19/09/2023
একবার ভেবে দেখেছেন কি? আমাদের চারিদিকের বায়ুতেই মিশে আছে কত কত ক্ষতিকর জিনিস। শ্বাস নিচ্ছি, শ্বাস নেওয়াটা পর্যন্ত হয়ে উঠছে ক্ষতিকারক।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাংলাদেশে ১৯৯৮ সালের তুলনায় বায়ু দূষণ ৬৩ শতাংশ বেড়েছে। আর এতে মানুষের গড় আয়ু ২ বছর ৮ মাস কমেছে। বায়ু দূষণের বড় বড় কারণ চাইলেই খুঁজে বের করা যায়, সরকারকে দোষ দেওয়া যায়, বড় বড় প্রতিষ্ঠানকে দোষ দেওয়া যায়। কিন্তু ঘরের সোফায় বসে নিজে বায়ু দূষণে কন্ট্রিবিউট করে আর কতদিন আমরা অন্যকে দোষ দিবো? ভেবেছেন একবারও আপনি কীভাবে বায়ূ দূষণ করছেন? আসুন জেনে নেই কিছু কারণ-
১. গাড়ি, মোটর সাইকেল, বাস ইত্যাদি যানবাহন। এগুলো থেকে বায়ু দূষণের পাশাপাশি শব্দ দূষণও ঘটে। এসব যানবাহন থেকে কার্বন মনোক্সাইড (CO) নির্গত হয়। কার্বন মনোক্সাইড একটি বর্ণহীন, গন্ধহীন এবং বিষাক্ত গ্যাস। প্রাকৃতিক গ্যাস, কয়লা বা কাঠ এর অসম্পূর্ণ দহণেও CO তৈরী হয়। কারণে অকারণে যানবাহন ব্যাবহার করা বন্ধ করুন। পাব্লিক ট্রান্সপোর্ট বেশি ব্যবহার করুন।
২. রঙ, হেয়ার স্প্রে, অ্যারোসল স্প্রে, বার্নিশ এবং এ জাতীয় অন্যান্য দ্রাবক থেকে নির্গত গ্যাস বায়ু দূষণ করে।
ব্যবহার্য সামগ্রী বুঝে দেখে কিনুন।
৩. যেখানে সেখানে বর্জ্য ফেলা বায়ু দূষণের একটি অন্যতম প্রধান কারণ। উন্নয়নশীল কিংবা দরিদ্র দেশগুলোতে বর্জ্য অপসারণের পরিপূর্ণ ব্যবস্থা না থাকায় দেখা যায় বসতির আশে পাশেই বর্জ্যের স্তুপ তৈরী হয়। এগুলো মিথেন গ্যাস উৎপন্ন করে। মিথেন বিষাক্ত এবং অতীব দাহ্য গ্যাস যা বাতাসের সাথে বিস্ফোরক মিশ্রণ তৈরী করতে পারে।
নিজেদের পরিবেশেরই ক্ষতি করে কোনো স্বার্থ কি পাচ্ছি আমরা? একটু সচেতন হই?
৪. গাছপালা বিহীন বিশাল এলাকা বা জমি থেকে ধুলো বায়ু দূষণের আরেকটি বড় কারণ।
গাছপালা গণহারে কেটে ফেলছি, ভাবছি না একটু একটু করে কত ক্ষতির সম্মূখীন হচ্ছি আমরা!
অন্যের জন্যেও নয়, নিজের জন্য ভাবুন। এগিয়ে আসুন নিজ নিজ জায়গা থেকে, বায়ূ দূষণ রোধ করুন!
with