10/04/2025
মারকাযুল মাআরিফ বালিকা মাদরাসা🎂🎁🎁
মারকাযুল মাআরিফ নারী শিক্ষিকার পাঠদানে পরিচালিত একটি মেয়েদের মাদরাসা।
এখানে ইসলামী তারবিয়াতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে, মাদরাসা ও সাধারণ শিক্ষার সমন্বয়ে জীবনমুখী কর্মজ্ঞানকে সামনে রেখে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
✔✔✔শিক্ষাকার্যক্রম ও সিলেবাস তথ্য
অত্র প্রতিষ্ঠানের শিক্ষাকার্যক্রম পর্যায়ক্রমে চারটি স্তরে বিভক্ত থাকবে।
১-মক্তব বিভাগ। ২ নাযেরা ৩- হিফযুল কোরআন বিভাগ। ৪- কিতাব বিভাগ।
📚📚📚📚মক্তব বিভাগ (শিশু শ্রেণী- চতুর্থ শ্রেণী)📚📚📚📚
এ স্তরটিতে শিক্ষার্থীদের মূলত কোরআন তেলাওয়াত শিক্ষাদানের উপর প্রাধান্য দেয়া হয়। পাশাপাশি বাংলা, ইংরেজী, গণিত, সাধারণ জ্ঞান বিষয়ে প্রয়োজনীয় পাঠদান করা হয়। এতে স্কুল এবং মাদরাসা শিক্ষার সমন্বয়ে যুগোপযোগী একটি কারিকুলাম প্রণয়ন করা হয়েছে
প্রথম শ্রেণী পর্যন্ত আমাদের শিক্ষার্থীরা তাদের বয়স ও যোগ্যতা অনুযায়ী নির্ধারিত পাঠ্যক্রমের অধীনে শিক্ষা লাভ করবে।
সাথে সাথে তাদের এই বর্ষেই কুরআন শরীফ নাযেরা অধ্যয়ন শুরু করে এক থেকে দশ পারা নাযেরা সম্পন্ন করা লক্ষ্য থাকবে।
📚📚📚📚📚আমাদের মক্তবের বিশেষত্ব📚📚📚📚📚
🔰একই ছাতার নিচে দ্বৈত শিক্ষা ব্যবস্থা
🔰কুরআন, হাদীস এবং ফিকহের জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি একাডেমিক শিক্ষার সুযোগ।
🔰আলাদা মাদরাসা ও স্কুলে সময় দেওয়ার প্রয়োজন নেই। এক জায়গায় উভয় শিক্ষার সমাধান।
🔰আমাদের সিলেবাস ও পদ্ধতিতে চতুর্থ শ্রেণী পড়ুয়া শিক্ষার্থী গতানুগতিক ধারার চতুর্থ শ্রেণী পড়ুয়া একজন শিক্ষার্থীর সমপরিমাণ বাংলা ও ইংরেজি শিখতে পারবে ইনশাআল্লাহ।
🔰দ্বিতীয় শ্রেণীর মধ্যে একজন শিক্ষার্থীকে কোরআন মাজীদ সহিহ শুদ্ধ করণের মাধ্যমে হিফজের জন্য সম্পূর্ণ উপযোগী করে তোলা হবে।
🔰চতুর্থ শ্রেণী পড়ার পর একজন শিক্ষার্থী কিতাব বিভাগে ভর্তি হতে পারবে অথবা তার আগ্রহ ও মেধার উপর ভিত্তি করে স্কুলের পঞ্চম শ্রেণীতে ভর্তি হতে পারবে।
🔰শিশুদের উপযোগী করে কোরআনের ভাষা শিক্ষা দান। আকিদাহ, সীরাত, শিক্ষাদানসহ আদব -শিষ্টাচার মাসআলা- মাসায়েল ও দোয়া মাসুরা, নামাজের দোআসমূহ ইত্যাদি মুখস্ত করে তার সর্বোচ্চ অনুশীলন করা হয়ে থাকে।
📚📚📚📚📚📚📚নাযেরা বিভাগ📚📚📚📚📚📚
দ্বিতীয় শ্রেণী থেকে শিক্ষাথীরা দুই ভাগে ভাগ হয়ে যাবে।
যারা হিফযে আগ্রহী তারা নাযেরা বিভাগে ভর্তি হবে। এবং তাদের সম্পূর্ণ সময় নাযেরা অধ্যয়নের জন্য ব্যয় করবে। এই সময়ে তাদের জন্য নির্ধারিত জেনারেল ক্লাসগুলো প্রতিদিন ১ ঘণ্টা সময় নিয়ে পরিচালিত হবে। (দ্বিতীয় শ্রেণী থেকে শুরু করে হিফয শেষ করা পর্যন্ত তাদেব জেনারেল ক্লাসগুলো একই নিয়মে পরিচালিত হবে।)
তবে যারা কিতাব বিভাগে ভর্তি হতে চায় তারা ধারাবাহিকভাবে সিলেবাস অনুযায়ী চতুর্থ শ্রেণী পর্যন্ত অধ্যয়ন করবে সাথে সাথে কোরআনের নাজেরা সম্পন্ন করে কিতাব বিভাগের প্রথম বর্ষে ভর্তি হবে।
✔হাফেজা উস্তাজার মাধ্যমে নাযেরা বিভাগে পাঠদানের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা।
✔নাযেরা বিভাগেই আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে তেলাওয়াতের ওপর সুদৃঢ় ভিত্তি গড়ে তোলার প্রতি বিশেষ গুরুত্বারোপ।
📚📚📚📚📚হিফযুল কুরআন বিভাগ📚📚📚📚📚
আমাদের মারকাযের দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা সম্পূর্ণ কুরআনের নাযেরা শেষ করে এ বিভাগে ভর্তি হয়। এছাড়া, যারা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে কুরআনের নাযেরা সম্পন্ন করেছে, তারাও এ বিভাগে ভর্তির সুযোগ পাবে।
🔰🔰🔰হিফযুল কোরআন বিভাগের বিশেষত্ব
🔹অভিজ্ঞ হাফেজা ও কারীয়াদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে অত্যন্ত যত্নসহকারে কুরআন হিফজ করানো।
🔹আন্তর্জাতিক মান রক্ষা করে দ্রুততম সময়ে হিফজ সম্পূর্ণ করণের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা।
🔹আন্তর্জাতিক মানের ক্বারীদের মাধ্যমে মশকের ব্যবস্থা।
🔹শিক্ষার্থীদের তেলাওয়াতকে সর্বোচ্চ আদর্শিক মানে উন্নীত করার লক্ষ্যে বিশ্বখ্যাত কারীদের তেলাওয়াতের অডিও রেকর্ড শোনানো।
🔹সাপ্তাহিক ও মাসিক রিপোর্ট অভিভাবকের কাছে হস্তান্তর।
🔹দুর্বল ও অমনোযোগী ছাত্রীদের প্রতি বিশেষ গুরত্বারোপ।
🔹ইয়াদ মজবুত করার জন্য দৈনিক প্রশ্নোত্তর পর্ব এবং নামাযে তেলাওয়াতের উপর বিশেষ তদারকি।
🔹জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের উপুযক্ত করে শিক্ষার্থীদের গড়ে তোলার প্রচেষ্টা।
🔹হিফজের গুণগত মান অক্ষুণ্ন রেখে শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্মত সাধারণ শিক্ষার সুযোগও নিশ্চিত করা হয়েছে।
🔰🔰🔰কিতাব বিভাগ (মাদানী নেসাব ১ম বর্ষ থেকে ৩য় বর্ষ।)🔰🔰
মাদানী নেসাব হচ্ছে মাওলানা আবু তাহের মেসবাহ সাহেব দা.বা. প্রণিত যুগোপযোগী কারিকুলাম, যেখানে একজন শিক্ষর্থী সবচেয়ে সহজতর উপায়ে আরবী শিখতে পারে।
যারা হিফযুল কুরআন শেষ করেছে কিংবা আমাদের এখানে চতুর্থ শেণীতে পড়েছে অথবা যারা সম্পূর্ণ কুরআন শুদ্ধভাবে দেখে দেখে তেলাওয়াত করতে পারে এবং ৫ম শ্রেণীতে পড়ার যোগ্যতা অর্জন করেছে তারা এই স্তরে ভর্তির জন্য বিবেচিত হবে।
🔰🔰🔰 🔰🔰🔰🔰কিতাব বিভাগের বিশেষত্ব🔰🔰🔰🔰
✅মাদরাসাতুল মাদীনাহ থেকে ফারেগ, যোগ্য ও অভিজ্ঞদের পরামর্শ ও পাঠদানে পরিচালিত।
✅এক বছরে আরবী পঠন, লিখন, কথন যোগ্যতা অর্জন করতে সক্ষম হবে।
✅এক বছরের মধ্যেই, ইনশাআল্লাহ, শিক্ষার্থীরা কোরআনের অনেক আয়াত ও অনেক হাদিসের অনুবাদসহ অধ্যয়ন করতে পারবে। আর ✅প্রথম তিন বছরেই তারা সম্পূর্ণ কোরআনের অর্র্থ বোঝার সক্ষমতা অর্জন করবে।ইনশাআল্লাহ।
✅আরবী ও বাংলা সাহিত্যে দক্ষতা অর্জনের লক্ষ্যে রোযনামচা ও লেখালেখির বিশেষ অনুশীলন।
✅দ্বিতীয় বর্ষে নাহবেমীর এর সিলেবাস সংযুক্ত করে বোর্ড পরীক্ষায় অংশগ্রহণ।
📞 যোগাযোগ
🏠 বাড়ি -৩৮, রাড-৪, ব্লক- ই, বনশ্রী, রামপুরা, ঢাকা।
০১৬৮২৩৮৭৭০৭
০১৫৬৮৭০৬৪৫৬