ALBD Media Cell

ALBD Media Cell ALBD Media Cell |Awami Party-ALBD |
The oldest & largest Political Party of BD |
www.albd.org/

বিএনপি’র শাসন আমলে সারসহ কৃষি উপকরণের চরম সংকট ছিল। বিএনপি তাদের সময়ে কৃষককে সার দিতে না পেরে পালিয়ে পালিয়ে বেড়িয়েছে। সা...
30/05/2023

বিএনপি’র শাসন আমলে সারসহ কৃষি উপকরণের চরম সংকট ছিল। বিএনপি তাদের সময়ে কৃষককে সার দিতে না পেরে পালিয়ে পালিয়ে বেড়িয়েছে। সারের জন্য বিএনপি সরকার ১৯৯৫ সালে ১৮ জন কৃষককে গুলি করে হত্যা করেছিল। বিপরীতে, বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার সারের উৎপাদন ও আমদানি অব্যাহত রেখেছে।

যেখানে বিএনপি’র শাসন আমলে (২০০৫-০৬ অর্থ বছরে) সারে ভর্তুকির পরিমাণ ছিল মাত্র ১ হাজার ৯৫ কোটি টাকা। ২০০৫-০৬ অর্থ বছরের তুলনায় বর্তমানে ৪০ (চল্লিশ ) গুণ বেশি বা ৮৮ হাজার কোটি টাকা বেশি ভর্তুকি প্রদান করা হচ্ছে। যার ফলে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং কৃষকগণ সরাসরি উপকৃত হচ্ছেন।

২০০৫-০৬ অর্থবছরের প্রতি কেজি ইউরিয়াতে ভর্তুকির ছিল ১৫ টাকা, টিএসপিতে ২.৫৩ টাকা, এমওপিতে ২.৬২ টাকা, ডিএপিতে ৫.৫০ টাকা আর বর্তমানে ২০২২-২৩ অর্থবছরে আওয়ামী লীগ সরকার ভর্তুকি দিচ্ছে ইউরিয়াতে ৫৯ টাকা, টিএসপিতে ৮৬ টাকা, এমওপিতে ৯১ টাকা, ডিএপিতে ১০৭ টাকা।

কোভিড পরিস্থিতি এবং ইউক্রেন-রাশিয়ার মধ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বব্যাপী সারের মূল্য অস্বাভাবিক পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা ২০২০-২১ অর্থবছরের তুলনায় ০৪ থেকে ০৫ গুণ। বর্তমানে প্রতি কেজি ইউরিয়ার আমদানি ব্যয় ৮১ টাকা, টিএসপি ১০৮ টাকা, এমওপি ১০৬ টাকা এবং ডিএপিতে ১২৩ টাকা। এর ফলে বর্তমানে ভর্তুকি দাঁড়িয়েছে প্রতি কেজি ইউরিয়া ৫৯ টাকা, টিএসপি ৮৬ টাকা, এমওপি ৯১ টাকা এবং ডিএপিতে ১০৭ টাকা। এবং সারে প্রদত্ত সরকারের মোট ভর্তুকিও বেড়েছে প্রায় ৪ গুণ। ২০২০-২১ অর্থবছরে যেখানে ভর্তুকিতে লেগেছিল ২৮ হাজার কোটি টা; সেখানে ২০২১-২২ অর্থবছরে লেগেছে ৮৮ হাজার ৮২৮ কোটি টাকা।

কৃষিতে ভর্তুকির সুফল প্রধানত গ্রামের কৃষক ভোগ করেন। তাই কৃষিতে অধিক পরিমাণে বিনিয়োগ ও ভর্তুকি শহর-গ্রামের অর্থনৈতিক বৈষম্য হ্রাসে সহায়তা করে। আর যে বিষয়টি স্মরণে রাখতে হবে তা হলো, করোনা মহামারির সময় অর্থনীতির অন্যসব খাত ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কৃষি খাত আমাদের বাঁচিয়ে রেখেছিল। তাই রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বিশ্বব্যাপী খাদ্য সংকট সৃষ্টি হওয়ায় এবং যুদ্ধের মেয়াদ দীর্ঘায়িত হলে এ সংকট আরও বৃদ্ধি পাওয়ার সমূহ আশঙ্কা থাকায় আগামী অর্থবছরের (২০২২-২৩) বাজেটে কৃষিতে ভর্তুকির পরিমাণ বাড়াতে হবে এবং তা হতে পারে চলতি বছরের ভর্তুকির দ্বিগুণ বা তার চেয়ে বেশি।

সামাজিক নিরাপত্তাখাত বরাদ্দে নতুন উচ্চতায় পৌঁচেছে বাংলাদেশ। ২০০৬ সালে ছিল ২ হাজার ৫০৫ কোটি টাকা, বর্তমানে যা দাড়িয়েছে ১ল...
30/05/2023

সামাজিক নিরাপত্তাখাত বরাদ্দে নতুন উচ্চতায় পৌঁচেছে বাংলাদেশ। ২০০৬ সালে ছিল ২ হাজার ৫০৫ কোটি টাকা, বর্তমানে যা দাড়িয়েছে ১লাখ ১৩ হাজার ৫৭৬ কোটি টাকা। সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বরাদ্দ বেড়েছে প্রায় ৪০গুণ।

On May 17, 1981, Prime Minister Sheikh Hasina made her long-planned homecoming to Bangladesh after an inadvertent exile ...
30/05/2023

On May 17, 1981, Prime Minister Sheikh Hasina made her long-planned homecoming to Bangladesh after an inadvertent exile abroad since the gloomy August of 1975. Every year on May 17, "Hasina's Homecoming Day" is generally honoured by all Bangladesh Awami League leaders, supporters and common people. The day has become prominent in Bangladesh's history due to numerous incidents. The information below will help us understand the setting and significance of "Hasina's Homecoming Day."

The Juba League leader Sheikh Fazlul Haque Moni and the residents of Bangabandhu's brother-in-law, cabinet member Serniabat, were attacked by anti-liberation terrorists on the tragic August 15, 1975. By the mercy of the Almighty Allah, Sheikh Hasina and Sheikh Rehana, the two daughters and inheritors of Bangabandhu and Bangamata's sacred blood, were among those who survived the assassination. Most people know these events because they are now a part of our nation's history. Such horrific events plunged our Choto Apa Sheikh Rehana and HPM Sheikh Hasina into a chaotic, dark world of suffering. On the other hand, the issue of their safety grew more urgent because killers were on the prowl for Bangabandhu's blood heirs. The account of how they escaped and protected themselves for six years after the August killing before returning to the nation on May 17, 1981, could not be described in even the most incredible fiction.

The constant drive of Sheikh Hasina to create the golden Bengal that Bangabandhu envisioned is still in operation. The homecoming of Sheikh Hasina is a turning point for the democratic and secular outlook of Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman's supporters. The most significant legacy left by Bangabandhu is Sheikh Hasina. She likely inherited Bangabandhu's blood and leadership skills, which is not surprising or miraculous. Her leadership has ushered in brilliant prospects by piercing the long-lasting gloom that enveloped Bangladesh's fortune. The Prime Minister and President of the Awami League, Sheikh Hasina, appears to be the nation's dependable saviour in a catastrophic turn of events. She has persevered through many horrible tragedies to inspire hope in her people. She's been a tenacious foe in every catastrophe. She is now unrivalled as a leader in the nation after ensuring the safety of hundreds of millions of people during trying times. Of course, rating agencies have anticipated it and such analysis has been conducted for a very long period in the international media. Nobody can assert that the democratic political strategy of Bangladesh has always had a clear course. After Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman was assassinated on August 15, 1975, the military rulers tended to emulate the Pakistani government to run Bangladesh, which had gained its independence at a high price—the lives of millions—of people. Ziaur Rahman, who had unlawfully seized control of the government after Bangabandhu's passing, intended to establish a Pakistani-style government in Bangladesh.

ভবিষ্যতে যারা নেতা হতে চান, নিজের অভিজ্ঞতার আলোকে তাদের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা...
24/05/2023

ভবিষ্যতে যারা নেতা হতে চান, নিজের অভিজ্ঞতার আলোকে তাদের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মঙ্গলবার (২৩ মে) দুপুরে কাতার বিশ্ববিদ্যালয়ের রিসার্স কমপ্লেক্স অডিটোরিয়ামে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে দেয়া বক্তব্যে গুরুত্বপূর্ণ বেশ কয়েকটি পরামর্শ দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি আমার জীবনের অভিজ্ঞতা এবং সংগ্রাম থেকে ভবিষ্যৎ নেতাদের জন্য কয়েকটি পরামর্শ তুলে ধরতে চাই।’

শেখ হাসিনার দেয়া ৭টি পরামর্শ হলো:

১. নেতার মূল্যবোধ থাকতে হবে,

২. লক্ষ্যের প্রতি অটল থাকতে হবে;

৩. লক্ষ্য অর্জনে পরিপূর্ণ ও সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা থাকতে হবে;

৪. দৃষ্টান্ত সৃষ্টিকারী নেতৃত্ব দিতে হবে এবং সমাজে ‘চেঞ্জ মেকার’ হতে হবে;

৫. জনগণ এবং দলের ওপর আস্থা রাখতে হবে;

৬. মাতৃত্বের চেতনাকে জাগিয়ে তোলা এবং

৭. নতুন এবং ভবিষ্যতকে গ্রহণ করা।

এ ছাড়া জীবনের লক্ষ্যের ওপর গুরুত্বারোপ করে শেখ হাসিনা বলেন, জীবনে ভিশন এবং মিশন থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আর লক্ষ্যে পৌঁছাতে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এগিয়ে যেতে হবে।

জ্ঞান অর্জনের ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষিত জনগোষ্ঠী ছাড়া কোনো জাতি উন্নতি করতে পারে না।

শেখ হাসিনা বলেন, তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পর তার সরকার শিক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে। বিগত বছরগুলোতে বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নযন এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত, সমৃদ্ধ ও স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার দিকে এগিযে যাওয়ার কথা তুলে ধরেন টানা তিনবারের প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘আমরা একটি জ্ঞানভিত্তিক স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে চাই। স্মার্ট বাংলাদেশে, একটি স্মার্ট সরকার, স্মার্ট অর্থনীতি, স্মার্ট জনগোষ্ঠী, স্মার্ট সমাজ এবং স্মার্ট মানবসম্পদ থাকবে।’

প্রযুক্তির বিকাশে সরকারের নানা উদ্যোগের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণকে ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহারে দক্ষ করে গড়ে তোলা হবে যাতে তারা চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে অবদান রাখতে পারে।

তিনি বলেন, প্রাথমিক পর্যায় থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ডিজিটাল ল্যাব স্থাপন করছি। সারা দেশে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ ও ইনকিউবেশন সেন্টার এবং হাই-টেক পার্ক স্থাপন করা হচ্ছে।

শেখ হাসিনা বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশের উদ্দেশ্য হচ্ছে পরিবর্তনশীল বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, শিল্প উৎপাদন, ব্যবসা-বাণিজ্যসহ সব ক্ষেত্রে ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করা। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা হচ্ছে বলেও জানান তিনি। এক্ষেত্রে ন্যানো প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার জন্য একটি আইন পাসের কথাও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা তার বক্তব্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সংগ্রাম, ২৩ বছরের সংগ্রাম শেষে ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জন, স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশ গড়ে তোলার প্রচেষ্টা, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ঘাতকদের হাতে সপরিবারে নিহত হওয়া এবং পরবর্তী সামরিক শাসন এবং ২১ বছর পর আওয়ামী লীগের পুনরায় ক্ষমতায় আসার সংক্ষিপ্ত ইতিহাস তুলে ধরেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর তার নেতৃত্বাধীন সরকার বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের শক্ত ভিত গড়ে তোলে।

২০০১ সালের পরে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলকে বাংলাদেশের ইতিহাসে হত্যা, সন্ত্রাস, দুর্নীতির আরেকটি অন্ধকার যুগ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।

২০০৮ সালে দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর থেকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে দেশের উন্নয়নের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ‘গত সাড়ে ১৪ বছরে আমরা জাতির পিতার স্বপ্নের সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশের জন্য দেশকে প্রস্তুত করেছি।’

শেখ হাসিনা বলেন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং দারিদ্র্য বিমোচন, শিক্ষা ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজ এবং নারীর ক্ষমতায়নসহ আর্থ-সামাজিক খাতের সব বিভাগে বাংলাদেশ অসাধারণ অগ্রগতি লাভ করেছে।

তিনি বলেন, ‘২০১৫ সালে বাংলাদেশ নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়। আমাদের লক্ষ্য ২০৩১ সালের মধ্যে উচ্চ মধ্যয় আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উচ্চ-আয়ের দেশ উন্নীত হওয়া। বাংলাদেশ ২০২৬ সালে স্বল্পোন্নত দেশ হতে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের যোগ্যতা অর্জন করেছে।’

সরকারের নানা কর্মসূচিতে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা কমে আসার কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ এখন বিশ্বের ৩৫তম বৃহত্তম অর্থনীতি, সঙ্গে ৪৬০ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন ডলারের জিডিপি। যেখানে ২০০৫-০৬ সালে দেশের জিডিপি ছিল মাত্র ৬০ বিলিয়ন ডলার। মাথাপিছু আয় ২০০৫-০৬ সালে ৫৪৩ ডলার, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তা বৃদ্ধি পেয়ে ২০২২ সালে এটি দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৮২৪ ডলার।

শেখ হাসিনা বলেন, আজকের বাংলাদেশ একটি বদলে যাওয়া বাংলাদেশ। এটিকে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। দেশে ক্ষুধা, দারিদ্র্য, অপুষ্টি, নিরক্ষরতা দ্রুত বিলুপ্ত হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘এই অগ্রগতি কোনো মিরাকল নয়, এটি কষ্টার্জিত সফলতা। এটা আমাদের নারী-পুরুষের সম্মিলিত কাজ। আমি শুধু তাদের কাঙ্খিত পথে পরিচালিত করার চেষ্টা করেছি।’

বঙ্গবন্ধু কন্যা আরও বলেন, বাংলাদেশ আজ যে অবস্থানে এসেছে এই অবস্থানে পৌঁছানোর যাত্রা সহজ ছিল না। এ জন্য তাকে সারাজীবন অগ্নিপরীক্ষা এবং নিপীড়নের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে।

দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে আমরণ চেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এত প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি কেবল দেশবাসীর ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য তার সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন। যতদিন বেঁচে থাকবেন ততদিন সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেন তিনি।

#শেখহাসিনা #কাতার #কাতার_সফর

24/05/2023
18/05/2023

জননেত্রী শেখ হাসিনা, যিনি সাধারনেই অতিসাধারন......

বৈশ্বিক স্বীকৃতি পেল বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রীশেখ হাসিনার ‘কমিউনিটি ক্লিনিক’-----কমিউনিটিভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ে ...
18/05/2023

বৈশ্বিক স্বীকৃতি পেল বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনার ‘কমিউনিটি ক্লিনিক’
-----
কমিউনিটিভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ে জাতিসংঘে প্রথমবারের মত একটি প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়েছে। সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বে বাংলাদেশে কমিউনিটি ক্লিনিক ভিত্তিক মডেল প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অসামান্য উদ্ভাবনী নেতৃত্ব এই প্রস্তাব পাসের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেল।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে মঙ্গলবার বাংলাদেশের পক্ষে ‘কমিউনিটি ভিত্তিক প্রাথমিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থা: সার্বজনীন স্বাস্থ্য পরিষেবা অর্জনের লক্ষ্যে একটি অংশগ্রহণমূলক এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক পদ্ধতি’ শিরোনামের প্রস্তাবটি উত্থাপন করা হয়। জাতিসংঘের ৭০টি সদস্য রাষ্ট্র ওই প্রস্তাবে ‘কো-স্পন্সর’ করে।

#বাংলাদেশ #প্রধানমন্ত্রী #শেখ_হাসিনা #কমিউনিটি_ক্লিনিক #জাতিসংঘ াংলা

স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মানে দেশের তরুণদের সম্পৃক্ত করা এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন বার্তা দেশের প্রতিটি ...
18/05/2023

স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মানে দেশের তরুণদের সম্পৃক্ত করা এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন বার্তা দেশের প্রতিটি ঘরে পৌঁছে দিতে আওয়ামী লীগের জেলা ও মহানগর পর্যায়ে দলীয় কার্যালয়ে “স্মার্ট কর্ণার” স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। এরই অংশ হিসেবে বান্দরবান জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে 'স্মার্ট কর্নার' স্থাপন করা হয়েছে।

#বান্দরবান #আওয়ামীলীগ #স্মার্টকর্নার #স্মার্টবাংলাদেশ

Address

23, Bangabandhu Avenue
Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ALBD Media Cell posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share