমান" এর কাছে পৃথিবীর সমস্ত সৃষ্টি নিরাপদ ।

Copied from Fb

17/03/2023

সামনে রমজান। অনেকেই এই সময় উমরায় যাবেন। সারাবছরও অনেকে যায়। আমার একটা ছোট অভিজ্ঞতা শেয়ার করছি। হয়ত কারো কারো উপকারে আসবে। সেটা হলো, আমরা সবাই উমরায় যাবার ক্ষেত্রে ভাল, সৎ ও আমানতদার ট্রাভেল এজেন্সি খুঁজি। খু্ঁজতে খঁজতে পেয়েও যাই। সমস্যাটা হলো, অনেকসময় সেই ভাল এজেন্সি আপনার সব কাগজপত্র রেডি করে দিয়ে অন্য কোন লোকের গ্রুপের সাথে পাঠাতে পারে। তাদের নিজস্ব কোন গ্রুপ না। এটা নানান কারণেই হতে পারে। তাদের গ্রুপের সদস্য ফুলফিল না হবার কারণে কিংবা টিকেট জটিলতা ইত্যাদির কারণে। তো যার গ্রুপে আপনাকে পাঠাচ্ছে সে যদি খারাপ পড়ে বসে, তাহলে আপনার ভোগান্তির কোন অন্ত থাকবে না। কেননা বিমানবন্দর থেকেই আপনার সবকিছুর দেখভাল আর ওই আপনার খুঁজে বের করা সেই ভালো এজোন্সির হাতে থাকবে না। সবকিছুর নিয়ন্ত্রণ তখন নতুন লোকের কাছে। তাই এজেন্সি ভালো হবার পাশাপাশি খোঁজ নিবেন, তাদের নিজেদেরই গ্রুপের সাথে আপনাকে নিবে নাকি অন্য কোন এজেন্সির গ্রুপের সাথে মিলিয়ে দিবে।

এই বিষয়টা না বুঝার কারণে গত রমজানে আমি এত ভোগান্তিতে পড়েছি যা লিখে প্রকাশ করার মতো না। আমি একা হলে সমস্যা ছিল না, পুরুষ হিসেবে যে কোন পরিস্থিতি সামলে নেওয়া যায়। কিন্তু সাথে বউ থাকায় সবচে বেশি কষ্টে পড়তে হয়েছে। আর যেই লোকের (আমীর) গ্রুপে দিয়েছে, সে এত বেশি পরিমাণে মিথ্যা বলে যা কল্পনার বাইরে। মানুষ কীভাবে এমন মিথ্যা বলে তাও আবার বড় লাল দাড়ি/জুব্বা সমেত, এটা আমার মাথায় ধরে না। ঢাকা ইয়ারপোর্ট থেকে আমাদের ভোগান্তি শুরু ওমরা শেষ করা পর্যন্ত। বিষয়গুলো কেমন ছিল, না বললে বুঝবেন না। তাই সংক্ষেপে লিখছি।

আমাদের বারবার তাগাদা দিয়ে বারাবর হলো ইফতারির আগেই বিমানবন্দর থাকতে। তাদের কথা মেনে চলে গেলাম। বিমানবন্দর এসে যেই লোক আমীর তাকে কল দিলাম। সে রিসিভ করেই কোন সালাম/কালাম বা আমি কে কি এসব ভালমন্দ না শুনেই প্রথম যে কথাটা বলল- আমি এখন কথা বলতে পারব না। আমি খুব ব্যস্ত বিমানবন্দরে। এখানে অনেক ভীড়। আমি বললাম, আপনি কথা তো আগে শুনবেন। আমি ওমরার যাত্রী আপনার সাথের। আপনি কোন টার্মিনালে আছেন। আমি সেখানে আসতেছি তাহলে। উনি বললেন, আমি তো গাড়িতে। এখনো পৌঁছতে পারিনি। আপনি ২ নং টার্মিনালে ওয়েট করেন। আমি একটা ধাক্কা খেলাম। এই তার মিথ্যা বলা স্টার্ট, যা পুরো সফরে বহাল ছিল।

ইফতার কিনে আনলাম দোকান থেকে। টার্মিনালে বসে বসে মশার কামড় খেলাম পাক্কা দুই ঘন্টা। এখানেই ক্লান্ত হয়ে পড়লাম। অবশেষে উনি আসলেন তার যাত্রীদের নিয়ে। তখন বুঝলাম তিনি অন্য এজেন্সির। আমাদেরকে তার হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।

জেদ্দায় পৌঁছে ইমিগ্রেশন পার হবার পর কয়েকজন গেল ওয়াশরুমে। আমীর সাহেব তাদের জন্য অপেক্ষা না করে অন্যদের নিয়ে চলে গেলেন। আমরা আর তাদের কোনমতেই খুঁজে পাচ্ছি না। এই পেরেশানিতে সাহরির সময় গেল পার হয়ে। ইফতারি করতে পারিনি ঠিকমতো। বিমানে খাওয়া হালকা খাবারই পরের দিন রোজা রাখার পাথেয় এখন। এত বিশাল বিমানবন্দরে কোথায় খুঁজি তাকে। আমরা ১২ জনের মতো। মহিলা আছে ৫জন। কারো নাম্বার নেই। সীমকার্ড নেই। হোটেলের কোন ঠিকানা আমাদের জানানো হয়নি। নইলে ট্যাক্সি ভাড়া করে চলে যেতাম। এভাবে খুঁজতে খুঁজতে ফজর পার হয়ে সকাল ৭টা হয়ে গেল। শেষমেষ কোন উপায়ন্তর না দেখে আমি এক পুলিশের কাছে গিয়ে বিস্তারিত খুলে বললাম। ভাগ্যিস আরবীটা জানা ছিল। (এই বুদ্ধিটা আগে মাথায় আসেনি।) তিনি অন্য লোকের কাছে পাঠালেন। তারা আমাকে নিয়ে গেল বাস স্টপিজে। সেখানে বহু খোঁজাখোঁজি করে শেষমেষ আমীর সাহেবকে পেলাম। তিনি বাসের দরজায় দুই হাত দিয়ে দাড়িয়ে আছেন। আমাদের জন্য নাকি অপেক্ষা করতেছেন। কেমন রাগ উঠে বলেন! পরে আমি ফিরে গিয়ে বাকিদের নিয়ে আসলাম।

মক্কা পৌঁছতে পৌঁছতে সকাল দশটা। চারদিকে প্রচন্ড রোদ উঠে গেছে। অথচ জেদ্দায় এই ভোগান্তি না হলে আমরা খুব সকালে মক্কায় পৌঁছে ঠান্ডায় ঠান্ডায় উমরাটা সেরে ফেলতে পারতাম। কিন্তু কে জানত, ভোগান্তি এখনো শেষ হয়নি। মক্কায় পৌঁছে আমির সব আমাদেরকে বাসে বসিয়ে রাখলেন পাক্কা ১ঘন্টা। উনি উধাও। সবাই একে অপরকে জিগ্যেস করছে ঘটনা কী! কেউ কিছু বলতে পারে না। আমদেরকে আগে বলা হয়েছিল থ্রি স্টার মানের হোটেল বুক করা আছে। এখন উনি ১ ঘন্টা পর এসে বলতেসেন, ভালো হোটেল ভাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। আমি একটা বাসা দেখে এসেছি। আপনারা আসেন, দেখেন। যদি ভাল মনে হয় তাহলে আমরা সেখানে উঠব। আমরা মুখ চাওয়া-চাওয়ি করছিলাম, হচ্ছেটা কী!

যাইহোক, বাস থেকে সামানাপত্র নামিয়ে সেখানে গেলাম। একটা পাহাড়ের উপরে, আবার্জনা চারদিকে। উপর থেকে পানি পড়ে গায়ে রাস্তায়। কী এক অবস্থা! সেখানে নিয়ে সবাইকে বলছে অত অত তলাতে যান। এবার আমি রেগে গেলাম। বললাম, আপনি বাস থেকে নামার সময় বললেন, হোটেল পাচ্ছেন না তাই এটা দেখেছেন। আমাদের যদি পছন্দ হয় তাহলে উঠব। কিন্ত আপনি তো সবকিছু ফাইনাল করে ভাগ করে দিচ্ছেন দেভা যাচ্ছে! অন্যরাও এবার রেগে গেল। সবাই খুব বিরক্ত। উনি আমাকে বলছেন আপনি কে? আপনাকে তো আমি চিনি না। আমি যেন আকাশ থেকে পড়লাম। কী বলে এই লোক! মানে আমি যেহেতু মূলত তার এজেন্সির না, সেই কথাটাই উনি বুঝালেন। বিশাল এক দফা ঝগড়া হলো সেখানে। আগেরদিন ঠিক মতো ইফতার করতে পারিনি, লম্বা সফর, জেদ্দায় হারিয়ে যাওয়াসহ সবমিলিয়ে আমরা এতটা ক্লান্ত ছিলাম আর কষ্ট হচ্ছিল যা ভাষায় প্রকাশ করার মতো না। বেশি খারাপ লাগছিল সাথে থাকা বউয়ের জন্য। মহিলারা সাধারণত এত ঝক্কি সহ্য করে অভ্যস্ত না।

আপাতত সেখানেই উঠে ফ্রেশ হলাম। তারপর আমি গেলাম সীম কিনতে। যাতে আমার এজেন্সির লোকের সাথে যোগাযোগ করে সবকিছু খুলে বলতে পারি। কেননা উনি বলেছিলেন আমাদের হোটেল সব ঠিক করা আছে আগে থেকে। ক্লান্ত শরীরে পা চলছিল না। গরমে গলা শুকিয়ে যাচ্ছে বারবার। তবুও পা টেনে গেলাম মসজিদে হারামের কাছে সীমের দোকানে। গিয়ে দেখি ভুলে পাসপোর্ট/ভিসা রেখে এসেছি। মাথা আসলে কাজ করছিল না। পরে একজন ইয়েমেনিকে সবকিছু বুঝিয়ে বলে তার থেকে হটসপট নিয়ে দেশে যোগাযোগ করলাম। আমার ট্রাভেল এজেন্সির লোক তখন বলল, আপনি আমাকে আমিরের সাথে যোগাযোগ করিয়ে দেন। আমি এখানে তাকে পাব কই? মানে ভোগান্তির যেন কোন শেষ নেই। ১দিন এভাবে আরো অনেকগুলো ভাগান্তি হলো। কোন মতে উমরার কাজ সারলাম। মন ও শরীরের অবস্থা এতটা কাহিল ছিল, এভাবে আসলে ইবাদত করা যায় না। সায়ী আর তাওয়াফে এতটা কষ্ট হলো শরীরের ক্লান্তির কারণে কি আর বলব! রেস্ট নিয়ে যে পরে উমরা করব সেটাও পারছিলাম না। যেহেতু আমাদের হোটেলই তখন পর্যন্ত ঠিক হয়নি। অন্য একজনের রুমে কোন মতে ১দিন কাটল। পর্দা করা বহু মুশকিল ছিল। যেন নফল আদায় করতে এসে ফরজ বরবাদ হবে অবস্থা। আর বিস্তারিত লিখছি না। শেষমেষ ১দিন পরে অন্য একটা হোটেলে আমাদের নেওয়া হলো। সেটাও করোনার কারণে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর প্রথম খুলেছে। ফলে বাথরুমের কল কাজ করে না, এসিতে ঝামেলা। সমস্যার যেন শেষ নেই। বহু কষ্টেক্লিষ্টে মক্কার দিনগুলো গুজরান করি। মদীনাতে অবশ্য সবকিছু ঠিক ছিল।

কথাগুলো হয়ত ৫ মিনিটে পড়ে ফেলতে পারছেন। কিন্তু রোজা রেখে সেদিন আমার ও আমাদের কী পরিমাণ কষ্ট আর ভোগান্তি হয়েছে এটা নিজে এমন পরিস্থিতিতে না পড়লে পুরোপুরি বুঝবেন না। রোজার দিন না হলে হয়ত কষ্টটা কম হতো। অন্তত যদি সাহরি ইফতারটাও ঠিক মত করতে পারতাম তাহলেও হতো। যাইহোক, সেজন্য যেই এজেন্সির মাধ্যমে যাচ্ছেন ভালো মতো জেনে বুঝে যাবেন। আপনাকে অন্য কারো হাতে তুলে দিচ্ছে কিনা সচেতন থাকবেন। আর অবশ্যই আগে থেকে মক্কায় কোন হোটেল বুক করা সেটার ঠিকানা জেনে নিবেন। যাতে অসুবিধা হলেও নিজে ট্যাক্সি নিয়ে চলে আসতে পারেন।

(আমি এগুলো এতদিন প্রকাশ করিনি। এক বছর পর আজ লেখলাম। যাতে অন্যরা ব্যাপারগুলো জেনে সচেতন হতে পারে।)

04/03/2023

আমার দাদা মানুষটা দ্বীন নিয়ে যতটুকু জানতেন ঠিক ততটুকু মানতেন।তাহাজ্জুদ, ইশরাক না ছাড়া,নিয়মিত কুরআন পড়া,যিকির করা,হারাম না খাওয়া,সুন্নতি লিবাস,মিসওয়াক,স্ত্রীকে পর্দার ভেতর রাখা।
আমি শিউর দাদা কুরআনের আয়াত বুঝতেন না,বাংলা পড়তে জানতেন না।অথচ কুরআন পড়তে গিয়ে কান্না করতে করতে, নফল নামাযের কান্নায় উনার দুই চোখের দুই পাশে কান্নার দাগ পড়ে গিয়েছিলো।

আমরা নতুন নতুন দ্বীনের দেখা পেয়ে যতটা জানতে থাকি ঠিক ততটা মানার চেষ্টা করি,কিন্তু যত সময় অতিক্রম হতে থাকে তত জানার অনুপাতে আর মানি না, যেকারণে ঈমান যতটা মজবুত হওয়ার কথা ততটা হয় না,যত ফিকহের বিষয়, ইখতেলাফি বিষয় জানতে থাকি তত নিজের ব্যাপারে কঠোর না হয়ে ছাড়তে থাকি,নিজেকে ছাড় দিই।

ভুলে যায়,জানার অনুপাতে না মানলে,আমল না করলে ওভাবে সব দিকে মজবুত অবস্থানে থাকা যায় না।

হানাফি মাযহাবের উনাদের দেখবেন, আসরে চার রাকাআত ফরজের সাথে, মুস্তাহাব পড়ছেন।কিন্তু যখনই বুঝবেন,জানলেন মুস্তাহাব না পড়লেও চলে তখনই দিলেন ছাড়।একটা সময়ে ঠিকই সময় হতো ৪+৪ /৮ রাকায়াত নিয়মিত পড়ার, আর এখন সময় নেই।

যখন জানলেন তারাবীহ সলাহ ২০ রাকাআত না পড়লেও চলে,তখন দেখা গেলো ৮ রাকাআত ও পড়া হচ্ছে না।যখন জানলেন, হাত মোজা,নিকাব পড়ার ব্যাপারে মতপার্থক্য আছে,দিলেন ছেড়ে।
যেসব জায়গায়,ক্ষেত্র ভেদে নিকাব বাধ্যতামূলক, সেসব জায়গাতেও পড়লেন না।

মাযহাব মানেন, না মানেন, নিজের উপরে ছাড় দেওয়া /সহজতা নিয়ে আসলে একটা সময় পরে অনেক উত্তম জিনিস হারিয়ে যায়। আমি বলছি না,কোয়ালিটি কমিয়ে দিন।কিন্তু কোয়ালিটি এবং কোয়ান্টিটি দুটোই জরুরি। জানার অনুপাতে আমলের অনুপাত ঠিক হওয়া চাই।এই পোস্ট আমার নিজের জন্য।
(নিজের কিছু ব্যাপারে মন খারাপ হয়েই লেখা।)

Address

House 29 Road 05 Block/B, Banasree R/A
Dhaka
1219

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Doctor Altaf Hossain posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Doctor Altaf Hossain:

Share

Category